<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বাছাইকৃত Archives - জিনিউজ বিডি ডটকম</title>
	<atom:link href="https://www.gnewsbd.com/category/selected/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://www.gnewsbd.com/category/selected/</link>
	<description>অনলাইন বাংলা নিউজ ম্যাগাজিন</description>
	<lastBuildDate>Wed, 11 Mar 2026 02:56:46 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://www.gnewsbd.com/files/2021/01/cropped-gnewsbd-logo-32x32.png</url>
	<title>বাছাইকৃত Archives - জিনিউজ বিডি ডটকম</title>
	<link>https://www.gnewsbd.com/category/selected/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া ৬টি পারমাণবিক বোমা কোথায়?</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%af/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 11 Mar 2026 02:56:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14121</guid>

					<description><![CDATA[<p>ইসরায়েল-মার্কিন সেনাদের সঙ্গে ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে, যা ইতোমধ্যে তীব্র আকার ধারণ করেছে। এই উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া ৬টি [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%af/">যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া ৬টি পারমাণবিক বোমা কোথায়?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ইসরায়েল-মার্কিন সেনাদের সঙ্গে ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে, যা ইতোমধ্যে তীব্র আকার ধারণ করেছে। এই উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া ৬টি পরমাণু ওয়ারহেড নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। নিখোঁজ এসব পরমাণু ওয়ারহেড যুক্তরাষ্ট্রের শত্রু দেশের হাতে পড়লে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।</p>
<p>মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর।</p>
<p>ডেইলি মিরর জানায়, গত কয়েক দশকে অন্তত ৬টি এমন দুর্ঘটনার ঘটনা রয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র হারিয়ে গেছে। আজও সেগুলোর কোনো হদিস মেলেনি। সেগুলো এখন যে কেউ খুঁজে পেতে পারে। মার্কিন সামরিক পরিভাষায় এ ধরনের পারমাণবিক দুর্ঘটনাকে বলা হয় ‘ব্রোকেন অ্যারো’। অর্থাৎ এমন ঘটনা, যেখানে পারমাণবিক অস্ত্র দুর্ঘটনায় হারিয়ে যায় বা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হচ্ছে, তারা যদি এসব নিখোঁজ বোমা খুঁজে না পায়, তাহলে প্রতিপক্ষরাও সহজে তা খুঁজে পাবে না।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের নথিভুক্ত ৩২টি ‘ব্রোকেন অ্যারো’ ঘটনার মধ্যে এখনো পর্যন্ত অন্তত ছয়টি পারমাণবিক ওয়ারহেডের হদিস পাওয়া যায়নি।</p>
<p>এ ধরনের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনার একটি ঘটে ১৯৫৮ সালে। ওই বছর টাইবি দ্বীপের কাছে আকাশে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষ হয়। একটি বি-৪৭ স্ট্রাটোজেট বোমারু বিমান তখন একটি সম্পূর্ণ সশস্ত্র মার্ক-১৫ পারমাণবিক বোমা বহন করছিল। সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। বিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পাইলট আশঙ্কা করেন, বোমাটি বিস্ফোরিত হতে পারে। ফলে তিনি জরুরি সিদ্ধান্ত নিয়ে জর্জিয়ার উপকূলের কাছে ওয়াসাউ সাউন্ডের পানিতে বোমাটি ফেলে দেন।</p>
<p>প্রায় ৭ হাজার ৬০০ পাউন্ড ওজনের এই মার্ক-১৫ হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ ক্ষমতা ছিল প্রায় ৩ দশমিক ৮ মেগাটন। তুলনা করলে দেখা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলায় ব্যবহৃত ফ্যাট ম্যানের চেয়ে এটি প্রায় ১৯০ গুণ বেশি শক্তিশালী ছিল।</p>
<p>দুর্ঘটনার পর বহুবার অনুসন্ধান চালানো হলেও ওই পারমাণবিক বোমাটি আজ পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি। ফলে এটি এখনো যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া পারমাণবিক অস্ত্রগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>
<p>মার্কিন বিমানবাহিনী জনসাধারণকে জানিয়েছিল, বোমার প্লুটোনিয়াম ওয়ারহেডটি উড্ডয়নের আগেই সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং সিসার বিকল্প দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। তবে, কয়েক দশক পর ১৯৯৪ সালে, ১৯৬৬ সালের কংগ্রেসনাল সাক্ষ্য থেকে প্রকাশিত নথিগুলো প্রকাশ করে যে, টাইবি মার্ক ১৫ আসলে একটি অক্ষত পারমাণবিক অস্ত্র ছিল।</p>
<p>১৯৬৬ সালে, দুটি মার্কিন সামরিক বিমানের সংঘর্ষের পর ভূমধ্যসাগরে একটি বি-২৬ থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা হারিয়ে যায় এবং এর ওয়ারহেড এখনো নিখোঁজ।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%af/">যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া ৬টি পারমাণবিক বোমা কোথায়?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মোজতাবা খামেনি: ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের নতুন সর্বোচ্চ নেতা</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[সম্পাদকীয় টিম |  সূত্র: আলজাজিরা, এনপিআর, এনবিসি নিউজ, সিবিএস নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 10 Mar 2026 01:19:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[ইরান]]></category>
		<category><![CDATA[মোজতাবা খামেনি]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14116</guid>

					<description><![CDATA[<p>তেহরান, ৮ মার্চ ২০২৬। ইরানের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বিশেষজ্ঞ পরিষদ ৫৬ বছর বয়সী মোজতাবা খামেনিকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের তৃতীয় সর্বোচ্চ [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa/">মোজতাবা খামেনি: ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের নতুন সর্বোচ্চ নেতা</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>তেহরান, ৮ মার্চ ২০২৬। ইরানের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বিশেষজ্ঞ পরিষদ ৫৬ বছর বয়সী মোজতাবা খামেনিকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করেছে। তাঁর পিতা, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ বিমান হামলায় নিহত হওয়ার মাত্র আট দিন পর এই ঘোষণা এলো। এর মধ্য দিয়ে ইরানে এক পারিবারিক উত্তরাধিকারের নতুন অধ্যায় শুরু হলো, যা ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে একেবারেই নজিরবিহীন।</p>
<h2>কীভাবে হলো এই নির্বাচন?</h2>
<p>ইরানের সংবিধানের ১১১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সর্বোচ্চ নেতার পদ শূন্য হলে একটি অন্তর্বর্তীকালীন তিন সদস্যের নেতৃত্ব পরিষদ ক্ষমতা গ্রহণ করে। ১ মার্চ থেকে এই পরিষদ কার্যকর ছিল, যেখানে ছিলেন অভিভাবক পরিষদের প্রধান আলিরেজা আরাফি, প্রধান বিচারপতি গোলাম-হোসেইন মোহসেনি-এজেই, এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তবে ৮৮ জন শিয়া আলেম সমন্বয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ পরিষদ সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের একমাত্র সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ হিসেবে দ্রুত সংখ্যাগরিষ্ঠতায় মতৈক্যে পৌঁছায় এবং মোজতাবা খামেনির নাম ঘোষণা করে।</p>
<p>আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞ পরিষদের এক সদস্য ঘোষণার আগে বলেন: &#8216;ইমাম খোমেইনির পথ ও শহিদ ইমাম খামেনির পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। খামেনির নাম অব্যাহত থাকবে।&#8217; এই মন্তব্য পরিষ্কার করে দেয় যে শাসনকাঠামো ধারাবাহিকতা ও কঠোর অবস্থান বজায় রাখার পথ বেছে নিয়েছে।</p>
<h2>কে এই মোজতাবা খামেনি?</h2>
<p>মোজতাবা হোসেইনি খামেনি ১৯৬৯ সালে উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র শিয়া শহর মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আলি খামেনির ছয় সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয়। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর পরিবারটি তেহরানে চলে আসে। তেহরানের অভিজাত আলাভি হাই স্কুলে পড়াশোনা শেষে তিনি ইরান-ইরাক যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে (যুদ্ধ শেষ হয় ১৯৮৮ সালে) রেভোলিউশনারি গার্ডে সামরিক প্রশিক্ষণ নেন এবং সেখানে ভবিষ্যতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলেন।</p>
<p>১৯৮৯ সালে তাঁর পিতা সর্বোচ্চ নেতা হলে মোজতাবা কার্যত তাঁর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগী হয়ে ওঠেন। দীর্ঘ বছর ধরে তিনি কোম সেমিনারিতে পাঠদান করেছেন এবং আইআরজিসির সাথে তাঁর সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। এনপিআর-এর বিশ্লেষণে ইরান বিশেষজ্ঞ আফশন ওস্তোভার বলেছেন, &#8216;সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের মধ্যে তিনিই আইআরজিসির সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তাঁর পিতার দফতরেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী।&#8217;</p>
<p>তাঁর বিশেষত্ব হলো তিনি কখনো নির্বাচিত পদে থাকেননি, কোনো প্রকাশ্য ভাষণ দেননি এবং জনসমক্ষে তাঁর উপস্থিতি ছিল একেবারে ন্যূনতম। তবুও মার্কিন কূটনৈতিক তারবার্তা, যা উইকিলিকসে প্রকাশিত হয়, তাঁকে &#8216;পোশাকের পেছনের ক্ষমতা&#8217; হিসেবে অভিহিত করেছিল। সিবিএস নিউজ জানায়, ২০০৯ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর থেকে তাঁর প্রভাব ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।</p>
<h2>উত্তরাধিকারের রাজনৈতিক পটভূমি</h2>
<p>২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় আলি খামেনিসহ আরও প্রায় ৪০ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নিহত হন। এই হামলায় মোজতাবার স্ত্রী, মা, বোন ও ভায়রাও প্রাণ হারান বলে ইরানীয় রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়। ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডির মাঝে তিনি ইরানের ৪৭ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে জটিল পরিস্থিতিতে নেতৃত্বের ভার তুলে নিচ্ছেন।</p>
<p>আলজাজিরার সিনিয়র সংবাদদাতা আলি হাশেম মোজতাবাকে &#8216;পিতার দরজার পাহারাদার&#8217; বলে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: &#8216;তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিষয়ে তাঁর পিতার অবস্থানই গ্রহণ করেন। তাই আমরা একজন সংঘাতমুখী নেতাকেই প্রত্যাশা করব। কোনো নমনীয়তার প্রত্যাশা করা সম্ভব নয়।&#8217; তবে হাশেম এও বলেন, যদি এই যুদ্ধ শেষ হয় এবং তিনি দেশ পরিচালনা অব্যাহত রাখতে পারেন, তাহলে ইরানের জন্য নতুন পথ খোঁজার বড় সুযোগ তৈরি হতে পারে।</p>
<h2>আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া</h2>
<p>আন্তর্জাতিক মহলে এই নিয়োগ তীব্র বিভক্তি তৈরি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবিসি নিউজকে বলেছেন: &#8216;যদি আমাদের কাছ থেকে অনুমোদন না পান তবে তিনি বেশিদিন টিকবেন না।&#8217; মার্কিন সিনেটর লিন্ডসি গ্রাহাম নতুন নেতাকে &#8216;আমরা যে পরিবর্তন চাই তা নয়&#8217; বলে মন্তব্য করেছেন।</p>
<p>বিপরীতে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মোজতাবার নিয়োগকে &#8216;অটল&#8217; সমর্থন দিয়েছেন এবং চীন নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর যেকোনো প্রচেষ্টার বিরোধিতা করেছে বলে আলজাজিরা জানিয়েছে। আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ নতুন নেতাকে অভিনন্দন জানিয়ে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক &#8216;পারস্পরিক সম্মান ও আস্থার ভিত্তিতে&#8217; জোরদার করার আশা ব্যক্ত করেছেন।</p>
<p>ইরানের নিজস্ব নেতারাও দলবদ্ধভাবে নতুন সর্বোচ্চ নেতার পাশে দাঁড়িয়েছেন। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান এই নিয়োগকে একটি নতুন যুগের সূচনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। পার্লামেন্ট স্পিকার গালিবাফ বলেছেন, নতুন নেতাকে অনুসরণ করা একটি &#8216;ধর্মীয় ও জাতীয় দায়িত্ব&#8217;। এক্সপিডিয়েন্সি কাউন্সিলের প্রধান সাদিক লারিজানি বলেছেন, এই নিয়োগ ইমাম খোমেইনির পথ অনুসরণের প্রতিশ্রুতি পুনর্নিশ্চিত করে।</p>
<h2>ধর্মীয় বৈধতার প্রশ্ন</h2>
<p>মোজতাবার উত্থান নিয়ে ইরানের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আগে থেকেই উদ্বেগ ছিল। কারণ সর্বোচ্চ নেতার পদে ব্যাপক ধর্মীয় জ্ঞান ও যোগ্যতার প্রয়োজন হয়, যা তাঁর পিতার মতো প্রতিষ্ঠিত ছিল না। সিবিএস নিউজের বিশ্লেষণ বলছে, তাঁর কর্তৃত্ব মূলত ধর্মীয় মর্যাদার চেয়ে ক্ষমতার নিকটতা থেকেই উদ্ভূত হয়েছে। তবে এমন একটি সংকটময় মুহূর্তে, যখন দেশ সক্রিয় যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে, শাসক অভিজাত শ্রেণি স্থিতিশীলতার জন্য তাঁকেই বেছে নিয়েছে।</p>
<p>আর এই নিয়োগ ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে অভূতপূর্ব একটি মাইলফলক: ১৯৭৯ সালে যে বিপ্লব রাজতন্ত্রকে উৎখাত করেছিল, সেই রাজতন্ত্রের মতোই এখন ক্ষমতা পিতা থেকে পুত্রে হস্তান্তরিত হলো। লন্ডনের চ্যাথাম হাউস থিঙ্কট্যাঙ্কের গবেষক আনিসেহ বাসিরি তাবরিজি বলেছেন, এই নিয়োগের বার্তা স্পষ্ট: &#8216;কিছুই পরিবর্তন হবে না।&#8217;</p>
<h2>ইরান ও বিশ্বের সামনে কী আছে?</h2>
<p>মোজতাবা খামেনি এমন এক সময়ে দায়িত্ব নিলেন যখন ইরান তার ৪৭ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সংকটের মুখোমুখি। সক্রিয় যুদ্ধ, পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলা, এবং তেল রফতানিতে মারাত্মক ব্যাঘাত — এই তিনটি চ্যালেঞ্জ একই সাথে মোকাবেলা করতে হবে তাঁকে। বৈশ্বিক তেলের বাজারে ইতিমধ্যে এর প্রভাব পড়েছে, ব্যারেলপ্রতি দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।</p>
<p>মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সন্ত্রাস দমন কর্মকর্তা জাভেদ আলি বলেছেন, একজন নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করা একটি সংকেত যে শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়েনি। তবে পরিবর্তন ছাড়া নেতৃত্বের উত্তরাধিকার মানে শাসনের প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষমতার &#8216;লৌহ দখল&#8217; ধরে রাখবেই। ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনার কোনো ইঙ্গিত এখনো নেই। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন দেশের &#8216;জনগণের স্বার্থে যুদ্ধ অব্যাহত রাখা দরকার&#8217;।</p>
<p><em>মোজতাবা</em> <em>খামেনির</em> <em>অভিষেক</em> <em>শুধু</em> <em>একটি</em> <em>নেতৃত্ব</em> <em>পরিবর্তন</em> <em>নয়</em><em>, </em><em>এটি</em> <em>ইসলামিক</em> <em>প্রজাতন্ত্রের</em> <em>অস্তিত্বের</em> <em>লড়াইয়ের</em> <em>নতুন</em> <em>পর্যায়</em><em>।</em> <em>পর্দার</em> <em>আড়ালে</em> <em>থাকা</em> <em>এই</em> <em>ক্ষমতাবান</em> <em>ব্যক্তি</em> <em>এখন</em> <em>বিশ্বের</em> <em>সবচেয়ে</em> <em>উত্তেজনাপূর্ণ</em> <em>ভূ</em><em>&#8211;</em><em>রাজনৈতিক</em> <em>মঞ্চের</em> <em>কেন্দ্রে</em><em>।</em> <em>তাঁর</em> <em>প্রতিটি</em> <em>পদক্ষেপ</em> <em>শুধু</em> <em>ইরান</em> <em>নয়</em><em>, </em><em>পুরো</em> <em>মধ্যপ্রাচ্য</em> <em>ও</em> <em>বৈশ্বিক</em> <em>তেল</em> <em>বাজারকে</em> <em>প্রভাবিত</em> <em>করবে</em><em>।</em></p>
<p><strong>তথ্যসূত্র</strong><strong>: </strong>Al Jazeera (৮ মার্চ ২০২৬), NPR, NBC News, CBS News, Wikipedia (2026 Iranian Supreme Leader election)</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/world-wide/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa/">মোজতাবা খামেনি: ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের নতুন সর্বোচ্চ নেতা</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইতিহাসের ধ্রুবতারা শরীফ ওসমান হাদীর শাহাদাত</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%ab/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 18 Dec 2025 19:57:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14088</guid>

					<description><![CDATA[<p>রাজপথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতেন যে কণ্ঠ, অবিচারের সামনে মাথা নত না করা যে মানুষ—সেই শরীফ ওসমান বিন হাদি (ওসমান [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%ab/">ইতিহাসের ধ্রুবতারা শরীফ ওসমান হাদীর শাহাদাত</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রাজপথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতেন যে কণ্ঠ, অবিচারের সামনে মাথা নত না করা যে মানুষ—সেই শরীফ ওসমান বিন হাদি (ওসমান হাদি) আর নেই। ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টনে সশস্ত্র হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত এই তরুণ সামাজিক-রাজনৈতিক কর্মী ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। তার এই মৃত্যু নিছক মৃত্যু নয়—বরং একটি শাহাদাত।</p>
<h3>নামাজ শেষে রক্তাক্ত রাজপথ</h3>
<p>প্রথম আলো, কালবেলা ও নয়া দিগন্তে প্রকাশিত তথ্যে জানা যায়, ১২ ডিসেম্বর দুপুরে জুমআর নামাজ পড়ে পল্টনের বিজয়নগর কালভার্ট রোড এলাকায় একটি ব্যাটারিচালিত রিকশায় করে যাওয়ার সময় হেলমেট পরা মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিটি সরাসরি তার মাথায় লাগে। মুহূর্তেই রক্তে ভিজে যায় রাজপথ। প্রত্যক্ষদর্শীরা ছুটে এলেও ততক্ষণে তিনি মারাত্মকভাবে আহত।</p>
<h3>জীবনের সঙ্গে লড়াই</h3>
<p>তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে স্থানান্তর করা হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও ঝুঁকি কাটেনি। শেষ আশার জায়গা হিসেবে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। কিন্তু মৃত্যুর সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি না ফেরার দেশে চলে যান।</p>
<h3>কে ছিলেন শরীফ ওসমান হাদী?</h3>
<p>শরীফ ওসমান হাদী ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র। অন্যায়, দুর্নীতি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন স্পষ্টভাষী ও আপসহীন। তরুণদের মাঝে তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল উল্লেখযোগ্য। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি ঢাকা-৮ আসনে সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও আলোচনায় ছিলেন।</p>
<p>বন্ধু-সহকর্মীদের ভাষায়, হাদী ছিলেন এমন একজন মানুষ—যিনি ভয়কে জয় করেই কথা বলতেন। তার কণ্ঠে ছিল প্রতিবাদ, আর চোখে ছিল পরিবর্তনের স্বপ্ন।</p>
<h3>শোক, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ</h3>
<p>তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষ গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নয়া দিগন্ত ও প্রথম আলো জানায়, অনেকেই এই হত্যাকাণ্ডকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত বলে মন্তব্য করেছেন এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন।</p>
<p>অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেন এবং এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আশ্বাস দেন।</p>
<h3>অপেক্ষা ন্যায়বিচারের</h3>
<p>আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা হতে পারে—এই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে। কিছু অগ্রগতি হলেও নিহতের পরিবার, সহযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষ এখনো অপেক্ষায়—কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে, এবং কবে হবে ন্যায়বিচার।</p>
<p><strong>শেষ কথা</strong></p>
<p>শরীফ ওসমান হাদীর মৃত্যু শুধু একটি প্রাণহানি নয়। এটি একটি সাহসী কণ্ঠের নিস্তব্ধ হয়ে যাওয়া। যে তরুণ অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, তার রক্ত আজ প্রশ্ন রেখে গেছে—এই দেশে সত্য বলার মূল্য কতটা ভয়ংকর হতে পারে?</p>
<p>তার স্মৃতি অনেকের মনে থাকবে একজন প্রতিবাদী, আপসহীন এবং স্বপ্নবাজ মানুষ হিসেবে। ইতিহাস হয়তো তাকে মনে রাখবে—একজন শহীদ কণ্ঠ হিসেবে।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%ab/">ইতিহাসের ধ্রুবতারা শরীফ ওসমান হাদীর শাহাদাত</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>টিনএইজ প্রেম: তাহার চোখে তোমার সর্বনাশ</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%8f%e0%a6%87%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a7%8b%e0%a6%96%e0%a7%87-%e0%a6%a4/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বাদল সৈয়দ]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 31 Oct 2025 01:00:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জীবনধারা]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14081</guid>

					<description><![CDATA[<p>আমার বয়স যখন পনের তখন মনে প্রেমভাব জাগ্রত হয়েছিল। উড়ুউড়ু প্রেমরোগ। এ রোগ ঝেঁটিয়ে দূর করেছিল, যাকে ভালো লাগত সে। [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%8f%e0%a6%87%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a7%8b%e0%a6%96%e0%a7%87-%e0%a6%a4/">টিনএইজ প্রেম: তাহার চোখে তোমার সর্বনাশ</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আমার বয়স যখন পনের তখন মনে প্রেমভাব জাগ্রত হয়েছিল। উড়ুউড়ু প্রেমরোগ। এ রোগ ঝেঁটিয়ে দূর করেছিল, যাকে ভালো লাগত সে। কঠিন হৃদয়ের মেয়েটি ঠান্ডা গলায় বলেছিল, &#8216; তুমি কি আমাকে পছন্দ করো?&#8217;<br />
লজ্জিত চেহারা নিয়ে মাথা নাড়লাম।<br />
সে মৃদু হেসে বলল, &#8216;তোমাকে একটি কথা বলি। মেয়েদের কলেজ/ইউনিভার্সিটি গেলেই বিয়ে হয়ে যায়। আমারও সম্ভবত তাই হবে। তুমি তখনও ছাত্র। বিয়ে করার ক্ষমতা হবে না। নিজেই চলতে পারবা না। আবার বিয়ে! বউকে কী খাওয়াবা? ঘাস? কী বলছি বুঝছ?&#8217; তারপর কিছুটা ঝাঁঝালো গলায় বলল, &#8216;আচ্ছা যাও, আর বিরক্ত করো না। বাসার নিচে হা করে দাঁড়িয়ে থেকে আমার দাঁত মাজা দেখার দরকার নাই।&#8217;<br />
সেখানেই আমার বাল্যপ্রেমের সমাপ্তি।আমি খুব সৌভাগ্যবান কারণ মেয়েটি ছিল বুদ্ধিমতি। তাই আমার প্রেমের ডানায় আগুন ঢেলে দিয়েছিল। নয়ত নিশ্চিত বিপদে পড়তাম। কেন বিপদে পড়তাম? বিপদে পড়তাম, কারণ টিনএইজ প্রেমের সমস্যা অনেক। এটি এমন একটি সরল অঙ্ক যার ফলাফল অধিকাংশ ক্ষেত্রে শূন্য এবং এ প্রেম ব্যাকফায়ার করার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ। কীভাবে?<br />
নিচে ব্যাখ্যা করলাম।</p>
<p><strong>১। পড়াশোনার সর্বনাশ: ঘোর কেটে গেলে অন্ধকার</strong><br />
টিনএইজে প্রেমভাব অস্বাভাবিক নয়। এটি এ বয়সের অন্যতম বৈশিষ্ঠ্য।বয়সটিই রঙিন। তাই সবকিছু রঙিন লাগে। সমস্যা হচ্ছে, জীবন আসলে রঙিন নয়। সাদা-কালো বাস্তব। সেই বাস্তবতায় টিকতেব হলে ভুল করা যাবে না। এ বয়সের প্রেম একটি বড়ো ভুল। তা জীবনকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে থমকে দেয়। কারণ প্রেমের ভুবনে থাকে ঘোর।সে ঘোর সবার আগে পড়ার টেবিল থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। ঘাড় সোজা হওয়ার আগেই সেটিকে কুঁজো করে ফেলে।শেষ পর্যন্ত জীবনটাই কুঁজো হয়ে যায়। তখন কেবল &#8216;চারিদিকে অন্ধকার অমানিশার নিশা।&#8217;</p>
<p><strong>২। জীবন গল্প-উপন্যাস নয়</strong><br />
টিনএইজে জীবনটাকে গল্প-উপন্যাস মনে হয়। কিন্তু জীবন বইয়ের পাতার মতো রোমান্টিক নয়। কঠিন শিলাপাথর। গল্প-উপন্যাসে লেখকের কলমের খোঁচায় সব সমস্যার সমাধান হয়। প্রেমিক ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়, ভালো চাকুরি পেয়ে গাড়ি হাঁকায়, প্রেমিকাকে বিয়ে করে সুইজারল্যান্ডে হানিমুনে যায়। বাস্তবে প্রেমিক হয়ত পাস করে, কিন্তু চাকুরি পায় না, টেম্পুতে চরে, বাসে ঝুলে, সুইজারল্যান্ড তো দূরের কথা, ঈদেচাঁদে ভাড়ার টাকা না থাকায় গ্রামের বাড়ি যেতে পারে না। তাই জীবনকে গল্প-উপন্যাস না ভেবে এ বয়সে প্রেমফ্রেম না করে পড়ালেখা করলে একদিন হয়ত সুইস আল্পসে সত্যিই হানিমুনে যাওয়া হবে।</p>
<p><strong>৩। খিটিমিটি মেজাজ</strong><br />
টিনএইজ প্রেমের কারণে মন থাকে অস্থির। ব্যক্তিগত টানাপোড়েন, মান-অভিমান এসব কারণে মেজাজ হয়ে যায় খিটমিট। যার কারণে তারা সবার সাথে দুর্ব্যবহার করে। ফলে সবার সাথে দূরত্ব তৈরি হয় এ দূরত্ব পরে কোনো সেতু দিয়েই অতিক্রম করা যায় না।</p>
<p><strong>৪। শারিরীক সমস্যা</strong><br />
টিনএইজ প্রেম মনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলায় খাওয়াদাওয়া, ঘুম, ডেইলি রুটিন সবকিছুতে উল্টাপাল্টা হয়ে যায়। যার অনিবার্য পরিণতি হচ্ছে শারীরিক সমস্যা। কিছুদিন আগে এক মা জানিয়েছিলেন, এ সমস্যার পড়ে তাঁর মেয়ে সারাদিন বন্ধ ঘরে দিন কাটায়। কখনো ইচ্ছে হলে খায়, নয়ত ঘণ্টার পর ঘণ্টা না খেয়ে থাকে। রাত জেগে মোবাইল ফোনে কথা বলে। কোনো শাসন মানে না। একমাসে নাকি তার ওজন কমেছে দশ কেজি! দাঁড়ালে শরীর কাঁপে।</p>
<p><strong>৫। সাপকে রশি ভাবা</strong><br />
সবচে ভয়া*বহ হচ্ছে, এসময় সাপকে রশি ভেবে মারাত্মক ভুল করা হয়। কারণ এ বয়সে ম্যাচুউরিটি থাকে কম। তাই চিন্তাভাবনার ক্ষমতাও থাকে কম। সেজন্য মানুষ চিনতে ভুল হয়। এর পরিণতি হয় ভয়াবহ। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় আমি অনেককে সাপকে রশি ভাবার কারণে ধুঁকতে দেখেছি। মাস দুয়েক আগেই এ ভুলের কারণে পরিচিত একটি মেয়ে মারা গেছে। শারীরিক ও মানসিক অত্যাচারে অসুস্থ হয়ে তার মারা যাওয়াটাকে স্লো পয়*জনের সাথে তুলনা করা যায়।</p>
<p><strong>৬। ব্ল্যাকমেইল</strong><br />
এ বয়সে প্রেম ভেঙে গেলে বিশেষ করে মেয়েরা ব্ল্যাকমেইলের শিকার হতে পারে। তাদের মেসেজ, চিঠি, কল রেকর্ড, এগুলো ব্যবহার করে জীবন দুর্বিষহ করে তুলতে পারে। আর ভুল করে আরেকটু এগুলে তো বিপদের সীমা থাকে না। &#8216;কালো হাতে&#8217; বন্দি হয়ে জীবন বরবাদ হয়ে যায়।</p>
<p><strong>৭। মা*দ*কের নীল ছো*বল</strong><br />
অনেক সময় টিনএইজ প্রেমের অন্যপ্রান্তে অপেক্ষা করে মাদকের ছোবল। বিশেষ করে ছেলেরা প্রেমে ব্যর্থ হলে এ ফাঁদে পা দেয়। আর মাদকের কবলে পড়া মানে দুনিয়াকে জাহান্নাম বানিয়ে ফেলা। আমি অনেককেই ব্যর্থ প্রেমের পরবর্তী ধাপে মাদকাসক্ত হিসেবে আবিষ্কার করেছি। তারা কখনোই বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে পারেনি। ভেঙেচুরে খান খান হয়ে গেছে। আমি নিজের চোখে একজন খুবই প্রতিশ্রুতিশীল খেলোয়াড়কে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে মাদকাসক্ত হয়ে অকালে প্রাণ হারাতে দেখেছি।</p>
<p>আমি জানি না আমার এ লেখা টিনএজাররা পড়বে কি না? পড়লেও অবশ্যই পছন্দ করবে না। ভাববে, বয়স্ক মানুষ , আবোলতাবোল কথা বলে। তাদের বলি, আমি আবোলতাবোল বলছি না। ঠিক কথা বলছি। কারণ তোমার বয়স আমি পার হয়ে এসেছি। তাই ওই বয়সের ভুলগুলো আমি বুঝি। তুমি বুঝো না। আমার বয়স হলে বুঝবে। তখন হয়ত একদিন এ ব্যাপারে আমার মতো তুমিও লিখবে। এভাবেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটবে। সমস্যা হলো, ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না। সর্বনাশটা নাভির নিচে ঘুষি মারলে শিক্ষা নেয়। &#8216;কাঙালের কথা বাসী হলে ফলে&#8217;- কথাটি তো আর এমনি এমনি আসেনি।</p>
<p>পাদটীকা: আগামীকাল সম্ভব হলে মা-বাবারা কীভাবে বাচ্চাদের এ সমস্যা মোকাবেলা করবেন তা নিয়ে লিখব। ভালো কথা, আমার বাল্যপ্রেমে আগুন জ্বালানো মেয়েটি এখন নামকরা চিকিৎসক। আমরা প্রায়ই সেদিনের ঘটনা নিয়ে হাসাহাসি করি। তবে তাকে কখনো কৃতজ্ঞতা জানানো হয়নি। আজ জানিয়ে দিলাম। সে অতি কঠিন না হলে হয়ত আমারও সর্বনাশ হতো।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%8f%e0%a6%87%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a7%8b%e0%a6%96%e0%a7%87-%e0%a6%a4/">টিনএইজ প্রেম: তাহার চোখে তোমার সর্বনাশ</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ডিজিটাল যুগে শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ: স্ক্রিন, ঘুম, খেলাধুলা ও পুষ্টি</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[ডা. ভেলমুরুগান কান্নাপ্পান]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 10 Oct 2025 03:22:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জীবনধারা]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14064</guid>

					<description><![CDATA[<p>বর্তমান ডিজিটাল যুগে অভিভাবকদের জানা উচিত যে অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম (মোবাইল, টিভি, ট্যাব ইত্যাদি দেখা) শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d/">ডিজিটাল যুগে শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ: স্ক্রিন, ঘুম, খেলাধুলা ও পুষ্টি</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বর্তমান ডিজিটাল যুগে অভিভাবকদের জানা উচিত যে অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম (মোবাইল, টিভি, ট্যাব ইত্যাদি দেখা) শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই শিশুদের সুস্থ বিকাশের জন্য বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতার সঙ্গে স্ক্রিন ব্যবহারের মধ্যে ভারসাম্য রাখা অত্যন্ত জরুরি।</p>
<h3>সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো কী কী?</h3>
<p>অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে শিশুদের মনোযোগের ঘাটতি, সামাজিক দক্ষতার দুর্বলতা, বিশেষ করে ঘুমের ব্যাঘাত ও বাক বিকাশে বিলম্ব দেখা দিতে পারে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত অনেক বেশি সময় স্ক্রিনে থাকে, তারা হাইপারঅ্যাকটিভিটি (অতি সক্রিয়তা) এবং অটিজম সদৃশ আচরণ প্রদর্শন করতে পারে।<br />
তাই শিশুদের মানসিক ও মস্তিষ্কের সুস্থ বিকাশের জন্য বাস্তব জীবনের কার্যক্রমের সঙ্গে স্ক্রিন ব্যবহারের ভারসাম্য রক্ষা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<h3>অভিভাবকরা কী করতে পারেন?</h3>
<p>শিশুদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও অভিযানে যুক্ত করুন—তাদের নতুন বিষয় শেখান, প্রকৃতির মাঝে নিয়ে যান। এটি শিশুদের কৌতূহল, বুদ্ধিমত্তা ও শেখার ক্ষমতা বাড়ায়।</p>
<ul>
<li>খেলাধুলা, আঁকাআঁকি, পাজল গেম, গল্প বলা ইত্যাদিতে অংশ নিতে উৎসাহ দিন।</li>
<li>শিশুর সঙ্গে নিয়মিত কথা বলুন, সময় কাটান, একসঙ্গে কাজ করুন—এতে ভাষা ও সামাজিক দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।</li>
<li>শারীরিক কার্যকলাপ শিশুর শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক ভারসাম্য রক্ষায় সহায়তা করে।</li>
<li>স্ক্রিন ব্যবহারে সীমা নির্ধারণ করুন এবং শিশুদের বই পড়ায় উৎসাহ দিন। বই তাদের নতুন শব্দ, চিন্তা ও কল্পনার জগতে নিয়ে যায়।</li>
</ul>
<h3>অভিভাবকদের জন্য আরও কিছু পরামর্শ</h3>
<ul>
<li><strong>বিবেচনাপূর্ণ কনটেন্ট নির্বাচন:</strong> শিশুর জন্য বয়স-উপযোগী ও শিক্ষামূলক কনটেন্ট বেছে নিন। সম্ভব হলে শিশুর সঙ্গে একসাথে দেখুন—এতে শেখার গতি বাড়ে।</li>
<li><strong>পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন:</strong> ঘুমের আগে স্ক্রিনের বদলে গল্প বা বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে যেন কোনো স্ক্রিনে না থাকে।</li>
<li><strong>নো-স্ক্রিন ডে পালন করুন:</strong> সপ্তাহে একদিন বা নির্দিষ্ট সময় পরপর সম্পূর্ণ স্ক্রিনবিহীন দিন পালন করুন। সেই দিনগুলোতে শিশুকে বাইরে খেলতে, হস্তশিল্প, সংগীত শেখা বা অন্য সৃজনশীল কাজে যুক্ত করুন।</li>
<li><strong>পারিবারিক সময় দিন:</strong> পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, গল্প বলা বা ডায়েরি লেখার মাধ্যমে শিশুর আবেগ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা বাড়ে।</li>
<li><strong>প্রকৃতির সঙ্গে পরিচয় করান:</strong> শিশুদের প্রকৃতি ভ্রমণ, উদ্যান, মিউজিয়াম ইত্যাদি জায়গায় নিয়ে যান। এতে তাদের কৌতূহল ও শেখার ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়।</li>
</ul>
<p>শিশুর সঙ্গে গুণগত সময় কাটানোই তার শারীরিক, মানসিক ও বুদ্ধিবিকাশের মূল চাবিকাঠি।<br />
ডিজিটাল জগত ও বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতার মধ্যে একটি সচেতন ভারসাম্য তৈরি করতে পারলেই শিশু হয়ে উঠবে আরও বুদ্ধিদীপ্ত, সুস্থ ও আবেগগতভাবে সংবেদনশীল।</p>
<p>—<em>কনসালট্যান্ট নিওনাটোলজিস্ট ও পেডিয়াট্রিশিয়ান</em></p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d/">ডিজিটাল যুগে শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ: স্ক্রিন, ঘুম, খেলাধুলা ও পুষ্টি</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শরিয়াহ মানে শাস্তি নয়, বরং ইনসাফপূর্ণ মানবিক সমাজ গঠন</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%93-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8/%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b9-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%af%e0%a6%bc/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[মো. বাকীবিল্লাহ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 06 Oct 2025 08:22:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম ও জীবন]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14055</guid>

					<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অনেক মুসলিম দেশে “শরিয়াহ আইন” শব্দটি শুনলেই অনেকের মুখে আতঙ্কের ছাপ দেখা যায়। কেউ কেউ মনে করেন, শরিয়াহ [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%93-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8/%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b9-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%af%e0%a6%bc/">শরিয়াহ মানে শাস্তি নয়, বরং ইনসাফপূর্ণ মানবিক সমাজ গঠন</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অনেক মুসলিম দেশে “শরিয়াহ আইন” শব্দটি শুনলেই অনেকের মুখে আতঙ্কের ছাপ দেখা যায়। কেউ কেউ মনে করেন, শরিয়াহ মানেই হাত কাটা, পাথর মারা বা কঠোর শাস্তি। কিন্তু আসলে এটি শরিয়াহর একটি ক্ষুদ্র অংশমাত্র, তাও খুব নির্দিষ্ট ও কঠিন শর্তসাপেক্ষে প্রযোজ্য।<br />
শরিয়াহর প্রকৃত চেহারা অনেক বিস্তৃত, অনেক বেশি ন্যায়বিচারপূর্ণ ও কল্যাণকামী।</p>
<p>চলুন সহজভাবে বুঝে নেই—<br />
কেন “শরিয়াহ মানেই শাস্তি নয়” এই কথাটি সত্য, এবং এর আসল উদ্দেশ্য আসলে কী।</p>
<h3>শরিয়াহ মানে কী?</h3>
<p>“শরিয়াহ” শব্দটি এসেছে আরবি “শর’আ” থেকে, যার অর্থ পথ— এমন এক পথ যা মানুষকে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও মানবকল্যাণে পৌঁছে দেয়।<br />
এটি শুধু আইনি বিধান নয়; বরং জীবনের সব ক্ষেত্রে সঠিক ও ভারসাম্যপূর্ণ পথনির্দেশ।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/1f449.png" alt="👉" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> নামাজ, রোজা, ব্যবসায় ন্যায়নীতি, পারিবারিক সম্পর্ক, প্রতিবেশীর অধিকার, শিক্ষা, রাজনীতি, সমাজ—সব কিছুই শরিয়াহর অন্তর্ভুক্ত।<br />
অর্থাৎ, শরিয়াহ হলো:<br />
“ন্যায়, দয়া, কল্যাণ ও জ্ঞানের ওপর প্রতিষ্ঠিত জীবনবিধান।”<br />
(ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম, আল-ইলাম)</p>
<h3>শরিয়াহর উদ্দেশ্য: শাস্তি নয়, সুরক্ষা</h3>
<p>শরিয়াহর মূল লক্ষ্য হলো মানুষের পাঁচটি মৌলিক অধিকার রক্ষা করা (মাকাসিদ আল-শরিয়াহ):<br />
1&#x20e3; ধর্ম – বিশ্বাসের স্বাধীনতা ও ধর্ম পালনের সুযোগ<br />
2&#x20e3; জীবন – মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা রক্ষা<br />
3&#x20e3; বুদ্ধি – জ্ঞান ও চিন্তার স্বাধীনতা রক্ষা<br />
4&#x20e3; বংশ – পরিবার, সমাজ ও নৈতিকতা সংরক্ষণ<br />
5&#x20e3; সম্পদ – অন্যায়ভাবে সম্পদ নষ্ট বা ছিনিয়ে নেওয়া থেকে সুরক্ষা</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/27a1.png" alt="➡" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> অর্থাৎ, শরিয়াহর সব বিধান এই পাঁচটি লক্ষ্য পূরণের জন্য।<br />
শাস্তি কখনোই লক্ষ্য নয়, বরং ন্যায় ও সুরক্ষা রক্ষার মাধ্যম।</p>
<h3>শাস্তির ধারণা কোথা থেকে এলো?</h3>
<p>কিছু মিডিয়া ও রাজনীতির কারণে অনেকেই শরিয়াহকে কেবল হাদ্দ (Hudud) শাস্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ মনে করেন—যেমন চুরি করলে হাত কাটা বা ব্যভিচারে পাথর মারা।<br />
কিন্তু এগুলো শরিয়াহর মাত্র একটি ক্ষুদ্র ও বিরল অংশ।<br />
আর এর প্রয়োগের জন্য শর্ত এত কঠোর যে বাস্তবে তা প্রায় কখনোই কার্যকর হয় না।<br />
প্রসিদ্ধ আলেম ইমাম গাজালী র. বলেন—</p>
<blockquote><p>“শরিয়াহর শাস্তি হলো শেষ বিকল্প, মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের সংশোধন ও সমাজের নিরাপত্তা।”</p></blockquote>
<h3>বাস্তবে শরিয়াহ কেমন?</h3>
<p><strong>দয়া ও ক্ষমা:</strong> কোরআনে বলা হয়েছে,<br />
“আল্লাহ ন্যায়বিচার, দয়া ও আত্মীয়স্বজনকে সাহায্য করার আদেশ দেন।” (সূরা নাহল ১৬:৯০)</p>
<p><strong>ন্যায় ও ইনসাফ ভারসাম্য:</strong> রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,<br />
“তোমাদের কেউ যেন অন্যায়ের প্রতিশোধে অন্যায় না করে।” (মুসলিম)</p>
<p><strong>সমাজকল্যাণ:</strong> শরিয়াহ ব্যবসা-বাণিজ্যে ন্যায্যতা, দরিদ্রদের জন্য যাকাত, অন্যায় প্রতিরোধ ও মানবিক সহযোগিতা নিশ্চিত করে।<br />
অর্থাৎ, শরিয়াহর মূল রূপ হচ্ছে একটি ন্যায়বিচারপূর্ণ, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ গঠন।</p>
<h3>কেন মানুষ ভয় পায়?</h3>
<p>1&#x20e3; অজ্ঞতা – শরিয়াহর পূর্ণ চিত্র না জানার কারণে<br />
2&#x20e3; মিডিয়ার বিকৃত প্রচার – কেবল কঠোর শাস্তি দেখানো<br />
3&#x20e3; রাজনৈতিক অপব্যবহার – কিছু দেশে ক্ষমতা রক্ষার জন্য শরিয়াহর নাম ব্যবহার<br />
4&#x20e3; ঐতিহাসিক বিকৃতি – ঔপনিবেশিক যুগে শরিয়াহকে পিছিয়ে থাকা আইন হিসেবে চিত্রিত করা</p>
<p>ফলে অনেকেই শরিয়াহ মানেই শাস্তি ভেবে ভয় পান—<br />
কিন্তু সত্য হলো, শরিয়াহর উদ্দেশ্য মানুষকে শাস্তি দিয়ে ভয় দেখানো নয়, বরং রক্ষা করা।</p>
<h3>শরিয়াহর বাস্তব উদাহরণ</h3>
<p><strong><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/1f54c.png" alt="🕌" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> নবী (সা.)-এর রাষ্ট্রে শরিয়াহর প্রয়োগের ফলে</strong></p>
<ul>
<li>ন্যায়বিচার ছিল সর্বোচ্চ,</li>
<li>মানুষ ছিল নিরাপদ,</li>
<li>মুসলিম-অমুসলিম সবাই সমান অধিকার ভোগ করত।</li>
</ul>
<p><strong>রাসুল (সা.) বলেছেন:</strong><br />
“আল্লাহ দয়া ও সহনশীলতাকে ভালোবাসেন; যেখানে দয়া থাকে, সেখানে কল্যাণ নেমে আসে।” (সহিহ মুসলিম)</p>
<p><strong>উপসংহার</strong>: শরিয়াহ আইন কোনো ভয়ঙ্কর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়, বরং মানুষকে ন্যায়, দয়া ও কল্যাণের পথে পরিচালিত করার নির্দেশনা।<br />
এটি আল্লাহর দেওয়া জীবনের পূর্ণাঙ্গ নকশা, যেখানে শাস্তি কেবল তখনই প্রযোজ্য, যখন সমাজের ন্যায় ও নিরাপত্তা রক্ষার অন্য সব উপায় ব্যর্থ হয়।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/1f4cc.png" alt="📌" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> তাই, শরিয়াহ মানেই শাস্তি নয়।<br />
বরং শরিয়াহ মানে—<br />
<img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/2728.png" alt="✨" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> ন্যায়<br />
<img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/2728.png" alt="✨" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> দয়া<br />
<img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/2728.png" alt="✨" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> কল্যাণ<br />
<img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/2728.png" alt="✨" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> নিরাপত্তা<br />
<img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/2728.png" alt="✨" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> মানবতার সুরক্ষা</p>
<p>যে সমাজ শরিয়াহর আসল উদ্দেশ্যকে বুঝে গ্রহণ করে, সেখানে অন্যায়, ভয় আর বৈষম্যের কোনো স্থান থাকে না—<br />
থাকে শুধু শান্তি, ন্যায় ও মানবকল্যাণ।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%93-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8/%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b9-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%af%e0%a6%bc/">শরিয়াহ মানে শাস্তি নয়, বরং ইনসাফপূর্ণ মানবিক সমাজ গঠন</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ঈর্ষা সামলানোর নতুন দর্শন: সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার কার্যকর কৌশল</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%88%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b6/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[শাওনা এইচ স্প্রিংগার, পিএইচডি]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 11 Sep 2025 04:12:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জীবনধারা]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14039</guid>

					<description><![CDATA[<p>মূল বিষয়গুলো প্রায় সব দম্পতিই সম্পর্কের কোনো না কোনো সময়ে ঈর্ষার মুখোমুখি হন, বিশেষ করে সম্পর্কের শুরুতে। ঈর্ষাকে সাধারণত একটি [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%88%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b6/">ঈর্ষা সামলানোর নতুন দর্শন: সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার কার্যকর কৌশল</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>মূল বিষয়গুলো</strong></p>
<ul>
<li>প্রায় সব দম্পতিই সম্পর্কের কোনো না কোনো সময়ে ঈর্ষার মুখোমুখি হন, বিশেষ করে সম্পর্কের শুরুতে।</li>
<li>ঈর্ষাকে সাধারণত একটি নেতিবাচক আবেগ হিসেবে দেখা হয় যা সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর।</li>
<li>কিছু ক্ষেত্রে ঈর্ষা সহায়ক সংকেত হিসেবেও কাজ করতে পারে।</li>
<li>ভারসাম্যপূর্ণভাবে হ্যান্ডেল করা হলে ঈর্ষা আমাদেরকে আরও নিরাপদ সংযোগ গড়তে সাহায্য করতে পারে।</li>
</ul>
<p>ঈর্ষা হলো রোমান্টিক সম্পর্কের একটি সাধারণ চ্যালেঞ্জ। আসলে, বেশিরভাগ দম্পতিই সম্পর্কের শুরুতে কোনো না কোনো সময়ে ঈর্ষার সম্মুখীন হন। এটি হঠাৎ করেই প্রকাশ পেতে পারে বা ধীরে ধীরে জমতে জমতে সামনে আসতে পারে, যা প্রায়শই টানাপোড়েন, অবিশ্বাস, ও দূরত্ব তৈরি করে।</p>
<p>ঈর্ষাকে সাধারণত নেতিবাচক আবেগ হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু মনোযোগ দিয়ে দেখলে এটি একজন মানুষের আবেগীয় চাহিদা এবং সংযুক্তির ধরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দেয়।</p>
<p>দম্পতি-থেরাপিস্ট স্টিভেন স্টসনি, পিএইচডি, যিনি <em>Empowered Love</em> বইয়ের লেখক, তার কাজের ভিত্তিতে আমি একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলছি—যাতে আমরা বুঝতে পারি কীভাবে নিজেদের ভেতরে ঈর্ষাকে চিনতে হয় এবং কীভাবে এটিকে বিকাশ ও সম্পর্কের গভীর সংযোগে রূপান্তর করা যায়।</p>
<p><strong>ঈর্ষার আবেগীয় প্রেক্ষাপট বোঝা</strong></p>
<p>সম্পর্কে আবেগীয় আত্ম-সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু প্রায়শই উপেক্ষিত হয়। আমরা সাধারণত ভাবি—“আমি ঈর্ষা বোধ করছি কারণ তুমি এমন কিছু করেছ যা আমাকে এইভাবে অনুভব করিয়েছে।” কিন্তু ঈর্ষা সচরাচর শুধু সঙ্গীর আচরণ থেকেই আসে না। বরং এটি সাধারণত ভেতরের ভয় থেকে আসে—যেমন ছেড়ে দেয়া বা হারিয়ে ফেলার ভয়, অযোগ্যতার ভয়, বা প্রতিস্থাপিত হওয়ার ভয়।</p>
<p>এসব ভয় কখনো প্রকাশ্যে, কখনো গোপনে প্রকাশ পায়—রাগ, দূরত্ব তৈরি, অতিরিক্ত নিশ্চয়তা চাওয়া, কিংবা নিয়ন্ত্রণ করার আচরণের মাধ্যমে। ঈর্ষা প্রকাশ করতে আমরা অনীহা বোধ করি কারণ এটি দুর্বলতার অনুভূতি জড়িত। ফলে সরাসরি বলার বদলে আমরা প্রশ্ন করি, দূরে সরে যাই, বা সঙ্গীর বন্ধু-বান্ধব বা সামাজিক আচরণ সমালোচনা করি।</p>
<p>এ ধরনের প্রতিক্রিয়া, যা মূলত আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে হয়, কিন্তু তা সম্পর্কের দূরত্ব বাড়ায় এবং বিশ্বাস নষ্ট করে। সংযুক্তির দৃষ্টিকোণ থেকে, তখন আমরা “সম্পর্ক রক্ষা” নয় বরং “আত্মরক্ষা” মোডে চলে যাই।</p>
<p><strong>মূল কারণ চিহ্নিত করা</strong></p>
<p>ঈর্ষার শিকড় প্রায়শই পূর্বের সম্পর্কের ক্ষতগুলোতে থাকে—যেমন বিশ্বাস ভঙ্গ, মানসিক অবহেলা, বা অতীত সঙ্গীর অসম্মানজনক আচরণ। এসব অভিজ্ঞতা মনে গেঁথে থাকার কারণে আমরা নতুন সম্পর্কেও সেসব স্মৃতির আলোকে ঘটনাগুলো ব্যাখ্যা করি।</p>
<p>স্টসনির মতে, ঈর্ষার উপস্থিতি আসলে সম্পর্কের ভেতরে দূরত্বের ইঙ্গিত দেয়। এবং এটি একটি সংকেত, যাতে আমরা সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা খেয়াল করতে পারি।</p>
<p>শুধু তাই নয়, ঈর্ষাকে আমরা একটি প্রশ্নে পরিণত করতে পারি: <em>“</em><em>এই আবেগটি আমাকে আমার গভীরতর ভয় বা অপূর্ণ চাহিদা সম্পর্কে কী শিখাতে চাইছে</em><em>?”</em></p>
<p>সঙ্গীর কাজের দিকে একমাত্র মনোযোগ না দিয়ে বরং ভেতরে তাকানো জরুরি—কোন অংশটি হুমকির মুখে পড়ছে এবং কেন। আমি কি নিজেকে যথেষ্ট মনে করছি না? আমি কি আবেগীয়ভাবে প্রতিস্থাপিত হওয়ার ভয়ে ভুগছি? আমার কি আত্মমূল্যবোধ কম? এভাবে গভীরভাবে ভাবলে ঈর্ষা প্রতিযোগিতার বিষয় নয় বরং দুর্বলতার স্বীকারোক্তিতে রূপ নেয়।</p>
<p><strong>ঈর্ষা সামলানোর কৌশল</strong></p>
<p>ঈর্ষাকে সম্পর্কের বিকাশের সুযোগে রূপান্তর করতে নিচের কৌশলগুলো কার্যকর হতে পারে—</p>
<p><strong>১. আবেগকে স্পষ্টভাবে নাম দিন:</strong><br />
সরাসরি “আমি ঈর্ষা বোধ করছি” বলা দায় চাপানোর পরিবর্তে স্পষ্টতা ও দায়িত্বশীলতা আনে। ভাবা যেতে পারে—এটি কি আগের কোনো অভিজ্ঞতা থেকে আসা হারানোর ভয় বা বিশ্বাস ভঙ্গ হওয়ার ভয়?</p>
<p><strong>২. দুর্বল কিন্তু খোলামেলা আলাপ করুন:</strong><br />
অভিযোগ না এনে অনুভূতিকে বোঝার আহ্বানে রূপ দিন। যেমন:<br />
<em>“</em><em>তুমি ওই সহকর্মীর সঙ্গে সময় কাটানোর কথা বলার পর আমি একটু অনিরাপদ বা অস্বস্তি বোধ করেছি। আমরা কি এ নিয়ে কথা বলতে পারি</em><em>?”</em></p>
<p><strong>৩. আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলুন:</strong><br />
বিশ্বাস শুধু সম্পর্কের ভেতরে নয়, নিজের ভেতরেও তৈরি করতে হয়। এর মানে হলো নিজেকে বিশ্বাস করা যে আমি অস্বস্তি সামলাতে পারব, কার্যকরভাবে যোগাযোগ করতে পারব, এবং বাইরের স্বীকৃতির ওপর নির্ভর না করে নিজের মর্যাদা ধরে রাখতে পারব।</p>
<p><strong>৪. নিজের মূল্যবোধে বিনিয়োগ করুন:</strong><br />
আত্মবিশ্বাস ও আত্মসম্মান বাড়ায় এমন কাজে যুক্ত হোন। যখন একজন ব্যক্তি নিজের পরিচয় ও মূল্যবোধে দৃঢ় থাকেন, তখন ঈর্ষার প্রভাব অনেকটা কমে যায়।</p>
<p><strong>উপসংহার</strong></p>
<p>ঈর্ষা, যদিও অস্বস্তিকর, কিন্তু নিজে নিজে ক্ষতিকর নয়। এটি সমস্যাজনক হয় তখনই, যখন আমরা হঠাৎ প্রতিক্রিয়া দেখাই বা আবেগ বন্ধ করে দিই। কৌতূহল ও সহানুভূতির সঙ্গে দেখলে ঈর্ষা আসলে ঘনিষ্ঠতা ও ব্যক্তিগত বিকাশকে ত্বরান্বিত করতে পারে।</p>
<p>নিজের সঙ্গে এবং সঙ্গীর সঙ্গে আবেগীয় সততা জরুরি। যখন আমরা আবেগের গভীর শিকড় খুঁজে বের করার কৌতূহল নিয়ে ঈর্ষাকে সামলাই, তখন এটি আরও গভীর সংযোগের সুযোগ হয়ে ওঠে। বিশ্বাস গড়ে তোলা, আবেগীয় ট্রিগার বোঝা, এবং ঘনিষ্ঠতা তৈরি করা কোনো দুর্বলতার চিহ্ন নয়—বরং এটি আসল, দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক এবং নিরাপদ সংযুক্তির পথে অগ্রগতি।</p>
<p><strong>সূত্র:</strong><br />
Stosny, S. (2010, March 9). <em>Disarming the Jealousy Complex.</em> Psychology Today.</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/lifestyle/%e0%a6%88%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b6/">ঈর্ষা সামলানোর নতুন দর্শন: সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার কার্যকর কৌশল</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ফিলিস্তিনের ‘নেলসন ম্যান্ডেলা’</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/feature/%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Aug 2025 01:03:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<category><![CDATA[বিবিধ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[নেলসন মেন্ডেলা]]></category>
		<category><![CDATA[ফিলিস্তিন]]></category>
		<category><![CDATA[মারওয়ান বারগুতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14024</guid>

					<description><![CDATA[<p>ফিলিস্তিনের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সিনিয়র নেতা মারওয়ান বারগুতি। ফিলিস্তিনিদের কাছে ‘নেলসন ম্যান্ডেলা’ নামেই বেশি পরিচিত। ২০০২ সালের এপ্রিল মাসে ইসরাইলি [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/feature/%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1/">ফিলিস্তিনের ‘নেলসন ম্যান্ডেলা’</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ফিলিস্তিনের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সিনিয়র নেতা মারওয়ান বারগুতি। ফিলিস্তিনিদের কাছে ‘নেলসন ম্যান্ডেলা’ নামেই বেশি পরিচিত। ২০০২ সালের এপ্রিল মাসে ইসরাইলি সেনাদের হাতে ধরা পড়েন এই নেতা। সেই থেকে আজ পর্যন্ত টানা ২৩ বছর তিনি কারাগারের লোহার শেকলেই বাঁধা। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দিনের আলো দেখেননি মুক্তভাবে, পরিবারের স্পর্শ থেকেও বহু দূরে। হয়েছেন চরম নির্যাতনের শিকার। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, এত বছরের বন্দিত্ব বারগুতিকে ভাঙতে পারেনি। বরং আরও দৃঢ় ও অটল করে তুলেছে।</p>
<p>অন্ধকার সেলে বসেই গোপনে লিখেছেন বই, ডাক দিয়েছেন হাজারও বন্দির অনশন ধর্মঘটের, আর কোটি ফিলিস্তিনির হৃদয়ে প্রজ্বলিত করেছেন প্রতিরোধের অমর প্রদীপ। দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের মহানায়ক নেলসন ম্যান্ডেলার মতোই বারগুতিও হয়ে উঠেছেন স্বাধীনতার জীবন্ত প্রতীক। আলজাজিরা, বিবিসি।</p>
<p>বহু বছর পর শুক্রবার প্রথমবারের মতো বারগুতির একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। যেখানে দেখা গেছে, ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির তার সেলে ঢুকে তাকে হুমকি দিচ্ছেন। ভিডিওতে দেখা গেছে, ফ্যাকাশে ও দুর্বল শরীরে সাদা টি-শার্ট পরে বসে আছেন বারগুতি। প্রহরী ও ক্যামেরায় ঘেরা অবস্থায় মন্ত্রী বেন-গভির তাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘তোমরা আমাদের পরাজিত করতে পারবে না। যে-ই ইসরাইলের জনগণকে নিশানা করবে এবং আমাদের সন্তান ও নারীদের হত্যা করবে, তাকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে।’</p>
<h4>শৈশব ও রাজনৈতিক যাত্রা</h4>
<p>১৯৫৯ সালের ৬ জুন রামাল্লার কোবার গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন বারগুতি। সে বছরই প্রতিষ্ঠিত হয় ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদী এবং সামজিক গণতান্ত্রিক দল ফাতাহ। ১৯৭৪ সালে এ দলে যোগ দেন তিনি। এক সশস্ত্র সংগঠনের সদস্য হওয়ার দায়ে ১৯৭৮ সালে প্রথমবার কারাগারে যান। টানা চার বছর কারাভোগের সময় তিনি ইংরেজি ও হিব্রু শেখেন। পড়াশোনা অনেকটা এগিয়ে নেন সেখানেই। পরে ১৯৮৩ সালে মুক্তি পেয়ে বিরজেইত বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়াশোনা শুরু করেন। এ সময় আইনজীবী ফাদওয়া ইব্রাহিমের সঙ্গে পরিচয় হয়। যাকে তিনি ১৯৮৪ সালে বিয়ে করেন। ১৯৮৭ সালে প্রথম ইন্তিফাদায় (ফিলিস্তিনি গণআন্দোলন) নেতৃত্ব দিয়ে ফিলিস্তিনে ও ফাতাহর ভেতরে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তবে সে বছরই তাকে জর্ডানে নির্বাসিত করা হয়। সাত বছর পর, ১৯৯৪ সালে অসলো চুক্তির মাধ্যমে তিনি ফিরে আসেন। ১৯৯৬ সালে ফিলিস্তিনি আইন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।</p>
<h4>দ্বিতীয় ইন্তিফাদা ও গ্রেফতার</h4>
<p>২০০০ সালের সেপ্টেম্বরে দ্বিতীয় ইন্তিফাদা শুরু হলে, ফাতাহর সশস্ত্র শাখা তানজিমের নেতা হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বারগুতি। তখন থেকে ইসরাইলের কাছে ‘ওয়ান্টেড’ হয়ে ওঠেন তিনি। প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাম্প ডেভিডে মধ্যপ্রাচ্য শান্তি সম্মেলন ভেঙে যাওয়ার পর শুরু হয় এই আন্দোলন। ২০০২ সালের জানুয়ারিতে তিনি দ্য ওয়াশিংটন পোস্টে একটি মতামত নিবন্ধ লিখে ফিলিস্তিনি রাজনীতিতে তার শক্ত অবস্থান জানান দেন। এর মাত্র তিন মাস পরেই তাকে খুঁজে বের করে গ্রেফতার করা হয়। ২০০৪ সালের মে মাসে তাকে পাঁচটি হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং পাঁচটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বারগুতি।</p>
<h4>কারাগারে নির্মমতার শিকার</h4>
<p>ইসরাইলের কারাগারে বন্দি বারগুতিকে নির্মমভাবে আঘাত করা হয়েছে, এমন অভিযোগ করেছে ফিলিস্তিনি বন্দি সহায়তাকারী সংস্থাগুলো। গত বছর ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স সোসাইটি এবং কমিশন ফর ডিটেইনিস অ্যান্ড এক্স-ডিটেইনিস অ্যাফেয়ার্স এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরাইলের মেগিদ্দো কারাগারে বন্দি থাকাকালীন বারগুতিকে লাঞ্চিত করা হয়। তার ওপর হামলাও করা হয়। এতে তার দেহে গুরুত্বর চোট লাগে। বারগুতির মাথা, কান, পাঁজর, ডান হাতে ও পিঠে আঘাত লেগেছে বলে বিবৃতিতে বলা হয়।</p>
<h4>ফিলিস্তিনের ম্যান্ডেলা</h4>
<p>ইতিহাস ও জীবনী পড়তে ভালোবাসেন বারগুতি। কারাগারে থেকেও তিনি বই পড়েন। যার মধ্যে রয়েছে ব্রিটিশ লেখক অ্যান্থনি স্যাম্পসনের লেখা নেলসন ম্যান্ডেলার জীবনী। কারাগারে থাকাকালীন ২৫৫ পৃষ্ঠার একটি বই লিখেছিলেন তিনি। যা গোপনে তার আইনজীবী ও পরিবারের মাধ্যমে বাইরে পাঠানো হয়। বইটিতে তিনি কারাগারের অভিজ্ঞতা বিস্তারিত তুলে ধরেন। তীব্র নির্যাতনের শিকার হয়েও ভেঙে পড়েননি বারগুতি। নেলসন ম্যান্ডেলা যেমন ২৭ বছর কারাবাসে থেকেও তার নেতৃত্বে অটল ছিলেন ঠিক তেমনিভাবে অটল আছেন বারগুতিও।</p>
<h4>রাজনৈতিক উত্তরাধিকার</h4>
<p>বর্তমান ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের উত্তরসূরি হিসাবে বারগুতিকে অনেকেই সম্ভাব্য নেতা মনে করেন। ২০২৩ সালে ফিলিস্তিনি সেন্টার ফর পলিসি অ্যান্ড সার্ভে রিসার্চের এক জরিপে দেখা গেছে, নির্বাচনে দাঁড়ালে বারগুতি আব্বাসকে সহজেই পরাজিত করতে পারেন। জরিপে প্রায় অর্ধেক মানুষ বারগুতিকে ভোট দিতে আগ্রহী বলে জানায়। আজও বারগুতি কারাগারে বন্দি। কিন্তু তার জনপ্রিয়তা তাকে করে তুলেছে ফিলিস্তিনি সংগ্রামের জীবন্ত কিংবদন্তি।</p>
<p>কিছু বিশ্লেষক ও চলচ্চিত্র নির্মাতারা মনে করেন, বারগুতির মুক্তি ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য আশা এবং গাজা ও পশ্চিম তীরের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। মার্কিন সংগীতশিল্পী সোফিয়া স্কট বলেছেন, ‘আমি মনে করি, বারগুতি কোনো হুমকি নন বরং তিনি ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনি জনগণের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সংযোগ স্থাপন করতে পারেন।’</p>
<p>ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স সোসাইটির প্রধান রায়েদ এমার নিউজউইককে বলেছেন, ‘বারগুতি ফিলিস্তিনি জনগণের মধ্যে শান্তি ও স্বাধীনতার চেতনাকে জীবন্ত রাখেন। তার মুক্তি ফিলিস্তিনের রাজপথে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।’</p>
<p>ইসরাইলের সংবাদপত্র হারেৎজের সাংবাদিক গিদেওন লেভি বলেছেন, ‘বারগুতি হত্যা করার জন্য জন্ম নেননি। তিনি হিংস্র নন। কিন্তু ইসরাইল তাকে এবং পুরো ফিলিস্তিনি জনগণকে চাপ প্রয়োগ করছে।’</p>
<p>২০১৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার আর্চবিশপ ও ১৯৮৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী দেশমন্ড টুটু বারগুতিকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেন।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/feature/%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1/">ফিলিস্তিনের ‘নেলসন ম্যান্ডেলা’</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>টেফলন-ভেলক্রো ইফেক্ট : কেন কিছু মানুষের ইমেজে কেলেঙ্কারি লাগে না, আর কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সামান্য ভুলও পিছু ছাড়ে না</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b-%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%9f/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 14 Aug 2025 03:51:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<category><![CDATA[রকমারি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14017</guid>

					<description><![CDATA[<p>আমরা সবাই জীবনে কখনো না কখনো সমালোচনার মুখে পড়ি। কেউ তা সামলে নিতে পারে এমনভাবে যেন কিছুই হয়নি, আবার কেউ [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b-%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%9f/">টেফলন-ভেলক্রো ইফেক্ট : কেন কিছু মানুষের ইমেজে কেলেঙ্কারি লাগে না, আর কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সামান্য ভুলও পিছু ছাড়ে না</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আমরা সবাই জীবনে কখনো না কখনো সমালোচনার মুখে পড়ি। কেউ তা সামলে নিতে পারে এমনভাবে যেন কিছুই হয়নি, আবার কেউ সামান্য নেতিবাচক মন্তব্যেও দীর্ঘসময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জনমত, রাজনীতি ও নেতৃত্বের জগতে এই দুই ধরনের প্রতিক্রিয়াকে মনোবিজ্ঞানীরা &#8220;টেফলন-ভেলক্রো ইফেক্ট&#8221; বলে থাকেন।</p>
<h3 style="text-align: center;">টেফলন ও ভেলক্রো ইফেক্ট</h3>
<p style="text-align: left;"><strong>টেফলন (Teflon)</strong></p>
<ul>
<li>টেফলন একটি বিশেষ আবরণ যা রান্নার প্যানে ব্যবহার করা হয়, যাতে খাবার লেগে না থাকে।</li>
<li>রূপক অর্থে, যাদের সম্পর্কে যতই সমালোচনা বা খারাপ খবর আসুক না কেন, তা তাদের ভাবমূর্তিতে লেগে থাকে না—তারা যেন নন-স্টিক প্যানের মতো সব &#8220;স্লাইড&#8221; করে দেয়।</li>
</ul>
<p><strong>ভেলক্রো (Velcro)</strong></p>
<ul>
<li>ভেলক্রো হলো এক ধরনের হুক-লুপ ফাস্টেনার যা খুব শক্তভাবে লেগে থাকে।</li>
<li>রূপক অর্থে, যাদের সম্পর্কে নেতিবাচক খবর বা সমালোচনা খুব সহজে মানুষের মনে গেঁথে যায় এবং তাদের ইমেজে স্থায়ী ক্ষতি করে, তাদেরকে ভেলক্রো টাইপ বলা হয়।</li>
</ul>
<h3 style="text-align: center;">বাস্তব জীবনের উদাহরণ</h3>
<p><strong>টেফলন উদাহরণ:</strong><br />
মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানকে বলা হতো &#8220;The Teflon President&#8221;—কারণ তার আমলে নানা বিতর্ক ও সমালোচনা হলেও জনমনে তার জনপ্রিয়তা কমেনি।</p>
<p><strong>ভেলক্রো উদাহরণ:</strong><br />
এমন অনেক নেতা আছেন যারা একটি ছোট ভুল বা অপব্যবহারের কারণে দীর্ঘ সময় ধরে জনমনে নেতিবাচক ইমেজ বহন করেন, যদিও পরে তারা ভালো কাজ করলেও সেই নেতিবাচক ট্যাগ থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন হয়।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনকে অনেকে <em data-start="408" data-end="428">&#8220;Velcro President&#8221;</em> হিসেবে উল্লেখ করেন। ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির পর থেকে তার ভাবমূর্তি এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল যে, পরবর্তী ভালো কাজ বা অবদান সত্ত্বেও জনগণের মনে সেই নেতিবাচক ইমেজ স্থায়ীভাবে গেঁথে যায়।</p>
<h3 style="text-align: center;" data-start="1614" data-end="1644">কেন এই পার্থক্য তৈরি হয়?</h3>
<ol data-start="1645" data-end="2302">
<li data-start="1645" data-end="1903">
<p data-start="1648" data-end="1684"><strong data-start="1648" data-end="1682">পূর্বের ইমেজ ও বিশ্বাসযোগ্যতা:</strong></p>
<ul data-start="1688" data-end="1903">
<li data-start="1688" data-end="1802">
<p data-start="1690" data-end="1802">আগে থেকেই যদি কারো ইমেজ ইতিবাচক ও বিশ্বাসযোগ্য হয়, মানুষ তার ভুল ক্ষমা করতে বেশি প্রস্তুত থাকে (টেফলন ইফেক্ট)।</p>
</li>
<li data-start="1806" data-end="1903">
<p data-start="1808" data-end="1903">যদি কারো ইমেজ সন্দেহজনক বা বিতর্কিত হয়, সামান্য নেতিবাচক খবরও সহজে লেগে যায় (ভেলক্রো ইফেক্ট)।</p>
</li>
</ul>
</li>
<li data-start="1905" data-end="2110">
<p data-start="1908" data-end="1929"><strong data-start="1908" data-end="1927">যোগাযোগ দক্ষতা:</strong></p>
<ul data-start="1933" data-end="2110">
<li data-start="1933" data-end="2026">
<p data-start="1935" data-end="2026">নেতারা যারা সঠিক সময়ে সৎভাবে ব্যাখ্যা দেন, তারা নেতিবাচক খবর দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেন।</p>
</li>
<li data-start="2030" data-end="2110">
<p data-start="2032" data-end="2110">যারা এড়িয়ে যান বা অস্পষ্ট কথা বলেন, তাদের ক্ষেত্রে নেতিবাচক ধারণা গেঁথে যায়।</p>
</li>
</ul>
</li>
<li data-start="2112" data-end="2302">
<p data-start="2115" data-end="2140"><strong data-start="2115" data-end="2138">মিডিয়া ব্যবস্থাপনা:</strong></p>
<ul data-start="2144" data-end="2302">
<li data-start="2144" data-end="2219">
<p data-start="2146" data-end="2219">মিডিয়ায় ইতিবাচক কভারেজ ও গল্প বলার ক্ষমতা টেফলন ইফেক্টকে শক্তিশালী করে।</p>
</li>
<li data-start="2223" data-end="2302">
<p data-start="2225" data-end="2302">নেতিবাচক গল্প যদি নিয়ন্ত্রণ ছাড়া ছড়িয়ে পড়ে, ভেলক্রো ইফেক্ট দ্রুত সক্রিয় হয়।</p>
</li>
</ul>
</li>
</ol>
<hr data-start="2304" data-end="2307" />
<h3 data-start="2309" data-end="2356">ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য শিক্ষণীয় বিষয়</h3>
<ul data-start="2357" data-end="2680">
<li data-start="2357" data-end="2444">
<p data-start="2359" data-end="2444"><strong data-start="2359" data-end="2389">বিশ্বাসের পুঁজি গড়ে তুলুন:</strong> দীর্ঘমেয়াদে সৎ ও ধারাবাহিক আচরণ টেফলন ইমেজ তৈরি করে।</p>
</li>
<li data-start="2445" data-end="2546">
<p data-start="2447" data-end="2546"><strong data-start="2447" data-end="2473">দ্রুত প্রতিক্রিয়া দিন:</strong> ভুল বা সমালোচনার মুখে তড়িৎ প্রতিক্রিয়া দিয়ে সত্য ও সমাধান জানানো উচিত।</p>
</li>
<li data-start="2547" data-end="2680">
<p data-start="2549" data-end="2680"><strong data-start="2549" data-end="2581">পজিটিভ ন্যারেটিভ বজায় রাখুন:</strong> নিজের গল্প, অর্জন ও ইতিবাচক কাজ মানুষের মনে বেশি জায়গা পাক, যাতে নেতিবাচক খবর সহজে লেগে না থাকে।</p>
</li>
</ul>
<hr data-start="2682" data-end="2685" />
<h3 data-start="2687" data-end="2722">টেফলন-ভেলক্রো ইফেক্ট চেকলিস্ট</h3>
<p data-start="2723" data-end="2808">আপনার ইমেজ কোন দিকের দিকে বেশি ঝুঁকে আছে তা যাচাই করতে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন—</p>
<div class="_tableContainer_1rjym_1">
<div class="_tableWrapper_1rjym_13 group flex w-fit flex-col-reverse" tabindex="-1">
<table class="w-fit min-w-(--thread-content-width)" data-start="2810" data-end="3198">
<thead data-start="2810" data-end="2833">
<tr data-start="2810" data-end="2833">
<th data-start="2810" data-end="2819" data-col-size="md">প্রশ্ন</th>
<th data-start="2819" data-end="2827" data-col-size="sm">হ্যাঁ</th>
<th data-start="2827" data-end="2833" data-col-size="sm">না</th>
</tr>
</thead>
<tbody data-start="2856" data-end="3198">
<tr data-start="2856" data-end="2917">
<td data-start="2856" data-end="2908" data-col-size="md">মানুষ কি সাধারণত আমার ভুলগুলো সহজে ক্ষমা করে দেয়?</td>
<td data-start="2908" data-end="2912" data-col-size="sm">☐</td>
<td data-start="2912" data-end="2917" data-col-size="sm">☐</td>
</tr>
<tr data-start="2918" data-end="2986">
<td data-start="2918" data-end="2977" data-col-size="md">আমি কি সমালোচনার মুখে দ্রুত ও পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা দিই?</td>
<td data-start="2977" data-end="2981" data-col-size="sm">☐</td>
<td data-start="2981" data-end="2986" data-col-size="sm">☐</td>
</tr>
<tr data-start="2987" data-end="3049">
<td data-start="2987" data-end="3040" data-col-size="md">আমার ইতিবাচক কাজগুলো কি মানুষের মনে দীর্ঘসময় থাকে?</td>
<td data-start="3040" data-end="3044" data-col-size="sm">☐</td>
<td data-start="3044" data-end="3049" data-col-size="sm">☐</td>
</tr>
<tr data-start="3050" data-end="3118">
<td data-start="3050" data-end="3109" data-col-size="md">ছোট কোনো ভুলের পর কি দীর্ঘদিন ধরে নেতিবাচক কথা শুনতে হয়?</td>
<td data-start="3109" data-end="3113" data-col-size="sm">☐</td>
<td data-start="3113" data-end="3118" data-col-size="sm">☐</td>
</tr>
<tr data-start="3119" data-end="3198">
<td data-start="3119" data-end="3189" data-col-size="md">মিডিয়ায় বা সামাজিক মাধ্যমে কি আমি নিজের গল্প ইতিবাচকভাবে বলতে পারি?</td>
<td data-start="3189" data-end="3193" data-col-size="sm">☐</td>
<td data-start="3193" data-end="3198" data-col-size="sm">☐</td>
</tr>
</tbody>
</table>
<div class="sticky end-(--thread-content-margin) h-0 self-end select-none">
<div class="absolute end-0 flex items-end"></div>
</div>
</div>
</div>
<p data-start="3200" data-end="3212"><strong data-start="3200" data-end="3210">ফলাফল:</strong></p>
<ul data-start="3213" data-end="3326">
<li data-start="3213" data-end="3259">
<p data-start="3215" data-end="3259"><strong data-start="3215" data-end="3231">হ্যাঁ বেশি →</strong> আপনি বেশি <strong data-start="3242" data-end="3256">টেফলন টাইপ</strong>।</p>
</li>
<li data-start="3260" data-end="3326">
<p data-start="3262" data-end="3326"><strong data-start="3262" data-end="3275">না বেশি →</strong> আপনার ইমেজ <strong data-start="3287" data-end="3303">ভেলক্রো টাইপ</strong> হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।</p>
</li>
</ul>
<h3 data-start="2585" data-end="2596">উপসংহার</h3>
<p data-start="2597" data-end="2900">টেফলন-ভেলক্রো ইফেক্ট শুধু রাজনীতিবিদ বা সেলিব্রিটির জন্য নয়, বরং প্রত্যেক মানুষের জন্য প্রযোজ্য—বিশেষ করে যারা নেতৃত্ব, ব্যবসা বা জনসংযোগের সঙ্গে যুক্ত। আপনি যদি চান নেতিবাচক খবর আপনার ভাবমূর্তিকে সহজে ক্ষতিগ্রস্ত না করুক, তাহলে বিশ্বাসযোগ্যতা, ধারাবাহিক ভালো কাজ এবং কার্যকর যোগাযোগকে অগ্রাধিকার দিন।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b-%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%9f/">টেফলন-ভেলক্রো ইফেক্ট : কেন কিছু মানুষের ইমেজে কেলেঙ্কারি লাগে না, আর কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সামান্য ভুলও পিছু ছাড়ে না</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিএনপির আত্মঘাতি কৌশল!</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/opinion/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a7%8c%e0%a6%b6%e0%a6%b2/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[মোহাম্মদ বিলাল হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 15 Jul 2025 01:35:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14009</guid>

					<description><![CDATA[<p>১. গত পনেরো বছরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিসরে একটি ফ্যাসিবাদী বয়ান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যার মূলে ছিলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে ইসলামোফোবিয়া ও [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/opinion/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a7%8c%e0%a6%b6%e0%a6%b2/">বিএনপির আত্মঘাতি কৌশল!</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto"><span style="font-size: 16px;">১.</span></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">গত পনেরো বছরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিসরে একটি ফ্যাসিবাদী বয়ান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যার মূলে ছিলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে ইসলামোফোবিয়া ও মুসলমানদের উপর দমন পীড়ন। কথায় কথায় রাজাকার বলা, জামায়াত-শিবির বলে হত্যাযোগ্য করা, দাড়ি-টুপিকে কটাক্ষ করা ছিল একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর রাজনৈতিক প্রকল্প। বিএনপি এতদিন এসবের বিরোধিতা করে রাজনীতি করেছে। কিন্তু আজ তারা এই বয়ানকেই কার্যত স্বীকৃতি দিয়ে বসেছে, যা আদর্শগত আত্মঘাত। গত পনেরো বছরের নিজের রাজনীতি নালিফাই করে দেয়া হলো। যার উপর ভিত্তি করে বিএনপি সবচেয়ে বড়দল। এই বিশাল জনসমর্থনের এখন কী হবে? তারা কিসের উপর ভিত্তি করে বিএনপিকে সমর্থন দেয়া অব্যাহত রাখবে?</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">২.</div>
<div dir="auto">বর্তমানে যারা জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাদের ৯৫%–এরও বেশি ১৯৭১ সালের পর জন্মগ্রহণকারী প্রজন্ম। ইতিহাস বলে, ১৯৭০ সালে জামায়াত মাত্র ১% ভোট পেয়েছিল, অথচ আজ বিভিন্ন জরিপে তাদের জনপ্রিয়তা ২৫%-এর ঘরে। অর্থাৎ, ‘রাজাকার’ বলায় জনসমর্থন কমেনি, বরং ভারত বিরোধী অবস্থান ও অন্যায়ভাবে দমন-পীড়নই তাদের জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে। পক্ষান্তরে, রাজাকারের তালিকায় বিএনপির বহু নেতা থাকা এবং তাদের বংশধরদের এখনও দলে প্রভাব থাকা, একে নৈতিকভাবে বিব্রত করছে। এতে দলটি ভিতর থেকেই দুর্বল হবে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">৩.</div>
<div dir="auto">এই অবস্থায় বিএনপি হয়তো পুরনো ইসলামপন্থী ও ডানপন্থী মিত্রদের বাদ দিয়ে লেফ্ট বা সেন্টার-লেফ্ট শক্তিকে আঁকড়ে ধরতে চাইবে। কিন্তু এরা বিএনপির সত্যিকারের শুভাকাঙ্ক্ষী নয়; বরং এদের অনেকেই চায় বিএনপি ধ্বংস হোক। এতে দলীয় তৃণমূল ও কোর ভোটব্যাংকে সংকট দেখা দেবে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">৪.</div>
<div dir="auto">যদি এই ধারা অব্যাহত থাকে, তাহলে বিএনপি তার ঐতিহ্যগত কেন্দ্রীয় (সেন্টার) অবস্থান হারিয়ে বামঘেঁষা দল হয়ে উঠবে। সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে পারে এমন নতুন দলগুলো কাজ করছে। বিশেষ করে এনসিপি ও আপ-বাংলাদেশ, যারা ক্রমে সেন্টার রাজনীতিতে জায়গা করে নিচ্ছে। বিএনপি এই জায়গাটা হারিয়ে ফেললে কামবেক করা কঠিন হবে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">৫.</div>
<div dir="auto">জামায়াত, এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলন এখন সামাজিক দিকগুলোকে তুলে আনছে— যেমন চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, নৈতিক অবক্ষয়। আর বিএনপির অঙ্গসংগঠনগুলো আটকে আছে পুরনো রাজনৈতিক স্লোগানে— “জামায়াত-শিবির রাজাকার”, “চরমোনাই হুজুর মিথ্যাবাদী” “ একটা একটা শিবির ধর, সকাল বিকাল নাস্তা কর” ইত্যাদি। এই স্লোগানগুলোর সামাজিক প্রভাব কী? কেউ রাজাকার হওয়া না হওয়া নিয়ে দেশের আপামর মানুষের কোনো ক্ষতি হয়? অথচ সারাদেশে দুর্নীতি, চাঁদাবাজির কারণে ব্যক্তি মানুষ ক্ষতির শিকার হচ্ছে (যার সাথে বিএনপি&#8217;র প্রকৃত নেতাকর্মীরা জড়িত নয় বলেই মনে হয়)। এমতাবস্থায়, জামায়াত, এনসিপির সামাজিক ইস্যুগুলোর ভিত্তিতে অভিযোগগুলো খন্ডন করতে না পারলে এইসব রাজনৈতিক স্লোগান <span class="html-span xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs x3nfvp2 x1j61x8r x1fcty0u xdj266r xat24cr xm2jcoa x1mpyi22 xxymvpz">&#x200d;</span>দিয়ে সামাজিক ইস্যু ঢাকা কঠিন হবে। সামাজিক সমস্যা নিয়ে শুধুই রাজনৈতিকভাবে নয়, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা না করলে সুফল আসবে না।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">৬.</div>
<div dir="auto">বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসতে চায়, তবে তাকে নির্বাচনে যেতে হবে। আর সেই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে জামায়াত, এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলনের মতো দলের অংশগ্রহণের উপর। অথচ বিএনপি একের পর এক এদের সঙ্গে বৈরি সম্পর্ক গড়ে তুলছে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">ভারতের মতো কোনো শক্তি বিএনপিকে একচেটিয়া সমর্থন দিবে না। বিএনপির ডেডিকেটেড নেতাকর্মীর ঘাটতি রয়েছে, বুদ্ধিজীবিদের অধিকাংশ ডান-বামের। অতএব, সেন্টার টু রাইট সব পক্ষকে শত্রু বানিয়ে সামনে এগোনো আত্মঘাতী কৌশল। কারণ বিএনপি এই ঘরানারই দল। এই সকল পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামত করে সামনে এগোতে হবে। না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল ও অস্থির হয়ে উঠতে পারে। ২০২৪ বাংলাদেশে এক বড় পরিববর্তন এনে দিয়েছে। একে বিএনপি ধরে রাখতে না পারলে অন্যরা ধরে রাখবে। ২০২৪ হারিয়ে যাবেনা। ধন্যবাদ।</div>
</div>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/opinion/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a7%8c%e0%a6%b6%e0%a6%b2/">বিএনপির আত্মঘাতি কৌশল!</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
