<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বিশ্বজুড়ে Archives - জিনিউজ বিডি ডটকম</title>
	<atom:link href="https://www.gnewsbd.com/category/world-wide/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://www.gnewsbd.com/category/world-wide/</link>
	<description>অনলাইন বাংলা নিউজ ম্যাগাজিন</description>
	<lastBuildDate>Wed, 08 Apr 2026 00:34:01 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://www.gnewsbd.com/files/2021/01/cropped-gnewsbd-logo-32x32.png</url>
	<title>বিশ্বজুড়ে Archives - জিনিউজ বিডি ডটকম</title>
	<link>https://www.gnewsbd.com/category/world-wide/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>ব্যাপক হুমকির পর দুই সপ্তাহের জন্য হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%95-%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 08 Apr 2026 00:34:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্বজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[ইরান]]></category>
		<category><![CDATA[ট্রাম্প]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14128</guid>

					<description><![CDATA[<p>মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা যখন চরমে পৌঁছেছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত সাময়িকভাবে থামানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%95-%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4/">ব্যাপক হুমকির পর দুই সপ্তাহের জন্য হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা যখন চরমে পৌঁছেছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত সাময়িকভাবে থামানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ঘোষণা দিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত বড় সামরিক হামলা দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত রাখা হবে—যদি ইরান কৌশলগত সমুদ্রপথ হরমুজ প্রনালি (Strait of Hormuz) পুনরায় খুলে দেয়।</p>
<p>আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের মতে, এই ঘোষণা কার্যত যুদ্ধের দ্বারপ্রান্ত থেকে পরিস্থিতিকে সাময়িকভাবে ফিরিয়ে এনেছে এবং কূটনৈতিক আলোচনার নতুন সুযোগ তৈরি করেছে।</p>
<h3>যুদ্ধের মুখে শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্ত</h3>
<p>গত কয়েকদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে একটি কঠোর সময়সীমা দিয়েছিল। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করেছিলেন—যদি ইরান হরমুজ প্রণালী খুলে না দেয়, তাহলে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর ব্যাপক হামলা চালানো হবে। এমনকি তিনি মন্তব্য করেছিলেন, “একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।”</p>
<p>এই হুমকির কারণে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা দ্রুত বেড়ে যায় এবং বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।</p>
<p>তবে নির্ধারিত সামরিক হামলার প্রায় দেড় ঘণ্টা আগে ট্রাম্প ঘোষণা দেন যে যুক্তরাষ্ট্র দুই সপ্তাহের জন্য হামলা স্থগিত রাখবে, যাতে আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়।</p>
<p>তিনি এই বিরতিকে “double-sided ceasefire” বা দ্বিপাক্ষিক যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা হিসেবে উল্লেখ করেন।</p>
<h3>কূটনৈতিক মধ্যস্থতায় পাকিস্তানের ভূমিকা</h3>
<p>আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান এই উত্তেজনা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।</p>
<p>পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ যুক্তরাষ্ট্রকে সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ জানান এবং একই সঙ্গে ইরানকে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান।</p>
<p>এই উদ্যোগের পরই যুক্তরাষ্ট্র হামলা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।</p>
<h3>ইরানের অবস্থান</h3>
<p>ইরান শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের হুমকিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির নেতারা বলছেন, তারা চাপের কাছে নত হবে না এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত।</p>
<p>তবে আলোচনার প্রস্তাব নিয়ে কিছু কূটনৈতিক যোগাযোগ চলছে বলে আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গেছে। একই সঙ্গে ইরান জানিয়েছে, তারা সংঘাত বন্ধের ব্যাপারে আলোচনা করতে পারে—তবে শর্ত হিসেবে হামলা বন্ধ ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।</p>
<p>ট্রাম্পের এই ঘোষণাকে ইরানিরা ‘বিজয়’ হিসেবে দেখছে।</p>
<h3>সংঘাতের মূল কারণ: হরমুজ প্রণালী</h3>
<p>বর্তমান সংকটের কেন্দ্রবিন্দু হলো হরমুজ প্রনালি—যা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ।</p>
<p>এই জলপথ দিয়ে বিশ্বের বড় অংশের তেল পরিবহন হয়। সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়েছে এবং অনেক জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।</p>
<p>ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।</p>
<h3>সামনে কী হতে পারে?</h3>
<p>বিশ্লেষকদের মতে, দুই সপ্তাহের এই বিরতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে যদি কূটনৈতিক আলোচনা এগোয়, তাহলে বড় যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব হতে পারে।</p>
<p>তবে পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত অস্থির এবং সামান্য উত্তেজনাও দ্রুত বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%95-%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4/">ব্যাপক হুমকির পর দুই সপ্তাহের জন্য হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া ৬টি পারমাণবিক বোমা কোথায়?</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%af/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 11 Mar 2026 02:56:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14121</guid>

					<description><![CDATA[<p>ইসরায়েল-মার্কিন সেনাদের সঙ্গে ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে, যা ইতোমধ্যে তীব্র আকার ধারণ করেছে। এই উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া ৬টি [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%af/">যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া ৬টি পারমাণবিক বোমা কোথায়?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ইসরায়েল-মার্কিন সেনাদের সঙ্গে ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে, যা ইতোমধ্যে তীব্র আকার ধারণ করেছে। এই উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া ৬টি পরমাণু ওয়ারহেড নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। নিখোঁজ এসব পরমাণু ওয়ারহেড যুক্তরাষ্ট্রের শত্রু দেশের হাতে পড়লে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।</p>
<p>মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর।</p>
<p>ডেইলি মিরর জানায়, গত কয়েক দশকে অন্তত ৬টি এমন দুর্ঘটনার ঘটনা রয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র হারিয়ে গেছে। আজও সেগুলোর কোনো হদিস মেলেনি। সেগুলো এখন যে কেউ খুঁজে পেতে পারে। মার্কিন সামরিক পরিভাষায় এ ধরনের পারমাণবিক দুর্ঘটনাকে বলা হয় ‘ব্রোকেন অ্যারো’। অর্থাৎ এমন ঘটনা, যেখানে পারমাণবিক অস্ত্র দুর্ঘটনায় হারিয়ে যায় বা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হচ্ছে, তারা যদি এসব নিখোঁজ বোমা খুঁজে না পায়, তাহলে প্রতিপক্ষরাও সহজে তা খুঁজে পাবে না।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের নথিভুক্ত ৩২টি ‘ব্রোকেন অ্যারো’ ঘটনার মধ্যে এখনো পর্যন্ত অন্তত ছয়টি পারমাণবিক ওয়ারহেডের হদিস পাওয়া যায়নি।</p>
<p>এ ধরনের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনার একটি ঘটে ১৯৫৮ সালে। ওই বছর টাইবি দ্বীপের কাছে আকাশে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষ হয়। একটি বি-৪৭ স্ট্রাটোজেট বোমারু বিমান তখন একটি সম্পূর্ণ সশস্ত্র মার্ক-১৫ পারমাণবিক বোমা বহন করছিল। সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। বিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পাইলট আশঙ্কা করেন, বোমাটি বিস্ফোরিত হতে পারে। ফলে তিনি জরুরি সিদ্ধান্ত নিয়ে জর্জিয়ার উপকূলের কাছে ওয়াসাউ সাউন্ডের পানিতে বোমাটি ফেলে দেন।</p>
<p>প্রায় ৭ হাজার ৬০০ পাউন্ড ওজনের এই মার্ক-১৫ হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ ক্ষমতা ছিল প্রায় ৩ দশমিক ৮ মেগাটন। তুলনা করলে দেখা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলায় ব্যবহৃত ফ্যাট ম্যানের চেয়ে এটি প্রায় ১৯০ গুণ বেশি শক্তিশালী ছিল।</p>
<p>দুর্ঘটনার পর বহুবার অনুসন্ধান চালানো হলেও ওই পারমাণবিক বোমাটি আজ পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি। ফলে এটি এখনো যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া পারমাণবিক অস্ত্রগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>
<p>মার্কিন বিমানবাহিনী জনসাধারণকে জানিয়েছিল, বোমার প্লুটোনিয়াম ওয়ারহেডটি উড্ডয়নের আগেই সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং সিসার বিকল্প দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। তবে, কয়েক দশক পর ১৯৯৪ সালে, ১৯৬৬ সালের কংগ্রেসনাল সাক্ষ্য থেকে প্রকাশিত নথিগুলো প্রকাশ করে যে, টাইবি মার্ক ১৫ আসলে একটি অক্ষত পারমাণবিক অস্ত্র ছিল।</p>
<p>১৯৬৬ সালে, দুটি মার্কিন সামরিক বিমানের সংঘর্ষের পর ভূমধ্যসাগরে একটি বি-২৬ থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা হারিয়ে যায় এবং এর ওয়ারহেড এখনো নিখোঁজ।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%af/">যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া ৬টি পারমাণবিক বোমা কোথায়?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মোজতাবা খামেনি: ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের নতুন সর্বোচ্চ নেতা</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[সম্পাদকীয় টিম |  সূত্র: আলজাজিরা, এনপিআর, এনবিসি নিউজ, সিবিএস নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 10 Mar 2026 01:19:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[ইরান]]></category>
		<category><![CDATA[মোজতাবা খামেনি]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14116</guid>

					<description><![CDATA[<p>তেহরান, ৮ মার্চ ২০২৬। ইরানের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বিশেষজ্ঞ পরিষদ ৫৬ বছর বয়সী মোজতাবা খামেনিকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের তৃতীয় সর্বোচ্চ [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa/">মোজতাবা খামেনি: ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের নতুন সর্বোচ্চ নেতা</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>তেহরান, ৮ মার্চ ২০২৬। ইরানের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বিশেষজ্ঞ পরিষদ ৫৬ বছর বয়সী মোজতাবা খামেনিকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করেছে। তাঁর পিতা, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ বিমান হামলায় নিহত হওয়ার মাত্র আট দিন পর এই ঘোষণা এলো। এর মধ্য দিয়ে ইরানে এক পারিবারিক উত্তরাধিকারের নতুন অধ্যায় শুরু হলো, যা ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে একেবারেই নজিরবিহীন।</p>
<h2>কীভাবে হলো এই নির্বাচন?</h2>
<p>ইরানের সংবিধানের ১১১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সর্বোচ্চ নেতার পদ শূন্য হলে একটি অন্তর্বর্তীকালীন তিন সদস্যের নেতৃত্ব পরিষদ ক্ষমতা গ্রহণ করে। ১ মার্চ থেকে এই পরিষদ কার্যকর ছিল, যেখানে ছিলেন অভিভাবক পরিষদের প্রধান আলিরেজা আরাফি, প্রধান বিচারপতি গোলাম-হোসেইন মোহসেনি-এজেই, এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তবে ৮৮ জন শিয়া আলেম সমন্বয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ পরিষদ সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের একমাত্র সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ হিসেবে দ্রুত সংখ্যাগরিষ্ঠতায় মতৈক্যে পৌঁছায় এবং মোজতাবা খামেনির নাম ঘোষণা করে।</p>
<p>আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞ পরিষদের এক সদস্য ঘোষণার আগে বলেন: &#8216;ইমাম খোমেইনির পথ ও শহিদ ইমাম খামেনির পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। খামেনির নাম অব্যাহত থাকবে।&#8217; এই মন্তব্য পরিষ্কার করে দেয় যে শাসনকাঠামো ধারাবাহিকতা ও কঠোর অবস্থান বজায় রাখার পথ বেছে নিয়েছে।</p>
<h2>কে এই মোজতাবা খামেনি?</h2>
<p>মোজতাবা হোসেইনি খামেনি ১৯৬৯ সালে উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র শিয়া শহর মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আলি খামেনির ছয় সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয়। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর পরিবারটি তেহরানে চলে আসে। তেহরানের অভিজাত আলাভি হাই স্কুলে পড়াশোনা শেষে তিনি ইরান-ইরাক যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে (যুদ্ধ শেষ হয় ১৯৮৮ সালে) রেভোলিউশনারি গার্ডে সামরিক প্রশিক্ষণ নেন এবং সেখানে ভবিষ্যতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলেন।</p>
<p>১৯৮৯ সালে তাঁর পিতা সর্বোচ্চ নেতা হলে মোজতাবা কার্যত তাঁর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগী হয়ে ওঠেন। দীর্ঘ বছর ধরে তিনি কোম সেমিনারিতে পাঠদান করেছেন এবং আইআরজিসির সাথে তাঁর সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। এনপিআর-এর বিশ্লেষণে ইরান বিশেষজ্ঞ আফশন ওস্তোভার বলেছেন, &#8216;সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের মধ্যে তিনিই আইআরজিসির সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তাঁর পিতার দফতরেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী।&#8217;</p>
<p>তাঁর বিশেষত্ব হলো তিনি কখনো নির্বাচিত পদে থাকেননি, কোনো প্রকাশ্য ভাষণ দেননি এবং জনসমক্ষে তাঁর উপস্থিতি ছিল একেবারে ন্যূনতম। তবুও মার্কিন কূটনৈতিক তারবার্তা, যা উইকিলিকসে প্রকাশিত হয়, তাঁকে &#8216;পোশাকের পেছনের ক্ষমতা&#8217; হিসেবে অভিহিত করেছিল। সিবিএস নিউজ জানায়, ২০০৯ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর থেকে তাঁর প্রভাব ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।</p>
<h2>উত্তরাধিকারের রাজনৈতিক পটভূমি</h2>
<p>২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় আলি খামেনিসহ আরও প্রায় ৪০ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নিহত হন। এই হামলায় মোজতাবার স্ত্রী, মা, বোন ও ভায়রাও প্রাণ হারান বলে ইরানীয় রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়। ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডির মাঝে তিনি ইরানের ৪৭ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে জটিল পরিস্থিতিতে নেতৃত্বের ভার তুলে নিচ্ছেন।</p>
<p>আলজাজিরার সিনিয়র সংবাদদাতা আলি হাশেম মোজতাবাকে &#8216;পিতার দরজার পাহারাদার&#8217; বলে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: &#8216;তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিষয়ে তাঁর পিতার অবস্থানই গ্রহণ করেন। তাই আমরা একজন সংঘাতমুখী নেতাকেই প্রত্যাশা করব। কোনো নমনীয়তার প্রত্যাশা করা সম্ভব নয়।&#8217; তবে হাশেম এও বলেন, যদি এই যুদ্ধ শেষ হয় এবং তিনি দেশ পরিচালনা অব্যাহত রাখতে পারেন, তাহলে ইরানের জন্য নতুন পথ খোঁজার বড় সুযোগ তৈরি হতে পারে।</p>
<h2>আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া</h2>
<p>আন্তর্জাতিক মহলে এই নিয়োগ তীব্র বিভক্তি তৈরি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবিসি নিউজকে বলেছেন: &#8216;যদি আমাদের কাছ থেকে অনুমোদন না পান তবে তিনি বেশিদিন টিকবেন না।&#8217; মার্কিন সিনেটর লিন্ডসি গ্রাহাম নতুন নেতাকে &#8216;আমরা যে পরিবর্তন চাই তা নয়&#8217; বলে মন্তব্য করেছেন।</p>
<p>বিপরীতে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মোজতাবার নিয়োগকে &#8216;অটল&#8217; সমর্থন দিয়েছেন এবং চীন নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর যেকোনো প্রচেষ্টার বিরোধিতা করেছে বলে আলজাজিরা জানিয়েছে। আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ নতুন নেতাকে অভিনন্দন জানিয়ে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক &#8216;পারস্পরিক সম্মান ও আস্থার ভিত্তিতে&#8217; জোরদার করার আশা ব্যক্ত করেছেন।</p>
<p>ইরানের নিজস্ব নেতারাও দলবদ্ধভাবে নতুন সর্বোচ্চ নেতার পাশে দাঁড়িয়েছেন। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান এই নিয়োগকে একটি নতুন যুগের সূচনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। পার্লামেন্ট স্পিকার গালিবাফ বলেছেন, নতুন নেতাকে অনুসরণ করা একটি &#8216;ধর্মীয় ও জাতীয় দায়িত্ব&#8217;। এক্সপিডিয়েন্সি কাউন্সিলের প্রধান সাদিক লারিজানি বলেছেন, এই নিয়োগ ইমাম খোমেইনির পথ অনুসরণের প্রতিশ্রুতি পুনর্নিশ্চিত করে।</p>
<h2>ধর্মীয় বৈধতার প্রশ্ন</h2>
<p>মোজতাবার উত্থান নিয়ে ইরানের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আগে থেকেই উদ্বেগ ছিল। কারণ সর্বোচ্চ নেতার পদে ব্যাপক ধর্মীয় জ্ঞান ও যোগ্যতার প্রয়োজন হয়, যা তাঁর পিতার মতো প্রতিষ্ঠিত ছিল না। সিবিএস নিউজের বিশ্লেষণ বলছে, তাঁর কর্তৃত্ব মূলত ধর্মীয় মর্যাদার চেয়ে ক্ষমতার নিকটতা থেকেই উদ্ভূত হয়েছে। তবে এমন একটি সংকটময় মুহূর্তে, যখন দেশ সক্রিয় যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে, শাসক অভিজাত শ্রেণি স্থিতিশীলতার জন্য তাঁকেই বেছে নিয়েছে।</p>
<p>আর এই নিয়োগ ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে অভূতপূর্ব একটি মাইলফলক: ১৯৭৯ সালে যে বিপ্লব রাজতন্ত্রকে উৎখাত করেছিল, সেই রাজতন্ত্রের মতোই এখন ক্ষমতা পিতা থেকে পুত্রে হস্তান্তরিত হলো। লন্ডনের চ্যাথাম হাউস থিঙ্কট্যাঙ্কের গবেষক আনিসেহ বাসিরি তাবরিজি বলেছেন, এই নিয়োগের বার্তা স্পষ্ট: &#8216;কিছুই পরিবর্তন হবে না।&#8217;</p>
<h2>ইরান ও বিশ্বের সামনে কী আছে?</h2>
<p>মোজতাবা খামেনি এমন এক সময়ে দায়িত্ব নিলেন যখন ইরান তার ৪৭ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সংকটের মুখোমুখি। সক্রিয় যুদ্ধ, পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলা, এবং তেল রফতানিতে মারাত্মক ব্যাঘাত — এই তিনটি চ্যালেঞ্জ একই সাথে মোকাবেলা করতে হবে তাঁকে। বৈশ্বিক তেলের বাজারে ইতিমধ্যে এর প্রভাব পড়েছে, ব্যারেলপ্রতি দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।</p>
<p>মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সন্ত্রাস দমন কর্মকর্তা জাভেদ আলি বলেছেন, একজন নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করা একটি সংকেত যে শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়েনি। তবে পরিবর্তন ছাড়া নেতৃত্বের উত্তরাধিকার মানে শাসনের প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষমতার &#8216;লৌহ দখল&#8217; ধরে রাখবেই। ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনার কোনো ইঙ্গিত এখনো নেই। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন দেশের &#8216;জনগণের স্বার্থে যুদ্ধ অব্যাহত রাখা দরকার&#8217;।</p>
<p><em>মোজতাবা</em> <em>খামেনির</em> <em>অভিষেক</em> <em>শুধু</em> <em>একটি</em> <em>নেতৃত্ব</em> <em>পরিবর্তন</em> <em>নয়</em><em>, </em><em>এটি</em> <em>ইসলামিক</em> <em>প্রজাতন্ত্রের</em> <em>অস্তিত্বের</em> <em>লড়াইয়ের</em> <em>নতুন</em> <em>পর্যায়</em><em>।</em> <em>পর্দার</em> <em>আড়ালে</em> <em>থাকা</em> <em>এই</em> <em>ক্ষমতাবান</em> <em>ব্যক্তি</em> <em>এখন</em> <em>বিশ্বের</em> <em>সবচেয়ে</em> <em>উত্তেজনাপূর্ণ</em> <em>ভূ</em><em>&#8211;</em><em>রাজনৈতিক</em> <em>মঞ্চের</em> <em>কেন্দ্রে</em><em>।</em> <em>তাঁর</em> <em>প্রতিটি</em> <em>পদক্ষেপ</em> <em>শুধু</em> <em>ইরান</em> <em>নয়</em><em>, </em><em>পুরো</em> <em>মধ্যপ্রাচ্য</em> <em>ও</em> <em>বৈশ্বিক</em> <em>তেল</em> <em>বাজারকে</em> <em>প্রভাবিত</em> <em>করবে</em><em>।</em></p>
<p><strong>তথ্যসূত্র</strong><strong>: </strong>Al Jazeera (৮ মার্চ ২০২৬), NPR, NBC News, CBS News, Wikipedia (2026 Iranian Supreme Leader election)</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa/">মোজতাবা খামেনি: ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের নতুন সর্বোচ্চ নেতা</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পুতিনের ভূখণ্ড ছাড়ের প্রস্তাবে রাজি ট্রাম্প</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%96%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Aug 2025 01:11:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্বজুড়ে]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14031</guid>

					<description><![CDATA[<p>অবশেষে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ‘ভূখণ্ড ছাড়’ প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় পুতিনের সঙ্গে তিন [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%96%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d/">পুতিনের ভূখণ্ড ছাড়ের প্রস্তাবে রাজি ট্রাম্প</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>অবশেষে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ‘ভূখণ্ড ছাড়’ প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় পুতিনের সঙ্গে তিন ঘণ্টা বৈঠকের পর ফক্স নিউজের জনপ্রিয় টক শো শন হ্যানিটিতে এ কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প।</p>
<p>তিনি বলেছেন, পুতিনের সঙ্গে আমি একমত যে রাশিয়ার কাছে ইউক্রেনের কিছু ভূখণ্ড তুলে দিলে এ যুদ্ধের অবসান হবে। ইউক্রেনকেও এতে রাজি হতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।</p>
<p>এদিকে ট্রাম্প-পুতিনের বৈঠক নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের এক দম্পতি ওলেনা ও ইউরি রোমানচেঙ্কো। এই বৈঠক যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক লজ্জা বলেই অভিহিত করেছেন তারা। সিএনএন, রয়টার্স।</p>
<p>ইউরি রোমানচেঙ্কো বলেছেন, ‘এই বৈঠক আসলে পুতিনের জন্যই হয়েছে। তাকে দেখানো হয়েছে যে তিনি আবারও বিশ্বমঞ্চে ফিরেছেন। আর তাকে লালগালিচা দিয়ে স্বাগত জানানো হয়েছে।’</p>
<p>ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের ইনডিপেনডেন্স স্কোয়ারে দাঁড়িয়ে তিনি আরও বলেছেন, ‘আমেরিকানদের জন্য আমি লজ্জিত। তারা প্রথম দিন থেকেই আমাদের সাহায্য করেছে, আমাদের নিয়ে গর্ব করেছে। কিন্তু তারা নিজেদের জন্য এমন এক প্রেসিডেন্ট পেয়েছে যিনি পুতিনের সামনে দাঁড়াতে ভয় পান।</p>
<p>অন্যদের সামনে শক্তি দেখালেও, পুতিনের সামনে তিনি দুর্বল।’ ইউক্রেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর খারকিভের বাসিন্দারা ট্রাম্প ও পুতিনের যৌথ সংবাদ সম্মেলনের জন্য সারা রাত জেগে অপেক্ষা করছিলেন।</p>
<p>৩৮ বছর বয়সি থিয়েটার ম্যানেজার নেব্রোয়েভ বলেছেন, ‘আমি প্রত্যাশিত ফলই দেখেছি। এটা পুতিনের জন্য এক বিশাল কূটনৈতিক বিজয়। তিনি সম্পূর্ণভ্লাবে নিজেকে বৈধতা দিতে সক্ষম হয়েছেন।’</p>
<p>তিনি আরও বলেছেন, ‘এটা ছিল অর্থহীন এক বৈঠক। সময়ের অপচয়। ইউক্রেন-সংক্রান্ত যে কোনো ইস্যু ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের অংশগ্রহণেই সমাধান করতে হবে।’</p>
<p>৫০ বছর বয়সি ফটোগ্রাফার ইরিনা দেরকাচ বলেছেন, ‘আলোচনা হোক বা না হোক, খারকিভ প্রায় প্রতিদিনই গোলাবর্ষণের শিকার হচ্ছে। আমাদের শহরে কোনো পরিবর্তন হয়নি।’</p>
<p>এক মিনিটের নীরবতায় শহীদদের স্মরণ শেষে ইরিনা বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি জয় আসবে, তবে তা কে এনে দেবে সেটা শুধু সৃষ্টিকর্তাই জানেন। আমরা আশা হারাই না, আমরা দান করি, সাহায্য করি যতটা পারি। আমরা আমাদের কাজ করে যাই এবং ট্রাম্প কী করছেন তা নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামাই না।’ উলে­খ্য, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের ইনডিপেনডেন্স স্কোয়ার এখন যুদ্ধাহত পরিবারগুলোর স্মৃতির স্থান।</p>
<p>এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে এমন নিরাপত্তা নিশ্চয়তার প্রস্তাব দিয়েছে, যা ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর মতো, তবে ন্যাটো থেকে আলাদা।</p>
<p>ইতালির প্রধানমন্ত্রী ও এক কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে শনিবার হওয়া এক ফোনালাপে এই প্রস্তাবটি এসেছে।</p>
<p>ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তার অংশ হিসাবে মার্কিনপক্ষ ন্যাটোর অনুরূপ অনুচ্ছেদ-৫ ধাঁচের নিশ্চয়তার প্রস্তাব দিয়েছে। যাতে রুশ নেতা ভ্লাদিমির পুতিনও সম্মত হয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%96%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d/">পুতিনের ভূখণ্ড ছাড়ের প্রস্তাবে রাজি ট্রাম্প</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ফিলিস্তিনের ‘নেলসন ম্যান্ডেলা’</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/feature/%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Aug 2025 01:03:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<category><![CDATA[বিবিধ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[নেলসন মেন্ডেলা]]></category>
		<category><![CDATA[ফিলিস্তিন]]></category>
		<category><![CDATA[মারওয়ান বারগুতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14024</guid>

					<description><![CDATA[<p>ফিলিস্তিনের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সিনিয়র নেতা মারওয়ান বারগুতি। ফিলিস্তিনিদের কাছে ‘নেলসন ম্যান্ডেলা’ নামেই বেশি পরিচিত। ২০০২ সালের এপ্রিল মাসে ইসরাইলি [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/feature/%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1/">ফিলিস্তিনের ‘নেলসন ম্যান্ডেলা’</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ফিলিস্তিনের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সিনিয়র নেতা মারওয়ান বারগুতি। ফিলিস্তিনিদের কাছে ‘নেলসন ম্যান্ডেলা’ নামেই বেশি পরিচিত। ২০০২ সালের এপ্রিল মাসে ইসরাইলি সেনাদের হাতে ধরা পড়েন এই নেতা। সেই থেকে আজ পর্যন্ত টানা ২৩ বছর তিনি কারাগারের লোহার শেকলেই বাঁধা। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দিনের আলো দেখেননি মুক্তভাবে, পরিবারের স্পর্শ থেকেও বহু দূরে। হয়েছেন চরম নির্যাতনের শিকার। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, এত বছরের বন্দিত্ব বারগুতিকে ভাঙতে পারেনি। বরং আরও দৃঢ় ও অটল করে তুলেছে।</p>
<p>অন্ধকার সেলে বসেই গোপনে লিখেছেন বই, ডাক দিয়েছেন হাজারও বন্দির অনশন ধর্মঘটের, আর কোটি ফিলিস্তিনির হৃদয়ে প্রজ্বলিত করেছেন প্রতিরোধের অমর প্রদীপ। দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের মহানায়ক নেলসন ম্যান্ডেলার মতোই বারগুতিও হয়ে উঠেছেন স্বাধীনতার জীবন্ত প্রতীক। আলজাজিরা, বিবিসি।</p>
<p>বহু বছর পর শুক্রবার প্রথমবারের মতো বারগুতির একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। যেখানে দেখা গেছে, ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির তার সেলে ঢুকে তাকে হুমকি দিচ্ছেন। ভিডিওতে দেখা গেছে, ফ্যাকাশে ও দুর্বল শরীরে সাদা টি-শার্ট পরে বসে আছেন বারগুতি। প্রহরী ও ক্যামেরায় ঘেরা অবস্থায় মন্ত্রী বেন-গভির তাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘তোমরা আমাদের পরাজিত করতে পারবে না। যে-ই ইসরাইলের জনগণকে নিশানা করবে এবং আমাদের সন্তান ও নারীদের হত্যা করবে, তাকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে।’</p>
<h4>শৈশব ও রাজনৈতিক যাত্রা</h4>
<p>১৯৫৯ সালের ৬ জুন রামাল্লার কোবার গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন বারগুতি। সে বছরই প্রতিষ্ঠিত হয় ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদী এবং সামজিক গণতান্ত্রিক দল ফাতাহ। ১৯৭৪ সালে এ দলে যোগ দেন তিনি। এক সশস্ত্র সংগঠনের সদস্য হওয়ার দায়ে ১৯৭৮ সালে প্রথমবার কারাগারে যান। টানা চার বছর কারাভোগের সময় তিনি ইংরেজি ও হিব্রু শেখেন। পড়াশোনা অনেকটা এগিয়ে নেন সেখানেই। পরে ১৯৮৩ সালে মুক্তি পেয়ে বিরজেইত বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়াশোনা শুরু করেন। এ সময় আইনজীবী ফাদওয়া ইব্রাহিমের সঙ্গে পরিচয় হয়। যাকে তিনি ১৯৮৪ সালে বিয়ে করেন। ১৯৮৭ সালে প্রথম ইন্তিফাদায় (ফিলিস্তিনি গণআন্দোলন) নেতৃত্ব দিয়ে ফিলিস্তিনে ও ফাতাহর ভেতরে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তবে সে বছরই তাকে জর্ডানে নির্বাসিত করা হয়। সাত বছর পর, ১৯৯৪ সালে অসলো চুক্তির মাধ্যমে তিনি ফিরে আসেন। ১৯৯৬ সালে ফিলিস্তিনি আইন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।</p>
<h4>দ্বিতীয় ইন্তিফাদা ও গ্রেফতার</h4>
<p>২০০০ সালের সেপ্টেম্বরে দ্বিতীয় ইন্তিফাদা শুরু হলে, ফাতাহর সশস্ত্র শাখা তানজিমের নেতা হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বারগুতি। তখন থেকে ইসরাইলের কাছে ‘ওয়ান্টেড’ হয়ে ওঠেন তিনি। প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাম্প ডেভিডে মধ্যপ্রাচ্য শান্তি সম্মেলন ভেঙে যাওয়ার পর শুরু হয় এই আন্দোলন। ২০০২ সালের জানুয়ারিতে তিনি দ্য ওয়াশিংটন পোস্টে একটি মতামত নিবন্ধ লিখে ফিলিস্তিনি রাজনীতিতে তার শক্ত অবস্থান জানান দেন। এর মাত্র তিন মাস পরেই তাকে খুঁজে বের করে গ্রেফতার করা হয়। ২০০৪ সালের মে মাসে তাকে পাঁচটি হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং পাঁচটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বারগুতি।</p>
<h4>কারাগারে নির্মমতার শিকার</h4>
<p>ইসরাইলের কারাগারে বন্দি বারগুতিকে নির্মমভাবে আঘাত করা হয়েছে, এমন অভিযোগ করেছে ফিলিস্তিনি বন্দি সহায়তাকারী সংস্থাগুলো। গত বছর ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স সোসাইটি এবং কমিশন ফর ডিটেইনিস অ্যান্ড এক্স-ডিটেইনিস অ্যাফেয়ার্স এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরাইলের মেগিদ্দো কারাগারে বন্দি থাকাকালীন বারগুতিকে লাঞ্চিত করা হয়। তার ওপর হামলাও করা হয়। এতে তার দেহে গুরুত্বর চোট লাগে। বারগুতির মাথা, কান, পাঁজর, ডান হাতে ও পিঠে আঘাত লেগেছে বলে বিবৃতিতে বলা হয়।</p>
<h4>ফিলিস্তিনের ম্যান্ডেলা</h4>
<p>ইতিহাস ও জীবনী পড়তে ভালোবাসেন বারগুতি। কারাগারে থেকেও তিনি বই পড়েন। যার মধ্যে রয়েছে ব্রিটিশ লেখক অ্যান্থনি স্যাম্পসনের লেখা নেলসন ম্যান্ডেলার জীবনী। কারাগারে থাকাকালীন ২৫৫ পৃষ্ঠার একটি বই লিখেছিলেন তিনি। যা গোপনে তার আইনজীবী ও পরিবারের মাধ্যমে বাইরে পাঠানো হয়। বইটিতে তিনি কারাগারের অভিজ্ঞতা বিস্তারিত তুলে ধরেন। তীব্র নির্যাতনের শিকার হয়েও ভেঙে পড়েননি বারগুতি। নেলসন ম্যান্ডেলা যেমন ২৭ বছর কারাবাসে থেকেও তার নেতৃত্বে অটল ছিলেন ঠিক তেমনিভাবে অটল আছেন বারগুতিও।</p>
<h4>রাজনৈতিক উত্তরাধিকার</h4>
<p>বর্তমান ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের উত্তরসূরি হিসাবে বারগুতিকে অনেকেই সম্ভাব্য নেতা মনে করেন। ২০২৩ সালে ফিলিস্তিনি সেন্টার ফর পলিসি অ্যান্ড সার্ভে রিসার্চের এক জরিপে দেখা গেছে, নির্বাচনে দাঁড়ালে বারগুতি আব্বাসকে সহজেই পরাজিত করতে পারেন। জরিপে প্রায় অর্ধেক মানুষ বারগুতিকে ভোট দিতে আগ্রহী বলে জানায়। আজও বারগুতি কারাগারে বন্দি। কিন্তু তার জনপ্রিয়তা তাকে করে তুলেছে ফিলিস্তিনি সংগ্রামের জীবন্ত কিংবদন্তি।</p>
<p>কিছু বিশ্লেষক ও চলচ্চিত্র নির্মাতারা মনে করেন, বারগুতির মুক্তি ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য আশা এবং গাজা ও পশ্চিম তীরের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। মার্কিন সংগীতশিল্পী সোফিয়া স্কট বলেছেন, ‘আমি মনে করি, বারগুতি কোনো হুমকি নন বরং তিনি ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনি জনগণের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সংযোগ স্থাপন করতে পারেন।’</p>
<p>ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স সোসাইটির প্রধান রায়েদ এমার নিউজউইককে বলেছেন, ‘বারগুতি ফিলিস্তিনি জনগণের মধ্যে শান্তি ও স্বাধীনতার চেতনাকে জীবন্ত রাখেন। তার মুক্তি ফিলিস্তিনের রাজপথে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।’</p>
<p>ইসরাইলের সংবাদপত্র হারেৎজের সাংবাদিক গিদেওন লেভি বলেছেন, ‘বারগুতি হত্যা করার জন্য জন্ম নেননি। তিনি হিংস্র নন। কিন্তু ইসরাইল তাকে এবং পুরো ফিলিস্তিনি জনগণকে চাপ প্রয়োগ করছে।’</p>
<p>২০১৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার আর্চবিশপ ও ১৯৮৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী দেশমন্ড টুটু বারগুতিকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেন।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/feature/%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1/">ফিলিস্তিনের ‘নেলসন ম্যান্ডেলা’</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইরানের যে ১০ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে হত্যা করেছে ইসরাইল</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%a6-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 14 Jun 2025 03:18:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বজুড়ে]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=13980</guid>

					<description><![CDATA[<p>ইরানের সামরিক এবং পরমাণু স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। শুক্রবার (১৩ জুন) ভোরে চালানো এই হামলায় ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%a6-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d/">ইরানের যে ১০ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে হত্যা করেছে ইসরাইল</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ইরানের সামরিক এবং পরমাণু স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। শুক্রবার (১৩ জুন) ভোরে চালানো এই হামলায় ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক কর্মসূচির শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এই হামলার ফলে ইরানের প্রতিরক্ষা কাঠামো ও পরমাণু কর্মসূচি বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।</p>
<div class="adDiv w320 hidden-print adContainer1">
<div class="marginB30">
<div class="pg-ad-label"><span style="font-size: 16px;">নিচে শুক্রবারের হামলায় নিহত ১০ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নাম ও তাদের ভূমিকা তুলে ধরা হলো—</span></div>
</div>
</div>
<p><b>সেনাপ্রধান মোহাম্মদ বাঘেরি</b></p>
<p>ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ ও সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির পরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক কমান্ডার ছিলেন মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরি। তিনি ইরানের প্রতিরক্ষা নীতিমালার কেন্দ্রে ছিলেন এবং অভ্যন্তরীণ ও বহিঃশত্রুর মোকাবিলায় মুখ্য ভূমিকা পালন করতেন।</p>
<p><b>জেনারেল হোসেইন সালামি</b></p>
<p>ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) প্রধান কমান্ডার। এই বাহিনী ইরানের প্রধান সামরিক শক্তি হিসেবে বিবেচিত এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা থেকে শুরু করে আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারে অত্যন্ত সক্রিয়।</p>
<p><b>ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির আলি হাজিজাদেহ</b></p>
<p>আইআরজিসির বিমানবাহিনীর কমান্ডার। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার নেতৃত্বে ছিলেন তিনি।</p>
<p><b>জেনারেল গোলাম আলি রাশিদ</b></p>
<p>সশস্ত্র বাহিনীর উপসর্বাধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। প্রতিরক্ষা কৌশল ও সামরিক পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তাঁর।</p>
<p><b>ফেরেইদুন আব্বাসি</b></p>
<p>ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (এইওআই) সাবেক প্রধান ও পরমাণু পদার্থবিদ্যায় পিএইচডি ডিগ্রিধারী। ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p><b>মোহাম্মদ মেহদি তেহরানচি</b></p>
<p>ইসলামিক আজাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রেসিডেন্ট। তিনি আগে শাহিদ বেহেশতি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের একজন খ্যাতনামা অধ্যাপক।</p>
<p><b>আবদুল হামিদ মিনুচেহর</b></p>
<p>পারমাণবিক প্রকৌশলে পিএইচডি ডিগ্রিধারী, শাহিদ বেহেশতি বিশ্ববিদ্যালয়ের পারমাণবিক প্রকৌশল অনুষদের ডিন ছিলেন। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর দক্ষতা ও নিরাপত্তা বাড়াতে গবেষণা করতেন।</p>
<p><b>আহমদ রেজা জুলফাঘারি</b></p>
<p>শাহিদ বেহেশতি বিশ্ববিদ্যালয়ের পারমাণবিক প্রকৌশলের অধ্যাপক। তার গবেষণা মূলত জ্বালানি চক্র ও বিকিরণ নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীভূত ছিল।</p>
<p><b>আমির হোসেইন ফাঘিহি</b></p>
<p>শাহিদ বেহেশতি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদের সদস্য এবং পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (এইওআই) সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।</p>
<p><b>মোতাল্লেবজাদেহ</b></p>
<p>একজন পরমাণুবিজ্ঞানী, যিনি তার স্ত্রীসহ হামলায় নিহত হয়েছেন। তিনি একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর গবেষণা প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%a6-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d/">ইরানের যে ১০ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে হত্যা করেছে ইসরাইল</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বন্দীরাও পাবেন সঙ্গমের সুযোগ; জেলখানায় বিশেষ কক্ষ চালু</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 21 Apr 2025 17:49:40 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<category><![CDATA[ইতালি]]></category>
		<category><![CDATA[কারাগার]]></category>
		<category><![CDATA[সেক্সরুম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=13959</guid>

					<description><![CDATA[<p>ইতালি প্রথমবারের মতো কারাবন্দিদের জন্য একটি বিশেষ ঘনিষ্ঠ সাক্ষাৎকক্ষ চালু করেছে। আদালতের এক রায়ে বলা হয়েছে, বন্দিদেরও ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8/">বন্দীরাও পাবেন সঙ্গমের সুযোগ; জেলখানায় বিশেষ কক্ষ চালু</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p class="" data-start="99" data-end="261">ইতালি প্রথমবারের মতো কারাবন্দিদের জন্য একটি বিশেষ ঘনিষ্ঠ সাক্ষাৎকক্ষ চালু করেছে। আদালতের এক রায়ে বলা হয়েছে, বন্দিদেরও ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ সময় কাটানোর অধিকার রয়েছে।</p>
<p class="" data-start="263" data-end="489">এই নতুন কক্ষটি তৈরি হয়েছে উম্ব্রিয়া অঞ্চলের টেরনি শহরের একটি কারাগারে। সেখানে এক বন্দির নারী সঙ্গীকে কক্ষে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। এই ঘরটিতে একটি বিছানা ও টয়লেট রয়েছে, এবং তারা একসাথে নির্জনে দুই ঘণ্টা সময় কাটানোর সুযোগ পায়।</p>
<p class="" data-start="491" data-end="751">এই উদ্যোগ সফল হওয়ায়, কর্তৃপক্ষ আরও এই ধরনের সাক্ষাতের আয়োজন করার পরিকল্পনা করছে।<br data-start="571" data-end="574" />উম্ব্রিয়ার বন্দি অধিকার সংরক্ষণকারী জুসেপ্পে কাফোরিও বলেন, “আমরা খুশি, কারণ সবকিছু শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে। তবে এটি গুরুত্বপূর্ণ যে, যারা অংশ নিচ্ছে তাদের গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়।”</p>
<p class="" data-start="753" data-end="937">২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ইতালির আদালত রায় দিয়েছিল, বন্দিদের ঘনিষ্ঠ সাক্ষাতের সুযোগ দিতে হবে। তাদের জন্য এমন একটি কক্ষ থাকতে হবে, যা তালাবদ্ধ থাকবে না এবং যেখানে প্রহরীরা উপস্থিত থাকবে না।</p>
<p class="" data-start="939" data-end="1040">ইউরোপের অনেক দেশ যেমন—ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেন, নেদারল্যান্ডস ও সুইডেনে এই ধরনের সুযোগ আগে থেকেই আছে।</p>
<p class="" data-start="1042" data-end="1196">গত বছর ইতালির পার্লামেন্ট একটি আইন পাশ করে কারাগারের পরিবেশ উন্নত করতে, কারণ সেখানকার অনেক কারাগার অতিরিক্ত বন্দিতে ভরে গেছে এবং আত্মহত্যার হার বেড়ে গেছে।</p>
<p class="" data-start="1198" data-end="1226"><strong data-start="1198" data-end="1226" data-is-last-node="">তথ্যসূত্র: পোস্ট ওয়্যারস</strong></p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8/">বন্দীরাও পাবেন সঙ্গমের সুযোগ; জেলখানায় বিশেষ কক্ষ চালু</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কেন মার্কিন ভূখণ্ড বাড়াতে চান ট্রাম্প?</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%96%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 25 Dec 2024 01:13:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্বজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>
		<category><![CDATA[ট্রাম্প]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=13909</guid>

					<description><![CDATA[<p>আগামী ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে কি এর আগেই বেশ গুরুত্ব নিয়েই মার্কিন ভূখণ্ড বাড়ানোর [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%96%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be/">কেন মার্কিন ভূখণ্ড বাড়াতে চান ট্রাম্প?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে কি এর আগেই বেশ গুরুত্ব নিয়েই মার্কিন ভূখণ্ড বাড়ানোর কথা ভাবছেন তিনি? এমন প্রশ্নই ঘুরছে বিশেষজ্ঞ মহলে। কখনো কথার ছলে খোঁচা দিয়ে কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এক হওয়ার কথা বলছেন, কখনো আবার পানামা খাল নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করছেন। কিনতে চাচ্ছেন বিশ্বের বড় দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডও।</p>
<p>মঙ্গলবার সিএনএনসহ একাধিক পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, পানামা খাল নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশের পরই গ্রিনল্যান্ড নিয়েও একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন ট্রাম্প। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষেত্রে কোনটি প্রকৃত অর্থে নীতিমালা সংক্রান্ত প্রস্তাব, কোনটি গণমাধ্যমের নজর কেড়ে নেওয়ার উদ্যোগ বা ভক্ত-সমর্থকদের চাঙ্গা করার কৌশলগত বক্তব্য তা বুঝে ওঠা বেশ কঠিন।</p>
<p>গত সপ্তাহে ট্রাম্প কানাডার কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিবেশীকে ৫১তম অঙ্গরাজ্যে পরিণত করে নিতে পারে। এর কিছু দিন পরই পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে নেওয়ারও হুমকি দিয়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্র এই খাল তৈরি করলেও প্রায় ২৫ বছর ধরে এর নিয়ন্ত্রণ মধ্য আমেরিকার দেশ পানামার হাতেই।</p>
<p>রোববার ট্রাম্প ডেনমার্কের তত্ত্বাবধানে স্বশাসিত দ্বীপরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন। ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার খাতিরে গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম মেয়াদেও তিনি এমন ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।</p>
<p>তিনি আরও জানিয়েছেন, কিছু মাদক ব্যবসায়ী চক্রকে তিনি বিদেশি জঙ্গি সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে আগ্রহী। এই উদ্যোগ নিলে মেক্সিকোর ভূখণ্ডে সামরিক বাহিনী পাঠানোর পথ সুগম হতে পারে। ট্রাম্প মাদক চক্রের নেতাদের নির্মূল করতে বিশেষ বাহিনী পাঠানো ও ফেনটানিল ল্যাবে বোমা হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন। এ ধরনের উদ্যোগে মেক্সিকোর সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন হতে পারে এবং দুই দেশের সম্পর্কে চিড় ধরতে পারে। গ্রিনল্যান্ড, কানাডা ও পানামায় মর্কিন ভূখণ্ড সম্প্রসারণের ও মেক্সিকোয় হামলা চালানোর এসব উদ্যোগ নতুন প্রশাসনের বাস্তবসম্মত ইচ্ছার প্রতিফলন কিনা এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি ট্রাম্পের ট্রানজিশন টিম।</p>
<p>ট্রাম্পের এক উপদেষ্টা নাম না প্রকাশের শর্তে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, পানামা খালের বিষয়টির সঙ্গে মার্কিন বাণিজ্যিক স্বার্থ জড়িত। পানামার ওপর চাপ দিয়ে জাহাজ চলাচলের শুল্ক কমাতে পারলে বিশেষ উপকার হতে পারে। চীন, কানাডা ও মেক্সিকোর বিরুদ্ধে ট্রাম্পের প্রস্তাবিত বাড়তি শুল্কের কারণে সার্বিকভাবে ব্যবসা পরিচালনার খরচ বাড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে পানামা খালের খরচ কমে গেলে শুল্কের ক্ষতি কমতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ক্ষমতা নিয়েই কানাডা, চীন ও মেক্সিকোর ওপর প্রচুর আমদানি শুল্ক আরোপের পরিকল্পনার কথা ইতোমধ্যে জানিয়েছেন ট্রাম্প।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%96%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be/">কেন মার্কিন ভূখণ্ড বাড়াতে চান ট্রাম্প?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সিরিয়া : বাশার আল আসাদের পতন, এরপর কী?</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Dec 2024 01:09:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বজুড়ে]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=13858</guid>

					<description><![CDATA[<p>হঠাৎ বদলে গেল সিরিয়ার ১৩ বছরের গৃহযুদ্ধের দৃশ্যপট। বিদ্রোহীদের অভিযানের মুখে দেশ ছেড়েছেন প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ। রোববার সকালে (স্থানীয় [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa/">সিরিয়া : বাশার আল আসাদের পতন, এরপর কী?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>হঠাৎ বদলে গেল সিরিয়ার ১৩ বছরের গৃহযুদ্ধের দৃশ্যপট। বিদ্রোহীদের অভিযানের মুখে দেশ ছেড়েছেন প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ। রোববার সকালে (স্থানীয় সময়) সিরিয়া এখন মুক্ত বলে ঘোষণা করেছে দেশটির বিদ্রোহীরা। এর পরপরই আনন্দ-উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে রাজধানীজুড়ে।</p>
<p>এরই মধ্যে কিছু প্রশ্ন দাগ কাটছে সবার মনে। এখন কি হবে? কি ঘটতে যাচ্ছে দেশটিতে? বিভক্ত সিরিয়ার মসনদে বসছেই বা কারা?এমন প্রশ্নই ঘুরছে বিশেষজ্ঞ মহলে। বিশ্বজুড়েও চলছে আলোচনা-সমালোচনা। যদিও সিরিয়ায় ক্ষমতার শূন্যতা কীভাবে পূরণ হবে তা এখনো অস্পষ্ট। তবে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হাতে ক্ষমতা চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকেই। বিবিসি।</p>
<p>বিবিসির মধ্যপ্রাচ্য সংবাদদাতা হুগো ব্যাচেগা লিখেছেন, প্রেসিডেন্ট আসাদের বিদায়ে বহু মানুষ খুশি। কিন্তু এরপরই একটি প্রশ্ন নিশ্চিতভাবে আসে যে এরপর কী হবে। এদিকে বিরোধী গোষ্ঠীগুলো ঐক্যবদ্ধ নয় এবং তাদের মধ্যে পূর্বের বিভেদ এবং আন্তঃকলহ রয়েছে।</p>
<p>এবারের বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিচ্ছে ইসলামপন্থি বিদ্রোহী হিসাবে পরিচিত হায়াত তাহরির আল শাম (এইচটিএস)। যাদের রুট আল-কায়েদা। বহু বছর ধরেই নিজেদের জাতীয়তাবাদী শক্তি হিসাবে পরিচিত করানোর চেষ্টা করছে দলটি। তবে অনেকেই এটা মানতে রাজি নন। অনেকের মতে গোষ্ঠীটি এখনো চরমপন্থি সহিংস একটি সংগঠন এবং সে কারণেই এরপর দেশটিতে কী ঘটতে যাচ্ছে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তারা।</p>
<p>যদিও গোষ্ঠীটির নেতা অন্যান্য সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছেন তারা তাদের মতাদর্শ চাপিয়ে দেবেন না। পর্যবেক্ষকরা বলেছেন, সিরিয়া আরও বিপর্যস্ত অবস্থায় পড়ে যেতে পারে। কারণ সেখানে বিভিন্ন গোষ্ঠী নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য একে অপরের সঙ্গে লড়াই করবে। ইতোমধ্যে অত্যন্ত অস্থিতিশীল এবং উত্তেজনাপূর্ণ অঞ্চলে এই পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক অশান্তি সৃষ্টি করতে পারে। তবে আপাতত, সিরিয়ার ভেতরে এবং বাইরে থাকা অনেক মানুষ একটি নতুন আশা নিয়ে ঐক্যবদ্ধ।</p>
<p>সিরিয়ায় আসাদ সরকারের পতন মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন এক পালাবদল এনে দিতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। সেখানে ক্ষমতার ভারসাম্যেও বদল আসবে নিশ্চিতভাবেই।</p>
<p><figure id="attachment_13860" aria-describedby="caption-attachment-13860" style="width: 728px" class="wp-caption alignnone"><a href="https://www.gnewsbd.com/files/2024/12/hafij-al-asad-syria-gnews-photo.jpg"><img fetchpriority="high" decoding="async" class="wp-image-13860 size-full" src="https://www.gnewsbd.com/files/2024/12/hafij-al-asad-syria-gnews-photo.jpg" alt="সিরিয়ার দামেস্কে একজন বিরোধী যোদ্ধা সিরিয়ার প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হাফিজ আল-আসাদের একটি ভাঙা আবক্ষ মূর্তির উপর পা দিচ্ছেন [হুসেন মাল্লা/এপি]" width="728" height="410" srcset="https://www.gnewsbd.com/files/2024/12/hafij-al-asad-syria-gnews-photo.jpg 728w, https://www.gnewsbd.com/files/2024/12/hafij-al-asad-syria-gnews-photo-300x169.jpg 300w, https://www.gnewsbd.com/files/2024/12/hafij-al-asad-syria-gnews-photo-150x84.jpg 150w, https://www.gnewsbd.com/files/2024/12/hafij-al-asad-syria-gnews-photo-696x392.jpg 696w" sizes="(max-width: 728px) 100vw, 728px" /></a><figcaption id="caption-attachment-13860" class="wp-caption-text">সিরিয়ার দামেস্কে একজন বিরোধী যোদ্ধা সিরিয়ার প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হাফিজ আল-আসাদের একটি ভাঙা আবক্ষ মূর্তির উপর পা দিচ্ছেন [হুসেন মাল্লা/এপি]</figcaption></figure>এর ফলে ইরান, ফিলিস্তিন, ইসরাইল, লেবানন, ইরাকসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর রাজনীতি নতুন রূপ নেবে। তবে এটি ইরানের জন্য হবে বড় ধরনের আঘাত হবে বলেও জানিয়েছেন তারা। কারণ, সিরিয়া ইরানের অন্যতম মূল্যবান মিত্র ছিল। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, ইরান সরকার সিরিয়া নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য হচ্ছে।</p>
<p>তবে আল আসাদের পতনের পর ইরানিরা বুঝে গেছে যে, ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) পক্ষ থেকে হিজবুল্লাহকে দেওয়া মারাত্মক আঘাত এবং আসাদ সরকারের পতনের পর তাদের যা অবশিষ্ট আছে সেটি হলো তাদের পারমাণবিক প্রকল্প।</p>
<p>তাদের সামনে শিগগিরই একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে, পারমাণবিক প্রকল্পের মাধ্যমে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নাকি যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একটি চুক্তি করে চার বছরের জন্য স্থিতিশীলতা এবং ইসরাইলি আক্রমণ থেকে নিরাপত্তা পাওয়া।</p>
<p>এদিকে হিজবুল্লাহ ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধের পর এখন তার ভবিষ্যৎ গতিপথের হিসাব পুনরায় কষছে এবং বর্তমানে দক্ষিণ লেবাননে অস্ত্র মজুত রক্ষা করার চেষ্টা করছে।</p>
<p>হিজবুল্লাহর অন্যতম সমর্থক সিরিয়ায় আল আসাদের পতনের ফলে তাদের সামরিক ও অন্যান্য বস্তুগত সহায়তা তুলনামূলক বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সিরিয়ায় সরকারের পতন সৌদি আরবের নেতৃত্বে মধ্যপন্থি সুন্নি অক্ষের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। বিদ্রোহীদের গতি অর্জন করার উচ্চাকাঙ্খা সিরিয়ার বাইরে ছড়িয়ে পড়তে পারে যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব ফেলতে পারে।</p>
<p>এদিকে সিরিয়ার চলমান পরিস্থিতিতে রাশিয়া-তুরস্কের নামও জড়িয়ে রয়েছে। সিরিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল শামসকে (এইচটিএস) সরাসরি সমর্থন দিয়েছে তুরস্ক।</p>
<p>এ বছরের শুরুতে সিরিয়ার সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছিল তুরস্ক। কিন্তু সিরিয়া থেকে তুরস্কের বাহিনী সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত সিরিয়া কোনো আলোচনায় বসবে না বলে জানিয়েছে।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa/">সিরিয়া : বাশার আল আসাদের পতন, এরপর কী?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কে হচ্ছেন হামাসের নতুন প্রধান?</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 20 Oct 2024 17:38:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্বজুড়ে]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=13828</guid>

					<description><![CDATA[<p>সেপ্টেম্বরে ইরানের রাজধানী তেহরানে ইসরাইলি বিমান হামলায় হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়ার হত্যার দুই মাস পেরোনোর আগেই নতুন কাণ্ডারী ইয়াহিয়া সিনওয়ারকেও [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d/">কে হচ্ছেন হামাসের নতুন প্রধান?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সেপ্টেম্বরে ইরানের রাজধানী তেহরানে ইসরাইলি বিমান হামলায় <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8/">হামাস</a> নেতা ইসমাইল হানিয়ার হত্যার দুই মাস পেরোনোর আগেই নতুন কাণ্ডারী ইয়াহিয়া সিনওয়ারকেও হত্যা করেছে ইসরাইল।</p>
<p>পরপর দুইজন শীর্ষ নেতাকে হারানোর পর সিনওয়ারের উত্তরসূরি কে হচ্ছেন, কে ধরতে যাচ্ছেন হামাসের হাল- এ নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে।</p>
<h3><strong>উত্তরসূরি  বেছে নিতে অচিরেই আলোচনা শুরু</strong></h3>
<p>হামাসের দুই কর্মকর্তার বরাতে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, গ্রুপের নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ারের উত্তরসূরি  বেছে নিতে অচিরেই আলোচনা শুরু হবে।</p>
<p>কর্মকর্তারা বলেছেন যে সিনওয়ারের ডেপুটি খলিল আল-হায়া এবং গাজার বাইরে গ্রুপের একজন সবচেয়ে  সিনিয়র কর্মকর্তা শক্তিশালী প্রার্থী হিসাবে বিবেচিত হচ্ছেন।</p>
<p>বর্তমানে কাতারে অবস্থানরত আল-হায়া  ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনায় হামাস প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। তাকে গাজা পরিস্থিতি সম্পর্কে গভীর জ্ঞান, সংযোগ ও বোঝাপড়ার অধিকারী বলে মনে করা হয়।</p>
<p>খলিল আল-হায়া গত আগস্ট থেকে হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তিনি মরহুম সালেহ আল-আরৌরির উত্তরসূরি।</p>
<p>তেহরানে সাবেক নেতা ইসমাইল হানিয়াহ হত্যার মাত্র দুই মাস পর হামাস নেতারা গত বুধবার নিহত ইসরাইলের মোস্ট ওয়ান্টেড সিনওয়ারের উত্তরসূরি নির্বাচনের জন্য আবার বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন।</p>
<p>হামাসের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সিনওয়ারকে ৭ অক্টোবরের হামলার মূল নায়ক হিসেবে বর্ণনা করে জোর দিয়ে বলেছেন যে তার নিয়োগ ইসরাইলের বিরুদ্ধে একটি সাহসী বার্তা ছিল।</p>
<p>এদিকে জুলাই থেকে যুদ্ধবিরতি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়েছে। অনেকে বিশ্বাস করেন যে সিনওয়ারের নেতৃত্ব যেকোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তির ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য বাধা ছিল।</p>
<h3><strong>&#8216;স্বাধীনতার জন্য লড়ছি, আমাদের পক্ষে আত্মসমর্পণ অসম্ভব&#8217;</strong></h3>
<p>হামাসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসিকে পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে সিনওয়ারকে হত্যা করা সত্ত্বেও  যুদ্ধবিরতি এবং ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্তির শর্ত বদলায়নি।</p>
<p>হামাস গাজা থেকে ইসরাইলের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, শত্রুতার অবসান, মানবিক সাহায্য হস্তান্তর এবং যুদ্ধ-বিধ্বস্ত অঞ্চলের পুনর্গঠনের দাবি অব্যাহত রেখেছে। তবে ইসরাইল এসব শর্ত স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করে হামাসকে আত্মসমর্পণ করতে হবে বলে জোর দিয়েছে।</p>
<p>হামাসকে অস্ত্র ও আত্মসমর্পণের জন্য ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর আহ্বান সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে হামাস কর্মকর্তারা প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন: &#8216;আমাদের পক্ষে আত্মসমর্পণ করা অসম্ভব।&#8217;</p>
<p>তারা বলেন, &#8216;আমরা আমাদের জনগণের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছি। আমরা আত্মসমর্পণ মেনে নেব না। আমরা শেষ বুলেট ও শেষ সৈনিক পর্যন্ত লড়াই করব, ঠিক সিনওয়ার যেমনটি করেছেন।&#8217;</p>
<p>সিনওয়ারের হত্যাকাণ্ড কয়েক দশকের মধ্যে সংগঠনের জন্য সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ক্ষতির একটি। তাকে তার স্থলাঅভিষিক্ত করা বড় চ্যালেঞ্জ। তবে, হামাসের ১৯৯০-এর দশক থেকে নেতৃত্ব হারানোর ইতিহাস রয়েছে।</p>
<p>ইসরাইল হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ইয়াসিনসহ বেশিরভাগ নেতাকে হত্যা করতে সফল হলেও হামাসের নতুন নেতা খুঁজে বের করার সক্ষমতা বেশ বলে প্রমাণিত হয়েছে।</p>
<p>এই সংকটের মধ্যে গাজায় বন্দী ইসরাইলি জিম্মিদের ভাগ্য এবং তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার দায় কার ওপর বর্তাবে হবে সে সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে।</p>
<h3><strong>নেতা হিসেবে মোহাম্মদ সিনওয়ার একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি</strong></h3>
<p>এই প্রেক্ষাপটে ইয়াহিয়া সিনওয়ারের ভাই মোহাম্মদ সিনওয়ার একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তিনি হামাসের অবশিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীর নেতৃত্বে রয়েছেন এবং গাজার হামাসের  ভবিষ্যৎ গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।</p>
<p>ফক্স নিউজ একাধিক ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানিয়েছে, ইসরাইলি কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন যে বুধবার নিহত হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ারের ছোট ভাই মোহাম্মদ সিনওয়ার হামাসের পরবর্তী প্রধান হতে পারেন।</p>
<p>মোহাম্মদ সিনওয়ার তার ভাই ইয়াহিয়া সিনওয়ারের চেয়ে ১৩ বছরের ছোট। তিনি ১৯৭৫ সালে খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পরিবার ১৯৪৮ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধের পরে বাস্তুচ্যুত হয়ে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছিল।</p>
<p>হামাস যখন এই সংকটময় মুহূর্ত পার করছে, তখনও গাজায় যুদ্ধ চলছে।</p>
<p>শনিবার উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে কয়েক ডজন লোক নিহত হয়েছে। ইসরাইলি সেনারা হামাস পুনঃসংগঠিত হওয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে এমন বিশ্বাস থেকে তাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ তীব্র করেছে।</p>
<p><em>বাসস</em></p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d/">কে হচ্ছেন হামাসের নতুন প্রধান?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
