<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>দেশজুড়ে Archives - জিনিউজ বিডি ডটকম</title>
	<atom:link href="https://www.gnewsbd.com/category/country-wide/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://www.gnewsbd.com/category/country-wide/</link>
	<description>অনলাইন বাংলা নিউজ ম্যাগাজিন</description>
	<lastBuildDate>Thu, 18 Dec 2025 20:19:40 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>

<image>
	<url>https://www.gnewsbd.com/files/2021/01/cropped-gnewsbd-logo-32x32.png</url>
	<title>দেশজুড়ে Archives - জিনিউজ বিডি ডটকম</title>
	<link>https://www.gnewsbd.com/category/country-wide/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>ইতিহাসের ধ্রুবতারা শরীফ ওসমান হাদীর শাহাদাত</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%ab/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 18 Dec 2025 19:57:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14088</guid>

					<description><![CDATA[<p>রাজপথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতেন যে কণ্ঠ, অবিচারের সামনে মাথা নত না করা যে মানুষ—সেই শরীফ ওসমান বিন হাদি (ওসমান [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%ab/">ইতিহাসের ধ্রুবতারা শরীফ ওসমান হাদীর শাহাদাত</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রাজপথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতেন যে কণ্ঠ, অবিচারের সামনে মাথা নত না করা যে মানুষ—সেই শরীফ ওসমান বিন হাদি (ওসমান হাদি) আর নেই। ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টনে সশস্ত্র হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত এই তরুণ সামাজিক-রাজনৈতিক কর্মী ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। তার এই মৃত্যু নিছক মৃত্যু নয়—বরং একটি শাহাদাত।</p>
<h3>নামাজ শেষে রক্তাক্ত রাজপথ</h3>
<p>প্রথম আলো, কালবেলা ও নয়া দিগন্তে প্রকাশিত তথ্যে জানা যায়, ১২ ডিসেম্বর দুপুরে জুমআর নামাজ পড়ে পল্টনের বিজয়নগর কালভার্ট রোড এলাকায় একটি ব্যাটারিচালিত রিকশায় করে যাওয়ার সময় হেলমেট পরা মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিটি সরাসরি তার মাথায় লাগে। মুহূর্তেই রক্তে ভিজে যায় রাজপথ। প্রত্যক্ষদর্শীরা ছুটে এলেও ততক্ষণে তিনি মারাত্মকভাবে আহত।</p>
<h3>জীবনের সঙ্গে লড়াই</h3>
<p>তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে স্থানান্তর করা হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও ঝুঁকি কাটেনি। শেষ আশার জায়গা হিসেবে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। কিন্তু মৃত্যুর সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি না ফেরার দেশে চলে যান।</p>
<h3>কে ছিলেন শরীফ ওসমান হাদী?</h3>
<p>শরীফ ওসমান হাদী ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র। অন্যায়, দুর্নীতি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন স্পষ্টভাষী ও আপসহীন। তরুণদের মাঝে তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল উল্লেখযোগ্য। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি ঢাকা-৮ আসনে সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও আলোচনায় ছিলেন।</p>
<p>বন্ধু-সহকর্মীদের ভাষায়, হাদী ছিলেন এমন একজন মানুষ—যিনি ভয়কে জয় করেই কথা বলতেন। তার কণ্ঠে ছিল প্রতিবাদ, আর চোখে ছিল পরিবর্তনের স্বপ্ন।</p>
<h3>শোক, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ</h3>
<p>তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষ গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নয়া দিগন্ত ও প্রথম আলো জানায়, অনেকেই এই হত্যাকাণ্ডকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত বলে মন্তব্য করেছেন এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন।</p>
<p>অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেন এবং এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আশ্বাস দেন।</p>
<h3>অপেক্ষা ন্যায়বিচারের</h3>
<p>আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা হতে পারে—এই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে। কিছু অগ্রগতি হলেও নিহতের পরিবার, সহযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষ এখনো অপেক্ষায়—কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে, এবং কবে হবে ন্যায়বিচার।</p>
<p><strong>শেষ কথা</strong></p>
<p>শরীফ ওসমান হাদীর মৃত্যু শুধু একটি প্রাণহানি নয়। এটি একটি সাহসী কণ্ঠের নিস্তব্ধ হয়ে যাওয়া। যে তরুণ অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, তার রক্ত আজ প্রশ্ন রেখে গেছে—এই দেশে সত্য বলার মূল্য কতটা ভয়ংকর হতে পারে?</p>
<p>তার স্মৃতি অনেকের মনে থাকবে একজন প্রতিবাদী, আপসহীন এবং স্বপ্নবাজ মানুষ হিসেবে। ইতিহাস হয়তো তাকে মনে রাখবে—একজন শহীদ কণ্ঠ হিসেবে।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%ab/">ইতিহাসের ধ্রুবতারা শরীফ ওসমান হাদীর শাহাদাত</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রাওয়ায় বইমেলা শুরু ৩০ অক্টোবর</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a7%a9%e0%a7%a6-%e0%a6%85/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ/এআর]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 16:10:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14078</guid>

					<description><![CDATA[<p>বইমেলার আয়োজন করেছে রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)। এবারের বইমেলায় বইয়ের স্টলের পাশাপাশি থাকছে ভিন্ন কিছু আয়োজনও। লেখকদের [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a7%a9%e0%a7%a6-%e0%a6%85/">রাওয়ায় বইমেলা শুরু ৩০ অক্টোবর</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বইমেলার আয়োজন করেছে রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)। এবারের বইমেলায় বইয়ের স্টলের পাশাপাশি থাকছে ভিন্ন কিছু আয়োজনও। লেখকদের আড্ডার পাশাপাশি পাঠক ও দর্শনার্থীদের জন্য থাকবে শীতের পিঠার সমারহ,  মোটিভেশনাল লেকচার ইত্যাদি।</p>
<p>তিন দিনব্যাপী ১১তম রাওয়া বইমেলা শুরু হচ্ছে আগামী ৩০ অক্টোবর। প্রতিদিন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত।</p>
<p>মেলায় এবার থাকছে ৫৫টি স্টল। বই পরিচিতিসহ অন্যান্য আয়োজনের সঙ্গে প্রতিদিন বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে বইভিত্তিক প্রতিযোগিতা।</p>
<p>রাওয়া বইমেলার যাত্রা শুরু হয় ২০১৪ সালে এবং এবার এর ১১তম আসর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৩০ অক্টোবর সকাল ১০টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজম।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a7%a9%e0%a7%a6-%e0%a6%85/">রাওয়ায় বইমেলা শুরু ৩০ অক্টোবর</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রাস্তার ধারের টক-ঝাল-মিষ্টি কদবেল</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%9f%e0%a6%95-%e0%a6%9d%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b2/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 06 Oct 2025 03:55:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14048</guid>

					<description><![CDATA[<p>কুমিল্লার হোমনাসহ দেশের বিভিন্ন শহর-গ্রামের সড়কের ধারে সহজেই চোখে পড়ে ঝুড়িভর্তি কদবেল। সেসব ঝুড়ির পাশে বসে পরিশ্রমী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ছোট [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%9f%e0%a6%95-%e0%a6%9d%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b2/">রাস্তার ধারের টক-ঝাল-মিষ্টি কদবেল</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div>কুমিল্লার হোমনাসহ দেশের বিভিন্ন শহর-গ্রামের সড়কের ধারে সহজেই চোখে পড়ে ঝুড়িভর্তি কদবেল। সেসব ঝুড়ির পাশে বসে পরিশ্রমী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ছোট ছোট বাঁশের কাঠি কেটে, ফল সাজিয়ে তৈরি করছেন টক-ঝাল-মিষ্টি স্বাদের জিভে জল তোলা মজাদার চাটনি।</div>
<div></div>
<div>এই ব্যবসা একদিকে মানুষের রসনার তৃপ্তি জোগায়, অন্যদিকে অনেক পরিবারকে এনে দেয় জীবিকার ভরসা। প্রথমে ব্যবসায়ীরা কদবেলের বোঁটার দিকের শক্ত খোল ভেঙে নেন। তারপর ভেতরে বিশেষ ধরনের লোহার দণ্ড ঢুকিয়ে চারদিকে ঘুরাতে থাকেন। এতে ভেতরের শাস নরম হয়ে আচারের মতো হয়ে যায়।</div>
<div>এরপর তাতে মেশানো হয় লবণ, লাল মরিচের গুঁড়া, কাঁচামরিচ, কখনও চিনি বা গোলমরিচের গুঁড়া। পরে টক, ঝাল ও মিষ্টির স্বাদের কদবেল ছোট ছোট কাঠির সাহায্যে পরিবেশন করা হয় গ্রাহকদের।</div>
<div></div>
<div>ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পাইকারি মোকাম থেকে বস্তা দরে কদবেল কিনে আনেন। তারপর বাড়িতে নিয়ে তারা সেগুলো ছোট-বড়, কাঁচা, পাকা, কয়েক ধাপে বাছাই করেন। তা থেকে খাবারের উপযোগী বিবেচনায় আলাদা আলাদা ঝুড়িতে করে সেই ফল তারা প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা অবধি বাজার, শপিং মল ও স্কুল-কলেজের আশেপাশে খুচরা বিক্রির জন্য পসরা সাজিয়ে বসেন।</div>
<div>
<figure id="attachment_14050" aria-describedby="caption-attachment-14050" style="width: 728px" class="wp-caption alignnone"><a href="https://www.gnewsbd.com/files/2025/10/kodbel-customer-gnews-photo-for-website.jpg"><img fetchpriority="high" decoding="async" class="wp-image-14050 size-full" src="https://www.gnewsbd.com/files/2025/10/kodbel-customer-gnews-photo-for-website.jpg" alt="রাস্তার ধারের টক-ঝাল-মিষ্টি কদবেল" width="728" height="410" srcset="https://www.gnewsbd.com/files/2025/10/kodbel-customer-gnews-photo-for-website.jpg 728w, https://www.gnewsbd.com/files/2025/10/kodbel-customer-gnews-photo-for-website-300x169.jpg 300w" sizes="(max-width: 728px) 100vw, 728px" /></a><figcaption id="caption-attachment-14050" class="wp-caption-text"><em>শ্রমজীবী মানুষ থেকে পথচারী সবার কাছেই চাটনি করা কদবেল  সমান আকর্ষণীয়</em></figcaption></figure>
</div>
<div>উপজেলা সদরের শিবালয় মার্কেটের সামনের খালি জায়গায় বসে প্রতিদিন মৌসুমী ফল বিক্রি করেন জগদিশ, কফিল উদ্দিন গার্লস স্কুল মার্কেটের সামনে মিলন, মমিন ও থানা রোডের টিন দোকানের সামনের খালি জায়গায় মোস্তফা। তারা জানান- প্রতি বস্তা কদবেল ৪ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকায় কিনতে হয়। প্রতি বস্তায় দুইশ থেকে আড়াই শ’ পিস কদবেল থাকে। মৌসুমভেদে একেকটি কদবেল ২০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় খুচরা বিক্রি হয়। এর মধ্যে পরিবহন খরচ, প্রতিদিনই কিছু না কিছু ফল পচে নষ্ট হয়ে ঘাটতি যায়। এসব বাদ দিয়ে প্রতিদিন হাজার টাকার বেশি আয় হয়।</div>
<div></div>
<div>স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষ থেকে পথচারী সবার কাছেই চাটনি করা কদবেল  সমান আকর্ষণীয়।</div>
<div>ক্রেতা মো. খাজা, জসিম উদ্দিন ও রোকসানা আক্তার জানান, গরমে ঠাণ্ডা পানি পান করে যেমন তৃষ্ণা মেটে, তেমনি কদবেলের এই টক-ঝাল স্বাদেও ক্লান্তি দূর হয়।</div>
<div></div>
<div>ব্যবসাটি রাস্তার ধারে হওয়ায় পরিবেশগত কারণে অনেক সময় স্বাস্থ্যঝুঁকির অভিযোগ রয়েছে। তারপরও ক্রেতাদের ভিড় থাকে।</div>
<div>ব্যবসায়ীদের দাবি, তারা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও ভালো মানের কদবেলটিই পরিবেশনের চেষ্টা করেন। মৌসুমভিত্তিক এ ব্যবসা গ্রীষ্ম ও বর্ষায় সবচেয়ে বেশি চলে, শীতকালে চাহিদা কিছুটা কমে আসে। কদবেল কেবল একটি মৌসুমি ফল নয়; এটি ঘিরে গড়ে উঠেছে ক্ষুদ্র ব্যবসা। যা নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনে ভরসা জুগিয়েছে নিজের পায়ে দাড়ানোর। আর পথচারীদের জন্য বয়ে আনছে সহজলভ্য স্বাদের আনন্দ।</div>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%9f%e0%a6%95-%e0%a6%9d%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b2/">রাস্তার ধারের টক-ঝাল-মিষ্টি কদবেল</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে জাতীয় হ্যাকাথনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%87%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 02 Oct 2025 12:58:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=14044</guid>

					<description><![CDATA[<p>গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (জিইউবি)-এর স্থায়ী ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হলো HackTheAI Powered by SmythOS (হ্যাক দ্য এআই পাওয়ার্ড বাই স্মাইথ ওএস)-এর [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%87%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4/">গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে জাতীয় হ্যাকাথনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (জিইউবি)-এর স্থায়ী ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হলো HackTheAI Powered by SmythOS (হ্যাক দ্য এআই পাওয়ার্ড বাই স্মাইথ ওএস)-এর গ্র্যান্ড ফিনালে। গ্রিন ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগ ও গ্রিন ইউনিভার্সিটি কম্পিউটার ক্লাব (জিইউসিসি) যৌথভাবে আয়োজিত চার দিনব্যাপী (২২–২৫ সেপ্টেম্বর) এই জাতীয় হ্যাকাথনে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।<br />
প্রতিযোগিতায় ৬০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪২টি দল নিবন্ধন করে। প্রাথমিক বাছাই শেষে ৫০টি দল ফাইনাল রাউন্ডে জায়গা পায়-যাদের মধ্যে ছিল গ্রিন ইউনিভার্সিটি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, শাবিপ্রবি, রুয়েট, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, এআইইউবি, ডিআইইউ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, আইইউটি, জাস্ট, মাবি প্রৌ, এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। ২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ফাইনালে অংশগ্রহণকারীরা টানা ৮ ঘণ্টা ধরে তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা, কোডিং দক্ষতা ও সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা উপস্থাপন করে। এর মধ্যে শীর্ষ ১০ দল সরাসরি প্রেজেন্টেশনের সুযোগ পায়, যেখানে তাদের কাজ মূল্যায়ন করেন একাডেমিয়া, ইন্ডাস্ট্রি ও SmythOS-এর বিশেষজ্ঞ বিচারকমণ্ডলী।<br />
প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের DU_Prometheus (ডিইউ_প্রমিথিউস) দল। প্রথম রানারআপ হয় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের Ontorponthik (অন্তর্পন্থিক) দল এবং দ্বিতীয় রানারআপ হয় রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের Ginger (জিঞ্জার) দল। বিজয়ীরা নগদ ৬০০ মার্কিন ডলার পুরস্কারের পাশাপাশি SmythOS-এর সঙ্গে ৭০০+ ডলারের রিমোট সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজের সুযোগ পাবে।<br />
সমাপনী অনুষ্ঠানে গ্রিন ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিনির্ভর নেতৃত্ব বিকাশে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন। আয়োজক সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. আহসান হাবিব অংশগ্রহণকারী, বিচারক, অতিথি ও অংশীদারদের ধন্যবাদ জানান। এছাড়াও সমাপনী অনুষ্ঠানে উদ্বুদ্ধমূলক বক্তব্য দেন মি. আরিফ ইস্তিয়াক সানি, সিনিয়র এআই ইঞ্জিনিয়ার, ব্রেইন স্টেশন ২৩।<br />
HackTheAI 2025 প্রমাণ করেছে যে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তি, সহযোগিতা ও বাস্তব সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বিকাশে একটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। এ প্রতিযোগিতা শুধু শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করেনি, বরং দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল বিশ্বে দক্ষতা ও সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের সক্ষম করে তুলতে জিইউবির ভিশনকে আরও সুসংহত করেছে।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%87%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4/">গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে জাতীয় হ্যাকাথনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সন্তান কোলে নিয়ে পরীক্ষা দিয়েও দেশ সেরা শামীমা</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 12 Jul 2025 01:05:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<category><![CDATA[দেশসেরা]]></category>
		<category><![CDATA[শামীমা আক্তার]]></category>
		<category><![CDATA[সাফল্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=13994</guid>

					<description><![CDATA[<p>এক মাসের কন্যা সন্তান কোলে নিয়ে পরীক্ষা দিয়েও ডিগ্রি পরীক্ষায় গোটা দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন শামীমা আক্তার। জাতীয় [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7/">সন্তান কোলে নিয়ে পরীক্ষা দিয়েও দেশ সেরা শামীমা</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>এক মাসের কন্যা সন্তান কোলে নিয়ে পরীক্ষা দিয়েও ডিগ্রি পরীক্ষায় গোটা দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন শামীমা আক্তার। জাতীয় বিশ্ববিদ্যায়ের অধীনে চলতি বছর অনুষ্ঠিত ডিগ্রি পরীক্ষায় শামীমা আক্তার বাগমারার হাটগাঙ্গোপাড়া ডিগ্রি কলেজ থেকে বিএসসি শাখায় পরীক্ষা দিয়ে এ সাফল্য অর্জন করেছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।</p>
<p>শামীমা আক্তার আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী এবং বাইগাছা গ্রামের সাহাদুল ইসলাম ও হাজেরা বিবির প্রথম সন্তান।</p>
<p>জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. এনামুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ২০২২ শিক্ষাবর্ষে চলতি বছরে অনুষ্ঠিত ডিগ্রি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শামীমা আক্তার সর্বোচ্চ নম্বর ও সর্বোচ্চ জিপিএ অর্জনসহ পরীক্ষার সার্বিক ফলাফলে দেশসেরা নির্বাচিত হয়েছেন।</p>
<p>শামীমা আক্তার এর আগেও বাইগাছা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অষ্টম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি এবং এসএসসিতে গোল্ডেন প্লাস অর্জন করেন। তিনি ভবিষ্যতে ম্যাজিস্ট্রেট হতে ইচ্ছুক। স্বামীর সংসারে থেকেও নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও মনোবল তার এই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি বলে জানান তিনি।</p>
<p>এদিকে শামীমা আক্তার হাটগাঙ্গোপাড়া ডিগ্রি কলেজ থেকে ডিগ্রি পরীক্ষায় বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করায় বৃহস্পতিবার কলেজের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>এ প্রসঙ্গে কলেজের অধ্যক্ষ এসএম মাহবুবুর রহমান বলেন, শামীমা আক্তার আমাদের কলেজকে গৌরবান্বিত করেছে। তার এই সাফল্য দেশব্যাপী কলেজের সুনাম আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7/">সন্তান কোলে নিয়ে পরীক্ষা দিয়েও দেশ সেরা শামীমা</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জিটিএফসি স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক যুগ পূর্তি</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%ab%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%95/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 07 Jan 2025 01:49:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=13917</guid>

					<description><![CDATA[<p>গত ৫ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে সাভারের জিটিএফসি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এক যুগ পূর্তি উদযাপন করেছে। ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%ab%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%95/">জিটিএফসি স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক যুগ পূর্তি</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>গত ৫ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে সাভারের জিটিএফসি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এক যুগ পূর্তি উদযাপন করেছে। ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ ১২ বছরে স্থানীয় জনগণের মাঝে মানসম্মত শিক্ষার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।</p>
<p>পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে স্কুলের জিনজিরা ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন স্কুলের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল র‌্যালি, কেক কাটা, আলোচনা সভা এবং নবীন বরণ।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আত্মোন্নয়ন ও শিশুশিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষক এবং প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও নির্বাহী প্রধান, মো. বাকীবিল্লাহ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “জিটিএফসি স্কুলের এই দীর্ঘ যাত্রা সম্ভব হয়েছে আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে। আমরা ভবিষ্যতেও শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য কাজ করে যাব।”</p>
<p>জিটিএফসি ফাউন্ডেশনের মহাসচিব ও স্কুলের জিনজিরা ক্যাম্পাসের পরিচালক শরীফ হুসাইন এতে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন- জিটিএফসি ফাউন্ডেশনের ট্রেজারার ও জিটিএফসি স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল মো. নাজমুল হাসান।</p>
<p>প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি স্থানীয়দেরকে মুগ্ধ করে। এছাড়াও, স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণ ও পরামর্শমূলক বক্তৃতা উপস্থিত শিক্ষার্থীদেরকে অনুপ্রাণিত করেছে।</p>
<p>জিটিএফসি স্কুলের এক যুগ পূর্তি উদযাপন স্থানীয় মানুষের মনে শিক্ষার প্রতি নতুন উদ্দীপনা সঞ্চার করেছে। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%ab%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%95/">জিটিএফসি স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক যুগ পূর্তি</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিচারপতিদের অপসারণ ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%ae%e0%a6%a4/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 20 Oct 2024 16:59:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=13819</guid>

					<description><![CDATA[<p>সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে দেয়া আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তি করেছেন আপিল বিভাগ। এর [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%ae%e0%a6%a4/">বিচারপতিদের অপসারণ ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে দেয়া আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তি করেছেন আপিল বিভাগ।</p>
<p>এর মধ্য দিয়ে বহুল আলোচিত বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদ সদস্যদের হাত থেকে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের কাছে দেয়া হয়েছে।</p>
<p>রোববার (২০ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৬ বিচারপতির বেঞ্চ এই রায় দেন। এ রায়ের ফলে কোনো বিচারপতির বিরুদ্ধে অসমর্থতা ও পেশাগত অসদাচরণের কোনো অভিযোগ উঠলে, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।</p>
<p>আদালতে রিটকারি পক্ষের শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরশেদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন এটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। আদালতের অনুমতি নিয়ে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।</p>
<p>সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস করা হয়। ওই বছরের ২২ সেপ্টেম্বর তা গেজেট আকারে প্রকাশ হয়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ন্যস্ত করে সংবিধানের এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একই বছরের ৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের নয়জন আইনজীবী হাইকোর্টে একটি রিট করেন। সে রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৫ মে হাইকোর্টের তিন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন। হাইকোর্টের দেয়া ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। সে আপিলের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ৩ জুলাই তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের আপিল খারিজ করে রায় দেন। বহুল আলোচিত ওই রায়ের পর্যবেক্ষণে, দেশের গণতন্ত্র, রাজনীতি, সামরিক শাসন, নির্বাচন কমিশন, সুশাসন, দুর্নীতি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপসহ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।</p>
<p>তবে আপিল বিভাগের দেয়া সে রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় রাষ্ট্রপক্ষ ৯০৮ পৃষ্ঠার এ রিভিউ আবেদনে ষোড়শ সংশোধনীর পক্ষে ৯৪টি যুক্তি দেখিয়ে আপিল বিভাগের রায় বাতিল চাওয়া হয়েছিল।</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%ae%e0%a6%a4/">বিচারপতিদের অপসারণ ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রবাস ফেরত নারীকর্মীদের বেশিরভাগই জরায়ুর সমস্যায় ভুগছেন কেন?</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[জিনিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 20 Oct 2024 16:39:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[বাছাইকৃত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=13815</guid>

					<description><![CDATA[<p>বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে দেশে ফিরে চিকিৎসাসহায়তার জন্য ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে আবেদন করেন নারী কর্মীরা। বিগত তিন বছরে ওয়েজ [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0/">প্রবাস ফেরত নারীকর্মীদের বেশিরভাগই জরায়ুর সমস্যায় ভুগছেন কেন?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে দেশে ফিরে চিকিৎসাসহায়তার জন্য ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে আবেদন করেন নারী কর্মীরা। বিগত তিন বছরে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের এসব আবেদনপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, অসুস্থদের বেশির ভাগ ভুগছেন জরায়ুর সমস্যায়। কিন্তু কেন?</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="7eqj8">বিদেশফেরত অসুস্থ নারী কর্মীদের বেশির ভাগেরই জরায়ু সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজের গাইনি বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফারজানা বেগম বলেন, ‘‌আমি এ ধরনের কিছু রোগীকে ফেস করেছি। কয়েকজনকে চিকিৎসা দিয়েছি। যতটুকু জেনেছি প্রবাসে তারা নিয়মিত চেকআপ করাতে পারেন না। অসুস্থ হলে ডাক্তারের কাছে যেতে পারেন না। অনেকে দেশে ফেরার পর পরিবারের কাছে নিজের সম্মান অক্ষুণ্ন রাখার জন্য শারীরিক নির্যাতনের কথা গোপন রাখেন। মাঝবয়সী নারীদের জরায়ুর সমস্যা হতে পারে। আবার অস্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইলের কারণেও হতে পারে। এছাড়া সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজের কারণেও জরায়ু সমস্যা দেখা দিতে পারে।’</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="d62t0">বিদেশফেরত চিকিৎসাবঞ্চিত নারী শ্রমিকরা জানান, নিয়োগদাতাদের কাছ থেকে অমানবিক আচরণের শিকার হতে হয়েছে তাদের। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিয়োগদাতারা অতিরিক্ত খাটালেও তাদের নিয়মিত খাবার খেতে দিত না। নিয়মিত যৌন ও শারীরিক নিপীড়নের শিকার হয়েছেন অনেকে। নিপীড়ন ও পরিশ্রমে অসুস্থ হলেও চিকিৎসকের কাছে নেয়া হতো না তাদের।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="adu6o">এমনই এক ভুক্তভোগী তাসলিমা (ছদ্মনাম)। স্বামী মারা যাওয়ার পর পরিবারের হাল ধরতে ওমানে গৃহকর্মীর কাজে যেতে হয় তাকে। পাঁচ সদস্যের পরিবারের ভরণপোষণের জন্য বিদেশে গেলেও অসুস্থ হয়ে পড়ায় বছর ঘুরতে না ঘুরতেই দেশে ফিরে আসতে হয় তাকে। ভিসা অনুযায়ী যে কাজের প্রতিশ্রুতি ছিল, সেটি পাননি। হাঁস-মুরগির খামারেও কাজ করতে হয়েছে। দুই হাতে পাহাড়ি রাস্তায় পানির ড্রাম বয়ে বেড়াতে হয়েছে তাকে। ঠিকমতো ঘুমানোর সময় দেয়া হয়নি। সারা রাত হাত-পা বাঁকা হয়ে থাকত। একদিন কাজ করতে না পারায় দুদিন খাবার জোটেনি। খাবার চাইলে গালাগাল শুনতে হয়েছে। অমানুষিক খাটনির পর অসুস্থ হয়ে পড়লে নিয়োগদাতা তাকে নিজের খরচে ডাক্তার দেখাতে বলেন। বাসা থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে হাসপাতালে আসা-যাওয়া করতে হয়েছে হেঁটে।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="a3kuu">তাসলিমা বলেন, ‘‌রমজানে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। মালিক বলে তুই বেশি অসুস্থ হলে নিজের টাকায় চিকিৎসা নিবি। আমি নিজের টাকায় চিকিৎসা নিয়েছি। অল্প ওষুধ আর স্যালাইনেই ২৫ রিয়াল গেছে। পাঁচ কিলোমিটার দূরে হাসপাতালে হেঁটে যেতে হয়েছে। কোনো ধরনের চিকিৎসা না পেয়ে দেশে ফিরতে হয়েছে।’</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="a3kuu">ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে গত তিন বছরে চিকিৎসার জন্য অর্থসহায়তা চেয়ে আবেদন করেছেন প্রবাসফেরত ১২৫ নারী শ্রমিক। তাদের মধ্যে ৫০ জনই জরায়ুর সমস্যায় আক্রান্ত। কিডনির জটিলতা ও ক্যান্সারে আক্রান্ত যথাক্রমে ১৪ ও ১১ জন। এর বাইরে প্রবাসে শারীরিক নির্যাতনে আহত হয়ে চিকিৎসার জন্য অর্থসহায়তা চেয়েছেন ৫০ জন। এ নারীদের সবাই বিদেশ থেকে চিকিৎসাবঞ্চিত অবস্থায় দেশে ফিরেছেন। তাদের মধ্যে ৮৭ জনই ফিরেছেন সৌদি আরব থেকে। বাকিদেরও বেশির ভাগই এসেছেন জর্ডান, ওমান, লেবানন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="6l3em">২০২৪ সালে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে অর্থসহায়তার জন্য আবেদন করেছেন প্রবাসফেরত ৫৬ নারী। এর মধ্যে ২০ জন সহায়তা চেয়েছেন জরায়ু সমস্যার চিকিৎসার জন্য। বাকিদের মধ্যে কিডনির জটিলতা ও ক্যান্সারে ভুগছেন যথাক্রমে ১০ ও সাতজন। শারীরিক নির্যাতনের শিকার ১৯ জন। ২০২৩ সালে সহায়তা চাওয়া প্রবাসফেরত ৪৪ নারী কর্মীর মধ্যে ২০ জন জরায়ুর সমস্যায়, তিনজন ক্যান্সারে এবং দুজন কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন। বাকি ১৯ জন শারীরিক নির্যাতনে আহত অবস্থায় দেশে ফেরেন। ২০২২ সালে অর্থসহায়তার জন্য আবেদন করেছিলেন মোট ২৫ জন। তাদের মধ্যে ১২ জনই শারীরিক নির্যাতনের শিকার। জরায়ুর সমস্যায় ভুগছিলেন ১০ জন। কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন দুজন। ক্যান্সার আক্রান্ত ছিলেন একজন।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="6l3em"><em>বণিক বার্তা</em></p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0/">প্রবাস ফেরত নারীকর্মীদের বেশিরভাগই জরায়ুর সমস্যায় ভুগছেন কেন?</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নভেম্বর থেকে জানুয়ারি &#8211; বাংলাদেশে নাশকতার আশঙ্কা</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/opinion/%e0%a6%a8%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%ac/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[শাফায়েত আহমেদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 19 Sep 2024 01:07:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[দেশের নিরাপত্তা]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকের বাছাই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=13768</guid>

					<description><![CDATA[<p>বিশ্বস্ত একটা গোয়েন্দা সূত্র থেকে একটা খবর জানতে পারলাম। নভেম্বর থেকে জানুয়ারি &#8211; বাংলাদেশে অনেকগুলো বড় ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড হওয়ার [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/opinion/%e0%a6%a8%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%ac/">নভেম্বর থেকে জানুয়ারি &#8211; বাংলাদেশে নাশকতার আশঙ্কা</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্বস্ত একটা গোয়েন্দা সূত্র থেকে একটা খবর জানতে পারলাম। নভেম্বর থেকে জানুয়ারি &#8211; বাংলাদেশে অনেকগুলো বড় ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড হওয়ার সম্ভাবনা আছে।<br />
প্রশ্ন ১ &#8211; নভেম্বর থেকে জানুয়ারি কেন? সময়টা পরিচিত লাগছে কারো? নভেম্বরের ৫ তারিখ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। আর ফলাফল অনুযায়ী নতুন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব গ্রহণ করবে ২০২৫ এর ২০ জানুয়ারি। যদি সরকার পরিবর্তন হয়, এই সময়টা একটা বেশ লম্বা ট্রানজিশন পিরিয়ড। সাধারনত এই সময়টায় বিদায়ী সরকার অনেকটা ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’ মুডে থাকে। এই সময়ে তারা বড় ধরনের কোন পলিসি মেকিং সিদ্ধান্ত নেয় না। আন্তর্জাতিকভাবেও বড়সড় কোন ঝামেলায় তারা জড়ায় না। আর সুযোগটাই আমাদের পরম বন্ধুরাষ্ট্র নেওয়ার চেষ্টা করবে বলে আমার সূত্র আমাকে জানিয়েছে।</p>
<p>প্রশ্ন ২, কি ধরনের ‘গোলমাল’ হতে পারে? অনেক কিছুই হতে পারে। প্রথমত, আমাদের বন্ধুর প্লেবুকের সবচেয়ে কমন খেলা &#8211; হিন্দুদের উপর আক্রমন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগেই অক্টোবর মাসে আসছে দুর্গাপূজা; এদেশের হিন্দুদের সবচেয়ে বড় উৎসব। আগে থেকে হুশিয়ার না থাকলে কোন সন্দেহ ছাড়া এবারের দুর্গাপূজায় মন্দির/ প্রতীমা ভাংচুর, হিন্দু বাড়ি/ আশ্রমে আক্রমন, ইত্যাদির একাধিক ঘটনা ঘটতে পারে। দ্বিতীয়ত, পশ্চিমাদের আরেকটা প্রিয় খাবার জিনিস &#8211; তথাকথিত ‘জ-ং-গী’ হামলা। তৃতীয়ত, আমাদের অর্থনৈতিক লাইফলাইন &#8211; গার্মেন্টসে হামলা/ অগ্নিকান্ডের ঘটনা। চতুর্থত, পার্বত্য চট্টগ্রামে অশান্তি। পঞ্চমত, টেকনাফে রোহিঙ্গাদের নিয়ে নতুন করে কোন ঘটনা।</p>
<p>প্রশ্ন ৩, এগুলো কেন ঘটবে? কারাই বা এগুলো ঘটাবে? বন্ধুর সবচেয়ে বড় সেবাদাসীটা লাথি খেয়ে এখন তার বাড়িতেই আশ্রিতার মত আছে; অন্নধ্বংস করে যাচ্ছে। তার এত বছরের ইনভেস্টমেন্ট এভাবে চোখের নিমেষে বানের পানিতে ভেসে যাবে, আর আমাদের বন্ধু কিছু না করে বসে থাকবে? বিশেষ করে যেহেতু বন্ধু জানে, আমাদের বর্তমান সরকারের আন্তর্জাতিক সমর্থনের একটা বড় ফ্যাক্টর হচ্ছেন স্বয়ং ডঃ ইউনুস; বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্টে তার গ্রহনযোগ্যতার কারনে। তার কারনেই এখন পর্যন্ত বন্ধু বেশি কিছু করতে পারছে না। কিন্তু নভেম্বর থেকে জানুয়ারির সেই দোদুল্যমান সময়ে যেখানে আমেরিকানদের নিজেদেরই একটা পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে, সেখানে বন্ধু এরকম মোক্ষম সুযোগ কেন ছাড়বে?</p>
<p>এগুলো ঘটানোর জন্য আমাদের বন্ধু কয়েক ধরনের এসেট ব্যবহার করবে। প্রথমত, কিছু স্থানীয় ভাড়াটে দুষ্কৃতিকারী। পয়সা দিয়ে এদের মাধ্যমে যেকোন কিছুই করানো যাবে। দ্বিতীয়ত, তাদের রক্ষিতাটার যে কর্মী-সমর্থকগুলো এখনও আমাদের মাঝে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে আছে তারা। তৃতীয় এবং সবচেয়ে বিপদজনক এসেট হচ্ছে সেনাবাহিনী, পুলিশ আর প্রশাসনে তার দাসীর যে সেবাদাসগুলো এখনও বহাল তবিয়তে রয়ে গেছে সেগুলো। এরা কিন্তু নিজেরা কিছু করবে না, বরং তাদের এই নিষ্ক্রিয়তাটাই এদের সবচেয়ে বড় কাজ হবে। পুলিশ এখন পর্যন্ত তাদের পূর্বের ৫০% ফাংকশনিং ও ফেরত পায় নাই। এদের মধ্যে আবার অনেকেই গোপালি/ এক্স ছাত্রলীগ জাতীয় ব্যাকগ্রাউন্ডের। সেনাবাহিনীর ভেতরের খবর যেহেতু আমি হরহামেশাই পাচ্ছি, আমি জানি অধিকাংশ ডিভিশনের জিওসিরা এখনও হাসিনার নিয়োগ করা। গ্রাউন্ড লেভেলের অধিকাংশ অফিসারদের অভিযোগ &#8211; তাদের জিওসিরা তাদেরকে নিষ্ক্রিয় করে রাখছে। সেনাবাহিনী জেলা পর্যায়ে ডেপ্লয়েড, কিন্তু গ্রাউন্ডে তারা কাজ করতে পারছে না তাদের জিওসি আর ব্রিগেড কমান্ডারদের অনীহা, অসহযোগিতা আর অনাগ্রহের কারনে। অনেক ক্ষেত্রেই এই জিওসিরা গ্রাউন্ড লেভেলের অফিসারদের উদ্যমকে বাধাগ্রস্থ করছেন ইচ্ছাকৃতভাবেই। সিলেট, বরিশাল, রামু, সাভার, বগুড়া, রংপুর &#8211; এই সমস্ত ডিভিশন থেকেই আমি প্রায় একই রকম খবর পেয়েছি।</p>
<p>হাসিনার পতনের পরে কোন ডিভিশন থেকেই বলতে গেলে তার রেখে যাওয়া জিওসিদের সরানো হয় নি। একমাত্র যশোরের জিওসি’র হাসিনাকে কদমবুসি করার ভিডিও ভাইরাল হয়ে যাওয়ায় আর গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ দ্বারা সেনাবাহিনীর উপর হামলার ঘটনা সামলাতে ব্যর্থ হওয়ায় সম্ভবত তাকে সরানো হয়েছে, তাও আবার ডিজি ডিজিডিপির মত একটা ভাইটাল জায়াগায় তাকে পাঠিয়ে। অথচ, ইউনিফর্মকে এভাবে অসম্মান করার জন্যই এই ভদ্রলোককে নিদেনপক্ষে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া প্রয়োজন ছিল; তার অন্যান্য কুকীর্তির কথা না হয় নাই বললাম! সাহসী এবং বোল্ড কোন এ্যাকশন না নিতে পারার জন্য সরকার এবং সেনাবাহিনী এখন পর্যন্ত যেরকম ভুগে যাচ্ছে, ভবিষ্যতে আরও বেশি ভুগবে বলে আমার আশংকা। নজরদারির মধ্যে থেকেও লেঃ জেনারেল মুজিবের পলায়ন সেটাই নির্দেশ করে।</p>
<p>এখন তাহলে কী করণীয়? বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটার আগেই একটা ম্যাসিভ ক্লেন্সিং দরকার। সেনাবাহিনী থেকে হাসিনার রেখে যাওয়া জিওসিদের যত দ্রুত সম্ভব অপসারন। আমাদের সেনাবাহিনীতে যোগ্য অফিসারের অভাব নেই। একসাথে আট দশজন জেনারেলকে বাড়ি পাঠিয়ে দিলেও তাদের জায়গা নেওয়ার মত তার কয়েকগুন সংখ্যক অফিসার খুব সহজেই পাওয়া যাবে। দরকার শুধু একটা বোল্ড সিদ্ধান্ত। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের পর আমাদের নতুন সেনাবাহিনী তরুণ অফিসাররাই চালিয়েছিলেন। অবশ্যই তাদের অনভিজ্ঞতার জন্য অনেক সমস্যা হয়েছে, কিন্তু সেনাবাহিনী তাও চলেছে। একটা খু-নির রেখে যাওয়া তথাকথিত বন্ধুরাষ্ট্রের কাছে মাথা বর্গা দেওয়া এই জেনারেলদের সরিয়ে দিলেও আমাদের সেনাবাহিনী খুব ভালো মতই চলবে। একই ঘটনা প্রয়োজন পুলিশ ও প্রশাসনেও।</p>
<p>যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ এলাকা আর কেপিআইগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা প্রয়োজন। শিল্পাঞ্চলগুলোতে বর্ণিত সময়ে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। দুর্গাপূজার সময় সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আশেপাশের মন্দির/ পূজা মন্ডপের বাড়তি নিরাপত্তার প্রয়োজন হবে। এটা শুধু পুলিশ আর সেনাবাহিনী দিয়ে হবে না; দরকার হলে স্থানীয় জনগনের সমন্বয়ে কম্যুনিটি পুলিসিং এর আয়োজন করতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের সেনাবাহিনীর বিশেষ নজরদারির প্রয়োজন হবে। একই জিনিস প্রযোজ্য রামু আর টেকনাফে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকাগুলোতেও। সেখানকার জিওসি আর কমান্ডারদের নিষ্ক্রিয়তা একটা বিশাল অশনি সংকেত; সেই এলাকার একাধিক অফিসারের কাছ থেকেই আমি এটাই জেনেছি। বছরের পর বছর হাসিনার এসএসএফ আর ডিজিএফআই/ এনএসআই জাতীয় সংস্থায় কাজ করে আসা মানুষজন যখন রামুর মত স্পর্শকাতর স্থানে ডিভিশন/ ব্রিগেডের কমান্ড পেয়ে যান, বিপর্যয় ডেকে আনার জন্য তা যথেষ্ট! কার্যকরী পদক্ষেপের অভাব দেশ ও সেনাবাহিনীকে ভোগাবে।</p>
<p>এই আলোচনার কিছু অংশ আমি গোয়েন্দা সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য থেকে বলেছি; কিছুটা বলেছি সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ডিভিশনের অফিসারদের সাথে কথা বলে। আর কিছুটা অবশ্যই আমার আগের অভিজ্ঞতালব্ধ বিশ্লেষন ও অনুমান। আমি মনে প্রাণে চাইব, আমার এই বিশ্লেষন আর অনুমানগুলো যেন ভুল প্রমানিত হয়। কিন্তু যেকোন বিপর্যয়ে রিয়্যাক্টিভ মেজার থেকে যে প্রো-এ্যাক্টিভ মেজার অনেক বেশি ফলপ্রসূ সেটা আমার ধারনা দায়িত্বশীল যারা আছেন, তারা আমার চেয়ে অনেক ভালো জানেন। আমি আশা করব, সবার শুভবুদ্ধির উদয় হবে। হাজারো শহীদের রক্তে কেনা এই নতুন স্বাধীনতা কোনভাবেই আমরা হাতছাড়া করতে পারি না!</p>
<p>লেখক : সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/opinion/%e0%a6%a8%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%ac/">নভেম্বর থেকে জানুয়ারি &#8211; বাংলাদেশে নাশকতার আশঙ্কা</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিএনপি-জামায়াতের একই সুর!</title>
		<link>https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a7%81/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[মো. বাকীবিল্লাহ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Sep 2024 16:18:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>
		<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.gnewsbd.com/?p=13751</guid>

					<description><![CDATA[<p>জামায়াত ও বিএনপির মূল নেতৃত্বের কথায় ঐকতান আছে। কিন্তু কিছু নেতা বা মাঠ পর্যায়ের লোকজনের মধ্যে দেখছি টুকটাক বিষয় নিয়ে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a7%81/">বিএনপি-জামায়াতের একই সুর!</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>জামায়াত ও বিএনপির মূল নেতৃত্বের কথায় ঐকতান আছে। কিন্তু কিছু নেতা বা মাঠ পর্যায়ের লোকজনের মধ্যে দেখছি টুকটাক বিষয় নিয়ে কুরুক্ষেত্র বাধিয়ে ফেলছেন। ৫ আগস্টের পর জনাব তারেক রহমান সর্বপ্রথম অতীতের প্রতিহিংসার রাজনীতি ছুড়ে ফেলে ইনসাফ ও উদারতার রাজনীতির আহ্বান জানান। তিনি বলেন- বিজয়ীর কাছে পরাজিতরা নিরাপদ থাকলে বিজয়ের আনন্দ মহিমান্বিত হয়। যার প্রেক্ষাপটে সজীব ওয়াজেদ জয় বিএনপি নেতৃত্বের প্রশংসা করে রাজনীতিতে আসার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। জনাব তারেক রহমান প্রত্যেকটি বক্তৃতায় দলীয় নেতাকর্মীদেরকে উদারতা ও ইনসাফের মাধ্যমে জনগণের মন জয় করার পরামর্শ দেন।</p>
<p>অন্যদিকে জামায়াতের আমির মাত্র কয়েক দিন আগে আওয়ামী লীগ কর্মীদেরকে দলীয়ভাবে ক্ষমা করে দেয়ার কথা বলেছেন। তবে ক্ষতিগ্রস্ত কেউ আইনের আশ্রয় নিতে চাইলে তাদেরকে সার্বিকভা্বে সহায়তা দেয়ার কথাও বলেছেন তিনি।</p>
<p>উভয় দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব অনেকটা একই সুরে কথা বলছেন। যেটা ফ্যাসিবাদ দূর করার ক্ষেত্রে তাদের দূরদর্শিতার পরিচয় বহন করছে। অথচ বিষয়টা নিয়ে দুই দলের মাঠ পর্যায়ের লোকেরা তর্কে জড়াচ্ছেন। পরস্পর হামলে পড়ছেন। সম্পর্ক হালকা করে ফেলছেন।</p>
<p>হয়তো শিগগিরই কেন্দ্রীয় নির্দেশে আবারও উভয় দলের মাঠ পর্যায়ের কর্মীদেরকে যৌথভাবে কাজ করতে হতে পারে। তাই পরস্পর ঘৃণার চাষ না করে সম্পর্ক ভালো রেখে যার যার দলীয় কাজ করে যাওয়াই হবে বুদ্ধিমানের পরিচয়।</p>
<p>লেখক: <em>সাংবাদিক ও রাজনীতি গবেষক</em></p>
<p>The post <a href="https://www.gnewsbd.com/country-wide/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a7%81/">বিএনপি-জামায়াতের একই সুর!</a> appeared first on <a href="https://www.gnewsbd.com">জিনিউজ বিডি ডটকম</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
