<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Featured Archives - জিনিউজ বিডি ডটকম</title>
	<atom:link href="https://www.gnewsbd.com/category/featured/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://www.gnewsbd.com/category/featured/</link>
	<description>অনলাইন বাংলা নিউজ ম্যাগাজিন</description>
	<lastBuildDate>Mon, 23 Sep 2024 16:31:36 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://www.gnewsbd.com/files/2021/01/cropped-gnewsbd-logo-32x32.png</url>
	<title>Featured Archives - জিনিউজ বিডি ডটকম</title>
	<link>https://www.gnewsbd.com/category/featured/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>ইসরাইলি ধ্বংসযজ্ঞের প্রতীক আল-শিফা</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%af%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 23 Sep 2024 16:31:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[আল-শিফা হাসপাতাল]]></category>
		<category><![CDATA[ইসরাইল]]></category>
		<category><![CDATA[গাজা]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=13783</guid>

					<description><![CDATA[<p>গাজার চিকিৎসকদের এক সময়ের গর্ব, ফিলিস্তিন ভূখণ্ডের প্রধান হাসপাতাল আল-শিফা ইসরাইল-হামাস যুদ্ধে ইসরাইলি ধ্বংসযজ্ঞের প্রতীক হয়ে উঠেছে। ইসরাইলের উপর হামাসের [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%af%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4/">ইসরাইলি ধ্বংসযজ্ঞের প্রতীক আল-শিফা</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>গাজার চিকিৎসকদের এক সময়ের গর্ব, ফিলিস্তিন ভূখণ্ডের প্রধান হাসপাতাল আল-শিফা ইসরাইল-হামাস যুদ্ধে ইসরাইলি ধ্বংসযজ্ঞের প্রতীক হয়ে উঠেছে।<br />
ইসরাইলের উপর হামাসের ৭ অক্টোবরের আক্রমণের পর যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত রোগীরা বছরের পর বছর ধরে গাজার হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সদের সেরা সেবাটাই পাচ্ছিলেন। কিন্তু এই বছরের শুরুতে, তাদের সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করতে হয়।<br />
ইসরাইলের দুটি সামরিক অভিযানে আল-শিফা হাসপাতাল ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরাইলি বাহিনী হাসপাতালটিতে ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে প্রথম ও ২০২৪ সালের মার্চ মাসে দ্বিতীয়বার হামলা চালায়।<br />
ইসরাইলি সেনারা আল-শিফার পরিচালক মোহাম্মদ আবু সালমিয়াকে সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে আটকে রেখেছে। সে সময় তাকে ‘নির্যাতন’ করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।<br />
এরপর থেকে হাসপাতালে একটি জরুরি বিভাগ পুনরায় চালু করা হয়েছে। যদিও হাসপাতালটির কমপ্লেক্সের বাকি অংশ যুদ্ধের আগুনে পুড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।<br />
হাসপাতালের চিকিৎসক আবু জাফর বলেন, জরুরি বিভাগটি পুনরায় চালু করার জন্য হাসপাতাল কর্মীদের ‘ডায়ালাইসিস মেশিনগুলোকে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে টেনে বের করতে হয়েছে।’</p>
<figure id="attachment_13786" aria-describedby="caption-attachment-13786" style="width: 728px" class="wp-caption alignnone"><a href="https://www.gnewsbd.com/files/2024/09/Alshifa-hospital-gnews-photo.jpg"><img fetchpriority="high" decoding="async" class="size-full wp-image-13786" src="https://www.gnewsbd.com/files/2024/09/Alshifa-hospital-gnews-photo.jpg" alt="ইসরাইলি ধ্বংসযজ্ঞের প্রতীক আল-শিফা" width="728" height="410" srcset="https://www.gnewsbd.com/files/2024/09/Alshifa-hospital-gnews-photo.jpg 728w, https://www.gnewsbd.com/files/2024/09/Alshifa-hospital-gnews-photo-300x169.jpg 300w, https://www.gnewsbd.com/files/2024/09/Alshifa-hospital-gnews-photo-150x84.jpg 150w, https://www.gnewsbd.com/files/2024/09/Alshifa-hospital-gnews-photo-696x392.jpg 696w" sizes="(max-width: 728px) 100vw, 728px" /></a><figcaption id="caption-attachment-13786" class="wp-caption-text">ইসরাইলি ধ্বংসযজ্ঞের প্রতীক আল-শিফা</figcaption></figure>
<p>গাজা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, ১৫ নভেম্বর রাতে যখন ইসরাইলি ট্যাঙ্কগুলো হাসপাতালে হামলা চালায়, জাতিসংঘের মতে এ হাসপাতাল কমপ্লেক্সে তখন কমপক্ষে ২,৩০০ লোক ছিল।<br />
এদের অনেকেই এটিকে গাজার মধ্যে একটি নিরাপদ স্থান ভেবে এখানে আশ্রয় নিয়েছিল।<br />
ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের হামলায় বাস্তুচ্যুতদের মধ্যে একজন সংবাদদাতা বলেছেন, বন্দুকযুদ্ধ ও বিস্ফোরণে রোগী, কর্মচারী এবং যুদ্ধ থেকে আশ্রয় নেওয়া অন্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।<br />
১৯ মার্চ ইসরাইলি বাহিনী ট্যাঙ্ক ব্যবহার করে দ্বিতীয় হামলা শুরু করে। ১১ দিন ধরে সৈন্যরা হাসপাতাস প্রাঙ্গনে চিরুনি অভিযান চালায়।<br />
অভিযান শেষে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী ‘২০০ সন্ত্রাসীকে’ হত্যা ও বিপুল পরিমাণ অস্ত্র খুঁজে পাওয়ার দাবি করে।<br />
গাজার সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি জানায়, ওই হামলার পর অন্তত ৩০০ জনের লাশ পাওয়া গেছে। এজেন্সিটি ফিলিস্তিনি উপকূলীয় ছিটমহল জুড়ে উদ্ধার কাজ চালায়।<br />
কমান্ড সেন্টার নাকি স্বাস্থ্য সুবিধা?<br />
ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর দাবি, হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি জঙ্গিরা আল-শিফা হাসপাতালকে তাদের কমান্ড সেন্টার হিসাবে ব্যবহার করায় ইসরাইল হাসপাতালটির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে।<br />
এ দাবির পক্ষে ইসরাইল একটি প্রেস ইভেন্টের আয়োজন করে। ইভেন্টে সৈন্যদের সাইটের নীচে সুড়ঙ্গ খুঁজে পাওয়ার ভিডিও ফুটেজ প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করে। যদিও কিছু বিশেষজ্ঞ ফুটেজের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।<br />
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের আক্রমণের সময় আটক ২৫১ জিম্মিদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে রাখা হয়েছে। নভেম্বরে একটি সংক্ষিপ্ত যুদ্ধবিরতি চলাকালে মুক্তিপ্রাপ্ত জিম্মিরা ওই সময়ে তাদেরকে হাসপাতাল বা এ ধরনের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আটকে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছে।<br />
সামরিক বাহিনী আরও বলেছে যে, আল-শিফা হাসপাতালের কাছে অন্তত দুই জিম্মি- নোয়া মার্সিয়ানো ও ইহুদিত ওয়েইসের মৃতদেহ পাওয়া গেছে।<br />
হামাস ক্রমাগতভাবে হাসপাতালগুলোকে কমান্ড সেন্টার হিসাবে ব্যবহার করার বিষয়টি অস্বীকার করেছে।<br />
মানবাধিকার সংস্থাগুলো যুদ্ধ পরিচালনার জন্য ইসরায়েলের সমালোচনা করেছে। ইসরাইলি সরকারের পরিসংখ্যানের উপর ভিত্তি করে এএফপির তথ্য অনুযায়ী, হামাসের হামলায় ইসরাইলি পক্ষের ১,২০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে- যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক।<br />
হামাস পরিচালিত অঞ্চলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুসারে, ইসরায়েলের প্রতিশোধমূলক সামরিক অভিযানে গাজায় কমপক্ষে ৪১,৪৩১ জন নিহত হয়েছে- যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক।<br />
জাতিসংঘ এই পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য বলে মত দিয়েছে। গাজায় এখনও ৯৭ জনকে জিম্মি করে রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ৩৩ জনকে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী মৃত বলে দাবি করেছে।<br />
সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবিদ ফিলিস্তিনি-আমেরিকান ইয়ারা আসি বলেন, ইসরাইল প্রতিষ্ঠার দুই বছর আগে ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত আল-শিফা হাসপাতালটি গাজার বৃহত্তম স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল। এটি কেবল একটি হাসপাতালই ছিল না, এটি ছিল ফিলিস্তিনিদের জীবনের আশা ও এ ভূমিতে তাদের বসবাস করার ইচ্ছার একটি প্রতিফলন।<br />
ইয়ারা যুদ্ধ অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্যতা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ।<br />
ঘাসান আবু-সিত্তাহ বলেন, আল-শিফা হাসপাতাল গাজার অন্যতম বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে। তিনি একজন ফিলিস্তিনি-ব্রিটিশ সার্জন যিনি যুদ্ধের প্রথম ৪৩ দিন আহতদের চিকিৎসা করেন।<br />
তিনি আরো বলেন, ‘প্রতিটি যুদ্ধের পর, এই হাসপাতালটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে।’<br />
আবু-সিত্তাহ গাজায় ২০০৮-৯, ২০১২, ২০১৪ ও ২০২১ সালে আগের চারটি যুদ্ধের কথা উল্লেখ করে বলেছেন।<br />
তিনি বলেন, ‘আল-শিফার ধ্বংসের পর, মানুষ দেখল যে, গাজা উপত্যকার উত্তরে চিকিৎসার জন্য তাদের যাওয়ার কোন জায়গাই নেই।’<br />
আল-শিফা ধ্বংসের পর ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা মূলত ধসে পড়েছে।<br />
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমান করেছে যে, গাজায় মাত্র কয়েকটি ক্লিনিক চালু রয়েছে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এখন আহতদের আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা দ্বারা পরিচালিত উন্মুক্ত হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হবে।<br />
আবু-সিত্তাহ বলেছেন, আল-শিফা ‘স্বাস্থ্য পরিচর্যা ব্যবস্থার মূল প্রাণকেন্দ্র ছিল। ইসরাইলের অভিযানগুলো এটি ধ্বংস করে দিয়েছে দিয়েছে।’</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%af%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4/">ইসরাইলি ধ্বংসযজ্ঞের প্রতীক আল-শিফা</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>১৩ জুন খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান : শিক্ষামন্ত্রী</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 26 May 2021 12:38:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=8399</guid>

					<description><![CDATA[<p>করোনা মহামারীর কারণে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামি ১৩ জুন থেকে খুলে দেয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। বুধবার দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf/">১৩ জুন খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান : শিক্ষামন্ত্রী</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>করোনা মহামারীর কারণে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামি ১৩ জুন থেকে খুলে দেয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। বুধবার দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন থেকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি ১২ জুন পর্যন্ত বাড়ানোর ঘোষণা দেন। এর আগের ঘোষণা অনুযায়ী ২৯ মে পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল।</p>
<p>শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী ১৩ জুন থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত প্রাথমিকভাবে গৃহিত হয়েছ। এটি বাস্তবায়ন করতে হলে সবাইকে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।</p>
<p>শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে ১৩ জুন থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। তবে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। সবাই তাদের দায়িত্ব পালন করবেন। আমাদের মেসেজটা হচ্ছে— ১৩ জুন থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো।’</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a7%a7%e0%a7%a9-%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf/">১৩ জুন খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান : শিক্ষামন্ত্রী</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ব্ল্যাক ফাঙ্গাস কী? কতটা মারাত্মক? এর চিকিৎসা কী?</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/feature/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 26 May 2021 03:10:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[ব্ল্যাক ফাংগাস]]></category>
		<category><![CDATA[ব্ল্যাক ফাঙ্গাস]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=8381</guid>

					<description><![CDATA[<p>করোনার মধ্যে নতুন করে থাবা বসাচ্ছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস (Black Fungus) বা মিউকোরমাইকোসিস। সম্প্রতি অনেক কোভিড (Covid) রোগী এই ফাঙ্গাল ইনফেকশনে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/feature/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b8/">ব্ল্যাক ফাঙ্গাস কী? কতটা মারাত্মক? এর চিকিৎসা কী?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>করোনার মধ্যে নতুন করে থাবা বসাচ্ছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস (Black Fungus) বা মিউকোরমাইকোসিস। সম্প্রতি অনেক কোভিড (Covid) রোগী এই ফাঙ্গাল ইনফেকশনে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। ২৮ জুন ২০২১, বাংলাদেশের চট্টগ্রামে এক নারীর শরীরে ব্ল্যাক ফাংগাসের উপস্থিতির কথা জানানো হয়েছে।  বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ফাঙ্গাল ইনফেকশন (Black Fungus) অবহেলা করলে মারাত্মক রূপ ধারণ করতে পারে। মিউকোরমাইসেটেস নামে এক ছত্রাক থেকে এই ইনফেকশন হয়। সামান্য ত্বকের সমস্যা থেকে শুরু হলেও এই সংক্রমণ ছড়াতে পারে ফুসফুস ও মস্তিষ্কে।</p>
<p>এই নিবন্ধে আমরা জানবো ব্ল্যাক ফাঙ্গাস কী, এর লক্ষণ, প্রতিকার, চিকিৎসা ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে।</p>
<h2>ব্ল্যাক ফাঙ্গাস (Black Fungus) কী?</h2>
<p>মিউকোরমাইসেটেস নামে এক ছত্রাক থেকে এই ইনফেকশন হয়। সাধারণত আর্দ্র বা ভেজা স্থানে এ ছত্রাক বংশবৃদ্ধি করে। শ্বাসের সময়ে বা শরীরে কাটা অংশের মাধ্যমে এটি দেহে প্রবেশ করে। কিন্তু সাধারণত আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এই ছত্রাকের বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদান করে।</p>
<p>তাছাড়া, এই ছত্রাক ছোঁয়াচে নয়। একজনের থেকে অন্যজনের মধ্যে সংক্রমিত হয় না। তবে, কোভিড (Covid) আক্রান্তদের ওপর এর প্রভাব পড়ে গুরুতর।</p>
<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, গুরুতর করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য স্টেরয়েড প্রয়োগ করা হচ্ছে। সেই স্টেরয়েড রক্তে শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি করে। কিছু ওষুধ রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপরেও প্রভাব ফেলে।<br />
আর ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এই বৃদ্ধি পাওয়া সুগার লেভেল হতে পারে মারাত্মক। সিংহভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, মূলত ডায়াবেটিসের রোগীদের মধ্যে যারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তাদেরই ব্ল্যাক ফাংগাসের সংক্রমণ বেশি হয়েছে।</p>
<h2>ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের লক্ষণ</h2>
<p>ICMR-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই লক্ষণগুলি (black fungus symptoms) দেখলে সতর্ক হতে হবে-</p>
<ul>
<li>জ্বর</li>
<li>মাথা ব্যথা</li>
<li>কাশি</li>
<li>নিঃশ্বাসের সমস্যা</li>
<li>রক্তবমি</li>
<li>মানসিক অবস্থার পরিবর্তন</li>
<li>নাক বন্ধ হয়ে আসা, নাক থেকে চাপা রক্তের মতো বা কালো পুঁজ বের হওয়া * চোয়ালে ব্যথা বা মুখের একদিকে ব্যথা, অবশ হয়ে যাওয়া বা ফুলে যাওয়া।</li>
<li> প্রাথমিকভাবে ত্বকের যেখানে আঘাত আছে, সেখানে সংক্রমণ হতে পারে। তারপর তা দ্রুত শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে যেতে পারে।</li>
<li>গায়ে ফোসকা, ত্বকে লালভাব-ফোলাভাবের মতো উপসর্গ নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।</li>
<li>দাঁতে ব্যথা বা দাঁত আলগা হয়ে আসা।</li>
<li>দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা, বা দুটো করে জিনিস দেখা</li>
<li>জ্বর</li>
<li>ত্বকের সমস্যা।</li>
<li>বুকে ব্যথা, নিঃশ্বাসের সমস্যা বেড়ে যাওয়া।</li>
</ul>
<h2><a href="https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/black-fungus-attack.jpg"><img decoding="async" class="alignleft wp-image-8386 size-full" src="https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/black-fungus-attack.jpg" alt="ব্ল্যাক ফাঙ্গাস (black fungus) কাদের হতে পারে?" width="1280" height="721" srcset="https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/black-fungus-attack.jpg 1280w, https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/black-fungus-attack-300x169.jpg 300w, https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/black-fungus-attack-1024x577.jpg 1024w, https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/black-fungus-attack-768x433.jpg 768w, https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/black-fungus-attack-150x84.jpg 150w, https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/black-fungus-attack-696x392.jpg 696w, https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/black-fungus-attack-1068x602.jpg 1068w" sizes="(max-width: 1280px) 100vw, 1280px" /></a></h2>
<h2>ব্ল্যাক ফাঙ্গাস (black fungus) কাদের হতে পারে?</h2>
<p>ব্ল্যাক ফাঙ্গাস আমাদের পরিবেশে সবসময়েই থাকে। মানুষের শরীরেও সবসময়ে থাকে। কিন্তু দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে, তখন এটা রোগ হিসাবে দেখা দেয়।</p>
<p>বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত থাক, তাদের ঝুঁকি বেশি থাকে। আবার স্টেরয়েড গ্রহণ করা ব্যক্তিরাও এতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন। বর্তমানে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে সেরে ওঠার পর অনেকে এই ছত্রাকে আক্রান্ত হচ্ছেন। বিশেষ করে ভারতে এই প্রবণতা মারত্মক আকার ধারণ করেছে।</p>
<h2>করোনার রোগীরা কেন মিউকোরমাইকোসিসে আক্রান্ত হচ্ছেন?</h2>
<p>স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মকর্তা ড. ভি.কে. পল জানান, ডায়াবেটিস রোগীদের গুরুতর করোনা সংক্রমণ হলে স্টেরয়েড প্রয়োগ করে চিকিত্সা হচ্ছে। এই স্টেরয়েডের প্রভাবেই আরও বেড়ে যাচ্ছে রক্তে শর্করার(Blood Sugar) মাত্রা। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও দুর্বল। এই পরিস্থিতেই আক্রমণ করছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস।</p>
<p><em>ড. ভি.কে. পলের মতে, &#8216;রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস, রক্তে উচ্চ শর্করার মাত্রা ইত্যাদি থাকলে মিউকোরমাইকোসিসের আশংকা থেকেই যাচ্ছে। তাই এক কথায় করোনা সংক্রমণ হয়নি যাদের তাদেরও এটি হতে পারে।&#8217;</em></p>
<p>চিকিত্সকেরা অবশ্য এটাও জানিয়েছেন যে এটি নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সুস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই সংক্রমণের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।</p>
<h2>ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসা</h2>
<p>বিশেষজ্ঞদের মতে- অবশ মুখ, নাকের একদিক বন্ধ, চোখে ফোলা বা ব্যথার মতো উপসর্গগুলি দেখা দিলে সাথে সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো যত দ্রুত সম্ভব অ্যান্টি-ফাঙ্গাস থেরাপি শুরু করে ফেলতে হবে।<br />
এড়িয়ে যেতে হবে ধুলোর সঙ্গে সরাসরি সংস্পর্শ। মাটি বা শ্যাওলা নিয়ে ঘাঁটাঘাটির সময় জুতা, লম্বা প্যান্ট পরতে হবে। সাবান এবং পানি দিয়ে ত্বকের আঘাত পরিষ্কার করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।</p>
<p>অ্যামফটেরিসিন বি (Amphotericin B) ইনজেকশন এই রোগের প্রাথমিক চিকিৎসাগুলির মধ্যে অন্যতম। এই রোগে রোগী আক্রান্ত হওয়ার পর রোগীদের, ENT ডাক্তার, নিউরো সার্জেন (NEURO SURGEON) চক্ষু বিশেষজ্ঞদের (Eye specialist) তত্ত্বাবধানে থাকা প্রয়োজন।</p>
<p>চিকিৎসা হিসেবে প্রত্যেকটি সংক্রমক টিস্যু অপারেশন করে নিস্ক্রমন করতে হবে, নইলে রোগী দৃষ্টি শক্তি হারাতে পারে। ছয় সপ্তাহের চিকিৎসা অবশ্যই প্রয়োজন।</p>
<p>এই রোগ থেকে সেরে ওঠার পর ব্লাড সুগারের নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন। অক্সিজেন থেরাপির জন্য পরিষ্কার স্টেরিল পানি প্রয়োজন। স্টেরয়েড ও অ্যান্টি ফাংগাল ব্যবহার করার ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিসকের অনুমোদন প্রয়োজন।</p>
<h2>সংক্রমণ থেকে বাঁচতে যেভাবে মুখ পরিষ্কার করবেন</h2>
<p>১. দিনে ২ বার ভালো করে ব্রাশ করতে হবে। কোভিড সংক্রমণের পর একই টুথব্রাশ ব্যবহার করা যাবে না।<br />
২. নিয়মিত জিহ্বা পরিষ্কার রাখা দরকার। জিভ পরিষ্কারের জন্য বাজারে প্ল্যাস্টিকের পাত পাওয়া যায়। সেগুলি দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার করুন।<br />
৩. দিনে অন্তত ২ বার মাউথওয়াশ দিয়ে কুলকুচি করে মুখের ভিতর পরিষ্কার করতে হবে।<br />
৪. মুখের ভিতরটি যাতে শুকিয়ে না যায়, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। মাঝে মধ্যে পানি খেয়ে মুখ ভিজিয়ে রাখতে হবে।</p>
<h2>ব্ল্যাক ফাঙ্গাস : কী করবেন এবং কী করবেন না?</h2>
<p>ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ইনফেকশন ও এর ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো খেয়াল রাখুন।</p>
<ul>
<li>বিশেষজ্ঞরা ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখার কথা বলছেন।</li>
<li>কোভিড থেকে সেরে উঠেছেন এমন রোগীর ডায়াবেটিস নির্দিষ্ট সময় অন্তর চেক করতে হবে।</li>
<li>ঠিক পরিমাণ এবং অন্যান্য বিষয় খেয়াল করে রোগীকে স্টেরয়েড দেওয়া।</li>
<li>অক্সিজেন থেরাপির সময়ে পরিষ্কার পানি ব্যবহার করা।</li>
<li>অ্যান্টিফাংগাল বা অ্যান্টিবায়োটিক দিতে হবে রোগীকে চিকিৎসকের পরামর্শে।</li>
<li>উপসর্গ দেখলেই সাবধান হতে হবে।</li>
<li>ধুলোবালি রয়েছে এমন জায়গায় গেলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন।</li>
<li>লম্বা ট্রাউজার, ফুলহাতা জামা, গ্লাভস ও জুতো পরুন বাগানের কাজ করার সময়ে।</li>
<li>পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন।</li>
<li>করোনা সেরে গেলে অবশ্যই নতুন ব্রাশ ব্যবহার করুন। করোনা থেকে সেরে ওঠার পরে টেস্ট রিপোর্ট নেগেটিভ এলে পুরানো ব্রাশ পরিবর্তন করে নতুন দাঁত মাজার ব্রাশ ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।<br />
সেই সঙ্গে দিনে বেশ কয়েকবার মুখ ধুতে হবে। করোনা থেকে যারা সেরে উঠেছেন তারা একই জায়গায় পরিবারের অন্যদের সঙ্গে নিজের ব্রাশ রাখবেন না। এর পাশাপাশি স্ক্র্যাপার দিয়ে জিহবা পরিষ্কার করতে হবে।</li>
</ul>
<h2 style="text-align: center;"><strong>সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)</strong></h2>
<hr />
<h3><strong>ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা কালো ছত্রাকের সংক্রমণ কী?</strong></h3>
<p>খুব বিরল তবে বিপজ্জনক ছত্রাকের সংক্রমণ, মিউকোরমাইকোসিস এখন কিছু করোনভাইরাসের রোগীকে প্রভাবিত করছে বলে প্রমাণিত হয়েছে।<br />
এই রোগ (শ্লৈষ্মিক সংক্রমণ) মুখ, নাক, চোখের কক্ষপথ বা মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করতে পারে যা এমনকি দৃষ্টি হ্রাস করতে পারে। এটি ফুসফুসেও ছড়িয়ে যেতে পারে।</p>
<h3><strong>কীভাবে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণ হয়?</strong></h3>
<p>মিউকোরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাস একটি ছত্রাকের সংক্রমণ দ্বারা সৃষ্ট জটিলতা। মানুষ পরিবেশে ছত্রাকের বীজগুলির সংস্পর্শে এলে মিউকোরমাইকোসিস সংক্রমন ঘটে।<br />
ছত্রাকটি কাটা, স্ক্র্যাপ, বার্ন বা অন্যান্য ত্বকের আঘাতের মধ্য দিয়ে ত্বকে প্রবেশ করার পরে এটি ত্বকেও বিকাশ লাভ করতে পারে।</p>
<h3><strong>কারা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হন?</strong></h3>
<p>ব্ল্যাক ফাঙ্গাস আমাদের পরিবেশে সবসময়েই থাকে। মানুষের শরীরেও সবসময়ে থাকে। কিন্তু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে তখন এটা রোগ হিসাবে দেখা দেয়। বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত থাক, তাদের ঝুঁকি বেশি থাকে। আবার স্টেরয়েড গ্রহণ করা ব্যক্তিরাও এতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন। সম্প্রতি কোভিড-১৯ রোগীদের এতে আক্রান্ত হবার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।</p>
<h3><strong>ব্ল্যাক ফাঙ্গাস থেকে মানুষ কীভাবে অসুস্থ হয়?</strong></h3>
<p>মানুষ পরিবেশের ছত্রাকের বীজগুলির সংস্পর্শে এলে মিউক্রোমাইসিস দ্বারা আক্রান্ত হয়। এছাড়া ছত্রাকটি কাটা, স্ক্র্যাপ, বার্ন বা অন্যান্য কোনোভাবে ত্বকে প্রবেশ করার পরে এটি ত্বকেও বিকাশ লাভ করতে পারে। এই রোগ এমন রোগীদের মধ্যে সনাক্ত করা হচ্ছে যারা কোভিড-১৯ থেকে সেরে উঠেছেন।</p>
<h3><strong>ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের প্রতিকার আছে কি?</strong></h3>
<p>২১ শে মে দিল্লির সিনিয়র চিকিত্সকেরা জানিয়েছেন যে, তাড়াতাড়ি রোগ নির্ণয় করা হলে ব্ল্যাক ফাংগাসের চিকিত্সা করা যেতে পারে এবং এটি COVID-19 রোগীদের মধ্যে পাওয়া বিরল সংক্রমণ।</p>
<h3><strong>কালো ছত্রাকের আক্রমণে কী ঘটে?</strong></h3>
<p>মিউকোরমাইকোসিস বা শ্লৈষ্মিক সংক্রমণ হলো ছত্রাকের সংক্রমণ যা নাকের উপরে কালো হয়ে যাওয়া বা বর্ণহীনতা দেখা দেয়, ঝাপসা বা ডাবল দৃষ্টি, বুকের ব্যথা, শ্বাসকষ্ট এবং রক্ত কাশির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।<br />
মিউকোরোমাইকোসিস শ্লেষ্মার সংস্পর্শের ফলে ঘটে। যা সাধারণত মাটি, বায়ু এমনকি মানুষের নাক ও শ্লেষ্মায় পাওয়া যায়।</p>
<h3><strong>ব্ল্যাক ফাঙ্গাস কি মারাত্মক?</strong></h3>
<p>কালো ছত্রাক বা শ্লৈষ্মিক সংক্রমণ, একটি ছত্রাক সংক্রমণ দ্বারা সৃষ্ট জটিলতা। এটি তুলনামূলকভাবে বিরল তবে মারাত্মক পরিণতি হতে পারে।</p>
<h3><strong>কালো ছত্রাক কি বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়?</strong></h3>
<p>এটি বাতাসে বা পরিবেশে উপস্থিত ছত্রাকের স্পোর (বীজ) থেকে ছড়ায়, যা এড়ানো প্রায় অসম্ভব। এই রোগটি সংক্রামক নয়, যার অর্থ এটি মানুষ বা প্রাণীর মধ্যে যোগাযোগ থেকে ছড়াতে পারে না।</p>
<h3><strong>কোভিড ছাড়া কি কেউ ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হতে পারেন?</strong></h3>
<p>মিউক্রোমাইসোসিস একটি ছত্রাকের সংক্রমণ যা বেশিরভাগক্ষেত্রে কম রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাসম্পন্ন রোগীদের মধ্যে দেখা যায়।</p>
<h3><strong>মাথাব্যথা কি কালো ছত্রাকের লক্ষণ?</strong></h3>
<p>ব্ল্যাক ফাঙ্গাস হিসাবে পরিচিত মিউকোরমাইকোসিসের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে- মাথা ব্যথা, জ্বর, চোখের নিচে ব্যথা, সাইনাসের সমস্যা এবং চোখের আংশিক ক্ষতি।<br />
সাইনাস, মস্তিষ্ক এবং ফুসফুসকে প্রভাবিত করে এবং ডায়াবেটিস রোগী বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এমন ব্যক্তিদের মধ্যে প্রাণঘাতি হতে পারে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস।</p>
<h3><strong>খাদ্যের মাধ্যমে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ছড়ায়?</strong></h3>
<p>ব্ল্যাক ফাঙ্গাস প্রাকৃতিকভাবে বাতাস, পানি এবং এমনকি খাবারেও পাওয়া যায়।</p>
<h3><strong>ব্ল্যাক ফাঙ্গাস কোথায় থাকে?</strong></h3>
<p>মিউকোরমাইকোসিস বা &#8220;ব্ল্যাক ফাঙ্গাস&#8221; মাটি এবং পচনশীল পাতার মতো ক্ষয়কারী জৈব পদার্থে থাকতে পারে। <em>US Centers for Disease Control and Prevention (CDC)</em></p>
<p>মিউকোরমাইকোসিস, ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা কালো ছত্রাক &#8211; যে নামেই আখ্যায়িত করি না কেন, এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাচতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত শরীর চর্চা এবং সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনাই এ রোগে আক্রান্ত হওয়া থেকে আমাদের বাঁচাতে পারে।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/feature/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b8/">ব্ল্যাক ফাঙ্গাস কী? কতটা মারাত্মক? এর চিকিৎসা কী?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইসরাইল-হামাস যুদ্ধ বিরতি, গাজায় উল্লাস</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 21 May 2021 01:52:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বজুড়ে]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=8341</guid>

					<description><![CDATA[<p>ইসরাইলের নিরাপত্তা বিষয়ক পরিষদ ও হামাস মিশরীয় মধ্যস্ততাকারীর সহায়তায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। শুক্রবার রাত ২:০০টা থেকে তা কার্যকর হয়েছে। গত [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf/">ইসরাইল-হামাস যুদ্ধ বিরতি, গাজায় উল্লাস</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ইসরাইলের নিরাপত্তা বিষয়ক পরিষদ ও হামাস মিশরীয় মধ্যস্ততাকারীর সহায়তায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। শুক্রবার রাত ২:০০টা থেকে তা কার্যকর হয়েছে।</p>
<p>গত ১১ দিন ধরে চলা এই অসম যুদ্ধে ইসরাইলি বোমাবর্ষণে ৬৫ শিশুসহ ২৩৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আর ইসরাইলে দুই শিশুসহ নিহত হয়েছে ১২ জন।</p>
<p>যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর একে বিজয় আখ্যা দিয়ে গাজার রাস্তায় নেমে উল্লাস করে ফিলিস্তিনিরা।</p>
<p>ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অফিস জানায়, সিকিউরিটি ক্যাবিনেট সর্বসম্মতভাবে শর্তহীন একটি যুদ্ধবিরতির ব্যাপারে মিসরীয় উদ্যোগ গ্রহণ করার সুপারিশ করেছে।</p>
<p>আর ফিলিস্তিনি গ্রুপ হামাস ও ইসলামিক জিহাদ এক বিবৃতিতে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করেছে।</p>
<p>হামাস কর্মকর্তারা বলছেন, তারা তাদের দুই শর্তের ব্যাপারে অনির্দিষ্ট ছাড় পেয়েছেন। যুদ্ধবিরতির ব্যাপারে তাদের দুই শর্ত ছিল শেখ জাররাহ এলাকা থেকে ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুত করা যাবে না এবং আল-আকসা মসজিদ কমপ্লেক্সে ইসরাইলি পুলিশের উপস্থিতি থাকতে পারবে না।</p>
<p>ইসরাইলি কর্মকর্তারা বলছেন, এ ধরনের দাবি সম্পূর্ণ ভুল।</p>
<p>যুদ্ধবিরতির খবর প্রকাশ হওয়ার পরপরই গাজায় নতুন করে ইসরালি বিমান হামলা হয়, ইসরাইলে রকেট নিক্ষিপ্ত হয়। এদিকে ইসরাইলের প্রধান বিমানবন্দর বেন গুরিয়ানে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সকল ফ্লাইট বন্ধ করে দেয়া হয়। এতেই পরিস্থিতির নাজুকতা ফুটে ওঠে।<br />
এমনকি যুদ্ধবিরতির মধ্যেও কোনো কিছু নির্ধারিত হয়নি।</p>
<p><em>আল জাজিরা, বিবিসি</em></p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf/">ইসরাইল-হামাস যুদ্ধ বিরতি, গাজায় উল্লাস</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আয়রন ডোম কী? আয়রন ডোম কিভাবে কাজ করে?</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/feature/%e0%a6%86%e0%a7%9f%e0%a6%b0%e0%a6%a8-%e0%a6%a1%e0%a7%8b%e0%a6%ae-%e0%a6%95%e0%a7%80/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 17 May 2021 09:08:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[আয়রন ডোম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=8319</guid>

					<description><![CDATA[<p>ফিলিস্তিনি জনগণের সাথে ইসরাইলের রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে বহু বছর ধরে। ইসরাইলি আঘাতের পাল্টা জবাবে কয়েক দিন ধরে ফিলিস্তিন থেকে শত [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/feature/%e0%a6%86%e0%a7%9f%e0%a6%b0%e0%a6%a8-%e0%a6%a1%e0%a7%8b%e0%a6%ae-%e0%a6%95%e0%a7%80/">আয়রন ডোম কী? আয়রন ডোম কিভাবে কাজ করে?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ফিলিস্তিনি জনগণের সাথে ইসরাইলের রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে বহু বছর ধরে। ইসরাইলি আঘাতের পাল্টা জবাবে কয়েক দিন ধরে ফিলিস্তিন থেকে শত শত রকেট ছোড়া হচ্ছে ইসরাইলকে লক্ষ্য করে। তবে এসব রকেটের অধিকাংশই ঠেকিয়ে দেওয়ার দাবি করছে দেশটি। রকেট হামলা ঠেকানোর জন্য ইসরাইলের হাতে আছে আয়রন ডোম নামের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।</p>
<p>ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, তারা আয়রন ডোমের মাধ্যমে ৯০ শতাংশ রকেট হামলা আকাশেই ঠেকিয়ে দিয়েছে। আয়রন ডোম কী, আর তা কিভাবে ইসরাইলের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে জানাবো এই নিবন্ধে।</p>
<h2>আয়রন ডোম কী?</h2>
<p>আয়রন ডোম (ইংরেজি: Iron Dome; হিব্রু ভাষায়: כִּפַּת בַּרְזֶל‎, kipat barzel, আক্ষরিক অর্থ &#8220;লৌহ কিপ্পাহ&#8221;)। এটি অন্তঃপ্রক্ষেপণ এবং স্বল্প-সীমা রকেটসমূহ ধংস এবং ৪ থেকে ৭০ কিলোমিটার দূর থেকে আসা আর্টিলারি শেল হামলা প্রতিহত করতে নকশা করা হয়েছে। ইসরায়েল আশা করছে যে তারা ভবিষ্যতে ইণ্টারেসেপ্টিং রেঞ্জ ৭৫ কিলোমিটার (৪৫ মাইল) থেকে ২৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। একে আরো ভারসেটাইল করার চিন্তা রয়েছে যাতে করে এটি দু&#8217;দিক থেকে আসা হামলাকে প্রতিহত করতে পারে।</p>
<p>সহজ ভাষায় বলা যায়- আয়রন ডোম বিশ্বের একটি অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। এ ব্যবস্থা বিশেষভাবে স্বল্পপাল্লার (শর্ট রেঞ্জ) হুমকির বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে।  ইসরাইলের রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমস ও ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ আয়রন ডোম তৈরি করেছে। আয়রন ডোম তৈরির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সহায়তা পেয়েছে ইসরায়েল।</p>
<p>প্রকৃতপক্ষে আয়রন ডোমের মূল শক্তি বা ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের প্রযুক্তি আমেরিকার । এমনকি এটির প্রজেক্ট বাজেট এবং প্রযুক্তিগত দিক দিয়েও আমেরিকার ডিফেন্স জায়ান্ট লকলিড মার্টিন প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছে।</p>
<div class="ast-oembed-container " style="height: 100%;"><iframe title="‘আয়রন ডোম’ বাঁচিয়ে দিচ্ছে ইসরায়েলকে, জেনে নিন সেই আয়রন ডোম কী? আয়রন ডোম কিভাবে কাজ করে ?" width="1200" height="675" src="https://www.youtube.com/embed/XzDzcgC4-oY?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" referrerpolicy="strict-origin-when-cross-origin" allowfullscreen></iframe></div>
<h2>তৈরির প্রেক্ষাপট</h2>
<p><strong>১৫ বছর আগের পরিকল্পনা : </strong>সর্বশেষ ২০০৬ সালেও একবার বড় যুদ্ধে জড়িয়েছিল ইসরায়েল৷ লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর সঙ্গে সেই যুদ্ধে হিজবুল্লাহর ছোঁড়া রকেটে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল ইসরায়েলের৷ সেই যুদ্ধের পরই খুব শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ঘোষণা দেয় ইসরায়েল৷</p>
<p>হিজবুল্লাহর সঙ্গে ওই যুদ্ধের পর ইসরায়েল ঘোষণা দেয়, তারা একটি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে যাচ্ছে।</p>
<p><strong>পাঁচ বছরে বাস্তবায়ন:</strong> হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সেই যুদ্ধের পাঁচ বছর পর, অর্থাৎ ২০১১ সালে অত্যাধুনিক এক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ায় সাফল্যের ঘোষণা দেয় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়৷ আকাশে স্বল্প পাল্লার সব ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রকে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম এই প্রতিরক্ষাব্যবস্থার নাম দেয়া হয় ‘আয়রন ডোম’৷</p>
<figure id="attachment_8345" aria-describedby="caption-attachment-8345" style="width: 700px" class="wp-caption aligncenter"><a href="https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/Irone-dome-2011.jpg"><img decoding="async" class="wp-image-8345 size-full" src="https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/Irone-dome-2011.jpg" alt="ইসরাইলি আয়রন ডোম " width="700" height="394" srcset="https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/Irone-dome-2011.jpg 700w, https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/Irone-dome-2011-300x169.jpg 300w, https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/Irone-dome-2011-150x84.jpg 150w, https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/Irone-dome-2011-696x392.jpg 696w" sizes="(max-width: 700px) 100vw, 700px" /></a><figcaption id="caption-attachment-8345" class="wp-caption-text">আয়রন ডোম-এর ছবিটি ২০১১ সালে তোলা৷</figcaption></figure>
<h2>আয়রন ডোম কিভাবে কাজ করে?</h2>
<p>এই পদ্ধতি স্বল্প-সীমা রকেটসমূহের মোকাবেলা করার জন্য নকশা করা হয়েছে এবং ১৫৫ মিমি বিশিষ্ট্য আর্টিলারি শেল যার পরিসীমা ৭০ কিলোমিটারের উপরে। আয়রন ডোম দিন এবং রাতের যে কোনো প্রতিকূল আবহাওয়াতে কাজ করার উপোযোগী। এটি একই সাথে কয়েকটি রকেট হামলা প্রতিহত করতে পারে।</p>
<p>আয়রন ডোম ব্যবস্থার প্রধান দিক তিনটি।</p>
<ul>
<li>রাডার ব্যবস্থা</li>
<li>কন্ট্রোল ব্যবস্থা</li>
<li>মিসাইল ফায়ারিং ব্যবস্থা। এ তিন ব্যবস্থা মিলেই গড়ে ওঠে সুদৃঢ় প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।</li>
</ul>
<p>ইসরাইলের দিকে ধেয়ে আসা রকেটকে চিহ্নিত ও তার গতিপথ শনাক্ত (ট্র্যাক) করে রাডার ব্যবস্থা। তারপর কন্ট্রোল ব্যবস্থা ধেয়ে আসা রকেটের সম্ভাব্য ‘হিট পয়েন্ট’ নির্ধারণ করে। ‘হিট পয়েন্ট’ নির্ধারণের পর কন্ট্রোল ব্যবস্থা মিসাইল ফায়ারিং ব্যবস্থাকে নির্দেশনা দেয়। মিসাইল ফায়ারিং ব্যবস্থা থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুটে যায় আকাশে। আকাশে গিয়ে ধেয়ে আসা রকেটের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরিত হয়। এতে রকেট আকাশেই ধ্বংস হয়ে যায়।</p>
<p>এর ওজন ৯০ কেজি (২০০ পাউন্ড), দৈর্ঘ্য ৩ মিটার (৯.৮ ফুট), ডায়ামিটার ১৬০ মিমি, ডেটোনেশন মেকানিজম Proximity Fuze,</p>
<p>এক ব্যাটারিতে ৩টি লঞ্চার সিস্টেম থাকে। প্রতিটি লঞ্চারে ২০টি মিসাইল থাকে।</p>
<p>আয়রন ডোমের প্রতিটি ব্যাটারির দাম ৫০ মিলিয়ন বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে ৬০-৭০ মিলিয়ন ডলার। এক ব্যাটারিতে ৩টি লঞ্চার সিস্টেম থাকে। প্রতিটি লঞ্চারে ২০টি মিসাইল থাকে। একেকটি ইন্টারসেপ্টর তামির মিসাইলের দাম ৪০০০০ ডলার বলা হলেও এগুলোর বর্তমান দাম ৭০০০০ ডলার।</p>
<p>বলে রাখা ভালো হামাসের প্রতিটি ৮০০ ডলারের রকেটের বিপরীতে ইসরাইলকে কমপক্ষে দুইটি <strong>তামির মিসাইল</strong> নিক্ষেপ করতে হয়। মানে প্রতিটি ৬৬ হাজার টাকার রকেট আটকাতে ইসরাইলের ১১ কোটি ৬ লাখ টাকা খরচ করতে হয়।</p>
<p><a href="https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/How-does-the-Iron-Dome-work.jpg"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignleft  wp-image-8350" src="https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/How-does-the-Iron-Dome-work.jpg" alt="আয়রন ডোম যেভাবে কাজ করে" width="776" height="462" srcset="https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/How-does-the-Iron-Dome-work.jpg 600w, https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/How-does-the-Iron-Dome-work-300x179.jpg 300w, https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/How-does-the-Iron-Dome-work-150x89.jpg 150w" sizes="(max-width: 776px) 100vw, 776px" /></a></p>
<h2></h2>
<h2></h2>
<h2></h2>
<h2></h2>
<h2>আয়রন ডোমের ব্যবহার</h2>
<p>সাধারণত কোনো দেশ তাদের আকাশ বা জলপথের সীমানায় এই ধরণের আয়রন ডোম ইনস্টল করে থাকে। রকেট, মর্টার থেকে যাবতীয় দূরপাল্লার বিভিন্ন অস্ত্রকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন অদৃশ্য এক দেয়াল এই আয়রন ডোম।</p>
<p>ইসরাইল যে আয়রন ডোম পরিষেবা ব্যবহার করে তা বানিয়েছে ফ্রান্সের বিখ্যাত রাফাল অ্যাডভান্স ডিফেন্স সিস্টেম। এমনিতেই দীর্ঘদিন ধরে গাজা প্রদেশ নিয়ে উত্তেজনার জেরে ২০১১ সালেই ইসরাইল সরকারের ছাড়পত্রে সেদেশের সেনাবাহিনী ইনস্টল করেছিল প্রথম আয়রন ডোম।</p>
<p>ইসরাইলের পরে আমেরিকাও এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। আমেরিকার ‘আয়রন ডোম’-এর নাম স্কাই হান্টার।</p>
<h2>নিখুঁত নয় আয়রন ডোম</h2>
<p>আয়রন ডোম তৈরি করেছে ইসরাইলের রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমস ও অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ৷ অত্যাধুনিক এই প্রতিরক্ষাব্যবস্থা তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্রও সহায়তা করেছে৷ তবে আয়রন ডোম পুরোপুরি নিখুঁত নয়৷ এক সঙ্গে ঝাঁকে ঝাঁকে রকেট ছুঁড়লে এর প্রতিরক্ষাব্যুহে কিছুটা হলেও যে ফাটল দেখা দেয় তা খুব স্পষ্ট৷ সেকারণেই হামাসের কিছু রকেট ইসরাইলে আঘাত হানতে পারছে বলে মনে করেন সমরবিশেষজ্ঞরা৷</p>
<figure id="attachment_8351" aria-describedby="caption-attachment-8351" style="width: 728px" class="wp-caption aligncenter"><a href="https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/IRON-DOME-v3-png.png"><img loading="lazy" decoding="async" class="wp-image-8351 size-full" src="https://www.gnewsbd.com/files/2021/05/IRON-DOME-v3-png-e1621569086715.png" alt="ইসরাইলের আয়রন ডোম ডিফেন্স সিস্টেম" width="728" height="1099" /></a><figcaption id="caption-attachment-8351" class="wp-caption-text">ইসরাইলের আয়রন ডোম ডিফেন্স সিস্টেম</figcaption></figure>
<h2>হামাসের রকেট এবং আয়রন ডোমের কার্যকারিতা</h2>
<p>শর্ট রেন্জ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমগুলোতে আয়রন ডোমকে অবশ্যই সেরা বলা যায়। বিশেষকরে লো অবজারবেল টার্গেটগুলোর জন্য এটি খুবই কার্যকর। তবে তা গাজা এবং ইসরাইলের ভিতরে।</p>
<p>এটি ২০১১ সালে সার্ভিসে আসে। ২০১২ সালে আয়রন ডোম প্রায় ৪০০ রকেট ইন্টারসেপ্ট করে এবং ২০১২-২০১৪ সাল পর্যন্ত আইরন ডোম প্রায় ১২০০ হামাসের রকেটকে ইন্টারসেপ্ট করতে সক্ষম হয়।</p>
<p>কিছুদিন আগেও হামাস ১৫০০ রকেট নিক্ষেপ করে। তারমধ্যে ২০০+ মতো রকেট আইরন ডোম ইন্টারসেপ্ট করতে সক্ষম হয়।</p>
<p>হামাসের রকেটগুলো আটকাতে পারার বেশ কিছু কারণ রয়েছে। যেমন-<br />
১) হামাস কোথা থেকে রকেটগুলো উৎক্ষেপণ করবে অর্থাৎ লঞ্চ সাইট হতে পারে এরকম বেশ কয়েকটি স্থান আগে থেকেই আয়রন ডোমের ফায়ার কন্ট্রোল রাডারে সেট করে দেওয়া থাকে। যার কারণে রকেট ফায়ার করার সাথেসাথেই আয়রন ডোম অ্যাকশন নিতে পারে।</p>
<p>২) আয়রন ডোমের রাডার রেন্জ অনেক বেশি। যার রকেট ফায়ার করার সাথে সাথেই আয়রন ডোমের রাডার খবর পেয়ে যায়। যেমন- আমরা যদি আমাদের চট্টগ্রামে এস-৪০০ মোতায়েন করি ইন্ডিয়ার ভিতরে আরো ৪০০ কিলোমিটার এলাকায় মিসাইল লঞ্চ হলে আমরা জানতে পারবো।</p>
<p>৩) হামাসের রকেটগুলো সেকেলে আমলের। এবং আল কাসাম রকেটগুলোতে কোন গাইডেন্স সিস্টেম নেই ও এটি একটি সাধারণ ধাতব পাইপ ফ্রেম দিয়ে তৈরি। এসব রকেট, অত্যাধুনিক তামির মিসাইলের প্রযুক্তির তুলনায় খুবই অনুন্নত, এবং রকেটগুলো ব্যয় কয়েকশো ডলার। এগুলি অত্যন্ত ত্রুটিযুক্ত, লঞ্চের পর কোথাও আঘাত করানো, হিসাবের বিচারের চেয়ে ভাগ্যের বিষয়।</p>
<p>৪) আধুনিক মিসাইলগুলোকে আয়রন ডোম কতটুকু প্রতিহত করতে পারবে তা প্রশ্নবিদ্ধ। কেননা হামাসের রকেটগুলো কোনো মিসাইল নয়। আধুনিক ক্রুজ মিসাইলগুলোতে অত্যাধুনিক গাইডেন্স থাকে।</p>
<p>এগুলো স্যাম সিস্টেমকে ফাঁকি দিতে বিভিন্ন ম্যানুভার করতে পারে। এছাড়া এগুলোতে স্টিলেথ প্রযুক্তি ব্যবহার হয়ে থাকে এবং খুবই গতিশীল। অন্যদিকে হামাসের রকেটগুলো, গাইডেন্স কী তা চেনেই না। তাছাড়া এগুলো গতি খুবই কম। মানে লো সাবসনিক। যা আয়রন ডোমে ব্যবহৃত তামির মিসাইলের গতির কাছে শিশু।</p>
<p>৫) গাজা সীমান্তে ইসরাইল প্রয়োজনের তুলনায় বেশি আয়রন ডোম ব্যাটারি মোতায়েন করেছে। যেমন যেখানে রকেট আসার সম্ভবনা ৫০টি, সেখানে ২ ব্যাটারি আইরন ডোম মোতায়ন করেছে। মানে ৫০টির বিপরীতে ১২০টি ইন্টারসেপ্টর মিসাইল রেডি রেখেছে।</p>
<p>৬) একটি ওয়েপনের কার্যকারিতা প্রমাণ করতে ওপেন ব্যাটল গ্রাউন্ডে আসতে হবে। যেমন প্যাট্রিয়েট প্যাক ৩ -এর কথা ধরুন। আপনি যদি আয়রন ডোমকে সেরা ডিফেন্স সিস্টেম বলে থাকেন তাহলে আপনাকে প্যাট্রিয়েট প্যাক ৩ -কে তার বাপ বলতে হবে।</p>
<p>কেননা সম্প্রতি সৌদি আরব এই সিস্টেম দ্বারা হুতিদের প্রায় ৮৫% মিসাইল ইন্টারসেপ্ট করেছে। হুতিদের মিসাইলগুলো ছিলো উচ্চ গতির ও গাইডেন্সযুক্ত ট্যাকটিকেল ব্যালেস্টিক মিসাইল। এবং প্যাট্রিয়েট প্যাক ৩ রাডার উক্ত মিসাইলগুলোর লঞ্চ সাইট সম্পর্কে না জেনেও সফলভাবে মিসাইলগুলোকে ইন্টারসেপ্ট করে ধ্বংস করেছে।</p>
<p>অন্যদিকে আইরন ডোম আগে থেকেই হামাসের রকেট লঞ্চ সাইট সম্পর্কে জানে বা ধারণা করতে পারে। স্থানভেদে এটা কয়েক কিলোমিটার নড়াচড়া হতে পারে।</p>
<p>৭) বেশ কিছুদিন আগে সিরিয়ার একটি এয়ার ডিফেন্স মিসাইল ভুলে ইসরাইলে প্রবেশ করলে আয়রন ডোম সেটিকে ইন্টারসেপ্ট করতে ব্যার্থ হয়। এটি কিন্তু কোনো ক্রুজ বা ট্যাকটিকেল ব্যালেস্টিক মিসাইল নয়।</p>
<p>সিরিয়ার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের এস-১২৫, বাক। এসব সেকলে আমলের সোভিয়েত স্যাম সিস্টেম দিয়ে টমাহক, হারপুন এবং অনেক ইসরাইলি AGM মিসাইল ধব্বংস করেছে।<br />
যেগুলো কি-না হামাসের রকেট থেকে হাজার গুন উন্নত। এসবের ভিত্তিতে আপনি এস-১২৫ ও বাক মিসাইল সিস্টেমকেও সেরা বলবেন?।</p>
<p>৮) হামাসের রকেটগুলোর গতিপথ আগে থেকেই বোঝা যায়। মানে এটি সরলরেখা বরাবর চলে। তাই আয়রন ডোম আগে থেকেই এটির ব্যাপারে অ্যাকশন নিতে পারে।</p>
<p><strong>তথ্যসূত্র :</strong><br />
১. <a href="https://www.prothomalo.com/" target="_blank" rel="noopener">প্রথম আলো</a><br />
২. <a href="https://bn.wikipedia.org/" target="_blank" rel="noopener">উইকিপিডিয়া</a><br />
৩. ইঞ্জিনিয়ার্স ডাইরি</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/feature/%e0%a6%86%e0%a7%9f%e0%a6%b0%e0%a6%a8-%e0%a6%a1%e0%a7%8b%e0%a6%ae-%e0%a6%95%e0%a7%80/">আয়রন ডোম কী? আয়রন ডোম কিভাবে কাজ করে?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ফিলিস্তিন সঙ্কটের ইতিহাস</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/opinion/%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আনিসুর রহমান]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 May 2021 15:37:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=8291</guid>

					<description><![CDATA[<p>ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত বর্তমান সময়ের চলমান দীর্ঘতম সংঘাত। বর্তমানে ফিলিস্তিনিরা পৃথিবীর সবচেয়ে মজলুম ও বঞ্চিত জাতি। নিজেদের বাড়িঘর হারিয়ে বর্তমানে প্রায় [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/opinion/%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8/">ফিলিস্তিন সঙ্কটের ইতিহাস</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত বর্তমান সময়ের চলমান দীর্ঘতম সংঘাত। বর্তমানে ফিলিস্তিনিরা পৃথিবীর সবচেয়ে মজলুম ও বঞ্চিত জাতি। নিজেদের বাড়িঘর হারিয়ে বর্তমানে প্রায় ৫০ লাখ ফিলিস্তিনি জাতিসঙ্ঘে শরণার্থী হিসেবে নিবন্ধিত।</p>
<p>শরণার্থীদের প্রকৃত সংখ্যা আরো বেশি। শরণার্থীদের বেশিরভাগই বাস করে জর্ডান, গাজা ভূখণ্ড পশ্চিম তীর, সিরিয়া, লেবানন এবং পূর্ব জেরুসালেমে। তাদের এক তৃতীয়াংশ বসবাস করে শরণার্থী শিবিরগুলোতে। বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার ভুক্তভোগী এসব মানুষও স্বাধীনতা, সাম্য, ন্যায়বিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করছে। স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার ও প্রতিটি শিশুর শান্তিতে বসবাস নিশ্চিত করতে আমরণ সংগ্রাম চালানোতে প্রমাণিত হয়েছে ফিলিস্তিনিরা বীরের জাতি। শহীদের মিছিল দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে তবু ইসরাইলকে বিনা যুদ্ধে এক ইঞ্চি ভূখণ্ডও দখল করতে দেয়নি ফিলিস্তিনিরা।</p>
<p>ফিলিস্তিনি মুসলমানদের অপরিণামদর্শিতার কুফল হিসেবে ইহুদিদের নিকট কিছু ভূখণ্ড বিক্রি করে ফিলিস্তিনিরা যে সর্বনাশ ডেকে এনেছিল তার খেসারত তাদেরকে দিতে হচ্ছে এখনো পদে পদে। ১৮৯৬ সালে ইহুদি সাংবাদিক থিওডর হারজল দ্য জুইশ স্টেট শীর্ষক এক লেখায় বলেন, ক্রমবর্ধমান ইউরোপীয় ইহুদিবিদ্বেষের একমাত্র সমাধান আলাদা এক ইহুদি রাষ্ট্র। তার শুরু করা জায়নিজম আন্দোলনই মূলত ইসরাইল সৃষ্টির প্রধান কারণ। এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিল ইহুদিদের জন্য একটি আলাদা আবাসভূমি সৃষ্টি করা।</p>
<p>এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে থিওডর দাবি করলেন, ফিলিস্তিন ছিল ইহুদিদের আদি আবাসভূমি। অবএব সব ইহুদিকে সেখানে ফিরে যেতে হবে। গড়তে হবে পৃথক নিবাস। বস্তুত এখান থেকেই শুরু ফিলিস্তিনি সমস্যার। ১৮৯৭ সালে জায়োনিস্ট সংঘ গড়ে তোলা হয়। প্রথম জায়োনিস্ট কংগ্রেসে লক্ষ্য ধার্য করা হয়, ফিলিস্তিনে ইহুদি রাষ্ট্র করে তুলতে হবে।</p>
<p>১৯০২ সালে ৩৫ হাজার, ১৯১৪ সালে ৪০ হাজার, ১৯২৩ সালে ৪০ হাজার, ১৯২৯ সালে ৮২ হাজার ইহুদি চলে আসে ফিলিস্তিনে, যেটা এখন ইসরাইল নামে পরিচিত। খরচপাতিতে সাহায্য করত জ্যুইশ ন্যাশনাল ফান্ড, বিদেশি জায়োনিস্টরা এতে সাহায্য করত। ১৯২৮ সালে JNC (Jewish National Council) গঠিত হয় ফিলিস্তিনে। ১৯২৯ সালে প্রথম বড় ইহুদি-মুসলিম দাঙ্গা হয়। ১৯৩১ সালে জায়োনিস্টরা ইর্গুন জাই লিউমি নামে এক মিলিশিয়া প্রতিষ্ঠা করে। এই ইহুদি সন্ত্রাসী সংগঠন ১৯৪৬ সালে জেরুসালেমের কিং ডেভিড হোটেলে বোমা বিস্ফোরণ করে এবং ১৯৪৮ সালে ইহুদি অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে দেইর ইয়াসিন গ্রামে গণহত্যা করে।</p>
<p>১৯৩৩ সালে নাৎসিদের সাথে চুক্তিতে আরো ৫০ হাজার ইহুদি ফিলিস্তিনে চলে আসে। ১৯৩৮ সালে প্রায় আড়াই লাখ ইহুদি আসে ফিলিস্তিনে। ১৯৭৯ সালে ইরান থেকে পালিয়ে আসে ৪০ হাজার ইহুদি। ১৯৮৪ সালে ইথিওপিয়াতে দুর্ভিক্ষ চলাকালে ৮ হাজার ইথিওপিয়ান ইহুদিকে উড়িয়ে নিয়ে আসা হয় ইসরাইলে। ১৯৮৫ সালে লেবানন থেকে সব ইসরাইলিদের সরিয়ে নেয়া হয়।</p>
<p>ফিলিস্তিন ছিল উসমানীয় খেলাফতের অধীন, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যারা ছিল ব্রিটেন বিরোধী জোটে। ১৯১৭ সালে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লর্ড বেলফোর এই ভূমিতে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হবে বলে আশ্বাস দেন। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শক্তির সরকারের বেলফুর ডিক্লারেশনের মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনে ইহুদিদের পা রাখা বৈধতা পায়। সে অন্যায় পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েই ফিলিস্তিনীরা ইহুদি বিরোধী লড়াই শুরু করেছিল। বহু ইহুদি ইউরোপ থেকে গিয়ে প্যালেস্টাইনে বসবাস শুরু করেন, কিনতে শুরু করে জলাভূমি, প্রতিষ্ঠা করে তেল আবিব শহর ও একটি বিশ্ববিদ্যালয়।</p>
<p>প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটেন ১৯১৮ সাল থেকে ৩০ বছর দেশটিকে নিজেদের অধীন রাখে এবং ম্যান্ডেট প্যালেস্টাইন নামক বিশেষ ব্যবস্থা চালু রাখে। ব্রিটিশ বাহিনীর সহযোগিতায় ইহুদিরা ফিলিস্তিনদের বিতাড়িত করে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করার জন্য গড়ে তোলে অনেক প্রশিক্ষিত গোপন সন্ত্রাসী সংগঠন। তার মধ্যে তিনটি প্রধান সংগঠন ছিল হাগানাহ, ইরগুন ও স্ট্যার্ন গ্যাং যারা হত্যা, সন্ত্রাস, ধর্ষণ আর ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টির মাধ্যমে নিরীহ ফিলিস্তিনদের বাধ্য করে নিজ মাতৃভূমি ছেড়ে চলে যেতে। শুরু থেকেই ইসরাইলের চালানো এসব বর্বর-অসভ্য-নৃশংস আচরণের কোনো পরিবর্তন আজও হয়নি।</p>
<p>১৯৪২ সালে ডা. হাইম ওয়াইজম্যান ও আরো কয়েকজন ইহুদি নেতা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এক বৈঠকে মিলিত হয় এবং সেখানে বিটমোর প্রোগ্রাম নামে একটি প্রস্তাব পাস করা হয়। এ প্রস্তাব অনুসারে ইহুদী সাধারণতন্ত্র হিসেবে ফিলিস্তিন প্রতিষ্ঠার দাবি করা হয়। এ সংবাদে সমগ্র আবর জাহান বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৪৫ সালে আবরলীগ গঠিত হয়। তারপরও ফিলিস্তিনকে ইহুদি ও আরব দেশের মধ্যে ভাগ করে দিতে ‘জাতিসঙ্ঘ পার্টিশন’ পরিকল্পনা হয়। জাতিসঙ্ঘের ঘোষণাপত্র ১৮১ তে জেরুসালেমকে সার্বভৌম এলাকার মর্যাদা দেয়া হয়, তিন ধর্মালম্বীদের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হওয়ায় আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ থাকার কথা বলা হয়।</p>
<p>১৯৪৭ সালের ১৫ মে গঠিত হয় United Nations Special Committee on Palestine (UNSCOP) যা পরে প্রস্তাব দেয় ‘স্বাধীন এক আরব রাষ্ট্র, স্বাধীন এক ইহুদী রাষ্ট্র এবং জেরুসালেম শহর’- এই তিন ভাগ। ১৯৪৭ সালের ২৯ নভেম্বর ফিলিস্তিনকে বিভক্ত করে দুটি রাষ্ট্র (একটি ইহুদি, অন্যটি আরব) প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইঙ্গ-মার্কিন চাপে জাতিসঙ্ঘে ভোট গ্রহণ হয়। তাতে ৩৩টি রাষ্ট্র পক্ষে, ১৩টি বিরুদ্ধে এবং ১০টি ভোট দানে বিরত থাকে। প্রস্তাব অনুযায়ী মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ হয়েও ইহুদিরা পেল ভূমির ৫৭% আর ফিলিস্তিনরা পেল ৪৩%।</p>
<p>তবে প্রস্তাবিত ইহুদি রাষ্ট্রটির উত্তর-পশ্চিম সীমানা ছিল অনির্ধারিত। অর্থাৎ ভবিষ্যতে ইহুদিরা সীমানা বাড়াতে পারবে। ফলে ইসরাইল প্রতিষ্ঠা চূড়ান্ত হলেও উপেক্ষিত থেকে যায় ফিলিস্তিন। জাতিসঙ্ঘের মাধ্যমে পাস হয়ে যায় একটি অবৈধ ও অযৌক্তিক প্রস্তাব। অসম ও অন্যায্য এই যুক্তিতে আরবেরা সে সিদ্ধান্ত মেনে নেয়নি। আরব সমাজে অসন্তুষ্টি ছড়িয়ে পড়লে প্রায় ১ লাখ আরব ইহুদীপ্রধান এলাকা ছেড়ে চলে যায়। আমেরিকা তখন ফিলিস্তিন ভাগ করার প্রস্তাব থেকে সমর্থন গুটিয়ে নেয়, কিন্তু ১৯৪৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিটেন নতুনভাবে সমর্থন দেয়। ফলে আরব লীগের তীব্র বিরোধিতা স্বত্ত্বেও ফিলিস্তিনকে বিভক্ত করে ইসরাইল নামে ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদে পাস হয়।</p>
<p>জাতিসঙ্ঘের যে প্রস্তাব অনুসারে ইসরাইল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা, সেই একই প্রস্তাব অনুসারে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রেরও প্রতিষ্ঠা পাওয়ার কথা। অথচ ইসরাইল এখন বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দেশ। আর ফিলিস্তিনবাসীর জন্য স্বাধীনতা অধরাই রয়ে গেছে।</p>
<p>১৯৪৮ সালের ১৪ মে ব্রিটিশরা এই এলাকা ছেড়ে চলে যায়। পরে সঙ্কটের চূড়ান্ত রূপ দেখা যায় ইসরাইলের স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণার পর থেকে। ১৯৪৮ সালের ১৪ মে তেলআবিব মিউজিয়ামে জ্যুইশ পিপলস কাউন্সিল জড়ো হয় এবং রাত ১২টা এক মিনিটে ইসরাইল রাষ্ট্র ঘোষণা করে জায়নিস্ট নেতা ডেভিড বেন গোরিয়ন। তিনি সকল ইহুদি নারী-পুরুষকে মিলিটারি ট্রেনিং নেয়া বাধ্যতামূলক করেন। ১০ মিনিটের ভেতর যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয়, অতঃপর সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ব্রিটেন। ১৫ই মে আরব-ইসরাইল যুদ্ধ শুরু হয়। মিসর, সিরিয়া, জর্ডান, ইরাক আর লেবানন একযোগে ইসরাইলকে আক্রমণ করে। সহায়ক হিসেবে সৌদি আরব ও ইয়েমেন সমর্থন জোগায় যুদ্ধ উপকরণ ও সৈনিক দিয়ে। সেই যুদ্ধে আরবেরা পরাজিত হয় এবং ইসরাইল জাতিসঙ্ঘ পরিকল্পনায় তাদের জন্য বরাদ্দকৃত ঐতিহাসিক ফিলিস্তিনের ৫৬ শতাংশের জায়গায় মোট ৭৭ শতাংশ দখল করে নেয়। এরপর যে এক চিলতে জমি পড়ে রইল, সেখানে স্বাধীন ফিলিস্তিন প্রতিষ্ঠা করা যেত। কিন্তু সেই পথে না গিয়ে মিসর ও জর্ডান তা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয়। পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুসালেম গেল জর্ডানের বাদশাহর কবলে, গাজার দখল নিল মিসর।</p>
<p>জেরুসালেমের পশ্চিমাঞ্চলের অর্ধেক দখল করে ইসরাইলি বাহিনী সেখান থেকে বেশিরভাগ আরবকে বহিষ্কার করে, অনেক নিরস্ত্র মানুষ দখলদার সশস্ত্রদের ভয়ে জীবন বাঁচাতে সেখান থেকে পালিয়েও যায়। সেই থেকেই ইসরাইলের আগ্রাসনের শুরু। দখলদার ইসরাইলের হাতে ‎লক্ষ লক্ষ ফিলিস্তিনী জনগণ আহত, নিহত ও বাস্তুহারা হচ্ছে; উদ্বাস্তু হয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিচ্ছে। ইহুদিরা হত্যা সন্ত্রাসের পাশাপাশি ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ করার উদ্দেশে রাতে তাদের ফোন লাইন, বিদ্যুৎ লাইন কাটা, বাড়িঘরে হ্যান্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ, জোর করে জমি দখল এবং বিভিন্নভাবে নারী নির্যাতন করে মৃত্যু বিভীষিকা সৃষ্টি করেছিল। ফলে লাখ লাখ আরব বাধ্য হলো দেশ ত্যাগ করতে।</p>
<p>১৯৪৮-১৯৪৯ এই দু’বছরের আরব-ইসরাইল যুদ্ধের সময় সাড়ে ৭ লাখ ২৬ হাজার ফিলিস্তিনি দেশছাড়া হয়। পরে ১৯৬৭ সালের জুন মাসে আরব ও ইসরাইলের মধ্যে আবারও যুদ্ধ হয় এবং ইসরাইল জর্ডানের পশ্চিম তীর এবং গাজা ভূখণ্ড দখল করে নেয়, আরো হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়ে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ, সিরিয়া, মিসর ও জর্দান সেনাবাহিনীকে ৬ দিনের যুদ্ধে পরাজিত করা পর্যন্ত জেরুসালেম ও জর্ডান নদীর পশ্চিম তীর জর্দানের অধীনস্ত ছিল। ১৯৬৮ সালের মার্চে ইসরাইলি ফোর্স অ্যাটাক করে ফিলিস্তিনি বাহিনী ফাতাহকে।</p>
<p>১৯৮২ সালে ইসরাইল লেবাননে আগ্রাসন চালিয়ে ১৭ হাজার ৫০০ মানুষকে হত্যা করে। এদের বেশির ভাগই ছিল নিরীহ সাধারণ মানুষ। ঐ একই বছর লেবাননের শাবরা শাতিলা গণহত্যায় ১৭ হাজার নিরীহ মানুষ নিহত হয়। লেবাননে ইসরাইলের উপর্যুপরি আক্রমণে ইয়াসির আরাফাত তার পিএলও-এর ঘাটি তিউনিশিয়ার রাজধানী তিউনিসে সরিয়ে আনেন। ১৯৮৬ সালে তিউনিসেও হামলা চালিয়ে বহু লোককে হত্যা করে ইসরাইল। এরপর ১৯৯৬ সালে কানা গণহত্যায় নিহত হয় ১০৬ সাধারণ লেবাননী জনগণ। এরা ছিল জাতিসঙ্ঘ আশ্রিত এবং নিহতদের অনেকেই ছিল শিশু।</p>
<p>২০০৬ সালে তারা লেবাননের মারওয়াহীন গ্রামের অধিবাসীদের ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলে। তারা চলে যাওয়ার জন্য রাস্তায় নামতেই হেলিকপ্টার থেকে তাদের গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।</p>
<p>১৯৬৭ সালের ২৬ মে পূর্ব জেরুসালেম ও সিনাই জবরদখল করে নিয়েছিল ইসরাইলী বাহিনী। কিন্তু পূর্ব জেরুসালেমের অধিগ্রহণই বিশ্ব সম্প্রদায় মেনে নেয়নি; তাই তেল আবিবেই এতদিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসও কাজ করে আসছিল। দখল করার ১৩ বছর পর ১৯৮০ সালে ইসরাইল ‘জেরুসালেম ল’ পার্লামেন্টে পাস করে ‎এবং জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করে। একই বছর জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদ ‘রেজ্যুলুশনার ৪৭৮’ নামে একটি সংশোধনী পাস করে; এতে বলা হয় ইসরাইলের ওই আইন গ্রহণযোগ্য নয়।</p>
<p>তারপরও ইসরাইল জেরুসালেমকেই তাদের রাজধানী হিসেবে দাবি করতে থাকে। তবে বিশ্বের কোনো দেশের কাছে এটি এতদিন স্বীকৃত ছিল না। এখনতো দখলদার বাহিনী বায়তুল আকসা মসজিদটিতে জুমার নামাজ আদায় নিষিদ্ধ করছে। অথচ ১৯৬৭ সালে যখন ইসরাইল এই এলাকায় প্রবেশাধিকার পায় তখন শুধু মুসলিমরাই আল-আকসায় নামাজ পড়তে পারতো। দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় প্রার্থনার সুযোগ পেত ইহুদিরা। মেনে চলতে হতো অনেক নিয়ম।</p>
<p>১৯৬৯-১৯৭০ সালে আবারো মিসরের সাথে ইসরাইলের যুদ্ধ লেগে যায়। ১৯৯৩ সালের জুলাইতে, এক সপ্তাহ ধরে ইসরাইল লেবাননে আক্রমণ চালায়, লেবাননের শিয়া হিজবুল্লাহ পার্টিকে দুর্বল করে দিতে। ২০০২ সালে এরিয়েল শ্যারন পশ্চিম তীরে ব্যারিয়ার বানানো শুরু করলেন। ২০০৪ সাল থেকে একদম পুরোদমে গাজায় প্রতিশোধ নিতে নামে ইসরাইল। চলতে থাকে অপারেশন। ২০০৬ সালের ১৪ মার্চ এক ফিলিস্তিনি জেলে অপারেশন চালায় ইসরাইল। ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে ইসরাইলি এয়ারফোর্স সিরিয়ার নিউক্লিয়ার রিয়াক্টর ধ্বংস করে দেয়। ২০০৮ সালে হামাসকে শায়েস্তা করতে গাজায় অভিযান চালায় ইসরাইল। ২০১২ সালের নভেম্বরে হামাস নেতা আহমেদ জাবারিকে হত্যা করতে ইসরাইল গাজায় হামলা শুরু করে। ২০১৪ সালের ৮ জুলাই হামাসের রকেট হামলার উত্তরে ইসরাইল গাজা এলাকায় বড় আকারের আক্রমণ শুরু করে।</p>
<p>২০০৫ এর হিসাব মতে, জেরুসালেমে ৭,১৯,০০০ মানুষ বাস করত, যার ৪,৬৫,০০০ ইহুদি আর ২,৩২,০০০ মুসলিম। ইহুদীরা পশ্চিমে, আর মুসলিমরা পূর্ব দিকে বাস করে। ১৯৯৩ সালে সম্পাদিত অসলো প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও ফিলিস্তিনি মুক্তি সংস্থার মধ্যে যে শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয়, তার ভিত্তিতে ১৯৯৬ সালে পশ্চিম তীর ও গাজায় নামকাওয়াস্তে ফিলিস্তিনি স্বায়ত্তশাসন কায়েম হয়। সেই অঞ্চলের একটা বড় অংশ ইসরাইলের অবৈধ বসতির কবলে, অথবা সরাসরি সামরিক নিয়ন্ত্রণে। নামেই স্বায়ত্তশাসন, কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে চৌপ্রহর ইসরাইলি প্রহরা, উঁচু দেয়াল, এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে যেতে হলে ইসরাইলি অনুমতি নিতে হয়।</p>
<p>কিন্তু সেই প্রশাসনও দুই টুকরা হয়ে যায় ২০০৬ সালের নির্বাচনের পর। পশ্চিম তীর গেল ফাতাহর নিয়ন্ত্রণে, গাজা গেল ইসলামিক ব্রাদারহুডের মিত্র হিসেবে পরিচিত হামাসের নিয়ন্ত্রণে। এটা স্পষ্ট যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করে ইসরাইলি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হয়েছিল এবং যুক্তরাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ এবং একের পর এক তাদের বাসভূমি দখল করে যাচ্ছে ইসরাইল।</p>
<p>১৯৯৫ সালে মার্কিন কংগ্রেস ‘জেরুসালেম অ্যাক্ট’ পাস করেছে। সেখানে আমেরিকান দূতাবাসকে তেলআবিব থেকে জেরুসালেমে স্থানান্তরের বিষয় ছিল, কিন্তু নির্বাহী কর্তৃপক্ষ তা কার্যে পরিণত করতে অপারগতা প্রকাশ করে। অথচ ২০১৭ সালের ৬ ‎ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০০ কোটি মুসলমানের প্রাণের সম্পদ পবিত্র ভূমি জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা দেন। পূর্ব জেরুসালেমে প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার ফিলিস্তিনি বাস করেন, এদের সঙ্গেই থাকেন আরো ২ লাখ ইহুদি ইসরাইলি। পশ্চিম জেরুসালেমে রয়েছে বেশি ইহুদির নিবাস। একদিকে ফিলিস্তিনি জনগণ বিশ্ব ফোরামে সব সময় বলে আসছে- স্বাধীন ফিলিস্তিনের ভবিষ্যৎ রাজধানী হবে জেরুসালেম, নির্দিষ্ট করে বললে পূর্ব জেরুসালেম। অন্যদিকে জেরুসালেমের যেকোনো অংশে রাজধানী স্থাপন করতে রাজি নয় ইসরাইল, তারা চায় জেরুসালেম হবে একটি ‘অখণ্ড’ শহর।</p>
<p>অর্থাৎ ইসরাইল জেরুসালেম নগরীর ইসলামি চরিত্র বদলে দিতে চাইছে। তারা মুসলমানদের বিভক্তির সুযোগ নিচ্ছে। ইতোপূর্বে জেরুসালেম শহরটি কমপক্ষে দুইবার ধ্বংস হয়েছে, ২৩ বার অবরোধ হয়েছে, ৫২ বার আক্রমণ হয়েছে এবং ৪৪ বার দখল এবং পুনর্দখল হয়েছে। জেরুসালেম খ্রিস্টানদের হাতে ছিল এমন সময়ে মুসলমানরা আল-আকসা মসজিদ বা বাইতুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ ফিরিয়ে নামাজ পড়েছেন।</p>
<p>৬৩৮ সালে খলিফা ওমরের (রা) সময় জেরুসালেম সর্বপ্রথম মুসলমানদের অধীনে আসে। ১০৯৬ ‎সালে প্রায় পাঁচশ’ বছর পর জেরুসালেম আবার খ্রিস্টান ক্রুসেডারদের হাতে চলে যায়। ‎১১৮৭ সালে সালাহ উদ্দীন আইউবীর নেতৃত্বে জেরুসালেম মুসলমানদের অধিকারে আসে। ১৯১৭ ‎সাল পর্যন্ত তা ওসমানীয় খেলাফত বা তুরস্কের অধীনে ছিল। ৯ ডিসেম্বর ১৯১৭ ব্রিটিশ বাহিনীর হাতে পরাজিত হয়ে ওসমানী খেলাফতের সেনাবাহিনী জেরুসালেম ত্যাগ করেন এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ গায়ের জোরে তা দখল করে নেয়। পরে ১৯৬৭ সালে পূর্ব জেরুসালেম সংযুক্ত করলেও তখনই জেরুসালেম নিয়ে কিছু বলেনি ইসরাইল। ১৯৮০ সালে জেরুসালেমকে ইসরাইলের ‘অনন্ত কালের রাজধানী’ আখ্যায়িত করেছিল।</p>
<p>পূর্ব জেরুসালেমে ২০১৬ সালের জুনে ১৩০টি পাকা বাড়ি ইহুদিদের জন্য তৈরি করা হয়। পূর্ব জেরুসালেমের কিছু উত্তরে ‘নিভ ইয়কভ’ এলাকায় আরো ৬৮টি বাড়ি নির্মাণের কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়। ২০১৬ সালের জুলাই মাসে ১ হাজার ৮০০ বাড়ি পূর্ব জেরুসালেমে নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণার পরপরই সেখানে নতুন করে ১৪ হাজার ইহুদি বসতি নির্মাণের অনুমোদন দেয়া হয়। রামাল্লার বিভিন্ন স্থানে আরো হাজার হাজার বসতি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়। এসবের মূল উদ্দেশ্য জেরুসালেমকে ইহুদি সংখ্যাগরিষ্ঠ বানানো এবং পূর্ব জেরুসালেম থেকে মুসলমানদের উৎপাটন।</p>
<p>জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে পুরো মুসলিম বিশ্বের গালে চপেটাঘাত করা হয়েছে। মার্কিন দূতাবাস জেরুসালেমে স্থানান্তরে ইসরাইলের দখলদারিত্ব আরো বেড়ে গেছে। এখন ফিলিস্তিনিদের প্রধান দাবি- তাদের জমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার। এই দাবির ভিত্তি হচ্ছে জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদে ১৯৪৮ সালে গৃহীত এক প্রস্তাব। সেখানে বলা হয়েছে, ‘যেসব শরণার্থী তাদের বাড়িতে ফিরে যেতে চাইবে এবং প্রতিবেশীদের সাথে শান্তিতে বসবাস করবে তাদেরকে সেখানে যাওয়ার অনুমতি দিতে হবে।’</p>
<p>কিন্তু ইসরাইলের বক্তব্য- ৫০ লাখ শরণার্থীকে ফিরিয়ে নেওয়া অসম্ভব। কারণ সেরকম কিছু হলে তারাই ৮৫ লাখ জনসংখ্যার দেশটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে পড়বে এবং ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে ইসরাইলের সমাপ্তি ঘটবে। কিন্তু বিশ্ববাসী চায় পূর্ব জেরুসালেমকে রাজধানী করে ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হোক এবং ইসরাইলের আগ্রাসন বন্ধ হোক। এ জন্য ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থনের স্বার্থে স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়কে আমেরিকান সব পণ্য বর্জন করতে হবে। সব পণ্য বর্জনের মাধ্যমে ট্রাম্পের ফিলিস্তিন বিরোধী কর্মকাণ্ডের শুধু প্রতিবাদ নয়, এর বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে বিশ্বব্যাপী।</p>
<p>ফিলিস্তিনি সমস্যা সমাধানের জন্য এই আন্দোলনকে সমর্থন করতে বৈচিত্র্যের মাধ্যমে বিস্তৃতি বাড়াতে হবে। দেশে দেশে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি একটি বিল পাসের মাধ্যমে ইসরাইলের সিদ্ধান্তকে একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে উদ্যোগী ভূমিকা পালন করতে হবে। সমস্যাটির সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত প্রচেষ্ঠা অব্যাহত রাখতে হবে। ফিলিস্তিনিদের পক্ষে সরব হতে এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে সাইবার জগত ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমসহ সব জায়গায় অব্যাহত রাখতে হবে। রাজনৈতিক মতবিরোধ ভুলে ফাতাহ আন্দোলন ও হামাসকে আরো কাছাকাছি আসতে হবে। নির্যাতিত সব ফিলিস্তিনিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। বিশ্বের কোটি কোটি মুসলিমের কাছে আবেদন তৈরি করতে হবে।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/opinion/%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8/">ফিলিস্তিন সঙ্কটের ইতিহাস</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হুনজা সম্প্রদায় : দেড়শ&#8217; বছর আয়ুর গোপন রহস্য</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/feature/%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a7%9c%e0%a6%b6-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 28 Apr 2021 11:44:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[হুনজা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=8195</guid>

					<description><![CDATA[<p>বর্তমান পৃথিবীর মানুষের যেখানে ৮০ বছর বয়স পেরুতে কষ্ট হয়ে যায় সেখানে একটি উপজাতির মানুষদের ১৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত বাঁচার রেকর্ড [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/feature/%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a7%9c%e0%a6%b6-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0/">হুনজা সম্প্রদায় : দেড়শ&#8217; বছর আয়ুর গোপন রহস্য</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বর্তমান পৃথিবীর মানুষের যেখানে ৮০ বছর বয়স পেরুতে কষ্ট হয়ে যায় সেখানে একটি উপজাতির মানুষদের ১৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত বাঁচার রেকর্ড রয়েছে। যেখানে মানুষ যৌবন ধরে রাখতে, বার্ধক্য ঠেকিয়ে রাখতে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে যাচ্ছে, সেখানে তাদের একজন ৯০ বছরেও বাবা হওয়ার ক্ষমতা রাখেন। এমনকি একজন ৭০ বছরের মহিলাও অনায়াসে গর্ভবতী হন ও স্বাভাবিকভাবে বাচ্চা প্রসব করেন। আজকে আমরা জানবো এমন একটি সম্প্রদায় সম্পর্কে।</p>
<p>পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের গিলগিট-বালতিস্তান প্রদেশ। কারাকোরাম, পশ্চিম হিমালয়, পামির ও হিন্দকুশ পর্বতমালা দিয়ে ঘেরা ছবির মতো সুন্দর এ প্রদেশের উত্তরেই আছে হুনজা উপত্যকা। এ উপত্যকাতেই বাস করে রহস্যময় হুনজা বা বুরশো নামের  একটি জনগোষ্ঠী।</p>
<p>হুনজার সৌন্দর্য অতুলনীয়। হুনজা ভ্যালি যেকোনো প্রকৃতিপ্রেমীর কাছে লোভনীয়। কেবল পাকিস্তান নয়—হুনজা পুরো দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে চোখজুড়ানো এলাকাগুলোর একটি।</p>
<p>পাকিস্তানের উত্তরে হুনজার একদিকে চীনের জিনজিয়াং, অন্যদিকে আফগানিস্তান। ব্রিটিশ শাসনামলে প্রিন্সলি স্টেট ছিল এটা। ব্রিটিশরা হুনজা দখল করার সময় শেষ রাজা (‘মীর’) সাফদার খান চীনে চলে যান। সেই সূত্রে এই পাহাড়ি জনপদের ওপর চীনেরও দাবি ছিল বহুকাল। কথিত আছে হুনজার শাসকেরা আলেক্সান্ডারের সৈনিক দলের বংশধর।</p>
<p>ভারত ভাগের সময় তিন মাস হুনজা সিদ্ধান্তহীনতায় ছিল কোন দিকে যাবে। সর্বশেষ ১৯৪৭-এর নভেম্বরে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হয়। পরে পাকিস্তান এটা জুড়ে দেয় গিলগিট-বালতিস্তানের সঙ্গে। গিলগিট বালতিস্তান আবার একদা ছিল জম্মু-কাশ্মীরের অংশ। উপনিবেশ-উত্তর দক্ষিণ এশিয়ার নানান প্রান্তিক অঞ্চল যেভাবে ২-৩টি রাষ্ট্রের কাছে হাতবদল হয়েছে হুনজার ইতিহাস তেমনই।</p>
<div class="ast-oembed-container " style="height: 100%;"><iframe title="হুনজা সম্প্রদায় : দেড়শ&#039; বছর আয়ুর গোপন রহস্য" width="1200" height="675" src="https://www.youtube.com/embed/eUrbpXxIkk8?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" referrerpolicy="strict-origin-when-cross-origin" allowfullscreen></iframe></div>
<p>হুনজা জনগোষ্ঠীর দীর্ঘায়ু হওয়ার রহস্য নিয়ে প্রায় একশ বছর ধরে চর্চা চললেও, তা বিশ্বের কাছে আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে ওঠে ১৯৮৪ সালে। ইংল্যান্ডের হিথরো বিমানবন্দরে পাকিস্তান থেকে আসেন সৈয়দ আব্দুল মবুদু নামে এক বৃদ্ধ হুনজা।  পাসপোর্টে তাঁর জন্ম তারিখ দেখে চমকে যান ইমিগ্রেশন অফিসাররা। পাসপোর্টে সৈয়দ আব্দুল মবুদু্র জন্ম সাল দেওয়া ছিল ১৮৩২। মানে তাঁর বয়স তখন ছিল ১৫২ বছর। ইমিগ্রেশন অফিসাররা বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না যে মানুষ এতদিন বাঁচতে পারে। সংবাদমাধ্যমের কল্যাণে সাড়া পড়ে যায় বিশ্বে। গবেষকরা দলে দলে আসতে শুরু করেন হুনজা উপত্যকায়।</p>
<p>যেখানে সারা পাকিস্তানের মানুষের গড় আয়ু ৬৭, সেখানে হুনজাদের গড় আয়ু নাকি ১২০ বছর! হুনজা উপত্যকায় এর চেয়েও বেশি বয়সের মানুষের সংখ্যা নেহাত কম না। জাপানকে আয়ুর ক্ষেত্রে স্লগ ওভারে  হারিয়ে দিচ্ছেন হুনজারা।</p>
<p>১০০ বছর বয়সেও যথেষ্ট শক্ত সামর্থ্য থাকা হুনজা পুরুষ ও নারীদের এত বছর বাঁচার মূল রহস্য খুঁজেছেন বিজ্ঞানীরা। বেশকিছু ব্যাখ্যাও দাঁড় করিয়েছেন তারা। এ উপজাতি কোনো কিছু নিয়েই দুঃশ্চিন্তা করে না। ডিপ্রেশন, মানসিক অবসাদ, চাপ এগুলো তাদের সহজাত প্রবৃত্তিতে নেই বললেই চলে। সব বয়সের নারী-পুরুষই সুর্যোদয় হতে শুরু করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পরিশ্রম করে কাটান। একজন ৮০ বছরের হুনজা বৃদ্ধের কাছে দৈনিক ১০-১৫ কিলোমিটার পাহাড়ি পথে হাটা দুধভাত। ৪০ কেজি শস্য বোঝাই বস্তা অনায়াসেই তারা ক্ষেত থেকে নিয়ে ফেরেন৷</p>
<p>হুনজারা সারাদিনে মাত্র দু’বার খাবার খান। সূর্য ওঠার পরে একটা ভারী ব্রেকফাস্ট ও সূর্যাস্তের পরে হালকা ডিনার। এই শেষ, এর মাঝে হুনজারা আর কোনো খাবার খান না।</p>
<p>তারা সবসময় প্রাকৃতিক খাবার খেয়ে থাকেন। হুনজারা তাঁদের খাদ্যতালিকায় রাখেন প্রচুর পরিমাণে শুকনো অ্যাপ্রিকট (খোবানি), লেবু জাতীয় ফল, বাদাম, শিম, ভুট্টা, বার্লি ও বাজরার মতো শস্য। মাখন, পনির, ডিম ও দুধ তুলনায় কম খান হুনজারা। মাংস প্রায় খানই না। খেলেও বছরে এক দুবার ভেড়া বা মুরগির মাংস খান। অন্য কোনো মাংস খান না। এছাড়াও, তুমুরু নামে, অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর এক প্রকার উদ্ভিদের পাতা ফুটিয়ে চায়ের মতো পান করেন হুনজারা।</p>
<p>প্রাচীন রীতি মেনে, হুনজারা বছরে চার মাস শুকনো অ্যাপ্রিকট ফলের গুঁড়োর শরবত ছাড়া আর কিছু খান না। দুর্গম স্থানে বাস করার কারণে এবং বিভিন্ন কাজে প্রতিদিনই হুনজাদের প্রায় ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার হাঁটতে হয়। প্রয়োজনীয় খাদ্য ও সবজি নিজেরাই উৎপাদন করেন। এ ছাড়া হুনজারা সব কথাতেই হাসেন। হাসি ঠাট্টা তামাশা তাঁদের জীবনের অন্যতম অঙ্গ। গোমড়ামুখের হুনজাকে দেখতে পাওয়া  বিরল ব্যাপার।</p>
<p>তাদের অন্যতন প্রধান খাদ্য অ্যাপ্রিকট ফল। বিজ্ঞানীদের মতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-১৭ সমৃদ্ধ এ ফলটি অধিক পরিমাণে খাওয়ার কারণেই বিশ্বের একমাত্র ক্যান্সার-টিউমার ফ্রি জাতি এই হুনজা উপজাতি।</p>
<p>একদল গবেষক মনে করেন, হুনজাদের দীর্ঘ জীবন আর নিরোগ থাকার পিছনে আছে দুষণমুক্ত বাতাস, হিমবাহ থেকে আসা প্রাকৃতিক মিনারেল ওয়াটার, সারাবছর হিমশীতল পানিতে গোছলের অভ্যাস। শীতকালে হুনজা উপত্যকা বরফে ঢেকে যায়, তখনও হুনজারা গরম পানিতে গোছল করেন না। হুনজারা খান কম, কিন্তু পরিশ্রম করেন বেশি।</p>
<p>কিছু গবেষক বলছেন হুনজারা নিরুত্তাপ ও উদ্বেগহীন জীবনযাপনে অভ্যস্ত। তাই তাঁরা মানসিক চাপের সঙ্গে যুক্ত অসুখবিসুখে ভোগেন না। তাঁরা শিশুদের মতোই জীবন যাপন করেন, জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করেন। এটাই তাঁদের দীর্ঘায়ু হওয়ার রহস্য।</p>
<p>এই অঞ্চলের ৯৫ ভাগ জনগণই মুসলিম। তারা সব ধরনের ইসলামী রীতিনীতি মেনে জীবন পরিচালনা করে, যা তাদের সুস্থ-সবল জীবন যাপনের অন্যতম রহস্য। এছাড়া আরেকটা আশ্চর্যজনক ব্যাপার হলো হুনজায় শিক্ষার হার ৯০%। যেখানে আমাদের শহরাঞ্চলের শিক্ষার হারও আরো অনেক কম! তাই আপনি যদি এদেরকে ব্যাকডেটেড মনে করেন, তাহলে চরম ভুল করবেন। প্রকৃতপক্ষে এরাই পার্ফেক্ট লাইফ লিড করে, আর আমরা জাঙ্ক, ভেজাল আর ঝামেলায় ভরা লাইফে আটকে আছি।</p>
<p>শিশুকাল থেকেই এই সম্প্রদায়ের মেয়েদের সৌন্দর্য বিকশিত হতে শুরু করে। এসব নারীর সৌন্দর্যের একটি গোপন রহস্য হলো তারা পানির চেয়ে ফলে জুস/শরবত পান করে বেশি। তাদের অবিশ্বাস্য সৌন্দর্যের আরেক কারণ হলো শারীরিক ব্যায়াম। উপত্যকায় বাস করা এই হানজা সম্প্রদায়ের মানুষ নিয়মিত শ্বাসক্রিয়ার ব্যায়াম করে, যা তাদের চর্ম ও শরীরকে নানাভাবে উপকৃত করে।</p>
<p>একটা কথা প্রচলিত আছে যে, কাশ্মীরের নারীরা এই উপমহাদেশের সবচেয়ে সুন্দরী। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো হুনজা নারীদের দেখলে আপনি কনফিউশনে পড়ে যাবেন যে, কারা আসলে বেশি সুন্দরী ! এখানকার মেয়েরা খুবই লাজুক, সহজে অপরিচিত পুরুষ বা ক্যামেরার সামনে আসতে চায় না। হুনজা নারীরাও কাশ্মীরিদের মতো মাথায় এক ধরনের টুপি পরে। তারা নিজেদের ভেতর বিবাহের মাধ্যমে বংশধারা অব্যাহত রাখে। বিভিন্ন উৎসবে এরা তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে নাচ-গান করে। এখানকার প্রধান উৎসব হচ্ছে- ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, ঈদে মিলাদুন্নবীর মতো বিভিন্ন ইসলামিক উৎসব।</p>
<p>হুনজারা বহুদিন বাঁচেন, এই বিষয়টি নিয়ে অনেক দিন ধরেই গবেষকদের মধ্যে চলছে তুমুল তর্ক-বিতর্ক। অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন হুনজাদের দীর্ঘায়ু হওয়ার বিষয়টি অতিরঞ্জিত। তাঁরা বলছেন- হুনজারা নিজেরাই নিজেদের বয়স বলেন। বয়সের কোনও নথি নেই। বয়স বাড়িয়ে বলেন। হুনজারা কোনো ক্যালেন্ডার ব্যবহার করেন না। তাই হুনজাদের বয়সের নির্ভরযোগ্য প্রমাণ কোথায় ?</p>
<p>ডাক্তার জন ক্লার্ক নামে এক চিকিৎসক ১৯৫৬ সালে কুড়ি মাস ছিলেন হুনজা উপত্যকায়। দেশে ফিরে<strong> Hunza </strong><strong>–</strong><strong> Lost Kingdom of the Himalayas</strong> নামে একটা বই লিখে ছিলেন। সেই বইতে তিনি লিখেছিলেন হুনজাদেরও রোগ হয়। তিনি ওই ২০ মাসে বিভিন্ন বয়সের ৫৬৮৪ জন হুনজাকে চিকিৎসা দেন।</p>
<p>তিনি লিখেছিলেন, তাঁর কাছে আসা বেশির ভাগ হুনজা রোগীই ম্যালেরিয়া, কৃমি, চোখের রোগে ভুগতেন। অস্বাভাবিক দ্রুততায় রোগ সেরেও যেত। জন ক্লার্ক, হুনজাদের দীর্ঘায়ু নিয়ে রীতিমত সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তবে হুনজারা পাকিস্তানের অনান্য মানুষদের থেকে গড়ে বেশি দিন বাঁচেন, এ ব্যাপারে তিনি নিঃসন্দেহ।</p>
<p>গবেষকরা হুনজাদের দীর্ঘায়ু হওয়ার রহস্যকে আতশ কাঁচের তলায় ফেলে নানান গবেষণায় মাতলেও, তাতে বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই হুনজাদের। কারণ, তাঁরা প্রকৃতির বরপুত্র। তাই প্রকৃতির কোলে, জীবনের পিচে, হাসতে হাসতে রান নিয়ে সেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যান হুনজারা। আর অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকে বিশ্ব।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/feature/%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a7%9c%e0%a6%b6-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0/">হুনজা সম্প্রদায় : দেড়শ&#8217; বছর আয়ুর গোপন রহস্য</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পূর্ণাঙ্গ কমিটি বিলুপ্ত করে হেফাজতে ইসলামের আহ্বায়ক কমিটি, নেপথ্যে কী?</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Apr 2021 01:19:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=8176</guid>

					<description><![CDATA[<p>আহমেদ মাহদী, জিনিউজ বিডি ডটকম : বাংলাদেশে মোদিবিরোধী আন্দোলনের জের ধরে হেফাজতে ইসলাম, কওমি মাদরাসা ও আলেম-ওলামাদের ওপর চাপ সৃষ্টির [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4/">পূর্ণাঙ্গ কমিটি বিলুপ্ত করে হেফাজতে ইসলামের আহ্বায়ক কমিটি, নেপথ্যে কী?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আহমেদ মাহদী, জিনিউজ বিডি ডটকম : বাংলাদেশে মোদিবিরোধী আন্দোলনের জের ধরে হেফাজতে ইসলাম, কওমি মাদরাসা ও আলেম-ওলামাদের ওপর চাপ সৃষ্টির জেরে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চরম সংকটে পড়েছে অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামী। এরই ধারাবাহিকতায় ২৫ এপ্রিল রাতে সংগঠনটির আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করে কিছুক্ষণের মধ্যেই আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেন। পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে মাত্র ৫ মাসের মাথায় সে কমিটি ভেঙে দেয়া হলো।</p>
<p>প্রথমে এক ভিডিও বার্তায় বাবুনগরী বলেন, দেশের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সর্ব বৃহৎ অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির কিছু গুরুত্বপূর্ণ সদস্যের পরামর্শে কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ইনশা আল্লাহ, আগামীতে আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে সংগঠন পরিচালনা করা হবে।</p>
<p>কয়েক ঘণ্টা পর হেফাজতে ইসলামের ফেসবুক পেজে এক বিজ্ঞপ্তিতে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। প্রথমে তিন সদস্যের কমিটির নাম ঘোষণা করলেও পরে আরো দুইজনকে কমিটিতে স্থান দেয়া হয়। রাত পৌনে ৪টার দিকে সদ্যঘোষিত আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম জিহাদী তার ফেসবুক পেজে এসে এক ভিডিও বার্তায় পূর্বোল্লিখিত আহ্বায়ক কমিটিতে নতুন দুই সদস্যসহ ৫ জনের নাম ঘোষণা করেন।</p>
<p>তিনি জানান, আহ্বায়ক কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে থাকবেন মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী। এছাড়া আহ্বায়ক হিসেবে জুনায়েদ বাবুনগরী, সদস্য সচিব নুরুল ইসলাম জিহাদী, সদস্য সালাউদ্দিন নানুপুরী ও অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরীকে রাখা হয়েছে।</p>
<p>প্রিয় দর্শক, কিন্তু হঠাৎ কেন কমিটি বাতিল করা হলো?</p>
<p>স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে কর্মসূচি ঘোষণা করলে জাতীয় মসজিদ বাইতুল মুকাররমে হামলা চালায় ছাত্রলীগের কিছু সন্ত্রাসী। এ ঘটনায় দেশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজতে ইসলাম প্রতিবাদ মিছিল বের করলে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে কে বা কারা থানায় হামলা করে। এরপর পুলিশের গুলিতে ৪ জন মারা যান। পরের দিন হরতাল ডাকে হেফাজতে ইসলাম। এর পরে প্রাণ হারান অন্তত আরও ১৪ জন।<br />
সেসব ঘটনায় একাধিক মামলা করে পুলিশ। এতে হেফাজত নেতাসহ আলেম ওলামাদের আসামি করা হয়। মামলার আসামিদের ধরতে অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ পর্যন্ত হেফাজতের শীর্ষস্থানীয় অনেক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।<br />
এরই মধ্যে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক দ্বিতীয় স্ত্রীসহ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে রয়্যাল রিসোর্টে হেনস্তা হন। এর জের ধরে অনেক কল্পকাহিনী ছড়িয়ে পড়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক মিডিয়ায়। এতে নতুন করে বিতর্কের মুখে পড়ে হেফাজত।</p>
<p>সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে কোণঠাসা হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতারা শুরু থেকেই সমঝোতার চেষ্টা করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। কেউ কেউ অবশ্য হেফাজতকে বাগে আনতে সরকারের পক্ষ থেকেই সমঝোতার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেন।</p>
<p>ঘটনা যা-ই হোক, সম্প্রতি হেফাজত ইসলামের মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তার বাসায় দেখা করে দলের নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার না করার অনুরোধ জানান। কিন্তু সরকার দৃশ্যত এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নেয়।<br />
এরই মধ্যে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দেয়া হলো।</p>
<div class="ast-oembed-container " style="height: 100%;"><iframe title="নেপথ্যে কী? কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দিয়ে হেফাজতে ইসলামের আহ্বায়ক কমিটি গঠন" width="1200" height="675" src="https://www.youtube.com/embed/Cny8K907kCE?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" referrerpolicy="strict-origin-when-cross-origin" allowfullscreen></iframe></div>
<p>রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন- হেফাজতের ওপর ক্রাকডাউনের কারণে দেশের কওমী মাদরাসাগুলো বেকায়দায় পড়ে গেছে। মাদরাসাগুলো মূলত দান-অনুদানের মাধ্যমে টিকে রয়েছে। কিন্তু আলেমদের গ্রেফতার ও লক ডাউনে মাদরাসাগুলো বন্ধ করে দেয়ায় রমজানে দানের টাকা সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। অথচ রমজান মাসেই বছরে অধিকাংশ সময় চলার মতো দান-সাদকাহ সংগ্রহ করা হয় প্রতি বছর।</p>
<p>এমনকি প্রায় শত বছরের ঐতিহ্যবাহী হাটহাজারি মাদরাসাও ভিডিও বার্তায় বিষয়টি স্বীকার করে নাগরিকদের কাছে সাহায্য পাঠানোর অনুরোধ জানায়। এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতেই হেফাজতে ইসলামের কমিটি ভেঙে দিয়ে সরকারের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছে সংগঠনটি। কারণ সরকার চাচ্ছিল এই কমিটি না থাকুক।</p>
<p>বিশ্লেষকদের আরেকটি অংশ মনে করছেন- হেফাজতের অধিকাংশ নেতাই রাজনৈতিকভাবে সচেতন নন। ফলে চলমান গ্রেফতার ও নির্যাতনের প্রেক্ষাপটে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। ফলে তারা ব্যক্তিগতভাবে সংগঠনবিরোধী বক্তব্য দিয়ে সরকারের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছেন। এ পরিস্থিতিতে হেফাজতে ইসলামের ব্যাপারে জনমনে বিভ্রান্তি ও নাখোশ তৈরি হচ্ছে। এ কারণেই হেফাজতের কমিটি ভেঙে দেয়া হয়েছে।</p>
<p>অবশ্য হেফাজতে ইসলামীর শুভাকাঙ্খীদের একটা অংশ মনে করেন- রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবেই কমিটি ভেঙে দেয়া হয়েছে।</p>
<p>রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের আরেকটি অংশ মনে করেন- সরকারি চাপে এ কমিটি ভেঙে দেয়া হতে পারে। বিষয়টি পরিষ্কার হতে আরো কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে। হেফাজতের আহ্বায়ক কমিটিতে আগের কমিটির আমির ও মহাসচিবই বহাল আছেন। ফলে এটা সুস্পষ্ট যে, আগের কমিটির রাজনৈতিক নেতাদের বাদ দিতে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে, এটি আপসকামিতারই অংশ।</p>
<p>তবে ঘটনা যা-ই হোক না কেন, এটা বাংলাদেশের ইসলামপন্থীদের আরেকটি পরাজয় এবং সরকারের একটি সফলতা।</p>
<p>তো প্রিয় দর্শক, এ ব্যাপারে আপনি কী মনে করেন? জানান মন্তব্যে। আর লেখাটি শেয়ার করে আমাদের সাথে থাকুন।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4/">পূর্ণাঙ্গ কমিটি বিলুপ্ত করে হেফাজতে ইসলামের আহ্বায়ক কমিটি, নেপথ্যে কী?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সন্তানের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর নামে বাবা-মায়ের ৭টি ভুল</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 23 Apr 2021 18:14:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<category><![CDATA[জীবনধারা]]></category>
		<category><![CDATA[প্যারেন্টিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=8168</guid>

					<description><![CDATA[<p>আত্মবিশ্বাসী শিশুরা ১. কম উদ্বিগ্নতায় ভোগে, ২. স্কুলে ভালো ফলাফল করে এবং ৩. পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভালো হয়। এর ফলে, [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c/">সন্তানের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর নামে বাবা-মায়ের ৭টি ভুল</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আত্মবিশ্বাসী শিশুরা ১. কম উদ্বিগ্নতায় ভোগে, ২. স্কুলে ভালো ফলাফল করে এবং ৩. পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভালো হয়। এর ফলে, অনেক বাবা-মা সন্তানের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য নানা রকম কৌশল অবলম্বন করেন। কিন্তু এক্ষেত্রে অনেক বাবা-মা ৭ টি বড় রকমের ভুল করে বসেন।</p>
<p><strong>১. ছোট ছোট কাজ থেকে বিরত রাখা</strong><br />
অনেক বাবা-মা মনে করেন, বাড়ির ছোট ছোট কাজ করতে দিলে সন্তান ক্লান্ত হয়ে উদ্বিগ্ন হতে পারে, আসলে ব্যাপারটা এর উল্টো! কোনো নির্দিষ্ট কাজ শেষ করতে পারলে শিশুদের মধ্যে দক্ষতার অনুভূতি জাগ্রত হয়। এর মাধ্যমে, শিশুর মধ্যে ‘আমিও পারি’ ধারণা জাগ্রত হয়। ফলে, যখনই আপনি বাড়ির কোনো কাপড় লন্ড্রির কাজ কিংবা ছোট্ট একটু পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করতে দিবেন, এর মাধ্যমে, সন্তানের মধ্যে সক্ষমতা এবং দক্ষতার অনুভূতি জাগ্রত হবে।</p>
<p><strong>২. সন্তানকে ভুল করতে না দেওয়া</strong><br />
সন্তান ব্যর্থ হচ্ছে, কোথাও প্রত্যাখ্যাত হচ্ছে কিংবা কোনো সমস্যায় জড়িয়ে পড়ছে, বাবা মায়ের চোখে এই দৃশ্য বড় কষ্টের। এরকম ক্ষেত্রে অনেক বাবা-মাকে দেখা যায় ব্যর্থ হবার আগেই সন্তানকে নিবৃত করা। কিন্তু সন্তানের ব্যর্থতা ঠেকানো মানে সন্তানকে শেখার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা। সন্তানের ব্যর্থতা ঠেকানো মানে, ব্যর্থতা থেকে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, সেই শিক্ষা থেকে সন্তানকে বঞ্চিত করা। অনেক বাবা-মাই ভুলে যান, প্রতিটি ভুলই জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক। প্রতিটি ব্যর্থতাই পরের ধাপে ভালো করার এক সুবর্ণ সুযোগ।</p>
<p><strong>৩. আবেগ প্রকাশে বাধা দেওয়া</strong><br />
আপনি ভাবছেন, যখন আপনার সন্তানের মন খারাপ তখন তাকে একটু হাসাতে পারাই বুঝি আসল কাজ! কিংবা যখন আপনার সন্তান রাগান্বিত হয় তখন তাকে শান্ত করাও হয়তো বেশ লোভনীয়। কিন্তু সন্তানের কোনো আবেগে আমরা কীভাবে প্রতিক্রিয়া করি তা সন্তানের আবেগিক বুদ্ধিমত্তা এবং আত্মমর্যাদা গঠনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কোনো বিষয়ে দ্রুত ফল লাভের জন্য অস্থিরতার চেয়ে কেনো আমাদের মন খারাপ হয় কিংবা কেনো আমাদের মনে কোনো নির্দিষ্ট আবেগের সঞ্চার হয় এ বিষয়ে সন্তানকে শিক্ষা দেওয়াই ভালো। ফলে, সন্তান ভবিষ্যতে নিজের মতো করে নিজেকে সামলে নিতে শিখে।</p>
<p><strong>৪. নিজেকে গরীব হিসেবে উপস্থাপন</strong><br />
‘অমুকের ছেলে বড় লোকের ছেলে, আমরা অত বড় লোক না বাবা, অমুকের ছেলে যে জুতা কিনেছে আমাদের সে জুতা কেনার সামর্থ নেই’, এমন ধারণা, সন্তানের মধ্যে সারাজীবনের জন্য যে ধারণা গেঁথে দেয় তা হলো, কিছুই আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। এধরণের কথার বিপরীতে বরং সন্তানকে মাটির ব্যাংকে টাকা জমাতে শেখান, যেন সে সেই টাকা দিয়ে তার কোনো দরকারী জিনিষ কিনতে পারে। সন্তানের নিজস্ব পছন্দের স্বীকৃতি পেলে সন্তান নিজের একটা সুন্দর ভবিষ্যত রচনা করতে পারে।</p>
<p><strong>৫. নিরাপত্তার নামে সন্তানকে বুকে আগলে রাখা</strong><br />
এটা সত্য, সন্তান নিরাপদে থাকলে আপনি অনেক উদ্বিগ্নতা থেকে মুক্ত থাকেন, তাই বলে নিরাপত্তার নামে সন্তানকে ঘরবন্দী করে রাখলে সন্তানের বিকাশ ব্যাহত হয়। আপনি হবেন সন্তানের পথ প্রদর্শক, রক্ষক নয়। সন্তানকে জীবনের অভিজ্ঞতা নিতে দিন, এমনকি মাঝে মাঝে ঝুঁকিপূর্ণ কাজের মাধ্যমে হলেও। এর ফলে প্রকৃতপক্ষে সন্তানের আত্মবিশ্বাস বাড়ে।</p>
<p><strong>৬. সন্তানের উপর নিজের স্বপ্ন চাপিয়ে দেয়া</strong><br />
উচ্চাকাঙ্খা ভালো, কিন্তু অতিরিক্ত আকাঙ্খার জন্য অনেক মূল্যও কিন্তু গুণতে হয়। সন্তানের জন্য লং টার্ম লক্ষ্য নির্ধারণ করা ছাড়ুন। ‘তোমাকে ডাক্তার হতে হবে, ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে,’ এমন লক্ষ্য নির্ধারণ করে দেওয়াকে লং টার্ম লক্ষ্য বলে। এমনটি না করে, শর্ট টার্ম লক্ষ্যের দিকে সুকৌশলে জোড় দেওয়া ভালো। যেমন, এসএসসি, কিংবা এইচএসসিতে কীভাবে ভালো করতে পারে এ বিষয়ে সন্তানকে সহযোগিতা করুন। প্রতিদিনের বাড়ির কাজ প্রতিদিন সম্পন্ন করতে শেখান! ভবিষ্যতে সে ডাক্তার হবে না ইঞ্জিনিয়ার হবে সে লক্ষ্য নির্ধারণের বিষয়টি সন্তানের হাতেই ছেড়ে দিন।</p>
<p><strong>৭. শৃঙ্খলা না শিখিয়ে শাস্তি দেওয়া</strong><br />
সন্তানের ভালো চাইলে আপনি বরং সন্তানকে জীবনের শৃঙ্খলা শেখাতে পারেন, সন্তানকে শাস্তি দিতে পারেন না। যে সকল শিশুকে শৃঙ্খলা শেখানো হয়, তারা কোনো ভুল করলে ভাবে, ‘ওহ, আমার পছন্দটা সঠিক ছিল না, অথবা আমার কাজের উপায়টি সঠিক ছিল না’, অন্যদিকে যে সকল শিশুকে শাস্তি দেওয়া হয়, তারা কোনো ভুল করলে ভাবে, ‘ওহ, আমি একজন নিকৃষ্ট মানুষ, আমি একজন ব্যর্থ মানুষ’।</p>
<p>শৃঙ্খলা সন্তানকে আত্মবিশ্বাসী করে, ভবিষ্যতে সুন্দর পরিকল্পনা করতে সহায়তা করে, অন্যদিকে শাস্তি কিংবা তিরস্কার আপনার সন্তানের ভবিষ্যত সম্ভাবনা এবং সক্ষমতা নষ্ট করে।</p>
<p><em>এই লেখাটি যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত নিউজ মিডিয়া সিএনবিসি ডট কমের ‘মেইক ইট’ সেকশনে প্রকাশিত সাইকোথেরাপিস্ট আ্যামি মরিনের লেখা &#8216;A psychotherapist shares the 7 biggest parenting mistakes that destroy kids’ confidence and self-esteem&#8217; এর অনুবাদ। আ্যামি মরিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির শিক্ষক এবং বহুল বিক্রিত দুটি বই &#8217;13 Things Mentally Strong People Don’t Do&#8217; এবং &#8217;13 Things Mentally Strong Women Don’t Do&#8217; এর লেখক।</em></p>
<p>ভাষান্তর : <a href="https://www.facebook.com/mizanrahmandu/" target="_blank" rel="noopener">মিজান রহমান</a></p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c/">সন্তানের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর নামে বাবা-মায়ের ৭টি ভুল</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সন্তানকে সহজে কোরআন শেখাবেন যেভাবে</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%93-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8/%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%86%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Apr 2021 17:17:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম ও জীবন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=8162</guid>

					<description><![CDATA[<p>মো: বাকীবিল্লাহ : আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম সেই ব্যক্তি, যিনি কোরআন [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%93-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8/%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%86%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be/">সন্তানকে সহজে কোরআন শেখাবেন যেভাবে</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মো: বাকীবিল্লাহ : আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম সেই ব্যক্তি, যিনি কোরআন শেখেন এবং শিক্ষা দেন।</p>
<p>বাচ্চাদের কোরআন শিক্ষা দেওয়া তাদেরকে একটি বইয়ের বিধান ও এর শিক্ষার সাথে যুক্ত করা না, বরং তাদের আত্মার পুনর্জাগরণ, তাদের মন ও অন্তর্দৃষ্টি আলোকিত করা। প্রত্যেক মুসলিম পিতামাতার দায়িত্ব, সন্তানদের কোরআন শেখানো। শিশুদেরকে কোরআনের গল্পের মূল্য শেখাতে হবে। কোরআনের বিস্ময়কর বিষয়গুলি বুঝতে সাহায্য করতে হবে। তাদেরকে বুঝাতে হবে যে, কোরআন আমাদের জীবনের জন্য কতটা মূল্যবান।</p>
<p>বাচ্চাদের কোরআন শেখানো- একটি সচেতন প্রজন্মকে উন্নত সমাজ গঠনে সক্ষম করার জন্য সর্বোত্তম পদ্ধতি। যে সমাজ মহৎ ও উন্নত নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত।</p>
<p>যা-ই হোক, এই বিশাল দায়বদ্ধতার পরেও আপনার বাচ্চাদের জন্য কুরআন শেখা ততটা কঠিন নয় যতটা আপনি ভাবছেন। এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া; যা আপনি বাচ্চাদের বেড়ে ওঠার ধাপে ধাপে অনুসরণ করতে পারেন।</p>
<p>আপনি হয়তো ভাবছেন যে, এই যাত্রা শুরু করার সবচেয়ে উপযুক্ত বয়স কোনটি?</p>
<p>তাহলে শুনুন, আপনি যেদিন থেকে জানেন যে আপনি পিতা-মাতা হবেন, তখন থেকেই আপনার সন্তানকে কোরআন শোনানোর চেষ্টা করুন। শিশু কোরআনে শব্দগুলির সাথে পরিচিত হবে- যা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। তবে, ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে, কোনো শিশুর কোরআন শিখতে শুরু করার জন্য নির্দিষ্ট বয়স নেই, যদিও এর জন্য চার বছর বয়স যথাযথ বলে মনে করা হয়।</p>
<p>একটি শিশুর মানসিক ক্ষমতা ও বুদ্ধিগত প্রবণতা অন্যদের থেকে পৃথক হতে পারে। কিছু বাচ্চাকে মানসিকভাবে অন্যের তুলনায় পরিপক্ক বলে মনে হয়। সুতরাং আপনার শিশুর চিন্তা, আচরণ ও বৈশিষ্ট্য দেখে বুঝে নিন কখন থেকে তাকে কুরআন শিক্ষা দেবেন।</p>
<p>পিতা-মাতা হিসাবে আপনার বাচ্চাদেরকে কুরআন শিক্ষাদান ও গাইড করার জন্য এখানে কয়েকটি দরকারি পদক্ষেপ উল্লেখ করা হলো।</p>
<p>১. প্রথমত, গর্ভাবস্থায় পবিত্র কুরআন শোনার এবং তেলাওয়াত করার ক্ষেত্রে মাকে চেষ্টা করতে হবে। অনেক বিশেষজ্ঞ ও বিজ্ঞানী বলছেন, মায়ের পেটে ভ্রূণ তার আনন্দ বা ক্রোধের দ্বারা প্রভাবিত হয় এবং জোরে জোরে মা যা শুনছে বা পড়ছে তা দ্বারা প্রভাবিত হয়। কিছু সমসাময়িক পণ্ডিত নিশ্চিত করেছেন, যে গর্ভবতী মা ঘন ঘন কোরআন শোনেন, তিনি কোরআনের সাথে সম্পর্কযুক্ত একটি সন্তানের জন্ম দেন।</p>
<p>২. আপনি বাচ্চাদের সাথে কথা বলুন। তাদেরকে আল্লাহ সুবহানাহু-ওয়া-তালা, কোরআনের গুরুত্ব এবং কেন আমাদের তাঁর শিক্ষাগুলি পালন করা উচিত তা সম্পর্কে বলুন। বাচ্চারা সর্বশক্তিমান আল্লাহর পরিচয় না বুঝে তার নির্দেশাবলি পড়া শুরু করতে পারবে না।</p>
<p>৩. পবিত্র কোরআনের প্রতি আপনার আগ্রহ দেখান। এর আয়াতগুলো উচ্চস্বরে তেলাওয়াত করুন। তবে নিশ্চিত করুন যে, বাচ্চারা আপনার চারপাশে রয়েছে। তাছাড়া আপনি কী করছেন তা তাদেরকে জানিয়ে রাখুন।<br />
এটি তাদেরকে আপনার কার্যকলাপগুলি অনুকরণ ও অনুসরণ করতে আগ্রহী করে তুলবে। ফলে পরে কোরআন শিখতে ও মুখস্ত করতে তারা আরও অনুপ্রাণিত হবে। ভুলে যাবেন না যে, আপনি আপনার সন্তানের একজন আদর্শ মডেল। তারা আপনাকে যা কিছু করতে দেখবে, তা তারা অনুকরণ করবে।</p>
<p>৪. কোরআনের আয়াত জোরে জোরে পড়ুন। বাচ্চাদেরকে আপনি যে শব্দগুলি পড়ছেন, তা মুখস্ত করতে সহায়তা করবে।</p>
<p>৫. আপনার সন্তানকে তার নিজের জন্য একটি কোরআন কিনে দিন। মানবপ্রকৃতি উপহার ও মালিকানা পছন্দ করে। যদি পিতামাতারা এই সুযোগ কাজে লাগান, তবে তা বাচ্চাদের পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও মুখস্থ করতে উত্সাহিত করবে। এর দুর্দান্ত প্রভাব আপনি হাতেনাতে দেখতে পাবেন।</p>
<p>৬. সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় বাচ্চাদের প্রতিদিন কোরআন থেকে একটি আয়াত পড়ান।</p>
<p>৭. কোরআন সম্পর্কিত আপনার বাচ্চাদের কৃতিত্ব উদযাপন করুন। যেমন: তাজবিদের নিয়মসহ একটি নির্দিষ্ট সুরা তেলাওয়াত বা এর একটি বিশেষ অংশ মুখস্থ করা ইত্যাদি। এতে করে কোরআন মুখস্তকরণ আপনার আদেশ পালন নয় বরং বাচ্চাদের আবেগ ও আনন্দের কারণ হবে।</p>
<p>৮. আপনার বাচ্চাদের জন্য কোরআন থেকে কিছু গল্প বলুন। শিশু তার পিতামাতার সাথে কথা বলতে পছন্দ করে। তাদের সাথে গল্প বলতে বা শুনতে পছন্দ করে। শিশুকে যেসব আয়াত বা সুরা পড়াচ্ছেন, সেখান থেকে কোরআনের কিছু গল্প বেছে নেওয়ার চেষ্টা করুন। এতে করে কোরআনের প্রতি তার ভালোবাসা এবং শেখার আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে।<br />
এখানে আনন্দদায়ক ও আকর্ষণীয় গল্পগুলি বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কোরআনে আল্লাহ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য অনেক ঘটনা বর্ণনা করেছেন। যেটা হয়তো আপনার শিশু উপলব্ধি করতে পারবে না। তাই তাদের জন্য উপযুক্ত ঘটনাবলি বেছে নিন।</p>
<p>৯. শিশুরা তাদের পড়াশুনায় যা শেখে তার সাথে কোরআনকে প্রাসঙ্গিক করার চেষ্টা করুন। যেমন- কীভাবে পড়তে ও লিখতে হয় তা কোরআন থেকে শেখান। আরবি লেখার অনুশীলন করতে কোনো আয়াত লিখে অনুশীলন করাতে পারেন। বাংলা হাতের লেখার ক্ষেত্রে কোরআনের কোনো আয়াতের তরজমা লেখাতে পারেন।</p>
<p>১০. পবিত্র কোরআনের বিশেষ শব্দগুলি খুঁজে করতে আপনার বাচ্চাদের নির্দেশনা দিন। এটি তাদের শব্দগুলি দ্রুত মুখস্ত করতে সাহায্য করবে করবে। যেমন- সুরা আল-ইখলাসে শব্দের অর্থ (আস-সামাদ) জিজ্ঞাসা করা। সুরা ফাতিহার আর-রহমান ও আর-রাহিম শব্দের অর্থ ও তাৎপর্য।</p>
<p>১১. আপনার বাচ্চাদেরকে পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানগুলোতে উপস্থিতি নিশ্চিত করুন, যাতে তারা দেখতে পায় যে, তাদের বয়সী বাচ্চারা কোরআন তিলাওয়াত ও মুখস্থ করছে।</p>
<p>১২. আপনার বাচ্চাদের যেখানেই সুযোগ হয় কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে উত্সাহিত করুন।</p>
<p>সব শেষে বলবো, বাচ্চাদের কোরআন শেখানোর জন্য আপনি যে পদ্ধতিই বেছে নেন না কেন, কোনোভাবেই তাদেরকে কোরআন শোনা বা পড়তে বাধ্য করবেন না। আপনার বাচ্চা যদি কোনো কিছু পছন্দ করে, সেগুলি থেকে তাদেরকে আটকে রাখবেন না। বরং দিনের একটি সময়কে কোরআন শেখার জন্য নির্দিষ্ট নিন। যাতে বাচ্চারা জানতে পারে যে, এই সময়টি কোরআন পাঠের জন্য নিবেদিত।<br />
আপনি যদি তাদেরকে বাধ্য করেন তবে খেয়াল করবেন যে, বাচ্চারা আপনি যা পড়ছেন তাতে আগ্রহী হচ্ছে না। তারা কোরআন আত্মস্থ আরও বেশি সময় নেবে।<br />
মনে রাখবেন, শিশুরা আমাদের প্রতিবিম্ব। তারা আমাদের মূল্যবোধ, আদব ও নীতির প্রতিনিধিত্ব করে। অতএব সর্বশক্তিমান আল্লাহর সঠিক শিক্ষার সাথে তাদেরকে অভ্যস্ত করতে সর্বোচ্চ ভালো উপায় অবলম্বন করুন। এবং জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যান।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%93-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8/%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%86%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be/">সন্তানকে সহজে কোরআন শেখাবেন যেভাবে</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
