Home > দেশজুড়ে > বিশ্বের ৫৯তম ক্ষমতাধর নারী শেখ হাসিনা

বিশ্বের ৫৯তম ক্ষমতাধর নারী শেখ হাসিনা

এ বছরের বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ১০০ নারীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫৯তম অবস্থানে আছেন। মঙ্গলবার বিশ্বখ্যাত ফোর্বস ম্যাগাজিন এ তালিকা প্রকাশ করে। গত বছরের ক্ষমতাশালীদের তালিকায় শেখ হাসিনা ৪৭তম অবস্থানে ছিলেন।

এদিকে এবারও বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নারী নির্বাচিত হয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেল। ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী সঙ্কট, রাশিয়ার ওপর অবরোধ, জার্মানিতে গোয়েন্দা কেলেঙ্কারি, ইউরোজোনের স্থিতিশীলতা ধরে রাখা এবং  বিমান পরিচালনাকারী সংস্থা জার্মান উইংস দুর্ঘটনার পরিস্থিতি যেভাবে মোকাবিলা করেছেন, সেসব সাফল্যই তাকে তালিকার শীর্ষে জায়গা করে দিয়েছে।

তালিকায় এরপরের অবস্থানেই আছেন ২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ও প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। হিলারি  ২০০৪ সাল থেকেই ফোর্বসের প্রভাবশালী নারীদের তালিকায় রয়েছেন। এবার তার দুই নম্বরে জায়গা করে নেওয়ার কারণ আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হলেই তার মাথায় উঠেবে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী নারীর মুকুট।

শেখ হাসিনা সম্পর্কে ফোর্বস ম্যাগাজিন বলেছে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি সংঘাতপূর্ণ ও কম ভোটের নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে নতুন মেয়াদে বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব শুরু করেন শেখ হাসিনা। এর আগে তিনি ১৯৯৬ থেকে ২০০১ এবং ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন।

শীর্ষ দশে ঠাঁই পাওয়া অন্যদের মধ্যে রয়েছেন- বিল গেটসের স্ত্রী মেলিন্ডা গেটস, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জ্যানেট ইয়েলিন, শীর্ষ গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জেনারেল মোটরসের সিইও ম্যারি বারা, আইএমএফ প্রধান ক্রিস্টিন লাগার্ড, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট দিলমা রুসেফ, ফেসবুকের চিফ অপারেটিং অফিসার শেরিল স্যান্ডবার্গ, ইউটিউবের সিইও সুসান উজসিসিকি এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার স্ত্রী মিশেল ওবামা।

প্রাথমিকভাবে বিশ্বব্যাপী তিনশ প্রভাবশালী নারীর খসড়া তালিকা তৈরি করা হয়। পরে সেখান থেকে আট ক্যাটাগরিতে একশ প্রভাবশালী নারীকে বাছাই করা হয়। যে আট ক্যাটাগরিতে প্রভাবশালী নারীদের তালিকা করা হয়েছে সেগুলো হচ্ছে- বিলিয়নার, ব্যবসায়ী, তারকা, আর্থিক অবস্থা, গণমাধ্যমে উপস্থিতি, জনহিতৈষী ও আন্তঃসরকার সংগঠন, রাজনীতি ও প্রযুক্তি। একশজনের তালিকা ক্রমবিন্যাসের জন্য অর্থ, গণমাধ্যমে উপস্থিতি, আঞ্চলিক প্রতিপত্তি ও প্রভাবকে পরিমাপক হিসেবে ধরা হয়েছে।