<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>জিনিউজ/এআর, Author at জিনিউজ বিডি ডটকম</title>
	<atom:link href="https://www.gnewsbd.com/author/anisurrahman/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://www.gnewsbd.com/author/anisurrahman/</link>
	<description>অনলাইন বাংলা নিউজ ম্যাগাজিন</description>
	<lastBuildDate>Tue, 28 Oct 2025 02:53:31 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>

<image>
	<url>https://www.gnewsbd.com/files/2021/01/cropped-gnewsbd-logo-32x32.png</url>
	<title>জিনিউজ/এআর, Author at জিনিউজ বিডি ডটকম</title>
	<link>https://www.gnewsbd.com/author/anisurrahman/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>রাওয়ায় বইমেলা শুরু ৩০ অক্টোবর</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a7%a9%e0%a7%a6-%e0%a6%85/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ/এআর]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 16:10:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14078</guid>

					<description><![CDATA[<p>বইমেলার আয়োজন করেছে রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)। এবারের বইমেলায় বইয়ের স্টলের পাশাপাশি থাকছে ভিন্ন কিছু আয়োজনও। লেখকদের [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a7%a9%e0%a7%a6-%e0%a6%85/">রাওয়ায় বইমেলা শুরু ৩০ অক্টোবর</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বইমেলার আয়োজন করেছে রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)। এবারের বইমেলায় বইয়ের স্টলের পাশাপাশি থাকছে ভিন্ন কিছু আয়োজনও। লেখকদের আড্ডার পাশাপাশি পাঠক ও দর্শনার্থীদের জন্য থাকবে শীতের পিঠার সমারহ,  মোটিভেশনাল লেকচার ইত্যাদি।</p>
<p>তিন দিনব্যাপী ১১তম রাওয়া বইমেলা শুরু হচ্ছে আগামী ৩০ অক্টোবর। প্রতিদিন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত।</p>
<p>মেলায় এবার থাকছে ৫৫টি স্টল। বই পরিচিতিসহ অন্যান্য আয়োজনের সঙ্গে প্রতিদিন বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে বইভিত্তিক প্রতিযোগিতা।</p>
<p>রাওয়া বইমেলার যাত্রা শুরু হয় ২০১৪ সালে এবং এবার এর ১১তম আসর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৩০ অক্টোবর সকাল ১০টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজম।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a7%a9%e0%a7%a6-%e0%a6%85/">রাওয়ায় বইমেলা শুরু ৩০ অক্টোবর</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মুহাম্মদ (সা.) এর ওপর গবেষণা নিবন্ধ আহ্বান বিআইআইটি’র</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a7/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a6-%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%93%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%a3%e0%a6%be/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ/এআর]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 19 Sep 2023 07:08:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিবিধ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=12193</guid>

					<description><![CDATA[<p>১২ই রবিউল-আউয়াল উদযাপন উপলক্ষে নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর শিক্ষা প্রচারের জন্য গবেষণামূলক নিবন্ধ আহ্বান করেছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক থট (বিআইআইটি)। [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a7/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a6-%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%93%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%a3%e0%a6%be/">মুহাম্মদ (সা.) এর ওপর গবেষণা নিবন্ধ আহ্বান বিআইআইটি’র</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>১২ই রবিউল-আউয়াল উদযাপন উপলক্ষে নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর শিক্ষা প্রচারের জন্য গবেষণামূলক নিবন্ধ আহ্বান করেছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক থট (বিআইআইটি)। গবেষণা প্রবন্ধের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘বাংলাদেশে সামাজিক উন্নয়নের জন্য নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর শিক্ষা বাস্তবায়নের উপায় ও পদ্ধতি’।</p>
<p>গবেষণা প্রবন্ধের সাব-থিমগুলি হলো: সামাজিক উন্নয়নের জন্য কুরআনে বর্ণিত মৌলিক নীতি এবং মুহাম্মদ (সা.) এর অনুশীলন। তার সময়ের অসম্মানিত সমাজের সামাজিক অবস্থাকে মানবজাতির জন্য সর্বোত্তম সমাজে পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে এই কাজটি কীভাবে কাজ করেছিল। বাংলাদেশের মানুষের সামাজিক অবস্থা কেমন? বাংলাদেশের মানুষের সামাজিক উন্নয়নের জন্য কুরআনের নীতি বাস্তবায়নে নবী (সা.) এর শিক্ষার প্রতিদানের জন্য কী করা দরকার?</p>
<p>গবেষণা প্রবন্ধ লেখার প্রতিযোগিতাটি হলো ১৪৪৫ সালের রবিউল-আউয়াল মাস উদযাপনের লক্ষ্যে বিআইআইটি’র শিক্ষা উদ্যোগের অংশ। গবেষণা নিবন্ধ লেখার ভাষা হবে বাংলা, আরবি বা ইংরেজি। যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।</p>
<p>প্রত্যেক অংশগ্রহণকারী পুরস্কৃত হবেন। প্রত্যেকে গবেষণা নিবন্ধের জন্য একটি প্রশংসাপত্র পাবেন। এছাড়াও গবেষণা নিবন্ধকাররা নবী মুহাম্মদ (সা.) এর জীবনের ওপর লিখিত বই উপহার পাবেন; তাদেরকে ভবিষ্যতের গবেষণা প্রকল্পগুলিতে অন্তভুক্ত করার সম্ভাবনা থাকবে।</p>
<p>নিবন্ধগুলোর মূল্যায়নের জন্য তিনজন বিশেষজ্ঞ নিয়ে একটি বিচারক দল নিয়োগ করা হবে। সেরা দশটি প্রবন্ধের লেখকদের জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় পুরস্কার। প্রথম পুরস্কার বিজয়ী পাবেন ৫০ হাজার টাকা। অন্যান্য পুরস্কারের মধ্যে রয়েছে: দ্বিতীয় পুরস্কার ৩০ হাজার টাকা, তৃতীয় পুরস্কার ২৫ হাজার টাকা, চতুর্থ পুরস্কার ২০ হাজার টাকা, পঞ্চম পুরস্কার ১৫ হাজার টাকা, ষষ্ঠ থেকে দশম স্থান অধিকারী ৫জনের পুরস্কার: প্রতিটি ১০ হাজার টাকা। ১০ জন পুরস্কার বিজয়ীর প্রত্যেকেই উপহার হিসেবে পাবেন একটি ক্রেস্ট এবং এক সেট বই।</p>
<p>বিজয়ী প্রথম পাঁচজন একটি সেমিনারে তাদের নিবন্ধ উপস্থাপনের সুযোগ পাবেন, যেখানে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের ও বিজ্ঞজনদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। সেমিনার অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ ১৫ই নভেম্বর ২০২৩। প্রথম পাঁচজন বিজয়ীর নিবন্ধ সেমিনারের সুপারিশসহ বিজেআইটি/আইজেআইটি জার্নালে প্রকাশিত হবে। নিবন্ধ প্রকাশের তারিখ ৩১শে ডিসেম্বর ২০২৩। নিবন্ধ ও সেমিনারের সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নের জন্য সামাজিক উন্নয়নের উপর একটি পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।</p>
<p>যোগ্য ও আগ্রহী আবেদনকারীদের তাদের নিবন্ধগুলো ৩০শে অক্টোবর ২০২৩ এর মধ্যেই researchbiit@gmail.com এ ইমেলের মাধ্যমে বা নিম্নলিখিত ঠিকানায় জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে:</p>
<p>বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক থট (বিআইআইটি), হাউস ৪, রোড ২, সেক্টর ৯, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০। আরও বিস্তারিত জানার জন্য যে কেউ ফরহাদ আহমদের সাথে 01400 403950, 01307 985747 নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।</p>
<p>উল্লেখ্য যে, চিন্তা ও জ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণা শুরু, উত্সাহিত ও সমর্থন করার জন্য নিবেদিত বিআইআইটি। ইসলামী চিন্তাধারার পুনরুজ্জীবন এবং ইসলামী জ্ঞানবিজ্ঞানের নানান শাখায় বিভিন্ন পদ্ধতির সমন্বয়ের লক্ষ্যে এটি কাজ করছে।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a7/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a6-%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%93%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%a3%e0%a6%be/">মুহাম্মদ (সা.) এর ওপর গবেষণা নিবন্ধ আহ্বান বিআইআইটি’র</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রফেশনাল সার্টিফিকেট কোর্স চালু করছে বিআইআইএফ</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a7/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a7%8b/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ/এআর]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 19 Sep 2023 04:21:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিবিধ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=12183</guid>

					<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক ফাইন্যান্স (বিআইআইএফ)-এর পেশাদার সার্টিফিকেট কোর্সের মাধ্যমে ব্যাংকিং, বীমা, ফিন্যান্স এবং ব্যবসায়িক পেশাজীবীরা ইসলামিক ব্যাংকিং, ইসলামিক ফাইন্যান্স, [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a7/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a7%8b/">প্রফেশনাল সার্টিফিকেট কোর্স চালু করছে বিআইআইএফ</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক ফাইন্যান্স (বিআইআইএফ)-এর পেশাদার সার্টিফিকেট কোর্সের মাধ্যমে ব্যাংকিং, বীমা, ফিন্যান্স এবং ব্যবসায়িক পেশাজীবীরা ইসলামিক ব্যাংকিং, ইসলামিক ফাইন্যান্স, শরীয়াহ অডিট অ্যান্ড গভর্নেন্স, ইসলামিক ফিনটেক, ইসলামিক ইকোনমিক্স, ইসলামিক মাইক্রো ফাইন্যান্স এবং তাকাফুল সম্পর্কে জ্ঞান বাড়ায়ে নতুন দক্ষতার বিকাশ করতে পারবে।</p>
<p>এই পেশাদার কোর্সগুলো ব্যাংকিং, বীমা ও ব্যবসায় পেশাদারদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। সবগুলো কোর্সই লন্ডনের ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স আইআইবিআই দ্বারা স্বীকৃত। মার্কফিল্ড ইনস্টিটিউট অব হায়ার এডুকেশন ইউকে এবং আইআইইউএম ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক ব্যাংকিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স (আইআইআইবিএফ) এর সহযোগিতায় কোর্সগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে।</p>
<p>বিআইআইএফ এর ৭টি প্রফেশনাল সার্টিফিকেট কোর্স হলো- প্রফেশনাল সার্টিফিকেট ইন ইসলামিক ব্যাংকিং (পিসিআইবি), প্রফেশনাল সার্টিফিকেট ইন ইসলামিক ফাইন্যান্স (পিসিআইএফ), প্রফেশনাল সার্টিফিকেট ইন শরিয়াহ অডিট অ্যান্ড গভর্নেন্স (পিসিএসএজি), প্রফেশনাল সার্টিফিকেট ইন ইসলামিক ফিনটেক (পিসিএফআই), প্রফেশনাল সার্টিফিকেট ইন ইসলামিক ইকোনমিক্স (পিসিআইই), প্রফেশনাল সার্টিফিকেট ইন ইসলামিক মাইক্রো ফাইন্যান্স (পিসিআইএমএফ), প্রফেশনাল সার্টিফিকেট ইন তাকাফুল (পিসিটি)।</p>
<p>৭টি কোর্সের প্রতিটির জন্য ফি ২০ হাজার টাকা। তবে যারা প্রথম ব্যাচে গ্রুপসহ ভর্তি হবেন তারা পাবেন বিশেষ ছাড়। ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে ক্লাস শুরু হবে। এই কোর্সগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে জানা-শোনার বিকাশ ও বুঝাপড়ার অগ্রগতিকে স্বীকৃতি দেয়। যে কেউ এসব বিশেষ কোর্সের মাধ্যমে তাদের পেশাগত ও জ্ঞানগত দক্ষতা উন্নত করতে পারে।</p>
<p>যে কেউ কোর্স সম্পর্কে আরও জানতে চান ওয়েবসাইট biifbd.org ভিজিট করতে পারেন। যে কেউ যেকোনো কোর্সে রেজিস্ট্রেশনের জন্য 01979949322, 01400403945, 01400403956, biif.biit@gmail.com -এ যোগাযোগ করতে পারেন।</p>
<p>উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক ফাইন্যান্স (বিআইআইএফ) পেশাদারদের জন্য প্রশিক্ষণ, গবেষণা, প্রকাশনা শিক্ষা ও পরামর্শের ক্ষেত্রে একটি উৎকর্ষ কেন্দ্র। ট্রাস্ট আইন ১৮৮২ এর অধীনে ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিআইআইটি ট্রাস্টের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান এই ইনস্টিটিউটটি।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a7/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a7%8b/">প্রফেশনাল সার্টিফিকেট কোর্স চালু করছে বিআইআইএফ</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির শেষ কোথায়?</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%85%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b6/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ/এআর]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 11 Jul 2021 14:03:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=9235</guid>

					<description><![CDATA[<p>অগ্নিকাণ্ডে জীবনহানি যেন ঠেকানোই যাচ্ছে না। কলকারখানায় বারবার ঘটছে অনাহূত অগ্নিকাণ্ড। নিভে যাচ্ছে শ্রমিকদের জীবনপ্রদীপ। আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করছে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%85%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b6/">অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির শেষ কোথায়?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>অগ্নিকাণ্ডে জীবনহানি যেন ঠেকানোই যাচ্ছে না। কলকারখানায় বারবার ঘটছে অনাহূত অগ্নিকাণ্ড। নিভে যাচ্ছে শ্রমিকদের জীবনপ্রদীপ। আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করছে অনেক পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তিকে। অনাকাঙ্ক্ষিত প্রাণহানি আর পঙ্গুত্ব অসহায় হয়ে পড়ে স্বজনরা।</p>
<p>সর্বশেষ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাসেম ফুডস লিমিটেড কারখানায় অগ্নিকাণ্ড অশনি সংকেত। ৫২টি তাজা প্রাণের প্রাণহানির কারণে স্বজনদের মর্মন্তুদ আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে ওঠেছে। রূপগঞ্জের হৃদয়বিধারক ও দুঃখজনক এই দুর্ঘটনা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ব্যাপারটিকে নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। এমন নির্মম মৃত্যু সহজে মেনে নেওয়ার নয়।</p>
<p>আমরা প্রথমে রূপগঞ্জে কারখানার দুর্ঘটনা সম্পর্কে জানব। ৮ জুলাই নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের হাসেম ফুডস লিমিটেডের কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। অগ্নিনির্বাপকযানের সাইরেন আর অসহায় মানুষের আর্তচিৎকারে বাতাস ভারী হয়ে উঠেছিল। যখন আগুন জ্বলছিল কারখানায়, তখনো ভেতরে আটকা ছিল শ্রমিকেরা। কারখানার বাইরে ছিল উদ্বিগ্ন স্বজনদের আহাজারি।</p>
<p>একসময় কারখানা ভবনের ভেতর থেকে সাদা ব্যাগে করে একে একে পোড়া লাশ যখন বের করে আনেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। বেশির ভাগ লাশ এতটাই পুড়ে গেছিল যে তাঁদের আর চেনার উপায় ছিল না। কে নারী, কে পুরুষ তা বুঝারও সুযোগ ছিল না। নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করতে ডিএনএ পরীক্ষা করতে হয়েছে।</p>
<p>নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাসেম ফুডস লিমিটেডের কারখানা ভবনটি ছয়তলা। প্রতিটি ফ্লোর ৩৫ হাজার বর্গফুটের। সম্পূর্ণ ভবনটিতে সিঁড়ি ছিল মাত্র দুটি। এর মধ্যে ভবনের সামনের পথটি ব্যবহারের উপায় ছিল না। কারণ, আগুন এদিক থেকেই ছড়িয়েছে। ভবনের পেছনের দিকের পথ দিয়েও কেউ বের হতে পারছিলেন না তীব্র তাপ ও ধোঁয়ার কারণে। ফলে শ্রমিকেরা ছুটতে থাকেন ছাদের দিকে। কিন্তু ভবনের চার তলার সিঁড়ির গেট তালাবন্ধ থাকায় সেখানে আটকা প্রত্যেকেরই মৃত্যু হয়েছে, যারা কেউই ছাদ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেননি।</p>
<p>নিচের দিকে সিঁড়ির ল্যান্ডিংয়ে ছিল আগুন। ফলে তারা নিচে নামতে পারেননি। মৃত্যু এসে হাজির হয়েছে। তারা ছাদে যেতে পারলে হয়তো তারা মারা যেতেন না। যারা অন্য সিঁড়ি দিয়ে ভবনের ছাদে আশ্রয় নিতে পেরেছিলেন তাদের ২৫ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এ আয়তনের একটি ভবনে অন্তত চারটি সিঁড়ি বা বহির্গমনের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। চারটি সিঁড়ি থাকলে ৫২ শ্রমিকের প্রাণহানি সহজেই এড়ানো যেত। বিল্ডিং কোড মেনে পর্যাপ্ত সিঁড়ি রাখা হলে এত প্রাণহানি হতো না।</p>
<p>ছয়তলা ভবনে নিচতলায় কার্টন তৈরির কারখানা। দুই তলায় টোস্ট (বিস্কুট), তিনতলায় জুসসহ বিভিন্ন ধরনের কোমল পানীয় উৎপাদিত হতো। আর চারতলায় চকলেট ও লাচ্ছা সেমাই তৈরি হতো। পঞ্চম তলায় ভোজ্যতেল রাখা ছিল। আর ছয়তলায় ছিল কার্টনের গুদামঘর। আগুনের সূত্রপাত যখন হয়, তখন কারখানায় প্রায় ১৮০ জন শ্রমিক কাজে ছিলেন। নিচতলা থেকে আগুন সব কটি তলায় মাত্র ২০ মিনিটের ব্যবধানে ছড়িয়ে পড়ে। ভোজ্যতেলসহ পুরো ভবনে নানা ধরনের রাসায়নিক উপাদান ছিল। এসব দাহ্য বস্তুর কারণে আগুন নেভাতে অনেক সময় লেগেছে।</p>
<p>আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ এনে ৩০২সহ কয়েকটি ধারায় হত্যামামলা দায়ের করে পুলিশ৷ এরইমধ্যে কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হাসেমসহ আট আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ ঘটনায় সজীব গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবুল হাসেমসহ আট জনকে আটক করেছে পুলিশ।</p>
<p>গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে আবুল হাসেমের চার ছেলেও রয়েছেন৷ তারা হলেন: হাসীব বিন হাসেম, তারেক ইব্রাহীম, তাওসীব ইব্রাহীম ও তানজিম ইব্রাহীম ৷ তারা সবাই কোম্পানিটির পরিচালক৷ এছাড়াও হাসেম ফুডসের উপমহাব্যবস্থাপক মামনুর রশীদ, প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. সালাউদ্দিন ও শাহান শাহ আজাদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ কারখানাটিতে শিশু শ্রমিক ব্যবহারের বিষয়টিও সামনে এসেছে।</p>
<p>আগুনে পুড়ে যাওয়া এই কারখানা সজীব গ্রুপ অব কোম্পানিজের মালিকানাধীন। সজীব গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল হাসেম। তিনি ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৩ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিএনপির প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। এরপর ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনে তাঁকে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দেওয়া হলেও ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে নির্বাচন না করার কথা জানান দলকে। পরে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চেয়েছেন। কিন্তু দল তাঁকে আর মনোনয়ন দেয়নি।</p>
<p>আসলে দুর্ঘটনাটি নতুন নয়। সারাদেশে আগুনের ঘটনা এবং এসব ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়েই চলছে। এবছর বিভিন্ন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে মারা গেছে ২ হাজার ১৩৮ জন। আহত হয়েছে ১৪ হাজার ৯৩২ জন। অথচ ২০০৯-২০১৮ সাল পর্যন্ত ১০ বছরে সারাদেশে আগুনের ঘটনায় মারা গেছে মোট একহাজার ৪৯০ জন। অর্থাৎ চলতি বছরে আগুনে মৃতের সংখ্যা গত ১০ বছরের দ্বিগুণ। ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ১০ বছরে সারাদেশে দেড় লাখ আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় একহাজার ৪৯০ জনের মৃত্যু এবং ৬ হাজার ৯৪১ জন দগ্ধ হয়েছেন।</p>
<p>তবে শুধু ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ২২ হাজার ২৮৩টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় মারা গেছেন ২ হাজার ১৩৮ জন। দগ্ধ হন ১৪ হাজার ৯৩২ জন। এবছর আগুনের ঘটনায় ২০৩ কোটি ৯২ লাখ ৭৪ হাজার ৩১৫ টাকার সম্পদ নষ্ট হয়েছে।</p>
<p>আগুনের ঘটনায় ২০০৯ সালে মারা যান ১১৮ জন, আহত হন ১ হাজার ৮৭ জন; ২০১০ সালে মৃত্যু ২৭১ জন, আহত ৭১৯ জন; ২০১১ সালে মৃত্যু ৩৬৫ জন, আহত ১ হাজার ৩৮৫ জন; ২০১২ সালে মৃত্যু ২১০ জন, আহত ৭৫৯ জন; ২০১৩ সালে মৃত্যু ১৬১ জন, আহত ১ হাজার ৩৮৫ জন; ২০১৪ সালে মৃত্যু ৭০ জন, আহত ২১০ জন; ২০১৫ সালে মৃত্যু ৬৮ জন, আহত ২১৬ জন; ২০১৬ সালে মৃত্যু ৫২ জন, আহত ২৪৭ জন; ২০১৭ সালে মৃত্যু ৪৫ জন, আহত ২৬৯ জন এবং ২০১৮ সালে মৃত্যু হয়েছে ১৩০ জনের এবং আহত হয়েছেন ৬৬৪ জন।</p>
<p>২০১৯ সালের জানুয়ারিতেই ৩ হাজার ১৭৭টি আগুনের ঘটনায় মারা গেছেন ১৩০ জন ও আহত হয়েছেন এক হাজার ৭১ জন। ফেব্রুয়ারিতে ৩ হাজার ৪৪টি আগুনে ঘটনায় মারা যান ২৭৪ জন, আহত হন ১ হাজার ৩৭০ জন। মার্চে ২ হাজার ৯৩৮টি আগুনের ঘটনায় মৃত্যু ১১২ জন, আহত ১ হাজার ১৪৭ জন। এপ্রিলে ২ হাজার ৬৪২টি আগুনের ঘটনায় মৃত্যু ১৭৭ জন, আহত ১ হাজার ৪০০ জন।</p>
<p>মে মাসে ১ হাজার ৯২১টি ঘটনায় মৃত্যু ১০৬ জন, আহত ১ হাজার ৯৯ জন। জুনে ১ হাজার ৫১৭টি আগুনের ঘটনায় মৃত্যু ১৯৬ জন, আহত ১ হাজার ৭৩২ জন। জুলাইয়ে ১ হাজার ৩৪১টি ঘটনায় মৃত্যু ২৪৯ জন, আহত ১ হাজার ২৭৬ জন। আগস্টে ১ হাজার ৩৫৮টি আগুনের ঘটনায় মৃত্যু ২৫৩ জন, আহত ১ হাজার ৯৯৮ জন। সেপ্টেম্বরে ১ হাজার ৪৬৭টি আগুনের ঘটনায় মৃত্যু ২০৬ জন, আহত ১ হাজার ৩৯৫ জন।</p>
<p>অক্টোবরে ১ হাজার ৩২৪টি আগুনের ঘটনায় মৃত্যু ১৭৩ জন, আহত ১ হাজার ২৪৩ জন এবং নভেম্বরে ১ হাজার ৫৫৪টি আগুনের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ১৬২ জনের ও আহত হন এক হাজার একজন। ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে সবচেয়ে বেশি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। একই বছরের ফেব্রুয়ারিতে দগ্ধ হয়ে মৃতের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি।</p>
<p>আর এবছরের আগস্টে আগুনে দগ্ধ আহতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ছিল। অন্য বছরের তুলনায় ২০১৯ সালে অগ্নিদুর্ঘটনা অনেক বেশি ছিল। প্রাণহানিও বেশি হয়েছে। বিশেষ করে চুড়িহাট্টা, বনানীর এফআর টাওয়ার, কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানা এবং গাজীপুরের ফ্যান কারখানায় হতাহত বেশি হয়েছে।</p>
<p>অগ্নিকাণ্ডে জীবনহানি ঠেকানো যাচ্ছে না কেন? নাজুক অবকাঠামো, ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, যথাযথ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকা, কারখানার ডিজাইন ড্রয়িং ত্রুটি, তত্ত্বাবধায়ক কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের বাইরে কাজ কারখানার নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায়। কলকারখানার দুর্ঘটনার হতাহত হওয়ার ঘটনা যথাযথ পূর্বসতর্কতা গ্রহণের মাধ্যমে প্রতিরোধ করা সম্ভব। সঠিক কর্তৃপক্ষের যাচাইকৃত অনুমোদন, সঠিক দুর্ঘটনাকালের জরুরি ব্যবস্থা পূর্বনিশ্চিতকরণ এবং শ্রমিকদের সচেতনতা বৃদ্ধিসহ এ ধরনের পদক্ষেপগুলো কলকারখানার দুর্ঘটনা প্রতিরোধের নিয়ামক।</p>
<p>নিমতলী, চুড়িহাট্টাায় দেখা গেছে কেমিকেল গোডাউন থেকে আগুন লেগে অনেকে মারা গেছেন৷ গুলশানসহ বড় বড় আগুনের ঘটনায় দেখেছি ভবনগুলোতে ফায়ার ফাইটিং সিস্টেম নেই৷ থাকলেও কাজ করে না। রাজউকের বহুতল ভবনসংখ্যার বিপরীতে ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র মিলিয়ে দেখা যায়, ২০১৮ পর্যন্ত প্রায় ১২ হাজার ভবন ছাড়পত্রহীন।</p>
<p>ফায়ার সার্ভিসের তথ্যানুযায়ী, গত ছয় বছরে সারা দেশে মোট অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে ১ লাখ ১৭ হাজার ৬০টি, তার মধ্যে শিল্পকারখানায় ৬ হাজার ৮১টি। আগুন লাগলে কোনো ভবনেরই নিরাপত্তাব্যবস্থা কাজ করে না। আসলে এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্টদের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণই সময়ের দাবি।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%85%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b6/">অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির শেষ কোথায়?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি : গৃহযুদ্ধ কি অবশ্যম্ভাবী?</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%83%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%95%e0%a7%80/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ/এআর]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 09 Jul 2021 07:15:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্বজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[আফগানিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[তালেবান]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=9224</guid>

					<description><![CDATA[<p>দুই যুগের লাগাতার যুদ্ধের পর বিশ্বের শক্তিধর যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। ২০ বছরের এই যুদ্ধ চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%83%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%95%e0%a7%80/">আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি : গৃহযুদ্ধ কি অবশ্যম্ভাবী?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>দুই যুগের লাগাতার যুদ্ধের পর বিশ্বের শক্তিধর যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। ২০ বছরের এই যুদ্ধ চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র না পেরেছে তালেবানকে ধ্বংস করতে, না পেরেছে দেশটিতে স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দিতে।   দেশটি এক নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে, যা নতুন গৃহযুদ্ধের শঙ্কা আরও বাড়িয়ে তুলছে। আফগান সরকারের বাহিনী কতদিন তালেবানকে ঠেকিয়ে রাখতে পারবে, তা নিয়ে প্রায় সবাই দ্বিধান্বিত।</p>
<h2><strong>আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি</strong></h2>
<h3><strong>গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত আফগানিস্তান</strong></h3>
<p>ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান নিক কার্টার বলেছেন, আফগানিস্তান থেকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বিদেশি সেনাদের প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর দেশটি গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হতে পারে। আন্তর্জাতিক বাহিনীর সহায়তা ছাড়া দেশটির রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। আফগানিস্তানে ১৯৯০-এর দশকের গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে। সেখানে যুদ্ধবাজতন্ত্র নামের একটি সংস্কৃতি আছে। নৃতাত্ত্বিক ও উপজাতীয় ধারায় নিরাপত্তা বাহিনী ভেঙে যেতে পারে। যদি এমন কিছু ঘটে, তবে আমার ধারণা, তালেবান দেশটির একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করবে। কিন্তু, অবশ্যই, তারা কখনোই পুরো দেশ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।</p>
<h3><strong>তালেবান ঠেকাতে কয়েক শ কমান্ডো</strong></h3>
<p>তালেবানকে কোণঠাসা করতে কয়েক শ কমান্ডো পাঠিয়েছে আফগান সরকার। তালেবানের কাছ থেকে ১৪টি জেলার পুনর্দখল করেছে সরকারি বাহিনী এবং এ প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে। তালেবান যোদ্ধারা বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে হালকা ও ভারী অস্ত্র দিয়ে হামলা শুরু করে। তালেবান যোদ্ধারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে সড়কে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। সেনারা দাঁতভাঙা জবাব দেয়ার আগ্রাণ চেষ্টা করে।</p>
<p>কালা-ই-নো শহরে লড়াই শুরুর পর শহরের অন্তত ৭৫ হাজার বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। এখনকার সব দোকানপাট বন্ধ। সাধারণ মানুষ যারা আছে, কেউই ঘরের বাইরে যাওয়ার সাহস পাচ্ছে না। লড়াই ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের প্রদেশেও। এরই মধ্যে হেরাত প্রদেশের দুটি জেলা তালেবানের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। শহরের কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটক খুলে দিয়ে নিজেদের কয়েক শ যোদ্ধাকে মুক্ত করে নিয়েছে তালেবান।</p>
<h3><strong>বেপরোয়া হয়ে উঠছে তালেবান</strong></h3>
<p>মার্কিন ও পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সেনাদের আফগানিস্তান ত্যাগের পর ক্রমেই দাপট বাড়ছে সশস্ত্র তালেবানের। এরই মধ্যে বিভিন্ন জেলা দখলে নিয়েছে তারা। বেপরোয়া হয়ে উঠছে তারা। পশ্চিমা নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বলছেন, আফগানিস্তানের ১শ’ টিরও বেশি জেলা তালেবানের দখলে আছে। কিন্তু তালেবানের দাবি, ৩৪ টি প্রদেশের ২০০ টি জেলাই তাদের দখলে, যা দেশের অর্ধেকের চেয়েও বেশি। ওদিকে, আফগান সরকারের হাতে আছে দেশের প্রধান প্রধান নগরী ও রাজধানীগুলো। তালেবান যোদ্ধাদের ভাষায় ‘আমরা যুদ্ধক্ষেত্রে ঝাঁপিয়ে পড়ি এবং শত্রুকে পর্যুদস্ত না করা পর্যন্ত তরঙ্গের পর তরঙ্গ আকারে এগিয়ে যাই।’</p>
<h3><strong> দৃশ্যমান হচ্ছে </strong><strong>তালেবানের ছায়া প্রশাসন</strong></h3>
<p>আফগানিস্তানজুড়ে তালেবানের ছায়া প্রশাসন তত দৃশ্যমান হচ্ছে। দেশের যেসব এলাকা এত দিন দখল করতে পারেনি তারা, সেসবও দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসছে। সব মিলে দেশটির ৪২১ জেলার প্রায় অর্ধেকে সুবিধাজনক অবস্থায় আছে তালেবান।</p>
<p>আফগানিস্তানের ৩৪টি প্রদেশের মধ্যে গজনি প্রদেশটি গুরুত্বপূর্ণ কাবুল-কান্দাহার মহাসড়কের উপর এবং ইরান ও ভারতের মধ্যকার প্রাচীন বাণিজ্যপথের উপর অবস্থিত। তালেবান শহরে ঢুকে তাদের পতাকা উড়াতে সক্ষম হয়েছে। যদিও পরবর্তীতে নিরাপত্তা বাহিনী তালেবানকে পিছু হটাতে অভিযান শুরু করে। শহরে ব্যাপক সংখ্যক সরকারি বাহিনীর সদস্য রয়েছে। কিন্তু তালেবানের সঙ্গে লড়াই করার তাদের কোনো নৈতিক উৎসাহ নেই।</p>
<h3><strong>তালেবান-আফগান সেনা লড়াই চলছেই</strong></h3>
<p>আফগানিস্তানে পশ্চিমাঞ্চলীয় বাদঘিস প্রদেশের রাজধানী শহর তালেবান জঙ্গিদের কাছ থেকে পুনরুদ্ধার করেছে আফগান সেনারা।  তালেবান জঙ্গিরা বাদঘিসের রাজধানী কালা-ই-নাউ শহরে প্রবেশ করে হামলা চালায়। এই শহরের সঙ্গে তুর্কেমেনিস্তানের সীমান্ত আছে। শহরটির সীমান্ত এলাকায় এখনও কিছু জায়গায় লড়াই চলছে। তবে কালা-ই-নাউয়ে পিছু হটলেও বাদঘিস প্রদেশের বাদবাকি অঞ্চল এখনও তালেবানের হাতে আছে।</p>
<h3><strong>৩১ আগস্টের মধ্যে মার্কিন সামরিক মিশনের ইতি</strong></h3>
<p>আফগানিস্তান থেকে ইতোমধ্যে ৯০ শতাংশেরও বেশি মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয়ার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। হোয়াইট হাউসে দেওয়া এক ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে আফগানিস্তানে মার্কিন সামরিক মিশনের ইতি ঘটবে। তবে একটি স্থিতিশীল ও নিরাপদ আফগানিস্তান তৈরিতে সহায়তার প্রতিশ্রুতি থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে যাচ্ছে না। দেশটিতে মানবিক ও নিরাপত্তা সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে। তালেবানের ওপর আমার বিশ্বাস নেই। তবে ন্যাটো বাহিনী আফগানিস্তান ছাড়লেও দেশটিতে তালেবানের ক্ষমতা দখল অবশ্যম্ভাবী নয়।</p>
<p>বাইডেন বলেন, আফগান সামরিক বাহিনী তালেবানের অগ্রসর হওয়ার হাত থেকে দেশটিকে ধরে রাখতে পারবে। বিগত দুই দশকে তিন লাখ আফগান সেনাকে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে। ইতিহাসে কোনও দেশই আফগানিস্তানকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারেনি। জাতি গঠনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে যায়নি। আফগানরাই তাদের দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেবে। গৃহযুদ্ধের হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে আফগান নেতাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।</p>
<h3><strong>আফগানিস্তান ছাড়ছে ব্রিটিশ সেনারা</strong></h3>
<p>যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, আফগানিস্তানে ন্যাটো মিশনে নিযুক্ত সব ব্রিটিশ সেনা এখন দেশে ফিরছে। বেশিরভাগ ব্রিটিশ সেনা আফগানিস্তান ছেড়েছে। বাকিরাও শিগগিরই দেশে ফিরবে। আমি আমাদের প্রস্থানের সময়সূচি প্রকাশ করবো না, তবে পার্লামেন্টকে বলতে পারি যে আমাদের বেশিরভাগ কর্মী ইতোমধ্যে আফগানিস্তান ছেড়েছে। জার্মানির মতো অন্য ন্যাটো সদস্য দেশগুলো এরইমধ্যে তাদের সেনা প্রত্যাহারের কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।’</p>
<h3><strong>ফেরানো হবে পালিয়ে যাওয়া সৈন্যদের</strong></h3>
<p>আফগান সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হামদুল্লাহ মহিব এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, তালেবানের সঙ্গে লড়াইয়ে টিকতে না পেরে পার্শ্ববর্তী দেশ তাজিকিস্তানে পালিয়ে যাওয়া সৈন্যদের ফিরিয়ে ফের যুদ্ধে পাঠানো হবে। ইতোমধ্যে আফগানিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলের অবস্থানত্যাগী ২ হাজার ৩০০ সৈন্যকে ফের দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে। তাজিকিস্তানে পালিয়ে যাওয়া সৈন্যরা ফিরে আসছে এবং তারা আবারো ফায়জাবাদের মানুষজনের সেবায় নিয়োজিত হবে।</p>
<p>তালেবানের সঙ্গে লড়াই-সংঘর্ষে টিকতে না পেরে ১ হাজার ৩৭ আফগান সেনা সীমান্ত অতিক্রম করে প্রতিবেশী দেশ তাজিকিস্তানে পালিয়ে যায়। ৩ জুলাই একদিনেই আশ্রয় নিয়েছে আফগান বাহিনীর তিন শতাধিক সদস্য। আফগান সেনারা সাতটি পথ দিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে। মানবতা এবং সুপ্রতিবেশীর নীতির আলোকে তাদের প্রবেশের সুযোগ দেয় তাজিকিস্তান। সীমান্ত পেরিয়ে তাজিকিস্তান ছাড়া অন্যদেশে আশ্রয় নেয় প্রায় ৬০০ সেনা। তালেবানের দাপট বেড়েই চলছে। একের পর এক জেলা তালেবানের দখলে চলে যাচ্ছে।</p>
<h3><strong>অস্ত্র হাতে আফগান নারীরা</strong></h3>
<p>আফগান নারীরা তালেবানের বিরুদ্ধে ফের অস্ত্র তুলে নিয়েছেন। তলেবানের সঙ্গে লাড়াইয়ে প্রস্তুত এমন নারীর সংখ্যা কত তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে ভারী অস্ত্র হাতে তুলে নেয়া নারীদের সংখ্যা। এসব নারীদের দাবি ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল ছিল আফগান নারীদের জন্য অন্ধকার সময়। তালেবানের শাসনামলে নারীদের অধিকার হরণ করা হয়েছিল। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবাঞ্চিত ছিল আফগান নারীরা। ধর্মীয় আইনের নামে নারীদের অধিকার ও ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছিল।</p>
<h3 class="font-weight-bolder"><strong> লুটপাট চালানোর অভিযোগ</strong></h3>
<p>মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) জানিয়েছে, অধিকাংশ মার্কিন সেনা দেশে ফিরে গেছে। ন্যাটোর বাহিনীও আর নেই। এই অবস্থায় আফগানিস্তানজুড়ে আক্রমণ জোরদার করেছে তালেবান। ইতোমধ্যেই অনেকগুলো জেলার দখল নিয়ে নিয়েছে। সদ্য দখল করা এসব অঞ্চলে ব্যাপক লুটতরাজ চালাচ্ছে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি। কোথাও কোথাও ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে। ভয়ে-আতঙ্কে এলাকা ছেড়ে পালাচ্ছে অধিবাসীরা।আফগান সরকারের প্রতি সমর্থন দেওয়ায় বেসামরিক নাগরিকদের নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে তালেবান।</p>
<h3><strong>যুদ্ধের ঝুঁকিতে আফগানিস্তান</strong></h3>
<p>আফগানিস্তানের বাগরাম বিমান ঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনারা বিদায় নিয়েছে। আফগান মিশনের প্রধান ঘাঁটিটি খালি করে বিদেশি সেনাদের চলে যাওয়া গৃহযুদ্ধের দামামা বাজিয়েছে দেশটিতে। আফগানিস্তানের বিভিন্ন স্থানে তালেবানের দাপট বাড়ছে। আগামী দিনগুলোতে এই ঘাঁটিই তালেবান এবং আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘাতের মূল কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। বিদেশি সেনারা আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যেই আফগানিস্তানে তালেবান যোদ্ধারা হামলা চালিয়ে একের পর এক জেলা দখল করছে। এসব আলামতে দেশটিকে নিশ্চিতভাবেই গৃহযুদ্ধের পথে যেতে দেখা যাচ্ছে।</p>
<h3 class="title mb10"><strong>রাশিয়ার নিরাপত্তা হুমকি বাড়ছে</strong></h3>
<p>আফগানিস্তানের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি রাশিয়ার জন্য উদ্বেগের। আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহার রাশিয়ার জন্য নতুন এক মাথাব্যথার জন্ম দিয়েছে। কারণ এর ফলে মধ্য এশিয়ায় শরণার্থীর ঢল, জিহাদি হুমকি এবং এমনকি একটি সাবেক সোভিয়েত রাষ্ট্রে গৃহযুদ্ধের সূচনা হতে পারে। ১৯৭৯-৮৯ পর্যন্ত নিজেদের আফগান যুদ্ধে বিভীষিকা এখনও তাড়িয়ে বেড়ায় মস্কোকে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ স্পষ্ট করে বলেছেন, আফগানিস্তানে সামরিক উপায়ে জড়াতে চায় না রাশিয়া।</p>
<h3 class="alignfull"><strong>ঝুঁকিতে তাজিকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান </strong></h3>
<p class="alignfull">তাজিকিস্তানে শরণার্থীদের ঢল মানবিক সংকট তৈরি এবং জিহাদিদের অনুপ্রবেশ ঘটতে পারে বলে মনে করছেন তিনটি সূত্র। এখানে ১৯৯২ থেকে ১৯৯৭ পর্যন্ত ইসলামপন্থীদের সঙ্গে গৃহযুদ্ধের ইতিহাস রয়েছে। সংকটে পড়তে পারে উজবেকিস্তান বা তুর্কমেনিস্তান। তুর্কমেনিস্তান প্রকৃতপক্ষে কোনও রাষ্ট্র নয় এবং আফগানিস্তানের সঙ্গে সীমান্তের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেই তাদের হাতে।</p>
<p class="alignfull">সাবেক রুশ কূটনীতিক ভ্লাদিমির ফ্রোলোভ বলেন, সবচেয়ে ঝুঁকিতে মনে হয় তাজিকিস্তান। এটি প্রায় ভঙ্গুর রাষ্ট্র এবং প্রেসিডেন্ট এমোমালি রাখমনের ছেলের ক্ষমতা গ্রহণের উত্তরাধিকার রয়েছে। ঝুঁকির জায়গা হলো জিহাদি শক্তিগুলো সমাজের চলমান বিভাজন ও ন্যায়বিচারের ধোঁয়া তুলে গৃহযুদ্ধ পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ নিতে পারে।</p>
<h3><strong>আফগানিস্তানে শান্তি সবার প্রত্যাশা</strong></h3>
<p>নান কারণেই আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা অনেক দেশেরই। শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলে মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক কিংবা বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ করে আফগানিস্তান ভবিষ্যতের জন্য সুবিধাজনক অবস্থান অর্জন করতে পারবে।</p>
<p>আফগানিস্তানের পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় আসলে এর সৌন্দর্যময় পর্যটন কেন্দ্র, কৃষিপণ্য ও ফল রপ্তানি প্রভৃতি আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎকে সুউচ্চে নিয়ে যেতে পারে। আফগানিস্তানের যুবারা বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে (ক্রিক্রেট, ফুটবল প্রভৃতি) উল্লেখ্যযোগ্য অবস্থানে পদার্পণ করেছে।</p>
<p>কাবুলের পরিস্থিতি শান্ত হলে আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ সদা উজ্জ্বল হবে। এখন শুধু সেনা প্রত্যাহারের জন্য অপেক্ষার প্রহর গোনার পালা। এখন দক্ষিণ এশিয়ার দেশ আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ কেমন হবে, তা সময়ই বলে দেবে।</p>
<h3><strong>কাবুলের ৭০ গ্রাম দখলে নিয়েছে তালেবান</strong></h3>
<p>আফগানিস্তানের কাবুল প্রদেশের সুরবি জেলার ৭০টি গ্রাম দখলে নিয়েছে তালেবান। কাবুল প্রদেশের সুরবি জেলার ১৩০ গ্রামের মধ্যে ৭০টি ইতোমধ্যে তালেবান যোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। কাবুল প্রদেশে ১৪টি জেলা রয়েছে।  এরমধ্যে হুমকির মধ্যে রয়েছে ৫টি জেলা।</p>
<h3><strong>তথ্যসূত্র</strong></h3>
<ul>
<li>সিএনবিসি</li>
<li>ডিডাব্লিউ</li>
<li>রয়টার্স</li>
<li>আল জাজিরা</li>
<li>বিবিসি</li>
<li>আফগানিস্তান টাইমস</li>
<li>সিএএন</li>
<li>এএফপি</li>
</ul>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%83%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%95%e0%a7%80/">আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি : গৃহযুদ্ধ কি অবশ্যম্ভাবী?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নেতৃত্ব চর্চায় সহায়ক বই হৃদয়জয়ী নেতৃত্বের পথ</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a7/%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%b8%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%95-%e0%a6%ac%e0%a6%87-%e0%a6%b9/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ/এআর]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jul 2021 03:07:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিবিধ]]></category>
		<category><![CDATA[আনিসুর রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[হৃদয়জয়ী নেতৃত্বের পথ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=9028</guid>

					<description><![CDATA[<p>হৃদয়জয়ী নেতৃত্বের পথ বইটিতে বলা হয়েছে- পরের কল্যাণে নিবেদিত মানবপ্রেমী নেতাদের কথা। ভবিষ্যত বাংলাদেশের স্বপ্নীল নেতৃত্বের আকাঙ্ক্ষায় উদ্বেলিত তরুণদের কথা। [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a7/%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%b8%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%95-%e0%a6%ac%e0%a6%87-%e0%a6%b9/">নেতৃত্ব চর্চায় সহায়ক বই হৃদয়জয়ী নেতৃত্বের পথ</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>হৃদয়জয়ী নেতৃত্বের পথ বইটিতে বলা হয়েছে- পরের কল্যাণে নিবেদিত মানবপ্রেমী নেতাদের কথা। ভবিষ্যত বাংলাদেশের স্বপ্নীল নেতৃত্বের আকাঙ্ক্ষায় উদ্বেলিত তরুণদের কথা। স্বপ্ন  প্রয়াস  উৎকর্ষ  সার্থকতার কথা। বইটিতে নতুন নেতৃত্বের আশায় বসে না থেকে জনগণের জন্য নেতৃত্ব চর্চায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে আগে নিজের আখের গুছিয়ে পরে দেশের চিন্তা করার নেতৃত্বের প্রচলন বদলে ফেলার কথা। পরের জন্যে কিছু করলে যে, নিজের জন্যই করা হয়- এই মন্ত্রে অনুপ্রাণিত হবার কথা। চিন্তার কেন্দ্রস্থল থেকে ‘আমি’ শব্দটি সরিয়ে সেখানে ‘আমরা’ রাখার কথা।</p>
<p>বইটিতে বলা হয়েছে- প্রকৃত নেতা পরিবর্তনের অনন্য রূপকার। অর্থবহ নেতৃত্বের বদৌলতে জয়ের মুখ দেখা যায়, বিজয়ের হাসি হাসা যায়। অযোগ্য নেতৃত্বের কারণে পতন ত্বরান্বিত হয়।  নেতৃত্বে মরিচা ধরা মানেই মুখ থুবড়ে পড়া। নেতা ঘুমালে পুরো সমাজ ঘুমায়। নেতা নিথর-নিস্তব্ধ হলে প্রতিষ্ঠানও হয় নিথর-নিস্তব্ধ। নেতা দেখেও না দেখার ভান করলে সংগঠন অন্ধত্ব ধারণ করে। নেতৃত্বের সংকটে জাতি ধ্বংসের মুখোমুখি হয়। নেতৃত্বের অসচেতনতায় সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যায়। নেতা ভালো-মন্দ পার্থক্য করার শক্তি হারালে বধিরের সংখ্যা বেড়ে যায়। নেতা ভুল করলে সব উদ্যোগই পণ্ড হয়। নেতা আত্মকেন্দ্রিক হলে কর্মীরা ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলে নিমগ্ন হয়।</p>
<p>হৃদয়জয়ীরাই কালোত্তীর্ণ হয়। কালজয়ী, ভূবনজয়ী ও দ্বিগীজয়ী নেতাও হৃদয়জয়ী না হওয়ায় কালের ঘূর্ণিপাকে হারিয়ে যেতে পারে। হৃদয় জয় করা যায়- কর্তৃত্বের চেয়ে সেবা করে, পাওয়ার চেয়ে ত্যাগ স্বীকার করে। সমাজ জীবনের প্রতিটি স্তরেই অর্থবহ নেতৃত্বের প্রয়োজন। নেতৃত্ব কোনো পদবী নয় বরং একটি প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে মানুষকে অবস্থা পরিবর্তনের জন্য সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে অনুপ্রাণিত করা হয়। ক্ষমতা থাকুক কিংবা না থাকুক প্রতিটি মানুষই নেতৃত্ব চর্চা করতে পারে। তরুণরা নেতৃত্ব চর্চার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। নেতৃত্ব সবার ভেতরেই থাকে, বেরিয়ে আসে কেবল সঠিক অনুশীলনের মাধ্যমে। যোগ্য-সঠিক নেতৃত্বই সামগ্রিক সফলতার চাবিকাঠি। সত্যিকারের নেতা সাফল্য অর্জনের চেয়ে সার্থকতা অর্জনে আগ্রহী, সার্থক জীবনের স্বপ্ন দেখাই তার জীবনের লক্ষ্য।</p>
<p>অর্থবহ নেতৃত্ব আলোকিত নেতায় শীর্ষক প্রথম অধ্যায়ে রয়েছে- নেতার পরিচয়, নেতৃত্বের ধারণা, নেতৃত্বের প্রকারভেদ, নেতার প্রয়োজনীয় গুণাবলি, নেতার কার্যাবলি ও দায়িত্ব, নেতৃত্বের তত্ত্ব, নেতৃত্বের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা, নেতৃত্ব প্রসঙ্গে অযৌক্তিক বিবেচনা ও নেতৃত্বের শৈলী।</p>
<p>সার্থক নেতায় টেকসই উন্নয়ন শীর্ষক দ্বিতীয় অধ্যায়ে রয়েছে- নেতৃত্ব ও ব্যবস্থাপনা, নেতৃত্ব ও যোগাযোগ, নেতৃত্ব ও জনরায়, নেতৃত্ব ও দল, নেতৃত্ব ও জনগণ, নেতৃত্ব ও প্রতিনিধিত্ব, নেতৃত্বের  বৈধতা, নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব, নেতৃত্ব ও উন্নয়ন, নেতৃত্ব ও ক্ষমতা, নেতৃত্ব ও গণতন্ত্র, নেতৃত্ব ও সংগঠন, নেতৃত্ব ও পরিবার, নেতৃত্ব ও রাজনীতি, নেতৃত্ব ও  কর্মী-অনুসারী, নেতৃত্ব ও আবেগ, নেতৃত্ব ও  কর্মসূচি  ও নেতৃত্বের শিল্পকলা।</p>
<p>মানুষ মানুষের জন্য শীর্ষক তৃতীয় অধ্যায়ে রয়েছে- মানবাধিকার, নারীর অধিকার, মৌলিক অধিকার, নাগরিক অধিকার,  শিশু অধিকার, ন্যায়বিচার, মৌলিক চাহিদা ও দারিদ্র বিমোচন।</p>
<p>চর্চা থেকেই নেতৃত্বের বিকাশ শীর্ষক চতুর্থ অধ্যায়ে রয়েছে- সেবক থেকেই নেতা, সাধারণ থেকেই অসাধারণ, পেশাদারিত্বে নেতৃত্বের উন্নতি, কর্মক্ষেত্রে ঈর্ষা নেতৃত্বে বেমানান, নেতৃত্বে প্লাসপয়েন্ট লেখালেখি, কথা হবে যেমন, বক্তৃতা দেয়ার কৌশল ও নেতৃত্ব বিকাশে সমস্যা ।</p>
<p>স্বপ্নের পথে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম শীর্ষক ৫ম অধ্যায়ে রয়েছে- যা-ই হও না কেন ভালো কিছু হও। আপনার অভ্যাসই আপনার মূল্য। সময়কে বুদ্ধিমত্তার সাথে ব্যবহার। মন যেটা সায় দেয়, তা-ই করো। কাজ,  খাদ্য, পানি ও লবণের নিশ্চয়তা। নিরবচ্ছিন্ন জ্ঞান অর্জন। যত দ্রুত সম্ভব শুরু করে দিন।</p>
<p>সঠিক পরিশ্রম আনবে সফলতা। পথ ও উপায় বের করতে হবে। প্রচারের চেয়ে উন্নয়ন জরুরি। অজুহাত যেন লক্ষ্যচ্যুত না করে। লক্ষ্য স্থির করে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। সেটাই করো, যা মন চায়। মানুষের চাহিদাকে গুরুত্বদান। দুর্দান্ত কী করা যায় তা নিয়ে ভাবুন। লেগে থাকতে জানতে হবে। যা পারেন তার সবই করতে হবে। বিনিয়োগের অর্থ হারানো যাবে না। সত্য কথা বলবেন। স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিতে হবে।</p>
<p>মানুষের গল্পটা শোনো। ভালোবাসার কাজটি বেছে নাও। কাজে মনোযোগী হতে হবে। আমি মানি না বলতে শিখুন। চারপাশের মানুষের জন্য কিছু করো। অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানই প্রকৃত জ্ঞান। যা আছে তা থেকেই ভালো কিছু বের করে আনতে হবে। জীবনের উদ্দেশ্য নিয়ে ভাবতে হবে। দেশকে এগিয়ে নেওয়ার সংকল্প। অন্যদের থেকে ব্যতিক্রম হতে হবে।</p>
<p>উজ্জীবন উদ্ভাবন উন্নতিসাধন শীর্ষক ষষ্ঠ অধ্যায়ে রয়েছে- উদ্যোগ নিন, সংগঠক হোন। পরিচয় যোগাযোগ বন্ধন। পার্সোনাল ব্রান্ডিং। প্রাতিষ্ঠানিক ব্রান্ডিং। কান্ট্রি ব্রান্ডিং।</p>
<p>গণভিত্তি গণজোয়ার গণমুক্তি শীর্ষক সপ্তম অধ্যায়ে রয়েছে- কখনো হাল না ছাড়া। বদলালে নেতা বদলায় কর্মী। কঠিনেরে ভালোবাসেন নেতা। নেতা কী করবেন, কী করবেন না। সুশিক্ষা। আদর্শ নেতা হয়ে উঠুন। স্বপ্ন ও পরিবর্তন।</p>
<p>গণআস্থা ও আগামীর নেতৃত্ব শীর্ষক অষ্টম অধ্যায়ে রয়েছে- ক্রমোন্নতির প্রয়াস, জীবন ব্যবস্থাপনা, ভোগবাদী মানসিকতা পরিহার, নেতৃত্ব চর্চার সুযোগ নেয়া, নেতৃত্ব চর্চার বাঁধা দূর করা, সমস্যার সমাধান করা, কলুষতামুক্ত হওয়া ও দ্বিধা-দ্বন্ধ দূর করা।</p>
<p>জননেতা থেকে প্রিয়নেতা শীর্ষক নবম অধ্যায়ে রয়েছে- অপরের জন্য কষ্ট করায় মহত্ব। তারতম্য করার অধিকার নেই। নিজের বোঝা অন্যের ওপর না চাপানো। যা ভালো-লাগে তাই দান করো। যে দিকে এগুচ্ছেন, সেটাতে মনোযোগ দিন। দক্ষ না হতে পারাই আসল ব্যর্থতা। মানবিক মর্যাদার অবনমন করা যাবে না। কাজের জন্য চড়া মূল্য হাকাবেন না। পরিবর্তন নিজেকে দিয়েই শুরু করতে হয় । প্রাসঙ্গিক চিন্তাধারা। গুণগত পরিবর্তন। আপনার পরিস্থিতি আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। নেতার যা না করলেই নয়। সবশেষে রয়েছে তথ্যসূত্র।</p>
<p>বইটির লেখক আনিসুর রহমান এরশাদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নৃবিজ্ঞানে অনার্স ও মাস্টার্স করেছেন। এ ছাড়া তিনি মিডিয়া ও জার্নালিজম নিয়েও পড়েছেন। দীর্ঘ দিন ধরে সাংবাদিকতা, গবেষণা, লেখালেখি ও সম্পাদনার সাথে জড়িত। জন্ম টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর থানার হাতীবান্ধা গ্রামে। এটি লেখকের দ্বিতীয় বই।</p>
<p>বইটি পাঠে পাঠক গভীরভাবে বুঝতে পারবেন- সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বকে কেন সবেচেয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। কর্মীদের সাথে নেতার মানসিক দূরত্ব কেন কমাতে হবে। নেতৃত্ব চর্চা ও নেতৃত্বে দায়িত্বশীলতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। নেতৃত্বের গুণাবলির বিকাশ ঘটানো কেন জরুরি। কিভাবে নেতা সাফল্য লাভে করেন? দূরদৃষ্টি ও সৃজনশীলতা বাড়ে? কে প্রকৃত নেতা? কিভাবে নেতা পরিবর্তনের অনন্য রূপকার হয়ে ওঠে। পরিকল্পিত লক্ষ্য অর্জনের কৌশল কী? উত্থান-পতন ও ঘটনা প্রবাহে সক্রিয় ভূমিকা রাখার উপায় কী? আস্থা অর্জন ও হৃদয় জয় করার পথ কী? নেতৃত্বের সংকটে কি কি ক্ষতি হয়? সবার ভেতরেই থাকা নেতৃত্ব কেমন অনুশীলনের মাধ্যমে বেরিয়ে আসে?</p>
<p>বইটি প্রকাশ করেছে পরিবার বিষয়ক অনলাইন ম্যাগাজিন পরিবার ডটনেট। ‘বন্ধন প্রশান্তি প্রেরণা ও বিকাশে পরিবার’ স্লোগান নিয়ে ২০১৭ সালে যাত্রা শুরু পরিবার ডটনেটের। অফসেটে ছাপা ১৭ ফর্মার বইটিতে রয়েছে ২৭২ পৃষ্ঠা। দাম ৫০০ টাকা।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a7/%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%b8%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%95-%e0%a6%ac%e0%a6%87-%e0%a6%b9/">নেতৃত্ব চর্চায় সহায়ক বই হৃদয়জয়ী নেতৃত্বের পথ</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
