আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি : গৃহযুদ্ধ কি অবশ্যম্ভাবী?

আফগানিস্তানের নারীরা অস্ত্র হাতে

দুই যুগের লাগাতার যুদ্ধের পর বিশ্বের শক্তিধর যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। ২০ বছরের এই যুদ্ধ চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র না পেরেছে তালেবানকে ধ্বংস করতে, না পেরেছে দেশটিতে স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দিতে।   দেশটি এক নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে, যা নতুন গৃহযুদ্ধের শঙ্কা আরও বাড়িয়ে তুলছে। আফগান সরকারের বাহিনী কতদিন তালেবানকে ঠেকিয়ে রাখতে পারবে, তা নিয়ে প্রায় সবাই দ্বিধান্বিত।

লেখাটিতে যা আছে.... লুকিয়ে রাখুন

আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি

গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত আফগানিস্তান

ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান নিক কার্টার বলেছেন, আফগানিস্তান থেকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বিদেশি সেনাদের প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর দেশটি গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হতে পারে। আন্তর্জাতিক বাহিনীর সহায়তা ছাড়া দেশটির রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। আফগানিস্তানে ১৯৯০-এর দশকের গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে। সেখানে যুদ্ধবাজতন্ত্র নামের একটি সংস্কৃতি আছে। নৃতাত্ত্বিক ও উপজাতীয় ধারায় নিরাপত্তা বাহিনী ভেঙে যেতে পারে। যদি এমন কিছু ঘটে, তবে আমার ধারণা, তালেবান দেশটির একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করবে। কিন্তু, অবশ্যই, তারা কখনোই পুরো দেশ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।

তালেবান ঠেকাতে কয়েক শ কমান্ডো

তালেবানকে কোণঠাসা করতে কয়েক শ কমান্ডো পাঠিয়েছে আফগান সরকার। তালেবানের কাছ থেকে ১৪টি জেলার পুনর্দখল করেছে সরকারি বাহিনী এবং এ প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে। তালেবান যোদ্ধারা বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে হালকা ও ভারী অস্ত্র দিয়ে হামলা শুরু করে। তালেবান যোদ্ধারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে সড়কে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। সেনারা দাঁতভাঙা জবাব দেয়ার আগ্রাণ চেষ্টা করে।

কালা-ই-নো শহরে লড়াই শুরুর পর শহরের অন্তত ৭৫ হাজার বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। এখনকার সব দোকানপাট বন্ধ। সাধারণ মানুষ যারা আছে, কেউই ঘরের বাইরে যাওয়ার সাহস পাচ্ছে না। লড়াই ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের প্রদেশেও। এরই মধ্যে হেরাত প্রদেশের দুটি জেলা তালেবানের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। শহরের কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটক খুলে দিয়ে নিজেদের কয়েক শ যোদ্ধাকে মুক্ত করে নিয়েছে তালেবান।

বেপরোয়া হয়ে উঠছে তালেবান

মার্কিন ও পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সেনাদের আফগানিস্তান ত্যাগের পর ক্রমেই দাপট বাড়ছে সশস্ত্র তালেবানের। এরই মধ্যে বিভিন্ন জেলা দখলে নিয়েছে তারা। বেপরোয়া হয়ে উঠছে তারা। পশ্চিমা নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বলছেন, আফগানিস্তানের ১শ’ টিরও বেশি জেলা তালেবানের দখলে আছে। কিন্তু তালেবানের দাবি, ৩৪ টি প্রদেশের ২০০ টি জেলাই তাদের দখলে, যা দেশের অর্ধেকের চেয়েও বেশি। ওদিকে, আফগান সরকারের হাতে আছে দেশের প্রধান প্রধান নগরী ও রাজধানীগুলো। তালেবান যোদ্ধাদের ভাষায় ‘আমরা যুদ্ধক্ষেত্রে ঝাঁপিয়ে পড়ি এবং শত্রুকে পর্যুদস্ত না করা পর্যন্ত তরঙ্গের পর তরঙ্গ আকারে এগিয়ে যাই।’

 দৃশ্যমান হচ্ছে তালেবানের ছায়া প্রশাসন

আফগানিস্তানজুড়ে তালেবানের ছায়া প্রশাসন তত দৃশ্যমান হচ্ছে। দেশের যেসব এলাকা এত দিন দখল করতে পারেনি তারা, সেসবও দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসছে। সব মিলে দেশটির ৪২১ জেলার প্রায় অর্ধেকে সুবিধাজনক অবস্থায় আছে তালেবান।

আফগানিস্তানের ৩৪টি প্রদেশের মধ্যে গজনি প্রদেশটি গুরুত্বপূর্ণ কাবুল-কান্দাহার মহাসড়কের উপর এবং ইরান ও ভারতের মধ্যকার প্রাচীন বাণিজ্যপথের উপর অবস্থিত। তালেবান শহরে ঢুকে তাদের পতাকা উড়াতে সক্ষম হয়েছে। যদিও পরবর্তীতে নিরাপত্তা বাহিনী তালেবানকে পিছু হটাতে অভিযান শুরু করে। শহরে ব্যাপক সংখ্যক সরকারি বাহিনীর সদস্য রয়েছে। কিন্তু তালেবানের সঙ্গে লড়াই করার তাদের কোনো নৈতিক উৎসাহ নেই।

তালেবান-আফগান সেনা লড়াই চলছেই

আফগানিস্তানে পশ্চিমাঞ্চলীয় বাদঘিস প্রদেশের রাজধানী শহর তালেবান জঙ্গিদের কাছ থেকে পুনরুদ্ধার করেছে আফগান সেনারা।  তালেবান জঙ্গিরা বাদঘিসের রাজধানী কালা-ই-নাউ শহরে প্রবেশ করে হামলা চালায়। এই শহরের সঙ্গে তুর্কেমেনিস্তানের সীমান্ত আছে। শহরটির সীমান্ত এলাকায় এখনও কিছু জায়গায় লড়াই চলছে। তবে কালা-ই-নাউয়ে পিছু হটলেও বাদঘিস প্রদেশের বাদবাকি অঞ্চল এখনও তালেবানের হাতে আছে।

৩১ আগস্টের মধ্যে মার্কিন সামরিক মিশনের ইতি

আফগানিস্তান থেকে ইতোমধ্যে ৯০ শতাংশেরও বেশি মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয়ার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। হোয়াইট হাউসে দেওয়া এক ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে আফগানিস্তানে মার্কিন সামরিক মিশনের ইতি ঘটবে। তবে একটি স্থিতিশীল ও নিরাপদ আফগানিস্তান তৈরিতে সহায়তার প্রতিশ্রুতি থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে যাচ্ছে না। দেশটিতে মানবিক ও নিরাপত্তা সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে। তালেবানের ওপর আমার বিশ্বাস নেই। তবে ন্যাটো বাহিনী আফগানিস্তান ছাড়লেও দেশটিতে তালেবানের ক্ষমতা দখল অবশ্যম্ভাবী নয়।

বাইডেন বলেন, আফগান সামরিক বাহিনী তালেবানের অগ্রসর হওয়ার হাত থেকে দেশটিকে ধরে রাখতে পারবে। বিগত দুই দশকে তিন লাখ আফগান সেনাকে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে। ইতিহাসে কোনও দেশই আফগানিস্তানকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারেনি। জাতি গঠনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে যায়নি। আফগানরাই তাদের দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেবে। গৃহযুদ্ধের হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে আফগান নেতাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

আফগানিস্তান ছাড়ছে ব্রিটিশ সেনারা

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, আফগানিস্তানে ন্যাটো মিশনে নিযুক্ত সব ব্রিটিশ সেনা এখন দেশে ফিরছে। বেশিরভাগ ব্রিটিশ সেনা আফগানিস্তান ছেড়েছে। বাকিরাও শিগগিরই দেশে ফিরবে। আমি আমাদের প্রস্থানের সময়সূচি প্রকাশ করবো না, তবে পার্লামেন্টকে বলতে পারি যে আমাদের বেশিরভাগ কর্মী ইতোমধ্যে আফগানিস্তান ছেড়েছে। জার্মানির মতো অন্য ন্যাটো সদস্য দেশগুলো এরইমধ্যে তাদের সেনা প্রত্যাহারের কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।’

ফেরানো হবে পালিয়ে যাওয়া সৈন্যদের

আফগান সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হামদুল্লাহ মহিব এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, তালেবানের সঙ্গে লড়াইয়ে টিকতে না পেরে পার্শ্ববর্তী দেশ তাজিকিস্তানে পালিয়ে যাওয়া সৈন্যদের ফিরিয়ে ফের যুদ্ধে পাঠানো হবে। ইতোমধ্যে আফগানিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলের অবস্থানত্যাগী ২ হাজার ৩০০ সৈন্যকে ফের দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে। তাজিকিস্তানে পালিয়ে যাওয়া সৈন্যরা ফিরে আসছে এবং তারা আবারো ফায়জাবাদের মানুষজনের সেবায় নিয়োজিত হবে।

তালেবানের সঙ্গে লড়াই-সংঘর্ষে টিকতে না পেরে ১ হাজার ৩৭ আফগান সেনা সীমান্ত অতিক্রম করে প্রতিবেশী দেশ তাজিকিস্তানে পালিয়ে যায়। ৩ জুলাই একদিনেই আশ্রয় নিয়েছে আফগান বাহিনীর তিন শতাধিক সদস্য। আফগান সেনারা সাতটি পথ দিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে। মানবতা এবং সুপ্রতিবেশীর নীতির আলোকে তাদের প্রবেশের সুযোগ দেয় তাজিকিস্তান। সীমান্ত পেরিয়ে তাজিকিস্তান ছাড়া অন্যদেশে আশ্রয় নেয় প্রায় ৬০০ সেনা। তালেবানের দাপট বেড়েই চলছে। একের পর এক জেলা তালেবানের দখলে চলে যাচ্ছে।

অস্ত্র হাতে আফগান নারীরা

আফগান নারীরা তালেবানের বিরুদ্ধে ফের অস্ত্র তুলে নিয়েছেন। তলেবানের সঙ্গে লাড়াইয়ে প্রস্তুত এমন নারীর সংখ্যা কত তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে ভারী অস্ত্র হাতে তুলে নেয়া নারীদের সংখ্যা। এসব নারীদের দাবি ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল ছিল আফগান নারীদের জন্য অন্ধকার সময়। তালেবানের শাসনামলে নারীদের অধিকার হরণ করা হয়েছিল। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবাঞ্চিত ছিল আফগান নারীরা। ধর্মীয় আইনের নামে নারীদের অধিকার ও ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছিল।

 লুটপাট চালানোর অভিযোগ

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) জানিয়েছে, অধিকাংশ মার্কিন সেনা দেশে ফিরে গেছে। ন্যাটোর বাহিনীও আর নেই। এই অবস্থায় আফগানিস্তানজুড়ে আক্রমণ জোরদার করেছে তালেবান। ইতোমধ্যেই অনেকগুলো জেলার দখল নিয়ে নিয়েছে। সদ্য দখল করা এসব অঞ্চলে ব্যাপক লুটতরাজ চালাচ্ছে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি। কোথাও কোথাও ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে। ভয়ে-আতঙ্কে এলাকা ছেড়ে পালাচ্ছে অধিবাসীরা।আফগান সরকারের প্রতি সমর্থন দেওয়ায় বেসামরিক নাগরিকদের নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে তালেবান।

যুদ্ধের ঝুঁকিতে আফগানিস্তান

আফগানিস্তানের বাগরাম বিমান ঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনারা বিদায় নিয়েছে। আফগান মিশনের প্রধান ঘাঁটিটি খালি করে বিদেশি সেনাদের চলে যাওয়া গৃহযুদ্ধের দামামা বাজিয়েছে দেশটিতে। আফগানিস্তানের বিভিন্ন স্থানে তালেবানের দাপট বাড়ছে। আগামী দিনগুলোতে এই ঘাঁটিই তালেবান এবং আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘাতের মূল কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। বিদেশি সেনারা আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যেই আফগানিস্তানে তালেবান যোদ্ধারা হামলা চালিয়ে একের পর এক জেলা দখল করছে। এসব আলামতে দেশটিকে নিশ্চিতভাবেই গৃহযুদ্ধের পথে যেতে দেখা যাচ্ছে।

রাশিয়ার নিরাপত্তা হুমকি বাড়ছে

আফগানিস্তানের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি রাশিয়ার জন্য উদ্বেগের। আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহার রাশিয়ার জন্য নতুন এক মাথাব্যথার জন্ম দিয়েছে। কারণ এর ফলে মধ্য এশিয়ায় শরণার্থীর ঢল, জিহাদি হুমকি এবং এমনকি একটি সাবেক সোভিয়েত রাষ্ট্রে গৃহযুদ্ধের সূচনা হতে পারে। ১৯৭৯-৮৯ পর্যন্ত নিজেদের আফগান যুদ্ধে বিভীষিকা এখনও তাড়িয়ে বেড়ায় মস্কোকে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ স্পষ্ট করে বলেছেন, আফগানিস্তানে সামরিক উপায়ে জড়াতে চায় না রাশিয়া।

ঝুঁকিতে তাজিকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান 

তাজিকিস্তানে শরণার্থীদের ঢল মানবিক সংকট তৈরি এবং জিহাদিদের অনুপ্রবেশ ঘটতে পারে বলে মনে করছেন তিনটি সূত্র। এখানে ১৯৯২ থেকে ১৯৯৭ পর্যন্ত ইসলামপন্থীদের সঙ্গে গৃহযুদ্ধের ইতিহাস রয়েছে। সংকটে পড়তে পারে উজবেকিস্তান বা তুর্কমেনিস্তান। তুর্কমেনিস্তান প্রকৃতপক্ষে কোনও রাষ্ট্র নয় এবং আফগানিস্তানের সঙ্গে সীমান্তের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেই তাদের হাতে।

সাবেক রুশ কূটনীতিক ভ্লাদিমির ফ্রোলোভ বলেন, সবচেয়ে ঝুঁকিতে মনে হয় তাজিকিস্তান। এটি প্রায় ভঙ্গুর রাষ্ট্র এবং প্রেসিডেন্ট এমোমালি রাখমনের ছেলের ক্ষমতা গ্রহণের উত্তরাধিকার রয়েছে। ঝুঁকির জায়গা হলো জিহাদি শক্তিগুলো সমাজের চলমান বিভাজন ও ন্যায়বিচারের ধোঁয়া তুলে গৃহযুদ্ধ পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ নিতে পারে।

আফগানিস্তানে শান্তি সবার প্রত্যাশা

নান কারণেই আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা অনেক দেশেরই। শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলে মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক কিংবা বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ করে আফগানিস্তান ভবিষ্যতের জন্য সুবিধাজনক অবস্থান অর্জন করতে পারবে।

আফগানিস্তানের পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় আসলে এর সৌন্দর্যময় পর্যটন কেন্দ্র, কৃষিপণ্য ও ফল রপ্তানি প্রভৃতি আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎকে সুউচ্চে নিয়ে যেতে পারে। আফগানিস্তানের যুবারা বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে (ক্রিক্রেট, ফুটবল প্রভৃতি) উল্লেখ্যযোগ্য অবস্থানে পদার্পণ করেছে।

কাবুলের পরিস্থিতি শান্ত হলে আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ সদা উজ্জ্বল হবে। এখন শুধু সেনা প্রত্যাহারের জন্য অপেক্ষার প্রহর গোনার পালা। এখন দক্ষিণ এশিয়ার দেশ আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ কেমন হবে, তা সময়ই বলে দেবে।

কাবুলের ৭০ গ্রাম দখলে নিয়েছে তালেবান

আফগানিস্তানের কাবুল প্রদেশের সুরবি জেলার ৭০টি গ্রাম দখলে নিয়েছে তালেবান। কাবুল প্রদেশের সুরবি জেলার ১৩০ গ্রামের মধ্যে ৭০টি ইতোমধ্যে তালেবান যোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। কাবুল প্রদেশে ১৪টি জেলা রয়েছে।  এরমধ্যে হুমকির মধ্যে রয়েছে ৫টি জেলা।

তথ্যসূত্র

  • সিএনবিসি
  • ডিডাব্লিউ
  • রয়টার্স
  • আল জাজিরা
  • বিবিসি
  • আফগানিস্তান টাইমস
  • সিএএন
  • এএফপি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here