Home > বাছাইকৃত > ‘ঘুষ বাণিজ্য’ : বরিশালের উপকমিশনার বরখাস্ত

‘ঘুষ বাণিজ্য’ : বরিশালের উপকমিশনার বরখাস্ত

নায়েক, হাবিলদার থেকে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) পদে পদায়নের জন্য পুলিশ সদস্যদের কাছে থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে বরিশাল মহানগর পুলিশের (বিএমপি) উপকমিশনার মো. জিল্লুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁকে সিলেট রেঞ্জে সংযুক্ত করার আদেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আজ বুধবার বিকেলে এ সংক্রান্ত একটি ফ্যাক্স বার্তা বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের দপ্তরে পৌঁছে। বিএমপি কমিশনার শৈবাল কান্তি চৌধুরী এনটিভি অনলাইনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, বিএমপির প্রায় ২৩০ জন কনস্টেবল পদোন্নতির পরীক্ষায় পাস করে বসে আছেন শূন্য পদ সৃষ্টির আশায়। একে পুঁজি করে পুলিশ সদস্যদের একটি চক্র পদায়নের আশা দিয়ে উৎকোচ গ্রহণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এভাবে টাকা ওঠানোর বিষয়টি পুলিশ সদর দপ্তর জানতে পেরে মাঠে নামে সিকিউরিটি সেল।

পাশাপাশি এ ঘটনা তদন্তে বিএমপির উপপুলিশ কমিশনার শোয়েব আহমেদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এ ঘটনায় গত ২৭ জুন আরো ১০ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এঁরা হলেন বিএমপির রিজার্ভ কার্যালয়ের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আনিসুজ্জামান, এএসআই মনির হোসেন, নায়েক মো. কবির হোসেন, চালক কনস্টেবল শহীদুল ইসলাম, কনস্টেবল বাবলু জোমাদ্দার, রেশন স্টোর কিপার কনস্টেবল মো. আব্বাস উদ্দিন, কনস্টেবল আরিফুর রহমান, গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কনস্টেবল তাপস কুমার মণ্ডল, চালক কনস্টেবল দোলন বড়াল এবং এএসআই হানিফ।