<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>জিনিউজ বিডি ডটকম</title>
	<atom:link href="https://www.gnewsbd.com/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://www.gnewsbd.com/</link>
	<description>অনলাইন বাংলা নিউজ ম্যাগাজিন</description>
	<lastBuildDate>Fri, 10 Apr 2026 15:10:12 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://www.gnewsbd.com/files/2021/01/cropped-gnewsbd-logo-32x32.png</url>
	<title>জিনিউজ বিডি ডটকম</title>
	<link>https://www.gnewsbd.com/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>বিয়ের কিছুদিন পরে স্ত্রীর প্রতি স্বামীদের আগ্রহ কমে যায় কেন?</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[সুজি বি]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 10 Apr 2026 15:10:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জীবনধারা]]></category>
		<category><![CDATA[দাম্পত্য সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14132</guid>

					<description><![CDATA[<p>অনেকেই প্রশ্ন করেন—বিয়ের কিছু বছর পর কেন অনেক পুরুষ তার স্ত্রীর প্রতি আগের মতো আগ্রহ দেখায় না? বিষয়টি বুঝতে একটি [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0/">বিয়ের কিছুদিন পরে স্ত্রীর প্রতি স্বামীদের আগ্রহ কমে যায় কেন?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p data-start="63" data-end="211">অনেকেই প্রশ্ন করেন—বিয়ের কিছু বছর পর কেন অনেক পুরুষ তার স্ত্রীর প্রতি আগের মতো আগ্রহ দেখায় না? বিষয়টি বুঝতে একটি চাকরির উদাহরণ কল্পনা করা যেতে পারে।</p>
<p data-start="213" data-end="463">ধরুন, আপনি একটি চাকরির বিজ্ঞাপন দেখলেন। মনে হলো—এটাই তো সেই স্বপ্নের চাকরি! বেতন ভালো, অফিসের পরিবেশ সুন্দর, সময় সুবিধাজনক, সুযোগ-সুবিধাও চমৎকার। মনে মনে ভাবলেন, “এই চাকরিটা যদি আমি পেতাম!” আপনি সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করলেন, অবশেষে চাকরিটা পেয়ে গেলেন।</p>
<p data-start="465" data-end="640">প্রথম দিকে আপনার আনন্দের শেষ নেই। আপনি সুন্দর করে পোশাক পরে অফিসে যান, সময়ের আগেই পৌঁছে যান, কাজের বাইরে বাড়তি সময় দিয়ে নিজেকে দক্ষ করে তোলেন। সবকিছুই নতুন, সবকিছুই রোমাঞ্চকর।</p>
<p data-start="642" data-end="852">কিন্তু তিন মাস পর ধীরে ধীরে বাস্তবতা ধরা দিতে শুরু করে। বুঝতে পারেন, এই চাকরিটিও অন্য অনেক চাকরির মতোই। অফিস রাজনীতি আছে, কিছুটা চাপ আছে, বসের প্রত্যাশা অনেক বেশি, সহকর্মীরাও সব সময় সহযোগী নয়। কাজের চাপও কম নয়।</p>
<p data-start="854" data-end="1034">দুই-তিন বছর পর আপনি হয়তো পদোন্নতি পেলেন। দায়িত্ব বাড়ল, নতুন লোকদের নেতৃত্ব দিতে হচ্ছে, অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। চাকরিটা এখনও ভালো লাগে, ছাড়তে চান না, কিন্তু দায়িত্বের ভারও কম নয়।</p>
<p data-start="1036" data-end="1190">পাঁচ বছর পর দেখলেন, আপনি নিজেই প্রতিষ্ঠানের সিনিয়রদের একজন হয়ে গেছেন। নতুনত্ব আর আগের মতো নেই। একই ধরনের কাজ, একই ধরনের চ্যালেঞ্জ—কিন্তু দায়িত্ব আরও বেশি।</p>
<p data-start="1192" data-end="1416">এখন প্রশ্ন হলো, এই অবস্থায় কি আপনি প্রথম দিনের মতোই উত্তেজিত থাকতে পারবেন? বাস্তবতা হলো, বেশিরভাগ মানুষই পারেন না। কারণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নতুনত্ব কমে যায়, দায়িত্ব বাড়ে, এবং সম্পর্ক বা কাজ—সবকিছুই ধীরে ধীরে স্থিতিশীল রূপ নেয়।</p>
<p data-start="1418" data-end="1633">বিয়ের সম্পর্কও অনেকটা এমনই। শুরুতে সবকিছু নতুন ও রোমাঞ্চকর লাগে। একে অপরকে জানার আগ্রহ, চমক, আবেগ—সবকিছুই খুব তীব্র থাকে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্ক স্থিতিশীল হয়, দায়িত্ব বাড়ে, সংসারের নানা বাস্তবতা সামনে আসে।</p>
<p data-start="1635" data-end="1798">তাই অনেক সময় যেটাকে আমরা “আগ্রহ হারিয়ে ফেলা” বলে মনে করি, সেটি আসলে পুরোপুরি আগ্রহ হারানো নয়। বরং সম্পর্কটি নতুনত্বের পর্যায় পেরিয়ে স্থিতিশীলতার পর্যায়ে পৌঁছে যায়।</p>
<p data-start="1800" data-end="1943">এখন আর প্রতিটি বিষয় “ওয়াও!” বলে মনে না হলেও, এর মানে এই নয় যে ভালোবাসা নেই। অনেক সময় এর মানে হলো—সম্পর্কটি নিরাপদ, পরিচিত এবং স্থায়ী হয়ে উঠেছে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p data-start="1945" data-end="2208" data-is-last-node="" data-is-only-node="">সুতরাং, একটি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য শুধু প্রথম দিনের উত্তেজনা নয়, প্রয়োজন পারস্পরিক বোঝাপড়া, সম্মান, এবং নতুন করে সম্পর্ককে জীবন্ত রাখার সচেতন প্রচেষ্টা। কারণ ভালো সম্পর্ক কেবল শুরুতেই সুন্দর হয় না—যত্ন নিলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেটি আরও গভীর ও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0/">বিয়ের কিছুদিন পরে স্ত্রীর প্রতি স্বামীদের আগ্রহ কমে যায় কেন?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ব্যাপক হুমকির পর দুই সপ্তাহের জন্য হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%95-%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4/</link>
					<comments>https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%95-%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 08 Apr 2026 00:34:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্বজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[ইরান]]></category>
		<category><![CDATA[ট্রাম্প]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14128</guid>

					<description><![CDATA[<p>মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা যখন চরমে পৌঁছেছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত সাময়িকভাবে থামানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%95-%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4/">ব্যাপক হুমকির পর দুই সপ্তাহের জন্য হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা যখন চরমে পৌঁছেছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত সাময়িকভাবে থামানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ঘোষণা দিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত বড় সামরিক হামলা দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত রাখা হবে—যদি ইরান কৌশলগত সমুদ্রপথ হরমুজ প্রনালি (Strait of Hormuz) পুনরায় খুলে দেয়।</p>
<p>আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের মতে, এই ঘোষণা কার্যত যুদ্ধের দ্বারপ্রান্ত থেকে পরিস্থিতিকে সাময়িকভাবে ফিরিয়ে এনেছে এবং কূটনৈতিক আলোচনার নতুন সুযোগ তৈরি করেছে।</p>
<h3>যুদ্ধের মুখে শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্ত</h3>
<p>গত কয়েকদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে একটি কঠোর সময়সীমা দিয়েছিল। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করেছিলেন—যদি ইরান হরমুজ প্রণালী খুলে না দেয়, তাহলে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর ব্যাপক হামলা চালানো হবে। এমনকি তিনি মন্তব্য করেছিলেন, “একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।”</p>
<p>এই হুমকির কারণে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা দ্রুত বেড়ে যায় এবং বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।</p>
<p>তবে নির্ধারিত সামরিক হামলার প্রায় দেড় ঘণ্টা আগে ট্রাম্প ঘোষণা দেন যে যুক্তরাষ্ট্র দুই সপ্তাহের জন্য হামলা স্থগিত রাখবে, যাতে আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়।</p>
<p>তিনি এই বিরতিকে “double-sided ceasefire” বা দ্বিপাক্ষিক যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা হিসেবে উল্লেখ করেন।</p>
<h3>কূটনৈতিক মধ্যস্থতায় পাকিস্তানের ভূমিকা</h3>
<p>আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান এই উত্তেজনা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।</p>
<p>পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ যুক্তরাষ্ট্রকে সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ জানান এবং একই সঙ্গে ইরানকে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান।</p>
<p>এই উদ্যোগের পরই যুক্তরাষ্ট্র হামলা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।</p>
<h3>ইরানের অবস্থান</h3>
<p>ইরান শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের হুমকিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির নেতারা বলছেন, তারা চাপের কাছে নত হবে না এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত।</p>
<p>তবে আলোচনার প্রস্তাব নিয়ে কিছু কূটনৈতিক যোগাযোগ চলছে বলে আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গেছে। একই সঙ্গে ইরান জানিয়েছে, তারা সংঘাত বন্ধের ব্যাপারে আলোচনা করতে পারে—তবে শর্ত হিসেবে হামলা বন্ধ ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।</p>
<p>ট্রাম্পের এই ঘোষণাকে ইরানিরা ‘বিজয়’ হিসেবে দেখছে।</p>
<h3>সংঘাতের মূল কারণ: হরমুজ প্রণালী</h3>
<p>বর্তমান সংকটের কেন্দ্রবিন্দু হলো হরমুজ প্রনালি—যা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ।</p>
<p>এই জলপথ দিয়ে বিশ্বের বড় অংশের তেল পরিবহন হয়। সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়েছে এবং অনেক জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।</p>
<p>ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।</p>
<h3>সামনে কী হতে পারে?</h3>
<p>বিশ্লেষকদের মতে, দুই সপ্তাহের এই বিরতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে যদি কূটনৈতিক আলোচনা এগোয়, তাহলে বড় যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব হতে পারে।</p>
<p>তবে পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত অস্থির এবং সামান্য উত্তেজনাও দ্রুত বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%95-%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4/">ব্যাপক হুমকির পর দুই সপ্তাহের জন্য হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%95-%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া ৬টি পারমাণবিক বোমা কোথায়?</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%af/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 11 Mar 2026 02:56:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14121</guid>

					<description><![CDATA[<p>ইসরায়েল-মার্কিন সেনাদের সঙ্গে ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে, যা ইতোমধ্যে তীব্র আকার ধারণ করেছে। এই উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া ৬টি [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%af/">যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া ৬টি পারমাণবিক বোমা কোথায়?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ইসরায়েল-মার্কিন সেনাদের সঙ্গে ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে, যা ইতোমধ্যে তীব্র আকার ধারণ করেছে। এই উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া ৬টি পরমাণু ওয়ারহেড নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। নিখোঁজ এসব পরমাণু ওয়ারহেড যুক্তরাষ্ট্রের শত্রু দেশের হাতে পড়লে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।</p>
<p>মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর।</p>
<p>ডেইলি মিরর জানায়, গত কয়েক দশকে অন্তত ৬টি এমন দুর্ঘটনার ঘটনা রয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র হারিয়ে গেছে। আজও সেগুলোর কোনো হদিস মেলেনি। সেগুলো এখন যে কেউ খুঁজে পেতে পারে। মার্কিন সামরিক পরিভাষায় এ ধরনের পারমাণবিক দুর্ঘটনাকে বলা হয় ‘ব্রোকেন অ্যারো’। অর্থাৎ এমন ঘটনা, যেখানে পারমাণবিক অস্ত্র দুর্ঘটনায় হারিয়ে যায় বা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হচ্ছে, তারা যদি এসব নিখোঁজ বোমা খুঁজে না পায়, তাহলে প্রতিপক্ষরাও সহজে তা খুঁজে পাবে না।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের নথিভুক্ত ৩২টি ‘ব্রোকেন অ্যারো’ ঘটনার মধ্যে এখনো পর্যন্ত অন্তত ছয়টি পারমাণবিক ওয়ারহেডের হদিস পাওয়া যায়নি।</p>
<p>এ ধরনের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনার একটি ঘটে ১৯৫৮ সালে। ওই বছর টাইবি দ্বীপের কাছে আকাশে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষ হয়। একটি বি-৪৭ স্ট্রাটোজেট বোমারু বিমান তখন একটি সম্পূর্ণ সশস্ত্র মার্ক-১৫ পারমাণবিক বোমা বহন করছিল। সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। বিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পাইলট আশঙ্কা করেন, বোমাটি বিস্ফোরিত হতে পারে। ফলে তিনি জরুরি সিদ্ধান্ত নিয়ে জর্জিয়ার উপকূলের কাছে ওয়াসাউ সাউন্ডের পানিতে বোমাটি ফেলে দেন।</p>
<p>প্রায় ৭ হাজার ৬০০ পাউন্ড ওজনের এই মার্ক-১৫ হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ ক্ষমতা ছিল প্রায় ৩ দশমিক ৮ মেগাটন। তুলনা করলে দেখা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলায় ব্যবহৃত ফ্যাট ম্যানের চেয়ে এটি প্রায় ১৯০ গুণ বেশি শক্তিশালী ছিল।</p>
<p>দুর্ঘটনার পর বহুবার অনুসন্ধান চালানো হলেও ওই পারমাণবিক বোমাটি আজ পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি। ফলে এটি এখনো যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া পারমাণবিক অস্ত্রগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>
<p>মার্কিন বিমানবাহিনী জনসাধারণকে জানিয়েছিল, বোমার প্লুটোনিয়াম ওয়ারহেডটি উড্ডয়নের আগেই সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং সিসার বিকল্প দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। তবে, কয়েক দশক পর ১৯৯৪ সালে, ১৯৬৬ সালের কংগ্রেসনাল সাক্ষ্য থেকে প্রকাশিত নথিগুলো প্রকাশ করে যে, টাইবি মার্ক ১৫ আসলে একটি অক্ষত পারমাণবিক অস্ত্র ছিল।</p>
<p>১৯৬৬ সালে, দুটি মার্কিন সামরিক বিমানের সংঘর্ষের পর ভূমধ্যসাগরে একটি বি-২৬ থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা হারিয়ে যায় এবং এর ওয়ারহেড এখনো নিখোঁজ।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%af/">যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া ৬টি পারমাণবিক বোমা কোথায়?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মোজতাবা খামেনি: ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের নতুন সর্বোচ্চ নেতা</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[সম্পাদকীয় টিম |  সূত্র: আলজাজিরা, এনপিআর, এনবিসি নিউজ, সিবিএস নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 10 Mar 2026 01:19:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[ইরান]]></category>
		<category><![CDATA[মোজতাবা খামেনি]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14116</guid>

					<description><![CDATA[<p>তেহরান, ৮ মার্চ ২০২৬। ইরানের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বিশেষজ্ঞ পরিষদ ৫৬ বছর বয়সী মোজতাবা খামেনিকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের তৃতীয় সর্বোচ্চ [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa/">মোজতাবা খামেনি: ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের নতুন সর্বোচ্চ নেতা</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>তেহরান, ৮ মার্চ ২০২৬। ইরানের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বিশেষজ্ঞ পরিষদ ৫৬ বছর বয়সী মোজতাবা খামেনিকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করেছে। তাঁর পিতা, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ বিমান হামলায় নিহত হওয়ার মাত্র আট দিন পর এই ঘোষণা এলো। এর মধ্য দিয়ে ইরানে এক পারিবারিক উত্তরাধিকারের নতুন অধ্যায় শুরু হলো, যা ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে একেবারেই নজিরবিহীন।</p>
<h2>কীভাবে হলো এই নির্বাচন?</h2>
<p>ইরানের সংবিধানের ১১১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সর্বোচ্চ নেতার পদ শূন্য হলে একটি অন্তর্বর্তীকালীন তিন সদস্যের নেতৃত্ব পরিষদ ক্ষমতা গ্রহণ করে। ১ মার্চ থেকে এই পরিষদ কার্যকর ছিল, যেখানে ছিলেন অভিভাবক পরিষদের প্রধান আলিরেজা আরাফি, প্রধান বিচারপতি গোলাম-হোসেইন মোহসেনি-এজেই, এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তবে ৮৮ জন শিয়া আলেম সমন্বয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ পরিষদ সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের একমাত্র সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ হিসেবে দ্রুত সংখ্যাগরিষ্ঠতায় মতৈক্যে পৌঁছায় এবং মোজতাবা খামেনির নাম ঘোষণা করে।</p>
<p>আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞ পরিষদের এক সদস্য ঘোষণার আগে বলেন: &#8216;ইমাম খোমেইনির পথ ও শহিদ ইমাম খামেনির পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। খামেনির নাম অব্যাহত থাকবে।&#8217; এই মন্তব্য পরিষ্কার করে দেয় যে শাসনকাঠামো ধারাবাহিকতা ও কঠোর অবস্থান বজায় রাখার পথ বেছে নিয়েছে।</p>
<h2>কে এই মোজতাবা খামেনি?</h2>
<p>মোজতাবা হোসেইনি খামেনি ১৯৬৯ সালে উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র শিয়া শহর মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আলি খামেনির ছয় সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয়। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর পরিবারটি তেহরানে চলে আসে। তেহরানের অভিজাত আলাভি হাই স্কুলে পড়াশোনা শেষে তিনি ইরান-ইরাক যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে (যুদ্ধ শেষ হয় ১৯৮৮ সালে) রেভোলিউশনারি গার্ডে সামরিক প্রশিক্ষণ নেন এবং সেখানে ভবিষ্যতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলেন।</p>
<p>১৯৮৯ সালে তাঁর পিতা সর্বোচ্চ নেতা হলে মোজতাবা কার্যত তাঁর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগী হয়ে ওঠেন। দীর্ঘ বছর ধরে তিনি কোম সেমিনারিতে পাঠদান করেছেন এবং আইআরজিসির সাথে তাঁর সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। এনপিআর-এর বিশ্লেষণে ইরান বিশেষজ্ঞ আফশন ওস্তোভার বলেছেন, &#8216;সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের মধ্যে তিনিই আইআরজিসির সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তাঁর পিতার দফতরেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী।&#8217;</p>
<p>তাঁর বিশেষত্ব হলো তিনি কখনো নির্বাচিত পদে থাকেননি, কোনো প্রকাশ্য ভাষণ দেননি এবং জনসমক্ষে তাঁর উপস্থিতি ছিল একেবারে ন্যূনতম। তবুও মার্কিন কূটনৈতিক তারবার্তা, যা উইকিলিকসে প্রকাশিত হয়, তাঁকে &#8216;পোশাকের পেছনের ক্ষমতা&#8217; হিসেবে অভিহিত করেছিল। সিবিএস নিউজ জানায়, ২০০৯ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর থেকে তাঁর প্রভাব ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।</p>
<h2>উত্তরাধিকারের রাজনৈতিক পটভূমি</h2>
<p>২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় আলি খামেনিসহ আরও প্রায় ৪০ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নিহত হন। এই হামলায় মোজতাবার স্ত্রী, মা, বোন ও ভায়রাও প্রাণ হারান বলে ইরানীয় রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়। ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডির মাঝে তিনি ইরানের ৪৭ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে জটিল পরিস্থিতিতে নেতৃত্বের ভার তুলে নিচ্ছেন।</p>
<p>আলজাজিরার সিনিয়র সংবাদদাতা আলি হাশেম মোজতাবাকে &#8216;পিতার দরজার পাহারাদার&#8217; বলে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: &#8216;তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিষয়ে তাঁর পিতার অবস্থানই গ্রহণ করেন। তাই আমরা একজন সংঘাতমুখী নেতাকেই প্রত্যাশা করব। কোনো নমনীয়তার প্রত্যাশা করা সম্ভব নয়।&#8217; তবে হাশেম এও বলেন, যদি এই যুদ্ধ শেষ হয় এবং তিনি দেশ পরিচালনা অব্যাহত রাখতে পারেন, তাহলে ইরানের জন্য নতুন পথ খোঁজার বড় সুযোগ তৈরি হতে পারে।</p>
<h2>আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া</h2>
<p>আন্তর্জাতিক মহলে এই নিয়োগ তীব্র বিভক্তি তৈরি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবিসি নিউজকে বলেছেন: &#8216;যদি আমাদের কাছ থেকে অনুমোদন না পান তবে তিনি বেশিদিন টিকবেন না।&#8217; মার্কিন সিনেটর লিন্ডসি গ্রাহাম নতুন নেতাকে &#8216;আমরা যে পরিবর্তন চাই তা নয়&#8217; বলে মন্তব্য করেছেন।</p>
<p>বিপরীতে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মোজতাবার নিয়োগকে &#8216;অটল&#8217; সমর্থন দিয়েছেন এবং চীন নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর যেকোনো প্রচেষ্টার বিরোধিতা করেছে বলে আলজাজিরা জানিয়েছে। আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ নতুন নেতাকে অভিনন্দন জানিয়ে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক &#8216;পারস্পরিক সম্মান ও আস্থার ভিত্তিতে&#8217; জোরদার করার আশা ব্যক্ত করেছেন।</p>
<p>ইরানের নিজস্ব নেতারাও দলবদ্ধভাবে নতুন সর্বোচ্চ নেতার পাশে দাঁড়িয়েছেন। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান এই নিয়োগকে একটি নতুন যুগের সূচনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। পার্লামেন্ট স্পিকার গালিবাফ বলেছেন, নতুন নেতাকে অনুসরণ করা একটি &#8216;ধর্মীয় ও জাতীয় দায়িত্ব&#8217;। এক্সপিডিয়েন্সি কাউন্সিলের প্রধান সাদিক লারিজানি বলেছেন, এই নিয়োগ ইমাম খোমেইনির পথ অনুসরণের প্রতিশ্রুতি পুনর্নিশ্চিত করে।</p>
<h2>ধর্মীয় বৈধতার প্রশ্ন</h2>
<p>মোজতাবার উত্থান নিয়ে ইরানের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আগে থেকেই উদ্বেগ ছিল। কারণ সর্বোচ্চ নেতার পদে ব্যাপক ধর্মীয় জ্ঞান ও যোগ্যতার প্রয়োজন হয়, যা তাঁর পিতার মতো প্রতিষ্ঠিত ছিল না। সিবিএস নিউজের বিশ্লেষণ বলছে, তাঁর কর্তৃত্ব মূলত ধর্মীয় মর্যাদার চেয়ে ক্ষমতার নিকটতা থেকেই উদ্ভূত হয়েছে। তবে এমন একটি সংকটময় মুহূর্তে, যখন দেশ সক্রিয় যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে, শাসক অভিজাত শ্রেণি স্থিতিশীলতার জন্য তাঁকেই বেছে নিয়েছে।</p>
<p>আর এই নিয়োগ ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে অভূতপূর্ব একটি মাইলফলক: ১৯৭৯ সালে যে বিপ্লব রাজতন্ত্রকে উৎখাত করেছিল, সেই রাজতন্ত্রের মতোই এখন ক্ষমতা পিতা থেকে পুত্রে হস্তান্তরিত হলো। লন্ডনের চ্যাথাম হাউস থিঙ্কট্যাঙ্কের গবেষক আনিসেহ বাসিরি তাবরিজি বলেছেন, এই নিয়োগের বার্তা স্পষ্ট: &#8216;কিছুই পরিবর্তন হবে না।&#8217;</p>
<h2>ইরান ও বিশ্বের সামনে কী আছে?</h2>
<p>মোজতাবা খামেনি এমন এক সময়ে দায়িত্ব নিলেন যখন ইরান তার ৪৭ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সংকটের মুখোমুখি। সক্রিয় যুদ্ধ, পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলা, এবং তেল রফতানিতে মারাত্মক ব্যাঘাত — এই তিনটি চ্যালেঞ্জ একই সাথে মোকাবেলা করতে হবে তাঁকে। বৈশ্বিক তেলের বাজারে ইতিমধ্যে এর প্রভাব পড়েছে, ব্যারেলপ্রতি দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।</p>
<p>মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সন্ত্রাস দমন কর্মকর্তা জাভেদ আলি বলেছেন, একজন নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করা একটি সংকেত যে শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়েনি। তবে পরিবর্তন ছাড়া নেতৃত্বের উত্তরাধিকার মানে শাসনের প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষমতার &#8216;লৌহ দখল&#8217; ধরে রাখবেই। ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনার কোনো ইঙ্গিত এখনো নেই। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন দেশের &#8216;জনগণের স্বার্থে যুদ্ধ অব্যাহত রাখা দরকার&#8217;।</p>
<p><em>মোজতাবা</em> <em>খামেনির</em> <em>অভিষেক</em> <em>শুধু</em> <em>একটি</em> <em>নেতৃত্ব</em> <em>পরিবর্তন</em> <em>নয়</em><em>, </em><em>এটি</em> <em>ইসলামিক</em> <em>প্রজাতন্ত্রের</em> <em>অস্তিত্বের</em> <em>লড়াইয়ের</em> <em>নতুন</em> <em>পর্যায়</em><em>।</em> <em>পর্দার</em> <em>আড়ালে</em> <em>থাকা</em> <em>এই</em> <em>ক্ষমতাবান</em> <em>ব্যক্তি</em> <em>এখন</em> <em>বিশ্বের</em> <em>সবচেয়ে</em> <em>উত্তেজনাপূর্ণ</em> <em>ভূ</em><em>&#8211;</em><em>রাজনৈতিক</em> <em>মঞ্চের</em> <em>কেন্দ্রে</em><em>।</em> <em>তাঁর</em> <em>প্রতিটি</em> <em>পদক্ষেপ</em> <em>শুধু</em> <em>ইরান</em> <em>নয়</em><em>, </em><em>পুরো</em> <em>মধ্যপ্রাচ্য</em> <em>ও</em> <em>বৈশ্বিক</em> <em>তেল</em> <em>বাজারকে</em> <em>প্রভাবিত</em> <em>করবে</em><em>।</em></p>
<p><strong>তথ্যসূত্র</strong><strong>: </strong>Al Jazeera (৮ মার্চ ২০২৬), NPR, NBC News, CBS News, Wikipedia (2026 Iranian Supreme Leader election)</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa/">মোজতাবা খামেনি: ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের নতুন সর্বোচ্চ নেতা</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পুরুষ ও মহিলাদের সালাতের মধ্যে কি কোনো পার্থক্য আছে?</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%93-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 08 Mar 2026 15:47:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম ও জীবন]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<category><![CDATA[সালাত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14113</guid>

					<description><![CDATA[<p>পুরুষ ও মহিলাদের সালাতের পদ্ধতিতে মৌলিকভাবে কোনো পার্থক্য আছে—এমন স্পষ্ট নির্দেশনা সহিহ হাদিসে পাওয়া যায় না। বরং রাসূলুল্লাহ ﷺ সাধারণভাবে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%93-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0/">পুরুষ ও মহিলাদের সালাতের মধ্যে কি কোনো পার্থক্য আছে?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p data-start="0" data-end="176">পুরুষ ও মহিলাদের সালাতের পদ্ধতিতে মৌলিকভাবে কোনো পার্থক্য আছে—এমন স্পষ্ট নির্দেশনা সহিহ হাদিসে পাওয়া যায় না। বরং রাসূলুল্লাহ ﷺ সাধারণভাবে সবাইকে একইভাবে সালাত আদায় করতে বলেছেন।</p>
<h3 data-section-id="yqx5fb" data-start="178" data-end="194">১. মূল হাদিস</h3>
<p data-start="195" data-end="240"><span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">Muhammad</span></span> বলেছেন—</p>
<blockquote data-start="242" data-end="375">
<p data-start="244" data-end="375"><strong data-start="244" data-end="287">«صَلُّوا كَمَا رَأَيْتُمُونِي أُصَلِّي»</strong><br data-start="287" data-end="290" />“তোমরা সেইভাবে সালাত আদায় করো যেভাবে আমাকে সালাত আদায় করতে দেখো।”<br data-start="357" data-end="360" />— সহিহ বুখারি</p>
</blockquote>
<p data-start="377" data-end="426">এখানে পুরুষ-মহিলা আলাদা করে কোনো পদ্ধতি বলা হয়নি।</p>
<h3 data-section-id="u99jod" data-start="428" data-end="452">২. সাহাবিদের বক্তব্য</h3>
<p data-start="453" data-end="528">কিছু বর্ণনায় দেখা যায়, সাহাবিরা বলতেন—নারীরা পুরুষদের মতোই সালাত আদায় করবে।</p>
<p data-start="530" data-end="535">যেমন:</p>
<ul data-start="537" data-end="639">
<li data-section-id="7f0bxj" data-start="537" data-end="639">
<p data-start="539" data-end="639"><strong data-start="539" data-end="562">ইবরাহিম নাখাঈ (রহ.)</strong> বলেন:<br data-start="568" data-end="571" />“নারীরা সালাতে পুরুষদের মতোই করবে।”<br data-start="608" data-end="611" />— মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা</p>
</li>
</ul>
<p data-start="641" data-end="693">এগুলো সাহাবি-তাবেয়ীদের মতামত, সরাসরি সহিহ হাদিস নয়।</p>
<h3 data-section-id="1cu5jgg" data-start="695" data-end="734">৩. ফিকহের কিতাবে যে পার্থক্য বলা হয়</h3>
<p data-start="735" data-end="852">কিছু মাজহাবে (বিশেষত হানাফি ফিকহে) শালীনতা ও পর্দার দৃষ্টিকোণ থেকে নারীদের জন্য কিছু পার্থক্য উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন—</p>
<ul data-start="854" data-end="959">
<li data-section-id="w04c2p" data-start="854" data-end="893">
<p data-start="856" data-end="893">রুকুতে শরীর একটু বেশি সঙ্কুচিত রাখা</p>
</li>
<li data-section-id="1g5sr9k" data-start="894" data-end="926">
<p data-start="896" data-end="926">সিজদায় শরীর বেশি গুটিয়ে রাখা</p>
</li>
<li data-section-id="lcuuwc" data-start="927" data-end="959">
<p data-start="929" data-end="959">হাত বুকের ওপর ভিন্নভাবে রাখা</p>
</li>
</ul>
<p data-start="961" data-end="1089">কিন্তু এগুলোর অধিকাংশই সরাসরি সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়; বরং ফিকহি ব্যাখ্যা ও সাহাবিদের কিছু আমলের ওপর ভিত্তি করে বলা হয়েছে।</p>
<h3 data-section-id="io6w71" data-start="1091" data-end="1112">৪. অনেক আলেমের মত</h3>
<p data-start="1113" data-end="1237">অনেক মুহাদ্দিস ও আলেম যেমন<br data-start="1139" data-end="1142" /><span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">Muhammad Nasiruddin al-Albani</span></span> এবং<br data-start="1183" data-end="1186" /><span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">Abd al-Aziz ibn Baz</span></span><br data-start="1223" data-end="1226" />মত দিয়েছেন—</p>
<blockquote data-start="1239" data-end="1298">
<p data-start="1241" data-end="1298">সহিহ হাদিস অনুযায়ী পুরুষ ও নারীর সালাতের পদ্ধতি মূলত একই।</p>
</blockquote>
<h2 data-start="0" data-end="114">চার ফিকহি মাজহাবের আলোকে পুরুষ ও নারীর সালাতের পদ্ধতি</h2>
<p data-start="0" data-end="114">চারটি প্রসিদ্ধ ফিকহি মাজহাবের আলোকে পুরুষ ও নারীর সালাতের পদ্ধতি সম্পর্কে সংক্ষেপে তুলনামূলক ধারণা নিচে দেওয়া হলো।</p>
<h3 data-section-id="lh5l01" data-start="116" data-end="159">১. হানাফি মাজহাব</h3>
<p data-start="160" data-end="250">এই মাজহাবে কিছু পার্থক্য উল্লেখ করা হয়েছে, মূলত শালীনতা (সতর ও পর্দা) বজায় রাখার যুক্তিতে।</p>
<p data-start="252" data-end="290"><strong data-start="252" data-end="290">পার্থক্যগুলো সাধারণত এভাবে বলা হয়:</strong></p>
<ul data-start="292" data-end="617">
<li data-section-id="zq08t6" data-start="292" data-end="342">
<p data-start="294" data-end="342"><strong data-start="294" data-end="314">কিয়াম (দাঁড়ানো):</strong> নারী বুকের ওপর হাত রাখবে।</p>
</li>
<li data-section-id="1sbkc9o" data-start="343" data-end="407">
<p data-start="345" data-end="407"><strong data-start="345" data-end="354">রুকু:</strong> নারী শরীর একটু কম ঝুঁকাবে এবং শরীর সঙ্কুচিত রাখবে।</p>
</li>
<li data-section-id="1jugl37" data-start="408" data-end="485">
<p data-start="410" data-end="485"><strong data-start="410" data-end="420">সিজদা:</strong> নারী পেট উরুর সাথে লাগিয়ে, বাহু শরীরের সাথে লাগিয়ে সিজদা করবে।</p>
</li>
<li data-section-id="wzm90h" data-start="486" data-end="550">
<p data-start="488" data-end="550"><strong data-start="488" data-end="496">বসা:</strong> নারী দুই পা ডান পাশে বের করে বসবে (তাওয়ারুকের মতো)।</p>
</li>
<li data-section-id="73in58" data-start="551" data-end="617">
<p data-start="553" data-end="617"><strong data-start="553" data-end="566">কণ্ঠস্বর:</strong> জোরে কিরাত না পড়াই উত্তম (যদি পুরুষ উপস্থিত থাকে)।</p>
</li>
</ul>
<h3 data-section-id="5ritem" data-start="619" data-end="662">২. <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">শাফেয়ি মাজহাব</span></span></h3>
<p data-start="663" data-end="822">এই মাজহাবের অধিকাংশ আলেমের মতে সালাতের মৌলিক পদ্ধতি <strong data-start="715" data-end="736">পুরুষ ও নারীর একই</strong>। তবে শালীনতার জন্য নারীরা শরীর একটু বেশি সঙ্কুচিত রাখতে পারে—এমন পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p>
<h3 data-section-id="19t9pcv" data-start="824" data-end="867">৩. <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">মালিকি মাজহাব</span></span></h3>
<p data-start="868" data-end="892">এই মাজহাবেও মূলত বলা হয়:</p>
<ul data-start="894" data-end="1015">
<li data-section-id="bsz1mc" data-start="894" data-end="937">
<p data-start="896" data-end="937">সালাতের নিয়ম <strong data-start="909" data-end="935">পুরুষ ও নারীর জন্য একই</strong></p>
</li>
<li data-section-id="1e1b4zr" data-start="938" data-end="1015">
<p data-start="940" data-end="1015">শুধু শালীনতার দিক বিবেচনায় নারী স্বাভাবিকভাবে একটু সংযত ভঙ্গিতে থাকতে পারে।</p>
</li>
</ul>
<h3 data-section-id="y3ieak" data-start="1017" data-end="1060">৪. <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">হাম্বলি মাজহাব</span></span></h3>
<p data-start="1061" data-end="1085">এই মাজহাবেও মূলনীতি হলো—</p>
<ul data-start="1087" data-end="1186">
<li data-section-id="19p1yz5" data-start="1087" data-end="1109">
<p data-start="1089" data-end="1109">সালাতের পদ্ধতি একই</p>
</li>
<li data-section-id="11ritt9" data-start="1110" data-end="1186">
<p data-start="1112" data-end="1186">নারীর জন্য শরীর কিছুটা গুটিয়ে রাখা উত্তম হতে পারে, তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়।</p>
</li>
</ul>
<h2 data-start="0" data-end="147">সহিহ হাদিসের আলোকে রাসুলের সালাত</h2>
<p data-start="0" data-end="147">নিচে সহিহ হাদিসের আলোকে রাসূল ﷺ যেভাবে সালাত আদায় করতেন তার ধাপভিত্তিক পদ্ধতি সংক্ষেপে দেওয়া হলো। এই পদ্ধতিই মূলত পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য প্রযোজ্য।</p>
<hr data-start="149" data-end="152" />
<h3 data-section-id="m0yfv0" data-start="154" data-end="174">১. নিয়ত (নিয়্যাহ)</h3>
<p data-start="175" data-end="234">সালাতের জন্য অন্তরে নিয়ত করা। নিয়ত মুখে বলা বাধ্যতামূলক নয়।</p>
<hr data-start="236" data-end="239" />
<h3 data-section-id="1ty0wl0" data-start="241" data-end="262">২. তাকবিরে তাহরিমা</h3>
<p data-start="263" data-end="312">হাত উঠিয়ে <strong data-start="273" data-end="292">“আল্লাহু আকবার”</strong> বলে সালাত শুরু করা।</p>
<p data-start="314" data-end="327">হাদিসে এসেছে—</p>
<blockquote data-start="329" data-end="421">
<p data-start="331" data-end="421">রাসূল ﷺ তাকবির বলার সময় দুই হাত কাঁধ বা কান পর্যন্ত উঠাতেন।<br data-start="390" data-end="393" />— সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম</p>
</blockquote>
<p data-start="423" data-end="472">এটি করেছেন <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">মুহাম্মাদ সা.</span></span>।</p>
<hr data-start="474" data-end="477" />
<h3 data-section-id="1lpmpnb" data-start="479" data-end="510">৩. হাত বাঁধা (কিয়াম অবস্থায়)</h3>
<p data-start="511" data-end="546">দাঁড়িয়ে ডান হাত বাম হাতের উপর রাখা।</p>
<p data-start="548" data-end="561">হাদিসে এসেছে—</p>
<blockquote data-start="563" data-end="653">
<p data-start="565" data-end="653">মানুষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যেন সালাতে ডান হাত বাম হাতের উপর রাখা হয়।<br data-start="635" data-end="638" />— সহিহ বুখারি</p>
</blockquote>
<hr data-start="655" data-end="658" />
<h3 data-section-id="4v501e" data-start="660" data-end="690">৪. সানা, আউযু ও সূরা ফাতিহা</h3>
<p data-start="691" data-end="797">প্রথমে সানা পড়া (যেমন: সুবহানাকাল্লাহুম্মা…), তারপর<br data-start="742" data-end="745" /><strong data-start="745" data-end="760">আউযুবিল্লাহ</strong>, <strong data-start="762" data-end="776">বিসমিল্লাহ</strong> এবং <strong data-start="781" data-end="796">সূরা ফাতিহা</strong>।</p>
<p data-start="799" data-end="805">হাদিস:</p>
<blockquote data-start="807" data-end="897">
<p data-start="809" data-end="897">যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা ছাড়া সালাত পড়ল তার সালাত পূর্ণ নয়।<br data-start="866" data-end="869" />— সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম</p>
</blockquote>
<hr data-start="899" data-end="902" />
<h3 data-section-id="c7p5hc" data-start="904" data-end="915">৫. কিরাত</h3>
<p data-start="916" data-end="968">সূরা ফাতিহার পরে কুরআনের অন্য কোনো সূরা বা আয়াত পড়া।</p>
<hr data-start="970" data-end="973" />
<h3 data-section-id="13kxduq" data-start="975" data-end="985">৬. রুকু</h3>
<p data-start="986" data-end="1015">“আল্লাহু আকবার” বলে রুকু করা।</p>
<p data-start="1017" data-end="1031">রুকুতে বলা হয়:</p>
<p data-start="1033" data-end="1053"><strong data-start="1033" data-end="1053">سبحان ربي العظيم</strong></p>
<p data-start="1055" data-end="1066">হাদিসে আছে—</p>
<blockquote data-start="1068" data-end="1119">
<p data-start="1070" data-end="1119">রাসূল ﷺ রুকুতে পিঠ সোজা রাখতেন।<br data-start="1101" data-end="1104" />— সহিহ বুখারি</p>
</blockquote>
<hr data-start="1121" data-end="1124" />
<h3 data-section-id="1uprwe" data-start="1126" data-end="1145">৭. রুকু থেকে ওঠা</h3>
<p data-start="1146" data-end="1164">রুকু থেকে উঠে বলা:</p>
<p data-start="1166" data-end="1200"><strong data-start="1166" data-end="1200">سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ</strong></p>
<p data-start="1202" data-end="1220">তারপর দাঁড়িয়ে বলা:</p>
<p data-start="1222" data-end="1251"><strong data-start="1222" data-end="1251">رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ</strong></p>
<hr data-start="1253" data-end="1256" />
<h3 data-section-id="c8d27a" data-start="1258" data-end="1269">৮. সিজদা</h3>
<p data-start="1270" data-end="1300">“আল্লাহু আকবার” বলে সিজদা করা।</p>
<p data-start="1302" data-end="1315">হাদিসে এসেছে—</p>
<blockquote data-start="1317" data-end="1450">
<p data-start="1319" data-end="1450">সাত অঙ্গের উপর সিজদা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে:<br data-start="1365" data-end="1368" />কপাল (নাকসহ), দুই হাত, দুই হাঁটু, দুই পায়ের আঙুল।<br data-start="1419" data-end="1422" />— সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম</p>
</blockquote>
<p data-start="1452" data-end="1466">সিজদায় পড়া হয়:</p>
<p data-start="1468" data-end="1488"><strong data-start="1468" data-end="1488">سبحان ربي الأعلى</strong></p>
<hr data-start="1490" data-end="1493" />
<h3 data-section-id="2q8z4n" data-start="1495" data-end="1520">৯. দুই সিজদার মাঝে বসা</h3>
<p data-start="1521" data-end="1548">দুই সিজদার মাঝখানে বসে পড়া:</p>
<p data-start="1550" data-end="1564"><strong data-start="1550" data-end="1564">رب اغفر لي</strong></p>
<hr data-start="1566" data-end="1569" />
<h3 data-section-id="1d9r0ne" data-start="1571" data-end="1591">১০. দ্বিতীয় সিজদা</h3>
<p data-start="1592" data-end="1607">আবার সিজদা করা।</p>
<hr data-start="1609" data-end="1612" />
<h3 data-section-id="1tkomr" data-start="1614" data-end="1634">১১. তাশাহহুদে বসা</h3>
<p data-start="1635" data-end="1676">দুই রাকাত শেষে বসে <strong data-start="1654" data-end="1671">আত্তাহিয়্যাতু</strong> পড়া।</p>
<p data-start="1678" data-end="1691">হাদিসে এসেছে—</p>
<blockquote data-start="1693" data-end="1784">
<p data-start="1695" data-end="1784">সাহাবিদের রাসূল ﷺ তাশাহহুদ শিক্ষা দিতেন যেমন কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেন।<br data-start="1766" data-end="1769" />— সহিহ বুখারি</p>
</blockquote>
<hr data-start="1786" data-end="1789" />
<h3 data-section-id="1wosz7c" data-start="1791" data-end="1807">১২. দরুদ শরীফ</h3>
<p data-start="1808" data-end="1849">তাশাহহুদের পরে দরুদ পড়া (দরুদে ইবরাহিমি)।</p>
<hr data-start="1851" data-end="1854" />
<h3 data-section-id="1uto9ih" data-start="1856" data-end="1867">১৩. দোয়া</h3>
<p data-start="1868" data-end="1890">শেষে বিভিন্ন দোয়া করা।</p>
<hr data-start="1892" data-end="1895" />
<h3 data-section-id="1vyivxe" data-start="1897" data-end="1909">১৪. সালাম</h3>
<p data-start="1910" data-end="1952">ডান ও বাম দিকে সালাম ফিরিয়ে সালাত শেষ করা।</p>
<h2 data-start="0" data-end="164">সহিহ হাদিসের আলোকে সালাতে কিছু সাধারণ ভুল</h2>
<p data-start="0" data-end="164">সহিহ হাদিসের আলোকে সালাতে কিছু সাধারণ ভুল অনেক মুসল্লি অজান্তেই করে থাকেন। এগুলো সংশোধন করলে সালাত আরও শুদ্ধ ও সুন্দর হয়। নিচে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ভুল তুলে ধরা হলো।</p>
<hr data-start="166" data-end="169" />
<h3>১. তাড়াহুড়া করে সালাত পড়া</h3>
<p data-start="201" data-end="247">অনেকে খুব দ্রুত রুকু-সিজদা করে সালাত শেষ করেন।</p>
<p data-start="249" data-end="262">হাদিসে এসেছে—</p>
<p data-start="264" data-end="340">এক ব্যক্তি দ্রুত সালাত পড়লে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">মুহাম্মাদ সা.</span></span> তাকে বলেন:</p>
<blockquote data-start="342" data-end="429">
<p data-start="344" data-end="429">“তুমি ফিরে গিয়ে আবার সালাত পড়ো, কারণ তুমি সালাত পড়নি।”<br data-start="398" data-end="401" />— সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম</p>
</blockquote>
<p data-start="431" data-end="484">অর্থাৎ <strong data-start="438" data-end="477">রুকু ও সিজদায় স্থির হওয়া (তুমানিনা)</strong> জরুরি।</p>
<hr data-start="486" data-end="489" />
<h3 data-section-id="1q6r8nm" data-start="491" data-end="521">২. রুকুতে পিঠ সোজা না রাখা</h3>
<p data-start="522" data-end="563">অনেকে রুকুতে পিঠ বাঁকা বা নিচু করে ফেলেন।</p>
<p data-start="565" data-end="576">হাদিসে আছে:</p>
<blockquote data-start="578" data-end="663">
<p data-start="580" data-end="663">রাসূল ﷺ রুকুতে এমনভাবে পিঠ সোজা রাখতেন যে যদি তার ওপর পানি রাখা হতো, তা স্থির থাকত।</p>
</blockquote>
<hr data-start="665" data-end="668" />
<h3 data-section-id="tumz4q" data-start="670" data-end="708">৩. সিজদায় কনুই মাটিতে লাগিয়ে দেওয়া</h3>
<p data-start="709" data-end="747">অনেকে সিজদার সময় কনুই মাটিতে রেখে দেন।</p>
<p data-start="749" data-end="755">হাদিস:</p>
<blockquote data-start="757" data-end="836">
<p data-start="759" data-end="836">“তোমরা সিজদায় কুকুরের মতো বাহু বিছিয়ে দিও না।”<br data-start="805" data-end="808" />— সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম</p>
</blockquote>
<hr data-start="838" data-end="841" />
<h3 data-section-id="122k8m5" data-start="843" data-end="867">৪. কাতারে ফাঁকা রাখা</h3>
<p data-start="868" data-end="902">জামাতে অনেক সময় কাতারে ফাঁকা থাকে।</p>
<p data-start="904" data-end="919">রাসূল ﷺ বলেছেন:</p>
<blockquote data-start="921" data-end="986">
<p data-start="923" data-end="986">“কাতার সোজা করো, কাতার সোজা করা সালাতের অংশ।”<br data-start="968" data-end="971" />— সহিহ বুখারি</p>
</blockquote>
<hr data-start="988" data-end="991" />
<h3 data-section-id="1bt34lc" data-start="993" data-end="1018">৫. সূরা ফাতিহা না পড়া</h3>
<p data-start="1019" data-end="1083">অনেকে বিশেষ করে জামাতে ইমামের পেছনে দাঁড়িয়ে সূরা ফাতিহা পড়েন না।</p>
<p data-start="1085" data-end="1098">হাদিসে এসেছে—</p>
<blockquote data-start="1100" data-end="1179">
<p data-start="1102" data-end="1179">“যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পড়েনি তার সালাত হয়নি।”<br data-start="1148" data-end="1151" />— সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম</p>
</blockquote>
<hr data-start="1181" data-end="1184" />
<h3 data-section-id="bw40a8" data-start="1186" data-end="1223">৬. আঙুল নড়াচড়া করা বা অযথা নড়াচড়া</h3>
<p data-start="1224" data-end="1293">সালাতে অনেকে কাপড় ঠিক করা, দাড়ি স্পর্শ করা, মোবাইল দেখা ইত্যাদি করেন।</p>
<p data-start="1295" data-end="1328">এগুলো <strong data-start="1301" data-end="1318">খুশু (মনোযোগ)</strong> নষ্ট করে।</p>
<hr data-start="1330" data-end="1333" />
<h3 data-section-id="1ydeehb" data-start="1335" data-end="1367">৭. সিজদায় পা ঠিকভাবে না রাখা</h3>
<p data-start="1368" data-end="1441">অনেকে সিজদার সময় পায়ের আঙুল কিবলামুখী করেন না বা পা মাটি থেকে তুলে রাখেন।</p>
<p data-start="1443" data-end="1486">হাদিসে সাত অঙ্গের উপর সিজদা করার কথা এসেছে।</p>
<hr data-start="1488" data-end="1491" />
<h3 data-section-id="8wtahz" data-start="1493" data-end="1532">৮. ইমামের আগে আগে রুকু বা সিজদা করা</h3>
<p data-start="1533" data-end="1576">জামাতে কেউ কেউ ইমামের আগে নড়াচড়া করে ফেলেন।</p>
<p data-start="1578" data-end="1606">হাদিসে রাসূল ﷺ সতর্ক করেছেন—</p>
<blockquote data-start="1608" data-end="1717">
<p data-start="1610" data-end="1717">“ইমামের আগে মাথা উঠালে কি তোমরা ভয় কর না যে আল্লাহ তোমাদের মাথা গাধার মাথা বানিয়ে দেবেন?”<br data-start="1699" data-end="1702" />— সহিহ বুখারি</p>
</blockquote>
<hr data-start="1719" data-end="1722" />
<p data-start="1724" data-end="1736"><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/2705.png" alt="✅" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> <strong data-start="1726" data-end="1736">সারকথা</strong></p>
<p data-start="1738" data-end="1787">শুদ্ধ সালাতের জন্য তিনটি বিষয় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ:</p>
<p data-start="1789" data-end="1897">1&#x20e3; ধীরে ও স্থিরভাবে সালাত পড়া<br data-start="1819" data-end="1822" />2&#x20e3; সুন্নাহ অনুযায়ী রুকু-সিজদা করা<br data-start="1856" data-end="1859" />3&#x20e3; মনোযোগ ও খুশুর সাথে সালাত আদায় করা</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%93-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0/">পুরুষ ও মহিলাদের সালাতের মধ্যে কি কোনো পার্থক্য আছে?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সরকার এবং জনগণের সম্পর্ক স্বচ্ছ হোক</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/opinion/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আসিফ এন্তাজ রবি]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 17 Feb 2026 16:56:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14104</guid>

					<description><![CDATA[<p>এসব লুকোচুরি খেলা রাষ্ট্রের জন্য ভালো কিছু নয়। এটা শুরু হয়েছিলো শেখ হাসিনার হাত ধরে। তিনি ছিলেন রহস্যমানবী। তিনি কাকে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/opinion/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95/">সরকার এবং জনগণের সম্পর্ক স্বচ্ছ হোক</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>এসব লুকোচুরি খেলা রাষ্ট্রের জন্য ভালো কিছু নয়।<br />
এটা শুরু হয়েছিলো শেখ হাসিনার হাত ধরে। তিনি ছিলেন রহস্যমানবী। তিনি কাকে মন্ত্রী বানাবেন, আর কাকে সাইজ করবেন, এটা কেউ জানতো না। কেবল জানতেন তিনি এবং তার অনুগত একটি ছোট্ট গ্রুপ। এই ছোট্ট গ্রুপে কে কে ছিলো, এটাও আজ অবধি রহস্যময়।<br />
শেখ হাসিনার সর্বশেষ রহস্যজনক নিয়োগ ছিলো রাষ্ট্রপতি চুপ্পু। আওয়ামীলীগ এবং তৎকালীন সরকারের অধিকাংশ মানুষ ঘূর্ণাক্ষরে জানতে বা বুঝতে পারেন নি, এক অখ্যাত ব্যক্তিকে শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতি বানাতে যাচ্ছেন।<br />
এভাবেই সরকার এবং জনগণের মধ্যে শেখ হাসিনা একটি উচু প্রাচীর, একটি দুবোর্ধ্য দেয়াল তৈরি করেছিলেন। সেই দেয়ালের আড়ালে কী হতো, এটা সাধারণ মানুষের বোঝার বাইরের একটি বিষয় ছিলো। একজন মানুষ রাস্তা থেকে হারিয়ে গেলে, খোদ পুলিশ প্রধান কিংবা গোয়েন্দা প্রধানও জানতেন না, কে তাকে তুলে নিয়ে গেছে।<br />
আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি, একই লক্ষণ এখনো বর্তমান। বিএনপির অনেক প্রথম সারির নেতা, তাদের ঘনিষ্ট সাংবাদিকরাও জানতেন না, কে মন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। কিংবা কোন বিচারে সদ্য সাবেক এক সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষকে হুট করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বানানো হলো। কী তার যোগ্যতা, কী তার কানেকশন?<br />
এটা দুঃখজনক এবং একইসাথে এটি ভীষণ বিপদজনক।<br />
এরা তো মন্ত্রী। জনগণের সেবক। এরা তো গোপন মিশনের কোনো কর্মী না যে, এদের নিয়োগ গোপন রাখতে হবে। কেন শেখ হাসিনার স্টাইলে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব মিডিয়াতে বলবেন, কে মন্ত্রী হবেন, এটা একমাত্র তারেক রহমান ডিসাইড করবেন। সব উনি জানেন। এই ভাষা তো ব্যবহার করতো আওয়ামীলীগের নেতারা।<br />
সরকার এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক কী তাহলে? লুকোচুরি খেলা? সরকার হবে স্বচ্ছ। যাতে জনগণ স্পষ্ট দেখতে এবং বুঝতে পারে, কারা কারা মন্ত্রী হতে যাচ্ছেন, কী যোগ্যতায় তারা মন্ত্রী হচ্ছেন, কেনই বা তারা মন্ত্রী হচ্ছেন। জনগণের অধিকার আছে, কে তাদের দেশকে বিদেশে রিপ্রেজেন্ট করবে? কে হতে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী? এইটুকু জানার অধিকার কি জনগণের নেই? একইভাবে কে হবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কে দেখবেন সংস্কৃতি, কে দেখবেন প্রবাসী কল্যাণ, প্রতিটি কেবনিটে কারা আসবেন, কোন যোগ্যতায় আসবেন, কী তাদের এজেন্ডা, এগুলো প্রত্যেকটি ব্যাপার জনগণের কাছে পরিষ্কার এবং স্বচ্ছ তথ্য আকারে থাকতে হবে।<br />
আমি বলছি না, যারা মন্ত্রী হয়েছেন, তারা অযোগ্য। আমি শুধু বলছি, যারা মন্ত্রী হয়েছেন, তারা তো চুরি করতে আসছেন না যে, ব্যাপারটা গোপন রাখতে হবে। আর বিএনপির নেতারা যে বার বার মিডিয়াতে বলেছেন, কারা মন্ত্রী হবেন, এটা একমাত্র তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত। এই বক্তব্যও অগ্রহণযোগ্য। তারা কী করে বলেন, বিএনপির মতো একটি বৃহৎ দলের সকল সিদ্ধান্ত তারেক রহমান এককভাবে নেন। এটা খুবই দুঃচিন্তার বিষয়।<br />
সরকারের কাজকর্ম যখন গোপন থাকে, তখন সরকার এবং জনগণের মধ্যে দূরত্ব এবং অবিশ্বাস তৈরি হয়।<br />
অবিশ্বাস এবং দূরত্বের সংস্কৃতির অবসান হোক।<br />
নয়া সরকারের প্রথম দিনে, আমার জোরালো দাবি এটাই। সরকার এবং জনগণের সম্পর্ক স্বচ্ছ হোক।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/opinion/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95/">সরকার এবং জনগণের সম্পর্ক স্বচ্ছ হোক</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইতিহাসের ধ্রুবতারা শরীফ ওসমান হাদীর শাহাদাত</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%ab/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 18 Dec 2025 19:57:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14088</guid>

					<description><![CDATA[<p>রাজপথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতেন যে কণ্ঠ, অবিচারের সামনে মাথা নত না করা যে মানুষ—সেই শরীফ ওসমান বিন হাদি (ওসমান [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%ab/">ইতিহাসের ধ্রুবতারা শরীফ ওসমান হাদীর শাহাদাত</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রাজপথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতেন যে কণ্ঠ, অবিচারের সামনে মাথা নত না করা যে মানুষ—সেই শরীফ ওসমান বিন হাদি (ওসমান হাদি) আর নেই। ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টনে সশস্ত্র হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত এই তরুণ সামাজিক-রাজনৈতিক কর্মী ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। তার এই মৃত্যু নিছক মৃত্যু নয়—বরং একটি শাহাদাত।</p>
<h3>নামাজ শেষে রক্তাক্ত রাজপথ</h3>
<p>প্রথম আলো, কালবেলা ও নয়া দিগন্তে প্রকাশিত তথ্যে জানা যায়, ১২ ডিসেম্বর দুপুরে জুমআর নামাজ পড়ে পল্টনের বিজয়নগর কালভার্ট রোড এলাকায় একটি ব্যাটারিচালিত রিকশায় করে যাওয়ার সময় হেলমেট পরা মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিটি সরাসরি তার মাথায় লাগে। মুহূর্তেই রক্তে ভিজে যায় রাজপথ। প্রত্যক্ষদর্শীরা ছুটে এলেও ততক্ষণে তিনি মারাত্মকভাবে আহত।</p>
<h3>জীবনের সঙ্গে লড়াই</h3>
<p>তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে স্থানান্তর করা হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও ঝুঁকি কাটেনি। শেষ আশার জায়গা হিসেবে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। কিন্তু মৃত্যুর সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি না ফেরার দেশে চলে যান।</p>
<h3>কে ছিলেন শরীফ ওসমান হাদী?</h3>
<p>শরীফ ওসমান হাদী ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র। অন্যায়, দুর্নীতি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন স্পষ্টভাষী ও আপসহীন। তরুণদের মাঝে তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল উল্লেখযোগ্য। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি ঢাকা-৮ আসনে সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও আলোচনায় ছিলেন।</p>
<p>বন্ধু-সহকর্মীদের ভাষায়, হাদী ছিলেন এমন একজন মানুষ—যিনি ভয়কে জয় করেই কথা বলতেন। তার কণ্ঠে ছিল প্রতিবাদ, আর চোখে ছিল পরিবর্তনের স্বপ্ন।</p>
<h3>শোক, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ</h3>
<p>তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষ গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নয়া দিগন্ত ও প্রথম আলো জানায়, অনেকেই এই হত্যাকাণ্ডকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত বলে মন্তব্য করেছেন এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন।</p>
<p>অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেন এবং এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আশ্বাস দেন।</p>
<h3>অপেক্ষা ন্যায়বিচারের</h3>
<p>আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা হতে পারে—এই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে। কিছু অগ্রগতি হলেও নিহতের পরিবার, সহযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষ এখনো অপেক্ষায়—কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে, এবং কবে হবে ন্যায়বিচার।</p>
<p><strong>শেষ কথা</strong></p>
<p>শরীফ ওসমান হাদীর মৃত্যু শুধু একটি প্রাণহানি নয়। এটি একটি সাহসী কণ্ঠের নিস্তব্ধ হয়ে যাওয়া। যে তরুণ অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, তার রক্ত আজ প্রশ্ন রেখে গেছে—এই দেশে সত্য বলার মূল্য কতটা ভয়ংকর হতে পারে?</p>
<p>তার স্মৃতি অনেকের মনে থাকবে একজন প্রতিবাদী, আপসহীন এবং স্বপ্নবাজ মানুষ হিসেবে। ইতিহাস হয়তো তাকে মনে রাখবে—একজন শহীদ কণ্ঠ হিসেবে।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%ab/">ইতিহাসের ধ্রুবতারা শরীফ ওসমান হাদীর শাহাদাত</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>টিনএইজ প্রেম: তাহার চোখে তোমার সর্বনাশ</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%8f%e0%a6%87%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a7%8b%e0%a6%96%e0%a7%87-%e0%a6%a4/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বাদল সৈয়দ]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 31 Oct 2025 01:00:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জীবনধারা]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14081</guid>

					<description><![CDATA[<p>আমার বয়স যখন পনের তখন মনে প্রেমভাব জাগ্রত হয়েছিল। উড়ুউড়ু প্রেমরোগ। এ রোগ ঝেঁটিয়ে দূর করেছিল, যাকে ভালো লাগত সে। [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%8f%e0%a6%87%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a7%8b%e0%a6%96%e0%a7%87-%e0%a6%a4/">টিনএইজ প্রেম: তাহার চোখে তোমার সর্বনাশ</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আমার বয়স যখন পনের তখন মনে প্রেমভাব জাগ্রত হয়েছিল। উড়ুউড়ু প্রেমরোগ। এ রোগ ঝেঁটিয়ে দূর করেছিল, যাকে ভালো লাগত সে। কঠিন হৃদয়ের মেয়েটি ঠান্ডা গলায় বলেছিল, &#8216; তুমি কি আমাকে পছন্দ করো?&#8217;<br />
লজ্জিত চেহারা নিয়ে মাথা নাড়লাম।<br />
সে মৃদু হেসে বলল, &#8216;তোমাকে একটি কথা বলি। মেয়েদের কলেজ/ইউনিভার্সিটি গেলেই বিয়ে হয়ে যায়। আমারও সম্ভবত তাই হবে। তুমি তখনও ছাত্র। বিয়ে করার ক্ষমতা হবে না। নিজেই চলতে পারবা না। আবার বিয়ে! বউকে কী খাওয়াবা? ঘাস? কী বলছি বুঝছ?&#8217; তারপর কিছুটা ঝাঁঝালো গলায় বলল, &#8216;আচ্ছা যাও, আর বিরক্ত করো না। বাসার নিচে হা করে দাঁড়িয়ে থেকে আমার দাঁত মাজা দেখার দরকার নাই।&#8217;<br />
সেখানেই আমার বাল্যপ্রেমের সমাপ্তি।আমি খুব সৌভাগ্যবান কারণ মেয়েটি ছিল বুদ্ধিমতি। তাই আমার প্রেমের ডানায় আগুন ঢেলে দিয়েছিল। নয়ত নিশ্চিত বিপদে পড়তাম। কেন বিপদে পড়তাম? বিপদে পড়তাম, কারণ টিনএইজ প্রেমের সমস্যা অনেক। এটি এমন একটি সরল অঙ্ক যার ফলাফল অধিকাংশ ক্ষেত্রে শূন্য এবং এ প্রেম ব্যাকফায়ার করার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ। কীভাবে?<br />
নিচে ব্যাখ্যা করলাম।</p>
<p><strong>১। পড়াশোনার সর্বনাশ: ঘোর কেটে গেলে অন্ধকার</strong><br />
টিনএইজে প্রেমভাব অস্বাভাবিক নয়। এটি এ বয়সের অন্যতম বৈশিষ্ঠ্য।বয়সটিই রঙিন। তাই সবকিছু রঙিন লাগে। সমস্যা হচ্ছে, জীবন আসলে রঙিন নয়। সাদা-কালো বাস্তব। সেই বাস্তবতায় টিকতেব হলে ভুল করা যাবে না। এ বয়সের প্রেম একটি বড়ো ভুল। তা জীবনকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে থমকে দেয়। কারণ প্রেমের ভুবনে থাকে ঘোর।সে ঘোর সবার আগে পড়ার টেবিল থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। ঘাড় সোজা হওয়ার আগেই সেটিকে কুঁজো করে ফেলে।শেষ পর্যন্ত জীবনটাই কুঁজো হয়ে যায়। তখন কেবল &#8216;চারিদিকে অন্ধকার অমানিশার নিশা।&#8217;</p>
<p><strong>২। জীবন গল্প-উপন্যাস নয়</strong><br />
টিনএইজে জীবনটাকে গল্প-উপন্যাস মনে হয়। কিন্তু জীবন বইয়ের পাতার মতো রোমান্টিক নয়। কঠিন শিলাপাথর। গল্প-উপন্যাসে লেখকের কলমের খোঁচায় সব সমস্যার সমাধান হয়। প্রেমিক ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়, ভালো চাকুরি পেয়ে গাড়ি হাঁকায়, প্রেমিকাকে বিয়ে করে সুইজারল্যান্ডে হানিমুনে যায়। বাস্তবে প্রেমিক হয়ত পাস করে, কিন্তু চাকুরি পায় না, টেম্পুতে চরে, বাসে ঝুলে, সুইজারল্যান্ড তো দূরের কথা, ঈদেচাঁদে ভাড়ার টাকা না থাকায় গ্রামের বাড়ি যেতে পারে না। তাই জীবনকে গল্প-উপন্যাস না ভেবে এ বয়সে প্রেমফ্রেম না করে পড়ালেখা করলে একদিন হয়ত সুইস আল্পসে সত্যিই হানিমুনে যাওয়া হবে।</p>
<p><strong>৩। খিটিমিটি মেজাজ</strong><br />
টিনএইজ প্রেমের কারণে মন থাকে অস্থির। ব্যক্তিগত টানাপোড়েন, মান-অভিমান এসব কারণে মেজাজ হয়ে যায় খিটমিট। যার কারণে তারা সবার সাথে দুর্ব্যবহার করে। ফলে সবার সাথে দূরত্ব তৈরি হয় এ দূরত্ব পরে কোনো সেতু দিয়েই অতিক্রম করা যায় না।</p>
<p><strong>৪। শারিরীক সমস্যা</strong><br />
টিনএইজ প্রেম মনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলায় খাওয়াদাওয়া, ঘুম, ডেইলি রুটিন সবকিছুতে উল্টাপাল্টা হয়ে যায়। যার অনিবার্য পরিণতি হচ্ছে শারীরিক সমস্যা। কিছুদিন আগে এক মা জানিয়েছিলেন, এ সমস্যার পড়ে তাঁর মেয়ে সারাদিন বন্ধ ঘরে দিন কাটায়। কখনো ইচ্ছে হলে খায়, নয়ত ঘণ্টার পর ঘণ্টা না খেয়ে থাকে। রাত জেগে মোবাইল ফোনে কথা বলে। কোনো শাসন মানে না। একমাসে নাকি তার ওজন কমেছে দশ কেজি! দাঁড়ালে শরীর কাঁপে।</p>
<p><strong>৫। সাপকে রশি ভাবা</strong><br />
সবচে ভয়া*বহ হচ্ছে, এসময় সাপকে রশি ভেবে মারাত্মক ভুল করা হয়। কারণ এ বয়সে ম্যাচুউরিটি থাকে কম। তাই চিন্তাভাবনার ক্ষমতাও থাকে কম। সেজন্য মানুষ চিনতে ভুল হয়। এর পরিণতি হয় ভয়াবহ। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় আমি অনেককে সাপকে রশি ভাবার কারণে ধুঁকতে দেখেছি। মাস দুয়েক আগেই এ ভুলের কারণে পরিচিত একটি মেয়ে মারা গেছে। শারীরিক ও মানসিক অত্যাচারে অসুস্থ হয়ে তার মারা যাওয়াটাকে স্লো পয়*জনের সাথে তুলনা করা যায়।</p>
<p><strong>৬। ব্ল্যাকমেইল</strong><br />
এ বয়সে প্রেম ভেঙে গেলে বিশেষ করে মেয়েরা ব্ল্যাকমেইলের শিকার হতে পারে। তাদের মেসেজ, চিঠি, কল রেকর্ড, এগুলো ব্যবহার করে জীবন দুর্বিষহ করে তুলতে পারে। আর ভুল করে আরেকটু এগুলে তো বিপদের সীমা থাকে না। &#8216;কালো হাতে&#8217; বন্দি হয়ে জীবন বরবাদ হয়ে যায়।</p>
<p><strong>৭। মা*দ*কের নীল ছো*বল</strong><br />
অনেক সময় টিনএইজ প্রেমের অন্যপ্রান্তে অপেক্ষা করে মাদকের ছোবল। বিশেষ করে ছেলেরা প্রেমে ব্যর্থ হলে এ ফাঁদে পা দেয়। আর মাদকের কবলে পড়া মানে দুনিয়াকে জাহান্নাম বানিয়ে ফেলা। আমি অনেককেই ব্যর্থ প্রেমের পরবর্তী ধাপে মাদকাসক্ত হিসেবে আবিষ্কার করেছি। তারা কখনোই বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে পারেনি। ভেঙেচুরে খান খান হয়ে গেছে। আমি নিজের চোখে একজন খুবই প্রতিশ্রুতিশীল খেলোয়াড়কে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে মাদকাসক্ত হয়ে অকালে প্রাণ হারাতে দেখেছি।</p>
<p>আমি জানি না আমার এ লেখা টিনএজাররা পড়বে কি না? পড়লেও অবশ্যই পছন্দ করবে না। ভাববে, বয়স্ক মানুষ , আবোলতাবোল কথা বলে। তাদের বলি, আমি আবোলতাবোল বলছি না। ঠিক কথা বলছি। কারণ তোমার বয়স আমি পার হয়ে এসেছি। তাই ওই বয়সের ভুলগুলো আমি বুঝি। তুমি বুঝো না। আমার বয়স হলে বুঝবে। তখন হয়ত একদিন এ ব্যাপারে আমার মতো তুমিও লিখবে। এভাবেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটবে। সমস্যা হলো, ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না। সর্বনাশটা নাভির নিচে ঘুষি মারলে শিক্ষা নেয়। &#8216;কাঙালের কথা বাসী হলে ফলে&#8217;- কথাটি তো আর এমনি এমনি আসেনি।</p>
<p>পাদটীকা: আগামীকাল সম্ভব হলে মা-বাবারা কীভাবে বাচ্চাদের এ সমস্যা মোকাবেলা করবেন তা নিয়ে লিখব। ভালো কথা, আমার বাল্যপ্রেমে আগুন জ্বালানো মেয়েটি এখন নামকরা চিকিৎসক। আমরা প্রায়ই সেদিনের ঘটনা নিয়ে হাসাহাসি করি। তবে তাকে কখনো কৃতজ্ঞতা জানানো হয়নি। আজ জানিয়ে দিলাম। সে অতি কঠিন না হলে হয়ত আমারও সর্বনাশ হতো।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%8f%e0%a6%87%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a7%8b%e0%a6%96%e0%a7%87-%e0%a6%a4/">টিনএইজ প্রেম: তাহার চোখে তোমার সর্বনাশ</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রাওয়ায় বইমেলা শুরু ৩০ অক্টোবর</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a7%a9%e0%a7%a6-%e0%a6%85/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ/এআর]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 16:10:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14078</guid>

					<description><![CDATA[<p>বইমেলার আয়োজন করেছে রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)। এবারের বইমেলায় বইয়ের স্টলের পাশাপাশি থাকছে ভিন্ন কিছু আয়োজনও। লেখকদের [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a7%a9%e0%a7%a6-%e0%a6%85/">রাওয়ায় বইমেলা শুরু ৩০ অক্টোবর</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বইমেলার আয়োজন করেছে রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)। এবারের বইমেলায় বইয়ের স্টলের পাশাপাশি থাকছে ভিন্ন কিছু আয়োজনও। লেখকদের আড্ডার পাশাপাশি পাঠক ও দর্শনার্থীদের জন্য থাকবে শীতের পিঠার সমারহ,  মোটিভেশনাল লেকচার ইত্যাদি।</p>
<p>তিন দিনব্যাপী ১১তম রাওয়া বইমেলা শুরু হচ্ছে আগামী ৩০ অক্টোবর। প্রতিদিন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত।</p>
<p>মেলায় এবার থাকছে ৫৫টি স্টল। বই পরিচিতিসহ অন্যান্য আয়োজনের সঙ্গে প্রতিদিন বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে বইভিত্তিক প্রতিযোগিতা।</p>
<p>রাওয়া বইমেলার যাত্রা শুরু হয় ২০১৪ সালে এবং এবার এর ১১তম আসর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৩০ অক্টোবর সকাল ১০টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজম।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a7%a9%e0%a7%a6-%e0%a6%85/">রাওয়ায় বইমেলা শুরু ৩০ অক্টোবর</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কুরআন সুন্নাহর আলোকে ঐক্যবদ্ধ থাকার গুরুত্ব</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%93-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%86%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%90%e0%a6%95%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Oct 2025 04:55:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম ও জীবন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14073</guid>

					<description><![CDATA[<p>মানুষ স্বভাবগতভাবে সামাজিক প্রাণী। একা কেউই জীবনে টিকে থাকতে বা উন্নতি করতে পারে না। তাই ইসলামে সমাজ, জামায়াত, ও সংগঠনের [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%93-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%86%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%90%e0%a6%95%e0%a7%8d/">কুরআন সুন্নাহর আলোকে ঐক্যবদ্ধ থাকার গুরুত্ব</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মানুষ স্বভাবগতভাবে সামাজিক প্রাণী। একা কেউই জীবনে টিকে থাকতে বা উন্নতি করতে পারে না। তাই ইসলামে সমাজ, জামায়াত, ও সংগঠনের সাথে থাকা শুধু একটি নৈতিক আহ্বান নয়, বরং একটি ধর্মীয় নির্দেশ। ইসলাম ব্যক্তিকেন্দ্রিক নয়, বরং সমষ্টিকেন্দ্রিক (collective) ধর্ম। কুরআন ও সুন্নাহ উভয়েই মুসলমানদেরকে সংগঠিতভাবে চলার, নেতৃত্ব মান্য করার এবং বিচ্ছিন্নতা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে।</p>
<h2>১. কুরআনের আলোকে সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা</h2>
<p><strong>(ক) ঐক্যের আদেশ</strong></p>
<p>يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ ۝ وَاعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللَّهِ جَمِيعًا وَلَا تَفَرَّقُوا<br />
“হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।<br />
তোমরা সবাই মিলে আল্লাহর রজ্জু (কিতাব)-কে দৃঢ়ভাবে ধারণ করো, এবং বিভক্ত হয়ো না।”<br />
<img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/1f4da.png" alt="📚" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> সূরা আলে ইমরান (৩): ১০২-১০৩</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> ব্যাখ্যা: এখানে &#8220;اعتصموا بحبل الله جميعا&#8221; অর্থাৎ &#8220;তোমরা সবাই একসাথে আল্লাহর রজ্জু ধারণ করো&#8221; — এটি সমষ্টিগত ঐক্য ও সংগঠনের নির্দেশ। &#8220;ولا تفرقوا&#8221; বিভক্তি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।</p>
<p><strong>(খ) বিচ্ছিন্নতার নিষেধ</strong></p>
<p>وَلَا تَكُونُوا مِنَ الْمُشْرِكِينَ ۝ مِنَ الَّذِينَ فَرَّقُوا دِينَهُمْ وَكَانُوا شِيَعًا<br />
“তোমরা মুশরিকদের মতো হয়ো না, যারা তাদের দ্বীনকে বিভক্ত করেছে এবং দলে দলে হয়েছে।”<br />
<img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/1f4da.png" alt="📚" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> সূরা রূম (৩০): ৩১-৩২</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> ব্যাখ্যা: বিভক্তি শিরকের বৈশিষ্ট্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই একত্রে থাকা ঈমানের নিদর্শন।</p>
<p><strong> (গ) নেতৃত্ব মান্য করার নির্দেশ</strong></p>
<p>يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنكُمْ<br />
“হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো, রাসূলের আনুগত্য করো এবং তোমাদের মধ্যে যারা কর্তৃত্বধারী (উলুল আমর) তাদেরও।”<br />
<img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/1f4da.png" alt="📚" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> সূরা নিসা (৪): ৫৯</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/1f539.png" alt="🔹" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> ব্যাখ্যা: উলুল আমর অর্থাৎ নেতৃত্বধারীদের মান্য করা সংগঠনের নিয়মশৃঙ্খলা রক্ষার অপরিহার্য অংশ।</p>
<h2> ২. সুন্নাহর আলোকে সংগঠনের গুরুত্ব</h2>
<h3>(ক) জামায়াতের সাথে থাকা নিরাপদ</h3>
<p>عليكم بالجماعة وإياكم والفرقة، فإن الشيطان مع الواحد وهو من الاثنين أبعد، ومن أراد بحبوحة الجنة فليلزم الجماعة<br />
“তোমরা জামায়াতের সাথে থেকো, বিভক্তি থেকে দূরে থেকো। কারণ শয়তান একাকী ব্যক্তির সাথে থাকে এবং দুই জন থেকে দূরে থাকে। যে জান্নাতের প্রশান্তি চায়, সে যেন জামায়াতকে আঁকড়ে ধরে।”<br />
<img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/1f4da.png" alt="📚" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> (সুনান আত-তিরমিজি, হাদীস: ২১৬৫)</p>
<h3>(খ) বিচ্ছিন্নতা ধ্বংসের পথ</h3>
<p>من فارق الجماعة شبرا فمات فميتته جاهلية<br />
“যে ব্যক্তি জামায়াত থেকে একবিন্দু দূরে সরে যায় এবং সেই অবস্থায় মৃত্যু বরণ করে, তার মৃত্যু হবে জাহিলিয়াতের মৃত্যু।”<br />
<img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/1f4da.png" alt="📚" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> (সহীহ মুসলিম, হাদীস: ৪৭৯৩)</p>
<h3>(গ) নেতৃত্ব মান্য করা অপরিহার্য</h3>
<p>من أطاع الأمير فقد أطاعني ومن عصى الأمير فقد عصاني<br />
“যে নেতা (আমির)-এর আনুগত্য করে, সে আমারই আনুগত্য করে; আর যে নেতা অমান্য করে, সে আমারই অমান্য করে।”<br />
<img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/1f4da.png" alt="📚" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> (সহীহ বুখারী, হাদীস: ২৯৫৭)</p>
<h2>৩. আধুনিক প্রেক্ষাপটে সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা</h2>
<p>আজকের যুগে এককভাবে কাজ করা কার্যকর নয়। ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠা, সমাজ সংস্কার, শিক্ষা উন্নয়ন বা মানবিক কল্যাণ—যেকোনো লক্ষ্য সফলভাবে অর্জন করতে হলে সংগঠিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/2733.png" alt="✳" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> আধুনিক বাস্তবতার যুক্তি:</p>
<ul>
<li>Collective Power: সংগঠন একত্রে মানুষের শক্তি ও সম্পদকে ব্যবহারযোগ্য করে।</li>
<li>Leadership &amp; Management: সংগঠন নেতৃত্ব গড়ে তোলে এবং সিদ্ধান্তে শৃঙ্খলা আনে।</li>
<li>Social Impact: সংগঠিত প্রচেষ্টা সামাজিক পরিবর্তন আনে।</li>
<li>Accountability: সংগঠনের মাধ্যমে কাজের মূল্যায়ন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।</li>
<li>Networking: সংগঠন মানুষকে যুক্ত করে বৃহত্তর প্রভাব সৃষ্টি করে।</li>
</ul>
<h2>৪. ইসলামী ইতিহাসে সংগঠনের ভূমিকা</h2>
<p>মদীনায় নবী ﷺ মসজিদ ও মজলিস গঠন করে একটি সুসংগঠিত সমাজ গড়ে তোলেন।</p>
<p>সাহাবারা খিলাফত প্রতিষ্ঠা করেন—সংগঠন ও নেতৃত্বের মাধ্যমে।</p>
<p>তাবেঈন ও তাবে তাবেঈন যুগেও ইসলাম ছড়াতে সংগঠন ও ঐক্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।</p>
<h2>৫. উপসংহার</h2>
<ul>
<li>কুরআন ও সুন্নাহ স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে—বিভক্তি ধ্বংসের পথ, আর জামায়াত ও সংগঠন সফলতার পথ।</li>
<li>আধুনিক যুগে ব্যক্তি পর্যায়ের উদ্যোগ যতই ভালো হোক, সংগঠিত নেতৃত্ব ও দলগত প্রচেষ্টা ছাড়া স্থায়ী পরিবর্তন সম্ভব নয়।</li>
<li>তাই একজন মুমিনের জন্য সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকা, নেতৃত্ব মান্য করা এবং বিভক্তি পরিহার করা ঈমানের দাবি।</li>
</ul>
<p><strong>সারসংক্ষেপ</strong><br />
দিক                  নির্দেশনা<br />
কুরআন             ঐক্য বজায় রাখা, বিভক্তি বর্জন, উলুল আমরের আনুগত্য<br />
সুন্নাহ                জামায়াতের সাথে থাকা, নেতৃত্ব মান্য করা, বিভক্তি থেকে দূরে থাকা<br />
আধুনিক            দৃষ্টিকোণ দলগত প্রচেষ্টা সফলতা আনে, সংগঠন নেতৃত্ব ও প্রভাব বাড়ায়</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%93-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%86%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%90%e0%a6%95%e0%a7%8d/">কুরআন সুন্নাহর আলোকে ঐক্যবদ্ধ থাকার গুরুত্ব</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
