ট্রেনের অগ্রিম টিকিট ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে

আসন্ন ঈদ উপলক্ষে প্রতিদিন ২ লাখ ৫০ হাজার যাত্রী পরিবহনের টার্গেট নিয়ে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলকর্তৃপক্ষ। এছাড়া ঈদের আগের ৩দিন (২২-২৪ সেপ্টেম্বর) এবং ঈদের পরের ৭ দিন (২৭-৩ অক্টোবর ) ৭ জোড়া স্পেশাল ট্রেন সার্ভিস চালু করা হবে।

এছাড়া আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত আন্তঃনগর ট্রেনের সকল স্টাফদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে রেল ভবনে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে বাস্তবায়ন কৌশলসহ কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে রেলপথ মন্ত্রী মুবিজুল হক এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী জানান, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর বিক্রি হবে ২০ সেপ্টেম্বর যাত্রার টিকিট। এবং ২২, ৩৩, ২৪ সেপ্টেম্বরের টিকিট পাওয়া যাবে ক্রমান্বয়ে ১৭, ১৮, ১৯ সেপ্টেম্বর।

ঈদের পরবর্তী সময়ে রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, দিনাজপুর ও লালমনিরহাট রেল স্টেশন থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় ২৭ সেপ্টেম্বরের টিকিট পাওয়া যাবে ২৩ সেপ্টেম্বর। ২৮ সেপ্টেম্বরের টিকিট ২৪ সেপ্টেম্বরে, ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বরের টিকিট ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ১ অক্টোবরের টিকিট পাওয়া যাবে ২৭ সেপ্টেম্বর।

মন্ত্রী আরো জানান, একজন যাত্রী ৪টির বেশী টিকিট ক্রয় করতে পারবেন না এবং বিক্রিত টিকিট ফেরৎ নেয়া হবে না।

টিকিট কালোবাজারী রোধে রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী, খুলনাসহ সকল বড় বড় স্টেশনে জিআরপি, আরএনবি ও স্থানীয় পুলিশ, র‌্যাব এর সহযোগিতায় টিকেট কালোবাজারী প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক প্রহরায় নিয়োজিত থাকবেন।’ এছাড়া জেলা প্রশাসকের সহায়তায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।

এবার ঈদে ৭ জোড়া স্পেশাল ট্রেন আগামী ২২ সেপ্টেম্বর থেকে চলাচল করবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এসব ট্রেনের মধ্যে রয়েছে দেওয়ানগঞ্জ স্পেশাল, চাঁদপুর স্পেশাল-১, চাঁদপুর স্পেশাল-২, পার্বতীপুর স্পেশাল, খুলনা স্পেশাল, সোলাকিয়া স্পেশাল-১ ও ২। এছাড়া অতিরিক্ত যাত্রী বহনে ১৯৯টি লোকোমটিভের সাথে আরো ২৫টি ইঞ্জিন সরবরাহ করা হবে।’ এছাড়া দৈনিক ৮৮৬টি কোচ এর সাথে অতিরিক্তি ১৩৮টি কোচ যুক্ত করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।

এ সময় রেল সচিব ফিরোজ সালাউদ্দিন, রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আমজাদ হোসেন, অতিরিক্ত মহাপরিচালকসহ র‌্যাব, পুলিশ, আনসার, রেলওয়ের পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।