‘নারীর ক্ষমতায়ন মানে যৌনতা নয়’

দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত ‘মাই বডি, মাই মাইন্ড, মাই চয়েস’ ভিডিওটি এরই মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে। পাশাপাশি ভিন্ন প্রতিক্রিয়াও পাচ্ছেন দীপিকা। প্রশংসার সঙ্গে সমালোচনাও শুনতে হচ্ছে এ অভিনেত্রীকে। এমনকি সহঅভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা অনেকটা কটাক্ষ করেই সমালোচনা করেছেন।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতে মুক্তি পেয়েছে হোমি আদজানিয়া ও দীপিকা পাড়ুকোনের যৌথ উদ্যোগে তৈরি শর্ট ফিল্ম ‘মাই বডি, মাই মাইন্ড, মাই চয়েস’। এই ভিডিওতে মহিলার ক্ষমতায়ন নিয়ে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। কাকে বিয়ে করবেন, কার সঙ্গে থাকবেন, বিয়ের আগে সেক্স করবেন না পরে, সন্তানের জন্ম দেওয়ার ইচ্ছে, সম্পূর্ণটাই একজন নারীর সিদ্ধান্ত, এমনটাই বোঝানো হয়েছে ভিডিওতে।

এদিকে ভারতীয় একটি ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সোনাক্ষী সিনহা বলেছেন, তিনি ভিডিওটা দেখেননি। তবে যতটা শুনেছেন, তাতে তার মনে হয়েছে, মহিলাদের ক্ষমতায়ন নিয়ে দীপিকা বলতে চেয়েছেন। যে বার্তাটা এই ‘মাই বডি, মাই মাইন্ড, মাই চয়েস’ দিতে চেয়েছে তা নিঃসন্দেহে খুবই ভাল উদ্যোগ,  কিন্তু মহিলাদের ক্ষমতায়ন শুধু যৌনতা, শরীরের মাপ বা বিয়ে করাতে আটকে নেই দাবি সোনাক্ষীর। তিনি মনে করেন, যথেষ্ট বিলাসিতার মধ্যে বড় হলে ক্ষমতায়ন ও তার প্রয়োজনীয়তা বাস্তবে বোঝা সম্ভব নয়। কিন্তু পোশাক, সাজ, বিয়ে, যৌনতার অনেক উর্দ্ধে মহিলাদের ক্ষমতায়ন। মহিলাদের ক্ষমতা বাড়বে যদি শিক্ষার আলো প্রত্যেকের কাছে সঠিক ভাবে পৌঁছায়, প্রতিটি নারী সম্মানের সঙ্গে অর্থ উপার্জন করতে পারে। সোনাক্ষীর ভাষায় সেই সমস্ত নারী যারা সমাজে বেঁচে থাকার জন্যে প্রতিমুহূর্তে লড়াই করছে, তাদের যদি ক্ষমতায়ন হয়, তাহলেই হবে মহিলাদের আসল ক্ষমতায়ন।

দেখা যাক সোনাক্ষীর বক্তব্যের জবাব দীপিকা কিভাবে দেন।