<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>জিনিউজ/এসএইচ, Author at জিনিউজ বিডি ডটকম</title>
	<atom:link href="https://www.gnewsbd.com/author/nabil/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://www.gnewsbd.com/author/nabil/</link>
	<description>অনলাইন বাংলা নিউজ ম্যাগাজিন</description>
	<lastBuildDate>Tue, 18 Aug 2015 03:53:21 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://www.gnewsbd.com/files/2021/01/cropped-gnewsbd-logo-32x32.png</url>
	<title>জিনিউজ/এসএইচ, Author at জিনিউজ বিডি ডটকম</title>
	<link>https://www.gnewsbd.com/author/nabil/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>মাগুরায় মাতৃগর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধ :  আসামি যুবলীগ কর্মী ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81-%e0%a6%97/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ/এসএইচ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 18 Aug 2015 03:49:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://bn.gnewsbd.com/?p=6931</guid>

					<description><![CDATA[<p>মাগুরায় মাতৃগর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধের ঘটনায় দায়ের করা মামলার দুই নম্বর আসামি যুবলীগ কর্মী মেহেদী হাসান ওরফে আজিবর শেখ (৩৪) পুলিশের [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81-%e0%a6%97/">মাগুরায় মাতৃগর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধ :  আসামি যুবলীগ কর্মী ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মাগুরায় মাতৃগর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধের ঘটনায় দায়ের করা মামলার দুই নম্বর আসামি যুবলীগ কর্মী মেহেদী হাসান ওরফে আজিবর শেখ (৩৪) পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার দিবাগত রাতে মাগুরা শহরের দোয়ারপাড় এলাকায় কথিত বন্দুকযুদ্ধের এ ঘটনা ঘটে বলে একাধিক বেসরকারি টিভি চ্যানেল জানায়।</p>
<p style="text-align: justify;">বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে পুলিশ।</p>
<p style="text-align: justify;">অবশ্য পৌর ছাত্রলীগের সাবেক এই নেতাকে সোমবার বিকেল ৫টার দিকেই মাগুরার শালিখা উপজেলার সীমাখালী থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে তখন আনুষ্ঠানিক কিছুই জানায়নি পুলিশ।</p>
<p style="text-align: justify;">গত ২৩ জুলাই মাগুরা শহরের দোয়ারপাড় কারিগরপাড়ায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা নাজমা খাতুন (৩৫) গুলিবিদ্ধ হন। গুলি তার পেটের শিশুকে এফোঁড়-ওফোঁড় করে ফেলে।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে মাগুরা সদর হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে গৃহবধূ গুলিবিদ্ধ কন্যাশিশু জন্ম দেন। মা ও শিশু এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সংঘর্ষে পড়ে নাজমার চাচাশ্বশুর মমিন ভূঁইয়া (৬৫) মারা যান।</p>
<p style="text-align: justify;">ওই ঘটনায় গত ২৬ জুলাই নিহত মমিন ভূঁইয়ার ছেলে রুবেল ভূঁইয়া জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সেন সুমনকে প্রধান আসামি করে ১৬ জনের বিরুদ্ধে মাগুরা সদর থানায় মামলা করেন। মামলার অন্য আসামিরা ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মী ও সমর্থক। আজিবর ছিলেন মামলার দুই নম্বর আসামি। মেহেদী হাসান</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81-%e0%a6%97/">মাগুরায় মাতৃগর্ভে শিশু গুলিবিদ্ধ :  আসামি যুবলীগ কর্মী ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ছাত্রলীগ নেতা ‘ক্রসফায়ারে’</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/selected/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ/এসএইচ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 18 Aug 2015 03:32:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ঢাকার বাইরে]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://bn.gnewsbd.com/?p=6928</guid>

					<description><![CDATA[<p>রাজধানীতে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ হাজারীবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আরজু মিয়া (২৮) নিহত হয়েছেন। হাজারীবাগ থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/selected/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0/">ছাত্রলীগ নেতা ‘ক্রসফায়ারে’</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানীতে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ হাজারীবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আরজু মিয়া (২৮) নিহত হয়েছেন।</p>
<p>হাজারীবাগ থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ এ ঘটনা ঘটে।</p>
<p>তিনি জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।<img alt="" width="0" height="0" /></p>
<p>নিহত আরজু মিয়া হাজারীবাগ গণকতুলি এলাকার ৪৫/১/এ নম্বর বাসার লাল মিয়ার ছেলে।</p>
<p>পুলিশ জানায়, মোবাইল চুরির অভিযোগে কিশোর রাজাকে (১৭) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ রয়েছে আরজুর বিরুদ্ধে। সোমবারের ওই ঘটনায় রাজার পরিবার তাকে দায়ী করে। এদিন পুলিশ তিনজনকে আটক করলেও আরজুকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। পরদিন সকালেই ‘বন্দুকযুদ্ধে’ থানা ছাত্রলীগ সভাপতি নিহত হন।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/selected/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0/">ছাত্রলীগ নেতা ‘ক্রসফায়ারে’</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অন্তর্বাসে লুকিয়ে ৬৫টি সাপ পাচার</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a7%ac%e0%a7%ab%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%b8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ/এসএইচ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 18 Aug 2015 03:30:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://bn.gnewsbd.com/?p=6925</guid>

					<description><![CDATA[<p>অন্তর্বাসের লুকিয়ে রাখা ছিল ৬৫টা সাপ। ব্লাউজে লুকিয়ে রাখা ৬টা টিকটিকি। অথচ প্রথমে দেখে বোঝার উপায় নেই। তবে কিছুটা অস্বাভাবিক [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a7%ac%e0%a7%ab%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%b8/">অন্তর্বাসে লুকিয়ে ৬৫টি সাপ পাচার</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div>
<p>অন্তর্বাসের লুকিয়ে রাখা ছিল ৬৫টা সাপ। ব্লাউজে লুকিয়ে রাখা ৬টা টিকটিকি। অথচ প্রথমে দেখে বোঝার উপায় নেই।</p>
<p>তবে কিছুটা অস্বাভাবিক ঠেকায় সন্দেহ হয় এক পুলিশ কর্মীর। তখনই শুরু হয় তল্লাসি। এরপরই চমকে যান সবাই।</p>
<p>বছর ৪২-এর এক মহিলার অন্তর্বাস থেকে কিলবিল করে বের হতে শুরু করে ৬৫টি সাপ। তার আগে ব্লাউজ থেকে বের হয় ৬টা টিকটিকি।<img alt="" width="0" height="0" /></p>
<p>সুইডেনের কাস্টমস দপ্তরের কর্মীদের জেরার মুখে ওই নারী বলেন, তিনি একটা সরীসৃপ ফার্ম করতে চাইছেন। যে কারণে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাপ, টিকটিকি সংগ্রহ করছেন।</p>
<p>‘যেহেতু নিয়মমাফিক সাপ বা টিকটিকি সুইডেনে নিয়ে আসা বারণ তাই লুকিয়ে এই কাজ করেছেন’ যোগ করেন ওই নারী।</p>
<p>ঘটনায় স্তম্ভিত কাস্টমস দপ্তরের কর্মীরা। তারা বলছেন, এভাবেও কোনো জিনিস পাচার করা যায় তা চিন্তা করা কঠিন।</p>
</div>
<p>&nbsp;</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a7%ac%e0%a7%ab%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%b8/">অন্তর্বাসে লুকিয়ে ৬৫টি সাপ পাচার</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হেরাথের কাছে যা ‘ডাল–ভাত’&#8230;</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/sports/%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%a4/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ/এসএইচ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Aug 2015 10:10:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[খেলা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://bn.gnewsbd.com/?p=6915</guid>

					<description><![CDATA[<p>শ্রীলঙ্কা দলে কখনোই নিয়মিত ছিলেন না রঙ্গনা হেরাথ। মুত্তিয়া মুরলিধরনের ছায়ার নিচে কাটিয়েছেন ক্যারিয়ারের সেরা সময়টা। মুরলিধরন লঙ্কান ক্রিকেটে অতীত [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/sports/%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%a4/">হেরাথের কাছে যা ‘ডাল–ভাত’&#8230;</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">শ্রীলঙ্কা দলে কখনোই নিয়মিত ছিলেন না রঙ্গনা হেরাথ। মুত্তিয়া মুরলিধরনের ছায়ার নিচে কাটিয়েছেন ক্যারিয়ারের সেরা সময়টা। মুরলিধরন লঙ্কান ক্রিকেটে অতীত হয়ে যাওয়ার পরেও যে হেরাথের কপাল ফিরেছে, এ কথা খুব জোর দিয়ে বলা চলে না। দলে ‘স্বয়ংক্রিয় পছন্দ’ হতে পারেননি তিনি এখনো। এই তো কিছু দিন আগেই পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের শেষ টেস্টে দল থেকে বাদ পড়লেন তিনি। দলে আসা-যাওয়া করতে থাকা সেই হেরাথই কিনা কাল গলে বলের ঘূর্ণি দিয়ে ‘খুন’ করলেন গোটা ভারতীয় দলকে। পরাজয়ের শঙ্কায় থাকা একটি দলকে এনে দিলেন আনন্দে ভেসে যাওয়ার মতোই এক বিজয়।</p>
<p>ভারতের বিপক্ষে ৪৮ রানে ৭ উইকেট তুলে নেওয়ার পরপরই উঠে এলো সেই পুরোনো প্রসঙ্গ। এবার কী হেরাথ পারবেন শ্রীলঙ্কা দলে একটা স্থায়ী জায়গা দখল করতে। এমন প্রশ্নের উত্তরে হেরাথ বেশ নির্লিপ্তই। বলেছেন, দলে থাকা, না থাকা নিয়ে তিনি একেবারেই ভাবেন না। দল থেকে বাদ পড়ার ব্যাপারটি তাঁর কাছে ডাল-ভাতই। তার মানে এমন দারুণ পারফরম্যান্সের পরেও যদি পরের টেস্টেই দল থেকে বাদ পড়ে যান, ​তাকেও বেশ স্বাভাবিকভাবেই নেবেন তিনি।</p>
<p>পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের শেষ টেস্টে দল থেকে বাদ পড়ার প্রসঙ্গ উঠতেই হেরাথ যেন ​একটু অভিমানীই, ‘দেখুন পাকিস্তানের বিপক্ষেই প্রথম দল থেকে বাদ পড়িনি। আমি অগণিতবার দল থেকে বাদ পড়েছি। আবার ফিরেও এসেছি। ব্যাপারটা আমার কাছে ডাল-ভাতই হয়ে গেছে।’</p>
<p>অভিযোগ করলেন ভালো করার পরেও তাঁর দল থেকে বাদ পড়ার বিষয়টি ​নিয়েও, ‘প্রতিটি ব্যাটসম্যান কিংবা বোলারের ক্যারিয়ারে বাজে সময় আসে। নির্বাচকদের কাছ থেকে সে তখন সহযোগিতাও পায়। তাঁকে সময় দেওয়া হয়। তাঁর অতীতের ভালো পারফরম্যান্সগুলোর বিশ্লেষণ করা হয়। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে দেখা গেছে দলের জন্য ভালো কিছু করেও আমি দল থেকে বাদ পড়ে গিয়েছি।’</p>
<p>মুরালিধরনের ছায়ায় নিজের অভিষেক নিয়ে তাঁর কোনো আক্ষেপ নেই। হেরাথের মতে, মুরালি লঙ্কান ক্রিকেটের কিংবদন্তি। আমার অভিষেক ২০০৯ সালে। মুরলি অবসরে গেছেন ২০১০ সালে। আমি মুরলির সঙ্গে নিজেকে তুলনায় আনার চেষ্টাই করিনি। কারণ আমি জানি, সেটা সম্ভব নয়। আমি কেবল আমার কাজটাই করে গিয়েছি। মুরলির ছায়ায় থেকে আমি তখন কেবল নিজের কাজটাই করে গিয়েছি। আমি নিজেকে প্রমাণের চেষ্টা করেছি, আমার সবটুকু নিয়েই।’</p>
<p>চতুর্থ ইনিংসের আগে একটা নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন বলে জানিয়ে​ছেন হেরাথ, ‘প্রথম ইনিংসে আমরা স্পিনাররা বেশ ভালো করেছি। কিন্তু কোনো ফল পাইনি। ভারতের দ্বিতীয় ইনিংসের আগে স্পিন কোচের সঙ্গে বসে নতুন একটা পরিকল্পনা করলাম। সেই পরিকল্পনাই মাঠে কাজে লাগিয়েছি। এ ধরনের পিচে একটা নির্দিষ্ট জায়গায় বল ফেলে যেতে হয়, সেটা করেই শেষ পর্যন্ত সফলকাম আমরা।’ সূত্র: এনডিটিভি।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/sports/%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%a4/">হেরাথের কাছে যা ‘ডাল–ভাত’&#8230;</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>যে ১১টি অভ্যাসে কর্মক্ষেত্রে সম্মান হারাবেন আপনি</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%a7%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ/এসএইচ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 06 Jul 2015 07:53:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জীবনধারা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://bn.gnewsbd.com/?p=6442</guid>

					<description><![CDATA[<p>কাজপাগল মানুষরা কর্মক্ষেত্রে সব সময় ব্যস্ত থাকেন। কিন্তু পছন্দের কাজ হলেও বেশ কিছু কারণে অফিসে সম্মান হারাবেন আপনি। এখানে জেনে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%a7%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87/">যে ১১টি অভ্যাসে কর্মক্ষেত্রে সম্মান হারাবেন আপনি</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>কাজপাগল মানুষরা কর্মক্ষেত্রে সব সময় ব্যস্ত থাকেন। কিন্তু পছন্দের কাজ হলেও বেশ কিছু কারণে অফিসে সম্মান হারাবেন আপনি। এখানে জেনে নিন এমনই কিছু অভ্যাসের কথা যার কারণে আপনাকে আর সম্মান করবে না কেউ।</p>
<p>১. প্রযুক্তির যুগ বলে কথা। অফিসের কাজ থেকে শুরু করে অফিস পার্টির ছবি বা সেলফি যদি একের পর এক শেয়ার করতে থাকেন, তবে তা প্রথমে ভালোই লাগবে। কিন্তু এসব বিষয় বিস্তারিতভাবে অতিরিক্ত শেয়ার করলে অনেকের কাছে তা নাও ভালো লাগতে পারে। তা ছাড়া অনেকের কাছে তা গোপনীয়তা ভঙ্গ বলেও মনে হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আপনার প্রতি সহকর্মীদের শ্রদ্ধবোধ থাকবে না।</p>
<p>২. প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে গেলে নানা সমস্যা থাকতেই পারে। এতে আপনার নানা অভিযোগ উঠে আসতে পারে। কিন্তু ক্রমাগত অভিযোগ করে যাওয়া ভালো কাজ নয়। এতে সহকর্মী এবং বসরা আপনাকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করবেন।</p>
<p>৩. অফিস থেকে দুই-একটি জিনিস চুপিসারে নিয়ে যাওয়া বা কোনো বিষয়ে মিথ্যা বলাটা অনেকের কাছে তেমন বিপদজনক বলে নাও মনে হতে পারে। অনেক বিষয় ছোট মনে হলেও তা শেষ পর্যন্ত অনৈতিক আচরণ হিসেবেই বিবেচ্য। এগুলো এক সময় বড় হয়ে প্রকাশ পায়। তখন সম্মান হারাবেন।<br />
৪. প্রতিদিন কাজের চাপ একেকরকম থাকতে পারে। কিন্তু মাঝে মধ্যেই বরাবরের কাজে ঢিল দিলে তা সবার নজরে পড়বে। এক সময় কাজপাগল কর্মী হিসেবে আপনাকে আর কেউ সম্মান করবে না।</p>
<p>৫. একদিন বা দুই দিন অফিসে দেরি করে আসতেই পারেন। কিন্তু নিয়মিত দেরি করে আসাটা অভ্যাসে পরিণত হলে সবার কাছে সম্মানের আসন ধরে রাখতে পারবেন না।</p>
<p>৬. অজুহাত তৈরির নানা ধরন রয়েছে। যদি নাটকীয়ভাবে একেক সময় একেক অজুহাত তৈরির অভ্যাস গড়ে ওঠে, তবে এমন আচরণ মূল্যহীন হয়ে পড়বে। কারো সম্মান পাবেন না।</p>
<p>৭. গসিপ খুবই চালু একটি বিষয়। তাই বলে গসিপ ছড়ানোর হোতা হওয়াটা কিন্তু কেউ ভালো চোখে দেখে না। কারণ, গসিপ খারাপ কিছু ঘটিয়ে দিলে সবাই আপনার দিকে আঙ্গুল তুলবে। তখন সম্মানের আসন হারাবেন।</p>
<p>৮. সহকর্মী বা অধঃস্তনদের সঙ্গে কর্কশ ব্যবহার করবেন না। এ অভ্যাস অফিসে আপনার চরিত্রটিকে বিরক্তিকর বানিয়ে দেবে। সবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বেন আপনি। সম্মানজনক অবস্থায় থাকবেন না।</p>
<p>৯. অফিসে ড্রেসকোড না থাকলেও সব সময় ক্যাজুয়াল পোশাকে উপস্থিত হওয়া সবাই ভালো চোখে দেখেন না। এক সময় সবার চোখে দৃষ্টিকটু ঠেকবে বিষয়টি।</p>
<p>১০. কুটিলতা সব সময় গ্রহণযোগ্য হয় না। সবার সঙ্গে জটিল ও কুটিল আচরণ করতে থাকলে এক সময় সেখানে অবস্থান ধরে রাখতে পারবেন না।</p>
<p>১১. অন্যের দোষ সবার সামনে তুলে ধরার বিষয়টি পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। কিন্তু অপরের দোষ তুলে ধরাকে কৃতিত্ব বলে মনে করলে সহকর্মীরা ত্যাগ করবেন আপনাকে। সম্মান তো থাকবেই না। সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%a7%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87/">যে ১১টি অভ্যাসে কর্মক্ষেত্রে সম্মান হারাবেন আপনি</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন চিলি</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/sports/%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ/এসএইচ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 05 Jul 2015 02:59:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[খেলা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://bn.gnewsbd.com/?p=6414</guid>

					<description><![CDATA[<p>সার্জিও রোমেরোকে স্রেফ বোকা বানালেন অ্যালেক্সিস সানচেজ। শট ঠেকাবেন বলে বাঁয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন রোমেরো। কিন্তু সানচেজ শটটা নিলেন দেরিতে। আলতো [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/sports/%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be/">টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন চিলি</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সার্জিও রোমেরোকে স্রেফ বোকা বানালেন অ্যালেক্সিস সানচেজ। শট ঠেকাবেন বলে বাঁয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন রোমেরো। কিন্তু সানচেজ শটটা নিলেন দেরিতে। আলতো শটে সোজা বরাবর পাঠিয়ে দিলেন জালে। ভাগ্যও যেন আরও একবার বোকা বানাল আর্জেন্টিনাকে। ২২ বছরের অপেক্ষা ঘুচল না। টাইব্রেকারে ৪-১ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতল চিলি।<br />
এটাই চিলির প্রথম কোনো বড় শিরোপা। ৯৯ বছরের অপেক্ষা ঘুচল তাদের। আর্জেন্টিনার সম্ভাবনাময় আর প্রতিভায় ঠাসা দলটা আরও একবার ধাঁধার উত্তর মেলাতে ব্যর্থ। আর চিলির সোনালি প্রজন্ম ঠিকই স্বাগতিক দর্শকদের এনে দিল বহু আরাধ্যের একটা ট্রফি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের সবচেয়ে পুরনো ট্রফি।<br />
গোলশূন্য ম্যাচটা গড়িয়েছিল টাইব্রেকারে। পেনাল্টি শুট আউটের ভাগ্য সাম্প্রতিককালে আর্জেন্টিনার পক্ষেই ছিল। গত বিশ্বকাপের পর এবার কোপার কোয়ার্টার ফাইনালেও সেই লটারি জিতেছিল তারা। কিন্তু চার বছর আগে জেরার্ডো মার্টিনোর দল কোপায় যে আর্জেন্টিনাকে টাইব্রেকারে হারানোর যন্ত্রণা উপহার দিয়েছিলেন, আজ আকাশি-সাদার ডাগ আউট থেকে তার চেয়ে বড় যন্ত্রণা নিয়ে ফিরতে হলো তাঁকেই।<br />
লিওনেল মেসি প্রথম শটটা ঠিকই জালে পাঠিয়েছিলে। কিন্তু গঞ্জালো হিগুয়েইন আর এভার বানেগার পর পর দুটো ব্যর্থতার চড়া মাশুল দিতে হলো তাদের। চিলির বিপক্ষে দুর্দান্ত গোল রেকর্ডধারী হিগুয়েইন বল মারলেন আকাশে। আর বানেগার শট ঠেকিয়ে দিলেন লা লিগার সেরা গোলরক্ষক ক্লদিও ব্রাভো। আর্জেন্টিনার চতুর্থ শটটা নেওয়ার তাই দরকারই পড়ল না। ততক্ষণে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত।<br />
এই হিগুইয়েনই পেয়েছিলেন ম্যাচের সবচেয়ে ভালো সুযোগ। সেটিও ৯২তম মিনিটে। ক্রসটায় ঠিকমতো পা লাগাতে পারলেই বল জালে যায়। আর বল জালে মানেই চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। গত বিশ্বকাপে সহজ সুযোগ হাতছাড়া করা হিগুয়েইন ক্রসে পা লাগালেনও। কিন্তু ‘ঠিকমতো’ হলো না। সাইড নেটিং!<br />
<span id="media_1" class="jw_media_holder jwMediaContent aligncenter"></span>২০ মিনিটে লিওনেল মেসির ফ্রি কিক থেকে চকিতে হেড করেছিলেন আগুয়েরো, এই টুর্নামেন্টে দুটো গোল হেড থেকে করেছেন যিনি। কিন্তু দারুণ রিফ্লেক্সে শটটা ঠেকিয়ে ব্রাভো বুঝিয়ে দিলেন, কেন এত টাকা খরচ করে বার্সেলোনা দলে ভিড়িয়েছে তাঁকে। লাভেজ্জিও প্রথমার্ধের শেষ প্রান্তে নিয়েছিলেন জোরালো শট। কিন্তু সেটিও ব্রাভো-দেয়াল টপকাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত এগুলোই হয়ে থাকল আর্জেন্টিনার হতাশা-গাথা।<br />
<span id="media_2" class="jw_media_holder jwMediaContent alignright"></span>চিলিও সুযোগ কম তৈরি করেনি। ১১ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত। কিন্তু ভিদালের শট ঝাঁপিয়ে পড়ে সেভ করেন রোমেরো। ৮২ মিনিটে সানচেজের দুর্দান্ত ভলি বাঁ পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে গেছে। অতিরিক্ত সময়ে পাল্টা আক্রমণে মাসচেরানোর ভুলের সুবাদে গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল জালে জড়াতে পারেননি সানচেজ। কিন্তু এগুলো শেষ পর্যন্ত ভুলেই গেল চিলি।<br />
যে চিলি থেকে এর আগে চারবার কোপা আমেরিকার শিরোপা নিয়ে ঘরে ফিরেছে আর্জেন্টিনা, এবার তাদের ফিরতে হলো খালি হাতে। বার্সেলোনার হয়ে দুই ডজন শিরোপা জেতা মেসির জাতীয় দলের হয়ে কিছু একটা পাওয়ার অপেক্ষাও তাই বাড়ল। আজকের ফাইনালেও মেসি তাঁর জাদু দেখাতে পারেননি, যে জাদুর ঝলকে সেমিফাইনালে ৬-১ গোলে জিতেছিল আর্জেন্টিনা।<br />
অবশ্য আগামী বছরই আবার কোপা আমেরিকার আসর বসছে যুক্তরাষ্ট্রে। তবে আর্জেন্টিনার হয়ে শিরোপা জেতার আশা মেসি এরই মধ্যে ছেড়ে দিয়েছেন কি না কে জানে!</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/sports/%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be/">টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন চিলি</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রমজানে ডায়বেটিস রোগীদের সুখবর</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b8-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ/এসএইচ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 02 Jul 2015 06:10:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জীবনধারা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://bn.gnewsbd.com/?p=6385</guid>

					<description><![CDATA[<p>প্রায় প্রতিটি ঘরেই কেউ না কেউ ডায়বেটিসে আক্রান্ত। এই রোগটি আপাত দৃষ্টিতে তেমন ক্ষতিকর না হলেও, নিয়ন্ত্রণ বিহীন ডায়বেটিসের সমস্যা [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b8-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0/">রমজানে ডায়বেটিস রোগীদের সুখবর</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>প্রায় প্রতিটি ঘরেই কেউ না কেউ ডায়বেটিসে আক্রান্ত। এই রোগটি আপাত দৃষ্টিতে তেমন ক্ষতিকর না হলেও, নিয়ন্ত্রণ বিহীন ডায়বেটিসের সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। তাই ডায়বেটিসের রোগীদের সব সময় সতর্ক হয়ে চলতে হয়। রমজান মাসের এই সময়টাতেও নিয়মের ব্যতিক্রম করা উচিত নয়। তাই যারা রোজা রাখেন তারা বিশেষ কিছু সতর্কতা পালন করুন। মেনে চলুন এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো।</p>
<p>১) যারা রোজা রাখেন তারা প্রয়োজনে প্রত্যেকদিন রক্তের সুগারের মাত্রা পরীক্ষা করুন। কোনো ভাবেই বাদ দেবেন না। কারণ আপনার অসতর্কতা আপনার বিপদ ডেকে আনতে পারে।</p>
<p>২) রোজার সব চাইতে বড় সমস্যা হচ্ছে একসাথে অনেক খাবার খেয়ে ফেলা। সেহরির পর অনেকটা সময় না খেয়ে থেকে অনেকেই ইফতারের সময় খাবার হিসেব করে খান না, কিন্তু ডায়বেটিসের রোগীরা এই ভুল করবেন না।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b8-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0/">রমজানে ডায়বেটিস রোগীদের সুখবর</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রযুক্তি আমাদের এক করছে, নাকি আলাদা?</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a7/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%9b%e0%a7%87/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ/এসএইচ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 02 Jul 2015 05:54:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিবিধ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://bn.gnewsbd.com/?p=6382</guid>

					<description><![CDATA[<p>মানুষের মানবিকতা চর্চার সবচেয়ে বড় উপায়টি সম্ভবত সহানুভূতি। একজনের আবেগ অন্যের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার মাধ্যম এই বৈশিষ্ট্যটি। মানুষের মানবিক জগতে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a7/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%9b%e0%a7%87/">প্রযুক্তি আমাদের এক করছে, নাকি আলাদা?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মানুষের মানবিকতা চর্চার সবচেয়ে বড় উপায়টি সম্ভবত সহানুভূতি। একজনের আবেগ অন্যের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার মাধ্যম এই বৈশিষ্ট্যটি। মানুষের মানবিক জগতে ভার্চুয়াল জগত কিভাবে প্রোথিত হচ্ছে এবং এর ভবিষ্যতটাই বা কি- তা নিয়ে &#8216;(আর)এভুলেশন&#8217; লিখেছেন পিজে ম্যানি। সায়েন্স ফিকশন বিষয়ক এই লেখিকা বহু সায়েন্স ফিকশন সিনেমার সঙ্গে কাজ করেছেন। এই বইয়ে তিনি পরীক্ষা করেছেন, মানুষের সহানুভূতি যদি প্রযুক্তির ব্যবহারে আরো বৃদ্ধি করা যায় তবে কি ঘটতে পারে।</p>
<p>২০০৮ সালে &#8216;এম্পেথি ইন দ্য টাইম অব টেকনলজি : হাউ স্টোরিটেলিং ইজ দ্য কি টু এম্পেথি&#8217; শিরোনামে একটি নিবন্ধ লিখেছেন তিনি। তাতে তিনি জানান, সহানুভূতি মূলত স্নায়বিক সিস্টেমের ওপর ভিত্তি করে অনুভূত হয়। বিষয়টি নিয়ে এখনো গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা।</p>
<p>তবে সহানুভূতি সৃষ্টির আসল উপায় হলো যোগাযোগ বৃদ্ধি। এ কাজটিকে সহজ করে দিয়েছে প্রযুক্তি। আমরা সহজেই অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি। টেলিকমিউনিকেশন এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে মানুষের সহানুভূতির জগতটাকে আরো সমৃদ্ধ করা যায়। কিন্তু তারপরও মানুষ কেন একজন অপরকে বুঝতে পারে না?</p>
<p>মানুষের মস্তিষ্ক সাধারণত সহানুভূতিতে সহজে সাড়া দেয়। তবে তা ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির ক্ষেত্রেই বেশি কার্যকর হয়। কিন্তু একই অনুভূতি সমাজ বা দেশের প্রতি অনুভূত হয় না। একটি দলের মধ্যে তাদের প্রতিই আপনার সহানুভূতি কাজ করবে না যাদের আপনি দলভুক্ত বলে মনে করবেন না।</p>
<p>অনেক প্রযুক্তি রয়েছে যা সহানুভূতিকে ধ্বংসও করে দিতে পারে। ব্লগ বা সোশাল মিডিয়ায় মানুষ নিজের মতামত প্রকাশ করার সঙ্গে সঙ্গে অপরের মতকেও অবজ্ঞা করতে পারে। এতে পারস্পরিক হিংসা ও বিদ্বেষ তৈরি হচ্ছে। এতে করে এদের মধ্যে সহানুভূতি নষ্ট হচ্ছে।</p>
<p>আবেগময় গল্প যখন বলা হয়, তখন আমাদের মস্তিষ্ক এই অনুভূতিকে সীমাবদ্ধ করে রাখতে পারে না। যে সব উপাদান সহানুভূতি নষ্ট করে তা মস্তিষ্কে আমাদের অনুভূতির অংশটা বন্ধ করে দেয়। ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলিনার মনোবিজ্ঞানী তার গবেষণায় দেখিয়েছেন, কোনভাবে আমারা সহানুভূতিহীন হয়ে পড়লেও তা আবারো ফিরিয়ে আনা যায়।</p>
<p>বিভিন্ন ভিডিও গেমের মাধ্যমেও আমাদের সহানুভূতির চর্চা হতে পারে। যুদ্ধের গেমে আমরা দারুণ সহানুভূতি নিয়ে মনের মতো সৈনিক তৈরি করি। একই পদ্ধতিতে মিলিটারিরা মানুষের মনে সহানুভূতি তৈরি করে সৈনিক সংগ্রহ করতে পারে।</p>
<p>এমন বহু প্রযুক্তি রয়েছে যা আমাদের মনে সহানুভূতি সৃষ্টি করে। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধ বা খুনের ঘটনা সোশাল মিডিয়ায় প্রকাশ পেলে মানুষ মারাত্মকভাবে প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। নানা উপায়ে সহানুভূতি প্রকাশ করে মানুষ।</p>
<p>মানুষ সহানুভূতিশীল হয়ে ওঠে যখন সে নিজের মতো অন্য কাউকে খুঁজে পায়। এক সময় প্রযুক্তির মাধ্যমে সহানুভূতি উদ্রেককারী যন্ত্রও হয়তো বানানো যাবে। &#8216;টেড টক&#8217;-এ ভিআর প্রোডাকশনের ক্রিস মিল্ক জানান, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সহানুভূতি সৃষ্টিকারী মেশিন বা অ্যাপ শিগগিরই বানিয়ে ফেলবে।</p>
<p>সব ধরনের প্রযুক্তি এক ধরনের যন্ত্র যা নৈতিকভাবে নিরপেক্ষ। কাজেই এগুলো মানুষের মনে সমানভাবে অনুভূতি সৃষ্টি করতে পারে। এই অনুভূতিটিই আসলে মানব জাতির মানবিক আবেদনের পেশি। প্রযুক্তির বিস্তার যদি এমনভাবে করা যায় যা সহানুভূতির চর্চা করবে, তবে মানুষ আরো বেশি মানবিক আবেগের চর্চা করবে। সূত্র : লাইভ সায়েন্</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a7/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%9b%e0%a7%87/">প্রযুক্তি আমাদের এক করছে, নাকি আলাদা?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশ এখন মধ্যম আয়ের দেশ</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%8f%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ae-%e0%a6%86%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ/এসএইচ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 02 Jul 2015 04:30:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://bn.gnewsbd.com/?p=6379</guid>

					<description><![CDATA[<p>নিম্ন আয়ের দেশ থেকে বেরিয়ে এসেছে বাংলাদেশ। আমরা এখন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায়। বিশ্বব্যাংক গতকাল বুধবার এ তালিকা প্রকাশ করেছে। [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%8f%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ae-%e0%a6%86%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6/">বাংলাদেশ এখন মধ্যম আয়ের দেশ</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">নিম্ন আয়ের দেশ থেকে বেরিয়ে এসেছে বাংলাদেশ। আমরা এখন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায়। বিশ্বব্যাংক গতকাল বুধবার এ তালিকা প্রকাশ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">
বিশ্বব্যাংক মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে। একটি হচ্ছে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ, অন্যটি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ। বাংলাদেশ এখন থেকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে পরিচিত হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">
প্রতিবছর ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে মাথাপিছু মোট জাতীয় আয় অনুসারে দেশগুলোকে চারটি আয় গ্রুপে ভাগ করে। যাদের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৫ ডলার বা তার নিচে, তাদের বলা হয় নিম্ন আয়ের দেশ। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে এ তালিকাতেই ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">
যোগাযোগ করা হলে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘দেশের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নয়নেরই প্রতিফলন ও স্বীকৃতি এটি। জাতি হিসেবে এটি আমাদের জন্য অবশ্যই একটি বড় অর্জন ও মাইলফলকও বটে। এটির মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব যেমন রয়েছে, তেমনি বাস্তবেও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাপ্রাপ্তির বিষয়টি হয়েছে। সেসঙ্গে রয়েছে কিছু চ্যালেঞ্জও।’</p>
<p style="text-align: justify;">
নির্ধারণের পদ্ধতি: মূলত ১ হাজার ৪৬ ডলার থেকে শুরু করে যেসব দেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১২ হাজার ৭৩৬ ডলার, তারা মধ্যম আয়ের দেশের অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে আবার আয় ১ হাজার ৪৬ ডলার থেকে শুরু করে ৪ হাজার ১২৫ পর্যন্ত হলে তা হবে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ এবং আয় ৪ হাজার ১২৬ ডলার থেকে শুরু করে ১২ হাজার ৭৩৬ ডলার হলে দেশগুলোকে বলা হয় উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ। এর চেয়ে বেশি মাথাপিছু জাতীয় আয় হলে সেই দেশগুলোকে বলা হয় উচ্চ আয়ের দেশ।</p>
<p style="text-align: justify;">
বিশ্বব্যাংক ‘এটলাস মেথড’ নামের বিশেষ এক পদ্ধতিতে মাথাপিছু জাতীয় আয় পরিমাপ করে থাকে। একটি দেশের স্থানীয় মুদ্রায় মোট জাতীয় আয়কে (জিএনআই) মার্কিন ডলারে রূপান্তরিত করা হয়। এ ক্ষেত্রে তিন বছরের গড় বিনিময় হারকে সমন্বয় করা হয়, যাতে করে আন্তর্জাতিক মূল্যস্ফীতি ও বিনিময় হারের ওঠা-নামা সমন্বয় করা সম্ভব হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৩১৪ ডলার। তবে বিশ্বব্যাংকের পদ্ধতি অনুযায়ী তা এখন ১ হাজার ৪৫ ডলারকে ছাড়িয়ে গেছে। এ কারণেই নতুন তালিকায় মধ্যম আয়ের দেশ হতে পেরেছে বাংলাদেশ। সরকারের ১০ বছরের প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হওয়ার কথা বলা আছে। এর আগেই মধ্যম আয়ের দেশ হলো বাংলাদেশ।</p>
<p style="text-align: justify;">
নতুন তালিকায় চারটি দেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের তালিকায় নতুন করে ঢুকতে পেরেছে। যেমন: বাংলাদেশ, কেনিয়া, মিয়ানমার ও তাজিকিস্তান। সার্কভুক্ত ভারত ও পাকিস্তান নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে অন্তর্ভুক্ত। সব মিলিয়ে এখন নিম্ন আয়ের দেশ ৩১টি, নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ ৫১টি, উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ ৫৩টি এবং উচ্চ আয়ের দেশ ৮০টি।</p>
<p style="text-align: justify;">
সামনে আরও চ্যালেঞ্জ: সামগ্রিক বিষয়ে ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এখন যে অর্জন, তাতে দেশ হিসেবে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা এবং অবস্থান আরও সুসংহত হবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক ঋণবাজার থেকে ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে একটি তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থা তৈরি হবে। বাংলাদেশকে এখন কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে গণ্য করা হবে। অন্য দিক থেকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে শর্তও কিছুটা কঠিন হতে পারে। তাই এ জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি রাখা দরকার।</p>
<p style="text-align: justify;">
নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে চলে গেলেও বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকাতেই থাকবে। ফলে এলডিসির সুবিধাগুলোও বহাল থাকবে। এ তালিকা থেকে বেরোতে হলে তিনটি সূচক অতিক্রম করতে হবে। যেমন: অর্থনীতির নাজুকতার সূচক, মানব উন্নয়ন সূচক ও মাথাপিছু আয়ের সূচক। ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘এর মধ্যে প্রথম সূচকটি আমরা অতিক্রম করলেও অন্য দুই সূচক অতিক্রম করতে পারিনি।’</p>
<p style="text-align: justify;">
মধ্যম আয়ের ফাঁদ: আয় বাড়লেই তাকে এখন আর উন্নয়ন বলা হয় না। ফলে কেবল আয় বাড়িয়ে মধ্যম আয়ের দেশ হওয়ার পর ‘মধ্যম আয়ের ফাঁদ’-এ পড়ে আছে অসংখ্য দেশ। এর মধ্যে লাতিন আমেরিকার দেশগুলো আটকে আছে বহুদিন ধরে। সবচেয়ে বড় উদাহরণ ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এমনকি চীন ও রাশিয়াও আটকে আছে মধ্যম আয়ের ফাঁদে। মূলত যারা কেবল আয় বাড়াতেই মনোযোগ দিয়েছে বেশি, অবকাঠামো, শিক্ষাসহ মানবসম্পদ উন্নয়ন, রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামুখী থাকার দিকে নজর দেয়নি, তারাই আটকে আছে এই ফাঁদে। সূত্র: প্রথম আলো</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%8f%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ae-%e0%a6%86%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6/">বাংলাদেশ এখন মধ্যম আয়ের দেশ</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রমীলা-প্যাঁচে নাজেহাল মোদি</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/opinion/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b2/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ/এসএইচ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 02 Jul 2015 04:22:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://bn.gnewsbd.com/?p=6376</guid>

					<description><![CDATA[<p>বছর ঘুরতে না ঘুরতে এই রকম প্রমীলা-প্যাঁচে তিনি যে ঘায়েল হবেন, নরেন্দ্র মোদি নিশ্চিতই তা কল্পনাও করেননি। ভারতের এই গৃহী-সন্ন্যাসী [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/opinion/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b2/">প্রমীলা-প্যাঁচে নাজেহাল মোদি</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বছর ঘুরতে না ঘুরতে এই রকম প্রমীলা-প্যাঁচে তিনি যে ঘায়েল হবেন, নরেন্দ্র মোদি নিশ্চিতই তা কল্পনাও করেননি। ভারতের এই গৃহী-সন্ন্যাসী প্রধানমন্ত্রীর নারীভাগ্য খারাপ মনে হচ্ছে। নইলে নারী-নাগপাশে তাঁকে এভাবে জর্জরিত হতে হবে কেন?<br />
বেশ খানিকটা পিছিয়ে যাওয়া যাক। যশোদাবেনকে তিনি কেন বিয়ে করেছিলেন, তার কোনো ব্যাখ্যা মোদি আজ পর্যন্ত দেননি। বিয়ে করলেনই যদি, বিবাহিত জীবনযাপন না করে কেনই বা তিনি রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসী হতে গিয়েছিলেন, সেই কারণও স্পষ্টত কেউ জানে না। অবশ্য, প্রধানমন্ত্রিত্বের দাবিদার না হওয়া পর্যন্ত মোদি যে দার পরিগ্রহ করেছিলেন, সেটাও অধিকাংশের অজানা ছিল। জানাজানি হলো নির্বাচন কমিশনের দাবি মেনে হলফনামা দাখিল করতে গিয়ে। সে নিয়ে ওই সময় চাপা ও প্রকাশ্য ফিসফাস যে হয়নি, তা নয়। নরেন্দ্র মোদি অবশ্য সেসব গায়ে মাখেননি। বিজেপিও বিষয়টি নিতান্তই ব্যক্তিগত বলে জাহির করেছিল। জনতা মেনেও নিয়েছিল তা। আর যাই হোক, ব্যক্তিগত দিক নিয়ে কাটাছেঁড়া করতে ভারতীয় মূল্যবোধে এখনো বাধো বাধো ঠেকে। তাই প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী কেন ৭ রেসকোর্স রোডের বাসিন্দা নন, সে নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও তা পানাপুকুরে দু-এক দিন বুদ্বুদ কেটে মিলিয়ে যায়।<br />
তাঁকে নিয়ে দ্বিতীয় বিতর্ক কিন্তু যশোদাবেনেরই তোলা। ইন্দিরা গান্ধী নিজের রক্ষীদের গুলিতে মারা যাওয়ার পর ভারতীয় নেতা-নেত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনাচিন্তা শুরু হয়। স্পেশাল প্রটেকশন গ্রুপের (এসপিজি) জন্মও তখন। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা রক্ষা এই এসপিজিরই দায়িত্ব। মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এসপিজির নিরাপত্তাবলয়ের মধ্যে যশোদাবেনও ঢুকে পড়েন। আর সেই থেকে শুরু তাঁর উসখুসানি। তাঁর বাড়ির চারধারে নিরাপত্তা। তিনি যেখানে যাচ্ছেন, নিরাপদ দূরত্বে থেকেও প্রহরীরা তাঁকে ঘিরে থাকছে। ব্যতিব্যস্ত হয়ে যশোদাবেন আপত্তি জানান। যদিও তাতে কাজ হয়নি।<br />
স্ত্রী সম্পর্কে একটি শব্দও আজ পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদির মুখ থেকে কেউ কখনো শোনেনি। সেটা না হয় ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু চার-চারজন নারীর নাগপাশে এভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে পড়েও তিনি কেন স্পিকটি নট, দেশের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস তা মেনে নিতে পারছে না। প্রশ্ন তাই নিত্যদিন উঠেই চলেছে। এবং নিত্যদিন ধেয়ে আসছে আক্রমণের এক একটি নতুন ফলা।<br />
বিস্ময়ের যা, বর্ষপূর্তির পরপরই ঝুপঝুপ করে যে চার বিতর্ক মোদি-মাহাত্ম্যের প্রতি প্রশ্ন তুলে দিল, তার প্রতিটির কেন্দ্রেই রয়েছেন একজন নারী। পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ এবং রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে যাঁর হয়ে উমেদারি করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে ফেলেছেন, তিনিও অন্য এক মোদি। ললিত মোদি। রাজস্থানের এই ক্ষুরধার বুদ্ধির ব্যবসায়ী ক্রিকেটকে এক ভিন্ন মোড়কে বিপণন করে গোটা পৃথিবীতে হইহল্লা ফেলে দিয়ে নিজেই এমন জাঁতাকলে পড়ে গিয়েছেন যে আপাতত দেশছাড়া হয়ে বিলেতে পড়ে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা একগাদা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করছে ভারতীয় অর্থমন্ত্রকের গোয়েন্দারা। এই রকম এক অপরাধীর ভিসার জন্য সুষমা ও বসুন্ধরার উদ্যোগ নীতিগত হাজারটা প্রশ্ন তুলেছে। সুষমার স্বামী স্বরাজ কৌশল এবং কন্যা বাঁশরি আবার ললিত মোদির আইনি পরামর্শদাতা। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে স্বার্থের আদান-প্রদান থাকার অভিযোগ বিরোধীরা তুলেছে। অভিযোগগুলো যে নিতান্তই মনগড়া, এমন কথা বুকে হাত দিয়ে কেউ বলতে পারছে না। অথচ সুষমা তো বটেই, নরেন্দ্র মোদিরও মুখে কুলুপ। এত দিন হয়ে গেল, একটা বাক্যও কেউ খরচ করলেন না।<br />
বসুন্ধরার ব্যাপারটি সুষমার মতো অত সহজ-সরল নয়। তাঁর বিরুদ্ধে প্রায় প্রতিদিনই একটা না একটা নতুন তথ্য উঠে আসছে। যেমন ললিতের সঙ্গে সুষমা ও তাঁর পুত্র দুষ্মন্তর ব্যবসায়িক সম্পর্ক থাকার বিষয়টি। ললিতকে নানাভাবে সাহায্য করার প্রতিদানে ললিতও নাকি তাঁদের ঢেলে দিয়েছেন। যেমন দুষ্মন্তর হোটেল ‘নিয়ন্ত’-এর দশ রুপি দামের শেয়ার তিনি ৯৬ হাজারেরও বেশি দামে কিনে প্রায় ৩১ কোটি রুপি পাইয়ে দিয়েছেন। আবার নতুন যে অভিযোগ কংগ্রেস তুলেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, রাজস্থানের ঢোলপুর রাজপ্রাসাদ (এই ঢোলপুরের রাজা হেমন্ত সিংয়ের সঙ্গে ১৯৭২ সালে বসুন্ধরার বিয়ে হয়, পরের বছর অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ছাড়াছাড়ি), যা নাকি বহু বছর আগে থেকেই সরকারি সম্পত্তি, বসুন্ধরা ও দুষ্মন্ত তা হাতিয়ে নিয়ে সেখানেই ‘নিয়ন্ত’ হোটেল খুলেছেন, ললিত যেখানে টাকা ঢেলেছেন। অর্থাৎ বিতর্কটা হলো একজন পালিয়ে বেড়ানো অর্থনৈতিক অপরাধীকে মোদির সরকার ও দলের দুই শীর্ষ নেত্রী নানাভাবে সাহায্য করছেন ও বিনিময়ে সাহায্য পাচ্ছেন অথচ প্রধানমন্ত্রী রা কাড়ছেন না।<br />
সুষমা ও বসুন্ধরা যদি সাঁড়াশি আক্রমণের জোড়া ফলা হন, স্মৃতি ইরানি ও পঙ্কজা মুন্ডে তাহলে আরও দুই বিব্রতকর ক্ষেপণাস্ত্র।</p>
<div class="palo_web_news_div" style="text-align: justify;">আর যাই হোক, নরেন্দ্র মোদির রথ প্রথম বছরের মতোই গড়গড় করে এগিয়ে চলবে, তেমন আশা বিজেপিরও কেউ করছে না</div>
<p style="text-align: justify;">স্মৃতি ইরানি একেবারে শুরু থেকেই মোদির স্নেহভাজন। বিশাল শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও মোদি তাঁকে মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের পূর্ণ দায়িত্বে বসিয়েছেন। এ নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠনের শুরু থেকেই অনেকের ভ্রু কুঁচকে ছিল। কিন্তু ভোটে বিপুল জয় মোদিকে এতটাই ক্ষমতাধর ও আস্থাবান করে তোলে যে কেউই ফুট কাটতে পারেনি। স্নেহভাজন স্মৃতির নির্বাচনী হলফনামা মোদির তৃতীয় বিড়ম্বনা। ললিত-কাণ্ডের মতো ব্যাপারটা নিয়ে তেমন হইচই না হওয়ার কারণ একটাই। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। দিল্লির মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি বিচারযোগ্য বলে গ্রহণ করেছেন। স্মৃতি মোট তিনবার ভোটে দাঁড়িয়েছেন। নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে দুটি তথ্য তিনি দাখিল করেছেন। সেই তথ্যের একটি ঠিক হলে অন্যটি ভুল। অতএব এ বিষয়ে কোনো সংশয় নেই যে ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত, স্মৃতি একটি ক্ষেত্রে অসত্য তথ্য জমা দিয়েছেন। এখন আদালত কী রায় দেবে সেদিকেই সবার দৃষ্টি। তবে আইন ও নীতির দৃষ্টি সব সময়ই আলাদা। মোদি বারবার নৈতিকতার প্রশ্ন তোলেন। সেই নিরিখে সব বিষয়ে চুপ থেকে তিনি কিন্তু নৈতিকতার বিরোধিতাই করছেন।<br />
পঙ্কজা মুন্ডে রাজনীতিতে সদ্যোজাত। তাঁর বাবা গোপীনাথ মুন্ডে মহারাষ্ট্র বিজেপির একেবারে প্রথম সারির প্রধান নেতা ছিলেন। ভোটের পরপরই দিল্লিতে এক সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁর অকালমৃত্যু হয়। পঙ্কজা রাজনীতিতে এসেই নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী হলেন এবং সঙ্গে সঙ্গেই বিতর্কের কেন্দ্রে। বিভিন্ন জিনিস কিনতে মোট ২০৬ কোটি রুপির অর্ডার তিনি দেন বিনা টেন্ডারে। বিরোধীরা এ থেকেই দুর্নীতির গন্ধ পাচ্ছে। রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। চাপ বাড়ছে মোদির ওপরেও। কিন্তু তিনি মূক ও বধির ক্লাবের সদস্য সেজে রয়েছেন।<br />
অথচ এই মোদিই লোকসভা নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জনসভায় বড় মুখ করে বলেছিলেন, ‘না ম্যায় খায়ুঙ্গা, না কিসিকো খানে দুঙ্গা।’ গোদা বাংলায়, না আমি ঘুষ খাব, না কাউকে খেতে দেব। সহজ মানে, নিজে দুর্নীতিগ্রস্ত হব না, কাউকে দুর্নীতি করতেও দেব না। কংগ্রেসের শেষ তিন বছরের দুর্নীতিতে জেরবার মানুষ মোদির মধ্যে আস্থা ও ভরসার একটা ঝিলিক দেখতে পেয়েছিল। প্রথম বছরটা সেই ভরসায় গা ভাসিয়ে সরকার দিব্যি কাটিয়েছে। কিন্তু বছর গড়াতে না গড়াতে একই সঙ্গে এই চার নারী-সৃষ্ট বিতর্ক মোদির মুখের ভাষা কেড়ে নিয়েছে। বিরোধীরা ঘা মারছে সেখানেই। মোদির নৈতিকতার ফানুসে পিন ফুটিয়ে কংগ্রেসও চাইছে পাল তুলে তার নৌকায় গতি আনতে। বলতে দ্বিধা নেই, চার নারী নরেন্দ্র মোদির প্রথম রাজনৈতিক সংকটকে আবাহনই শুধু করেননি, হতোদ্যম কংগ্রেসকেও কোরামিন জুগিয়েছেন।<br />
ভারতীয় সংসদের বাদল অধিবেশনের আর তিন সপ্তাহও বাকি নেই। বিজেপি যতই ভাবুক, এই সময়ের মধ্যে এই বিতর্ক না মেটার সম্ভাবনাই বেশি। অন্তত কংগ্রেস তা হতে দেবে না। কাজেই বাদল অধিবেশনও যে মোদি ভালয় ভালয় কাটাতে পারবেন, তেমন মনে করার কারণ নেই। অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় একাধিক বিল এখনো পাস হওয়া বাকি। ঘাড়ের ওপর ডেমোক্লিসের খাঁড়ার মতো ঝুলে রয়েছে জমি বিলও। অন্য বিলে যা-ই হোক না কেন, জমি বিল পাস করাতে হলে শেষ পর্যন্ত সরকারকে সংসদের যুগ্ম অধিবেশনই ডাকতে হবে। আমেরিকায় গিয়ে তেমনই ইঙ্গিত দিয়ে এসেছেন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। তেমন হলে সেটাও হবে এই সরকারের আরও একটা নৈতিক পরাজয়। তা ছাড়া জবরদস্তি পাস করালেও রাজ্যে রাজ্যে বিরোধীরা যে জমি অধিগ্রহণ করাতে দেবে, তেমন মনে করার কোনো কারণ নেই। অর্থাৎ আর যাই হোক, নরেন্দ্র মোদির রথ প্রথম বছরের মতোই গড়গড় করে এগিয়ে চলবে, তেমন আশা বিজেপিরও কেউ করছে না।<br />
লোকসভার নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা মোদির সামনে তেমন চ্যালেঞ্জ খাড়া করবে না। মোদির চ্যালেঞ্জ অন্যত্র। বিহারে লালু প্রসাদ-নীতিশ কুমার হাত মিলিয়েছেন। সঙ্গে সুগ্রীব দোসর হিসেবে রয়েছে কংগ্রেস। এই বছরের শেষাশেষি নির্বাচনে বিহার যদি বিজেপিকে কোল পেতে না দেয়, পরের বছর উত্তর প্রদেশ তাহলে হয়ে দাঁড়াবে বড় কঠিন ঠাঁই। দিল্লির ভরাডুবির পর বিহার জয় মোদি-মাহাত্ম্যকে ভাসিয়ে রাখতে পারে। কিন্তু তা না হলে মোদির পক্ষে ‘সে বড় সুখের সময় নয়, সে বড় আনন্দের সময় নয়।’<br />
সংসদের আঙিনায় প্রমীলা-প্যাঁচের মোকাবিলা মোদি কীভাবে করেন, আপাতত নজর থাকছে সেদিকেই। সূত্র,প্রথম আলো</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/opinion/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b2/">প্রমীলা-প্যাঁচে নাজেহাল মোদি</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
